রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৭ পি.এম
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি দাবি করেছে যে, তারা সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে সফল হামলা চালিয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে এই সামরিক অভিযানের দাবি করা হয়। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলুর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
হুতি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানান, সৌদি জোটের অব্যাহত বিমান ও সামরিক হামলার জবাবে তারা এই পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি রিয়াদ তাদের সামরিক কার্যক্রম বন্ধ না করে, তাহলে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ সীমানার আরও গভীরে বড় ধরনের হামলা চালানো হবে।
তবে, হুতিদের এই সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি সম্পর্কে সৌদি সরকারি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে, শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স দপ্তর জানায়, দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জাজান অঞ্চলের আল-তুওয়াল গভর্নরেটে সীমান্ত পেরিয়ে আসা একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানে। এই হামলায় দুজন সাধারণ নাগরিক আহত হন। এছাড়া, বিস্ফোরণের ফলে স্থানীয় একটি মসজিদ, একাধিক আবাসন ভবন ও বেশ কয়েকটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানায় সৌদি কর্তৃপক্ষ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পরিবারের অভাব-অনটন দূর করার উদ্দেশ্যে এবং স্বজনদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজের সন্ধানে নড়াইলের কালিয়া থেকে ঢাকায় পাড়ি দিয়েছিলেন জনি খান, যিনি রিকশাচালক ফোরকান খানের বড় ছেলে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে ঠেলে দেওয়া হয় এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের দিকে।
মানবপাচার চক্রের সদস্যরা জনিকে ভালো কাজের আশ্বাস দিয়ে ঢাকা থেকে টেকনাফে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মাত্র ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পরে, মাছ ধরার ট্রলারে করে অবৈধ পথে তাকে থাইল্যান্ডে পাচার করা হয়। সেখানে শুরু হয় তার ওপর অমানবিক নির্যাতন।
প্রায় চার মাস ধরে থাইল্যান্ডের একটি জঙ্গলে আটকে রেখে জনিকে নির্যাতন করা হয়। এ সময় তার পরিবারের কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অভাবের সংসারে এত টাকা জোগাড় করতে না পারায়, একপর্যায়ে ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়ে দেন স্বজনেরা।
মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে জনিকে অন্য একটি পাচারকারী চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেখান থেকে অবৈধ পথে তাকে পাঠানো হয় মালয়েশিয়ায়। সেখানে প্রায় দুই মাস ধরে কঠোর নির্যাতনের শিকার হন তিনি। একপর্যায়ে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে, একটি ক্লিনিকের সামনে অচেতন অবস্থায় জনিকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় চক্রটির সদস্যরা।
দীর্ঘ সাত মাসের দুঃস্বপ্ন শেষে দেশে ফিরেছেন জনি, যিনি নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের বাগুডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। তবে দেশে ফিরেও তার জন্য স্বস্তি নেই। শরীরজুড়ে নির্যাতনের ক্ষত রয়েছে। এখন পরিবারের চিন্তা, কীভাবে হবে তার উন্নত চিকিৎসা।
জনির বাবা ফোরকান খানের পরিবারের আর্থিক অবস্থা নাজুক। জরাজীর্ণ টিনের ঘর এবং দুই শতক জমিই তাদের শেষ সম্বল। রিকশা চালিয়ে কোনোভাবে সংসার চালান ফোরকান। পরিবারের হাল ধরতে কাজের সন্ধানে ঢাকায় পাড়ি দিয়েছিলেন বড় ছেলে জনি। তার স্বপ্ন ছিল কাজ করে পরিবারের অভাব ঘোচানো। কিন্তু সেই স্বপ্নই তাকে নিয়ে যায় ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের পথে।
ফোরকান খান বলেন, "কাজ দেওয়ার কথা বলে প্রথমে জনিকে টেকনাফে নেওয়া হয়। সেখানে একটি দালালচক্রের হাতে তুলে দেওয়ার পর মাছ ধরার নৌকায় করে জোরপূর্বক তাকে থাইল্যান্ডে পাচার করা হয়। সেখানে পরিবারের কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা দিতে না পারায় জনির ওপর নির্যাতন চালানো হয়।"
ফোরকান বলেন, "আমরা গরিব মানুষ। চার লাখ টাকা কোথা থেকে দেব? টাকা দিতে না পারায় ছেলেটাকে মারধর ও নির্যাতন করা হয়েছে। প্রায় চার মাস পর তাকে আবার মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।"
জনি জানান, "পরিবারের অভাব কিছুটা দূর করার আশায় আমি ঢাকায় গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে কাজ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়ি। এর মধ্যে এক ব্যক্তির মাধ্যমে মানবপাচার চক্রের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। ভালো কাজের কথা বলে আমাকে টেকনাফে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই শুরু হয় একের পর এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।"
জনির স্বজনেরা বলেন, "ভালো জীবনের আশায় ঘর থেকে বেরিয়েছিলেন জনি। কিন্তু মানবপাচারকারীদের কারণে তাকে সাত মাস ধরে সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে।" তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতারের দাবি জানান। একই সঙ্গে জনির উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা চান তারা।
এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, "বাংলাদেশ হাইকমিশনের কার্যালয় থেকে তথ্য পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। পরে জনি তার পরিবারের কাছে ফিরে এসেছেন। নিয়মের মধ্যে থেকে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার খরচ বহনের ব্যবস্থা করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাকসুদা ইয়াসমিনের অপসারণের জন্য মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নার্সিং ইনস্টিটিউটের সামনে অনুষ্ঠিত হয় এই মানববন্ধন।
ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন যে, মাকসুদা ইয়াসমিন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ, কটূক্তি, অত্যাচার, প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়ে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির মতো কার্যকলাপ করেছেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, "সকল শিক্ষার্থীর ওপর অবিচার, কটূক্তি, অত্যাচার, অন্যায় আচরণ, প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়ে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির প্রতিবাদে আজকের এই মানববন্ধন। আমরা ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিনকে তার পদ থেকে অপসারণের দাবি জানাচ্ছি।"
শিক্ষার্থীরা আরও উল্লেখ করেন, "যদি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাকসুদা ইয়াসমিনকে পদ থেকে অপসারণ করা না হয়, তাহলে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।"
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে নার্সিং ইনস্টিটিউট, শেরপুরের ইনচার্জ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাকসুদা ইয়াসমিন আরটিভিকে বলেন, "শিক্ষার্থীরা আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগের ভিত্তিতে মানববন্ধন করছে, তার একটি অভিযোগও যদি যৌক্তিক হয় এবং তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে আমি তা মাথা পেতে নেব।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নার্সিং ইনস্টিটিউটের নার্সিং ইন্সট্রাক্টর গুলশান আরা ও শরিফা আক্তার মিলে এই ইস্যুটি তৈরি করে শিক্ষার্থীদের তার বিরুদ্ধে উসকে দিয়েছেন।
মাকসুদা ইয়াসমিন আরও বলেন, "আমি এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের অনুরোধ করছি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ ছত্তিশগড় এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সাথে মিলিত হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিত অংশ রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর আরেকটি বর্ধিত অংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বাংলাদেশের উপর মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
এই লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগে আগামী ৫ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসাথে কিছু অঞ্চলে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের শঙ্কাও রয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাস সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এ সময়ে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এসময়ে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এই ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এছাড়া, বর্ধিত পাঁচদিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পদ্মা নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর ছাত্রদল নেতা রাকিবুজ্জামান রকির মরদেহ নৌ পুলিশ উদ্ধার করেছে। পাবনার ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নের চরকুড়ুলিয়া এলাকায় পদ্মার শাখা নদী থেকে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাকিবুজ্জামান রকি (৩০) ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌরসভার কবিরপুর এলাকার মৃত হাসান আলীর ছেলে এবং তিনি শৈলকুপা পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব ছিলেন। লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা সকালে চরকুড়ুলিয়া আকাতের ঘাট এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে একটি মরদেহ ভেসে যেতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয় এবং তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। রাকিবুজ্জামান রকি গত শুক্রবার রাতে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে ট্রলার দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হন।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহের শৈলকুপা থেকে ১২০ জনের একটি দল ট্রলার ভাড়া নিয়ে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার সোলাইমান শাহর মাজারে বেড়াতে যান। ফেরার পথে তারা ঈশ্বরদীর পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টের কাছে পৌঁছালে পানির তীব্র স্রোতে ব্রিজের চার নম্বর পিলারের সঙ্গে ট্রলারের ধাক্কা লাগে। এই দুর্ঘটনায় ছাত্রদল নেতা রাকিবুজ্জামান রকি, লিটন (২৮) এবং ওহাব (৪৫) নামে আরও দুজন ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে যান।
এ সময় ট্রলারে থাকা অন্যরা লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও রকি তীব্র স্রোতের কারণে পানিতে তলিয়ে যান। নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে দুই দিন অভিযান চালালেও ছাত্রদল নেতা রাকিবুজ্জামান রকির সন্ধান পাওয়া যায়নি। পুলিশ ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম বলেন, "আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ