মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৪৮ পি.এম
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাসিন্দা প্রবাসী স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের অব্যাহত মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বরিশাল বিএম কলেজের মেধাবী ছাত্রী ঝুমুর খানম সেতু বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মৃতের বোন মিতারা খানম বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
আত্মহত্যার প্ররোচনা ও সহায়তা করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে মৃত ঝুমুর খানম সেতুর কুয়েত প্রবাসী স্বামী গৌরনদীর চরগাধাতলী গ্রামের কাজী সাহাবুদ্দিন, তার মা রুনু বেগম, বোন শারমিন কাজী, নাজমিন কাজী এবং তার স্বামী সাইদুল হাওলাদার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে সামাজিকভাবে কাজী সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে ঝুমুর খানম সেতুর বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে সাইফা নামে চার বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।
মৃতের স্বজনদের দাবি, বিয়ের পর থেকে আসামিরা ঝুমুরকে নানা কারণে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। তিন বছর আগে কাজী সাহাবুদ্দিন কাজের সুবাদে কুয়েত যান এবং পরবর্তী সময়ে তার নির্দেশে তার মা, বোন ও বোন-জামাতা ঝুমুরের ওপর মানসিক নির্যাতন অব্যাহত রাখেন। একপর্যায়ে তাদের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ডিসেম্বর মাসে ঝুমুর একমাত্র মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।
ঘটনার দিন, ৪ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে প্রবাসী সাহাবুদ্দিন ভিডিও কলের মাধ্যমে ঝুমুরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বিষপান করে আত্মহত্যার কথা বলেন। ফলে স্বামীর অব্যাহত মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ঝুমুর বাবার ঘরে থাকা ঘাস মারার ওষুধ (বিষ) পান করেন।
পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে প্রথমে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ওই রাতেই বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ৫ অক্টোবর দুপুরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঝুমুরের মৃত্যু ঘটে। পরে, মৃতের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে ৬ অক্টোবর রাতে বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ঝুমুরকে দাফন করা হয়।
ঝুমুরের বাবা করিম খান জানান, বিয়ের সময় পর্যাপ্ত মালামাল না দেওয়া, পাঁচশ বরযাত্রীকে না আনাসহ এবং তার মেয়ে দেখতে সুন্দরী না হওয়ার অজুহাতসহ বিদেশে যাওয়ার সময় সাহাবুদ্দিন ও তার পরিবারের দাবীকৃত পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক না দেওয়ার কারণে ঝুমুরকে মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে করিম খান বলেন, "এভাবে যেন আর কোনো বাবা-মায়ের তার মেয়েকে হারাতে না হয়। আমি আমার মেয়ে ঝুমুরের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে হেনস্তার ঘটনার প্রেক্ষিতে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান।
ডা. জাহেদ উল্লেখ করেন, ড. ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে, যা তিনি আওয়ামী সন্ত্রাস হিসেবে অভিহিত করেছেন। এ বিষয়ে সরকার আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, "প্রতিশোধ নয়, ন্যায় বিচার নিশ্চিতে হাসিনাকে ফেরত চায় ঢাকা।"
তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, যারা মারাত্মক ফৌজদারি অপরাধে জড়িত, তাদের বিচার হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, "যে দল মানবতাবিরোধী অপরাধ করে চলে গেছে, তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অনুতাপের কোনো লক্ষণ নেই। বরং তারা নানা সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে।" ড. ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে কারণ তার অপরাধ ছিল শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণ করা। একই ধরনের আচরণের শিকার হয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীও।
ডা. জাহেদ বলেন, যে দল দেশের ভেতরে সহিংসতা ও সন্ত্রাস উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করে, তাদের প্রধান করে; সেখানে সরকারের পক্ষ থেকে রিকনসিলিয়েশনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
তিনি জানান, যদি রিকনসিলিয়েশনের কোনো সম্ভাবনা থেকে থাকে, তাহলে তা আওয়ামী লীগকে তাদের জায়গা থেকে বলার কথা ছিল। তিনি বলেন, "দুই বছর পরে এবং তাদের আচরণ দেখে রিকনসিলিয়েশনের আদৌ কোনো সম্ভাবনা আমি দেখি না।" ক্ষমা চাওয়া বা অনুতাপের বিষয় দূরে থাকুক; তারা হুমকি দিচ্ছে এবং সহিংসতা উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
ডা. জাহেদ আরও বলেন, ড. ইউনূস, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তার চেষ্টা আওয়ামী সন্ত্রাস। এ বিষয়ে লিগ্যাল প্রসেস শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও নেওয়া হবে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের এ ধরনের পদক্ষেপ আনচ্যালেঞ্জড যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অনলাইনে আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের সদস্য শামীম আহমেদ (৩০) সহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ সোমবার (১২ অক্টোবর) এ তথ্য প্রকাশ করেন।
মো. ছুফি উল্লাহ জানান, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে এক ব্যক্তির সাথে পরিচয়ের সূত্র ধরে ভুক্তভোগী বাদী একটি প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে আয়ের প্রলোভনে প্রতারণার শিকার হন। প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে বাদীর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে।
একপর্যায়ে, যখন ভুক্তভোগী তার অর্থ উত্তোলন করতে চান, তখন প্রতারক চক্রটি তাকে সিকিউরিটি ফি জমা দেওয়ার কথা বলে আরও অর্থ আদায় করে। পরবর্তীতে, ভুক্তভোগীকে তার প্রাপ্য অর্থ বুঝিয়ে না দিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকলে তিনি মতিঝিল থানায় মামলা করেন।
সিআইডির এই কর্মকর্তা তদন্তের তথ্য জানিয়ে বলেন, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে প্রতারক চক্রের দেওয়া একটি বেসরকারি ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে মোট ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়। সেই অর্থ পরবর্তী সময়ে প্রতারক চক্রের নির্দেশিত অন্য একটি ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য জানিয়ে মো. ছুফি উল্লাহ বলেন, গ্রেপ্তার শামীম আহমেদের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অনলাইন প্রতারণাসংশ্লিষ্ট অর্থ লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছে। এসব অর্থের উৎস, গন্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মামলাটির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি, ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাব এবং প্রতারণার অর্থের চূড়ান্ত গন্তব্য শনাক্তে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এ নিয়ে এই মামলায় শামীম আহমেদসহ মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে একজন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে দেশের প্রথম অনগ্রিড সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনার একটি উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই কেন্দ্র থেকে সূর্যের আলো ব্যবহার করে প্রতিদিন উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। প্রায় ৫০ বছর ধরে অব্যবহৃত পাহাড়ের জমিতে ৭ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র জাতীয় গ্রিডে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট সোলার বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে, যার বাজার মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।
রাঙ্গামাটি কাপ্তাই কর্ণফুলী জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানিয়েছেন, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বর্তমানে দু’টি প্রকল্পের কাজ চলছে। দেশের প্রথম অনগ্রিড সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে একটি পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে।
মাহমুদ হাসান আরও জানান, ১৯৬২ সালে কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পর কাপ্তাই বাঁধের পাশে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা প্রায় ২২ একর জমির ১৯ একর জমিতে ২০১৯ সালে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়, যার ব্যয় ছিল প্রায় ১শ’ ১১ কোটি টাকা।
এখন এই অব্যবহৃত জমিতে সারি সারি সৌর প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। এই সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পটি শুধু পরিত্যক্ত জমির ব্যবহার নিশ্চিত করছে না, বরং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির নতুন উৎসও তৈরি করছে। সূর্যের আলো থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়ার ফলে এটি দেশের অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত হচ্ছে।
কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রকল্পটি অত্যন্ত লাভজনক। জনবল এবং খরচ কম হওয়ায় রক্ষণাবেক্ষণের জন্য শুধু পরিস্কার রাখতে হয়। আবহাওয়া খারাপ হলে উৎপাদন কিছুটা কমলেও উৎপাদন বন্ধ হয় না। পাহাড়ের পরিত্যক্ত এলাকায় এই প্রকল্পগুলোর প্রসার ঘটলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।
মাহমুদ হাসান আরও জানান, কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে বর্তমান কেন্দ্রের সঙ্গে আরও ১ মেগাওয়াট এবং নতুন ৭ দশমিক মেগাওয়াট প্রকল্পের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, আমাদের ব্রিকফিল্ডে একটি ৭ দশমিক ৬ মেগাওয়াট পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে এবং এর টেন্ডার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা বাড়াতে ১ মেগাওয়াট সম্প্রসারণের পাশাপাশি ৭ দশমিক ৬ মেগাওয়াটের নতুন প্রকল্পের কাজ বর্তমানে পুরোদমে এগিয়ে চলছে।
তিনি জানান, সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে তেল, গ্যাস, কয়লার প্রয়োজন হয় না। এই সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি করছে। সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরাসরি কোনো জ্বালানি পোড়াতে হয় না, ফলে আমদানি নির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে এবং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ সুরক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে জ্বালানি আমদানির ব্যয় কমে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে। কাপ্তাইয়ে সৌর বিদ্যুতের পরিধি আরও বাড়ানোর উদ্যোগও চলছে।
কাপ্তাইয়ের এই সফল সম্ভাবনাকে দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কাজে লাগানোর পাশাপাশি ছাদভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ, কৃষিভিত্তিক সোলার এবং সোলার পার্ক স্থাপনে আরও বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের অন্যান্য অনাবাদি এবং উপযুক্ত জমিতে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প বাড়ানো গেলে জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব বিদ্যুতের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। পরিকল্পিত বিনিয়োগ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সরকারি সহায়তার মাধ্যমে এমন উদ্যোগকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, যাতে জ্বালানি আমদানির চাপ কমিয়ে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় নবায়নযোগ্য শক্তির অংশ বৃদ্ধি পায়।
দেশের এক দশমাংশ অঞ্চলজুড়ে তিন পার্বত্য জেলার অবস্থান রয়েছে। এই অঞ্চলের পরিত্যক্ত বা অব্যবহৃত সুবিশাল পাহাড়ি অঞ্চলকে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় এনে কাজে লাগানো গেলে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার বিশাল একটি যোগান দেওয়া সম্ভব। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে পাহাড়ের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজন সরকারি উদ্যোগ। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আবুধাবি টেস্টে বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করছে আফগানিস্তান। পঞ্চম দিনে হার এড়ানোর উদ্দেশ্যে ব্যাট করতে নেমে তারা আরও বিপদে পড়েছে। বলের আঘাতে আহত হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন হাশমতউল্লাহ শহীদি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পঞ্চম দিনের খেলার তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ওই ওভারের চতুর্থ বলে সেদিকুল্লাহ আতাল একটি সিঙ্গেল নেন। দৌড়ে রান নেওয়ার সময় ফিল্ডারের থ্রো এসে লাগে হাশমতউল্লাহর পায়ের প্যাডে।
এরপর হাশমতউল্লাহ খোঁড়াতে শুরু করেন, যিনি ২০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। মাঠে ফিজিও তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও তিনি ব্যাটিং চালিয়ে যেতে পারেননি। ফিজিওর সহায়তায় তাকে ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ হিসেবে মাঠ ছাড়তে হয়।
ক্রিজে নতুন ব্যাটার হিসেবে যোগ দিয়েছেন ইকরাম আলীখিল। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আফগানিস্তান ৬৯ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান সংগ্রহ করেছে। বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৭ উইকেট।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ