বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪১ পি.এম
যুক্তরাজ্যের সাবেক লেবার পার্টির নেতা এবং বর্তমান স্বতন্ত্র এমপি জেরোমি করবিন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসন ও বর্বর হামলার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে যুক্তরাজ্যের সামরিক সহযোগিতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে করবিন উল্লেখ করেন যে, ইসরায়েল কর্তৃক যুক্তরাজ্যের সামরিক অবকাঠামো ব্যবহার অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত। তিনি যুক্তরাজ্যে এলবিট সিস্টেমসের (Elbit Systems) অস্ত্র উৎপাদন এবং ইসরায়েলি এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করার জন্য জোরালো দাবি জানান।
করবিন সাক্ষাৎকারে বলেন, "আমি যুদ্ধের অবসান এবং ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য স্থায়ী শান্তি দেখতে চাই। ইসরায়েলে যারা শান্তি চান, আমি তাদেরও সমর্থন করি। কিন্তু ইসরায়েল সরকার তাদের রাষ্ট্রীয় আচরণের যেকোনো সমালোচনাকেই 'ইহুদিবিদ্বেষ' (Anti-Semitism) বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট কথা।"
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক আইনের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে সাবেক এই লেবার নেতা আরও বলেন, "আন্তর্জাতিক আইন রক্ষায় আমাদের একযোগে দাঁড়াতে হবে। গাজা এবং পশ্চিম তীরে জরুরি ত্রাণ পৌঁছানো সুনিশ্চিত করতে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি অবৈধ দখলদারিত্বের অবসান ঘটাতে জাতিসংঘকে আরও কার্যকর ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে একটি সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
০৯ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হক সভার সভাপতিত্ব করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডাঃ ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুমাইয়া মমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: সেলিম মিঞা, টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আনিসুর রহমান, এবং সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ।
সভায় বক্তাগণ ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং এ বিষয়ে কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের প্রদর্শন করা আচরণকে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অনুচিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন।
আইনমন্ত্রী বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে সংসদ সদস্য নজিবুর রহমান মোমেনের উত্থাপিত বক্তবে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
আইনমন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি বলেন, একজন দায়িত্বশীল আইনজীবী হিসেবে এজলাসে এ ধরনের আচরণ মোটেও বাঞ্ছনীয় ছিল না। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, বিচার বিভাগ, শাসন বিভাগ কিংবা আইন বিভাগ রাষ্ট্রের এই তিন প্রধান অঙ্গের কোনোটির সঙ্গেই আইনজীবীদের এই সংগঠনের সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা নেই।
সংসদে বক্তব্যের শুরুতেই সংসদ সদস্য নজিবুর রহমান মোমেন 'খোকন ইস্যু' ও সুপ্রিম কোর্টে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, বিচার বিভাগ হলো জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার অন্যতম স্থান। সেখানে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা জনগণকে কী বার্তা দিচ্ছে, তা সবাইকে গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা করতে হবে। তিনি বিগত ফ্যাসিবাদী আমলের স্মৃতি উল্লেখ করে সতর্ক করেন যে, সে সময় প্রধান বিচারপতিকে অস্ত্রের মুখে পদত্যাগে বাধ্য করার মতো দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছিল। ফলে এমন পরিস্থিতি দেখলে জনগণের মনে আতঙ্ক তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান অঙ্গ আইন, শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর জোর দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, কোনো অঙ্গই এককভাবে সার্বভৌম নয় এবং কোনোটি অন্যটির ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে না। জনগণকে আশ্বস্ত করতে তিনি এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি করেন।
আইনমন্ত্রীর জবাবে সুপ্রিম কোর্টের বার ও বেঞ্চের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, সংবিধানের অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান তিনটি অঙ্গের মধ্যে আইনজীবী বা বার অ্যাসোসিয়েশন সরাসরি পড়ে না, তারা মূলত জনগণেরই অংশ।
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির আচরণকে অনুচিত আখ্যা দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, অতীতেও সুপ্রিম কোর্টে প্রবীণ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ দেখা গেছে, যা পরবর্তী সময়ে এজলাসের বাইরে চা পানের টেবিলে সাধারণ সম্পর্কে রূপ নিয়েছে। প্রধান বিচারপতি পরদিন স্বাভাবিকভাবে বিচারকাজ পরিচালনা করায় এবং সংশ্লিষ্ট আইনজীবী সেখানে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনা করায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে বলে আইনমন্ত্রী জানান। তিনি সংবিধানে উল্লিখিত ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের আলোকে সকল নাগরিককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
এদিকে অন্য একটি প্রসঙ্গে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে মুন্সিগঞ্জের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান নিজের নিরাপত্তার দাবি জানান। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তার এলাকায় হাইডোগ্রাফিক পদ্ধতিতে অবৈধ বালুমহাল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এই ভালো কাজ করার পর ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে কোনো ধরনের সুরক্ষা পাননি, বরং বালুমহল কেন্দ্রিক অসাধু গোষ্ঠী ও বালুখেকোরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন উপায়ে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এই অবস্থায় ভবিষ্যতে সৎ কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিবেশ বজায় রাখতে তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে স্পিকারের মাধ্যমে প্রটেকশন দাবি করেন।
স্পিকার এ সময় সংসদে ভূমিমন্ত্রীর অনুপস্থিতির কথা উল্লেখ করলেও বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নজরে এনে সদস্যের যথাযথ নিরাপত্তার আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী জেলার বাগমারার ভবানীগঞ্জে সোনালী ব্যাংক পিএলসি-এর গ্রাহক এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই সভাটি বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় সোনালী ব্যাংক পিএলসি, ভবানীগঞ্জ শাখার উদ্যোগে শাখা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বর্তমান ও সম্ভাব্য ঋণগ্রহীতা, খেলাপি ঋণগ্রহীতা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির রাজশাহী জেনারেল ম্যানেজার্স অফিসের জেনারেল ম্যানেজার (ইনচার্জ) মো. শওকত জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রিন্সিপাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. কামরুজ্জামান।
সভাপতিত্ব করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি ভবানীগঞ্জ শাখার শাখা প্রধান (অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার) এ, এইচ মাহমুদুন্নবী।
মতবিনিময় সভায় সোনালী ব্যাংক রাজশাহীর অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার বিভূতিভূষণসহ ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তা ও গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় গ্রাহকদের মধ্যে নজরুল ইসলাম, আমছের আলী সান্টু, সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, জুলফিকার আলী ভুট্টো এবং রুহুল কুদ্দুস উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি ভবানীগঞ্জ শাখার সিনিয়র অফিসার শফিকুর রহমান।
মতবিনিময় সভায় ব্যাংকের ঋণ কার্যক্রম, গ্রাহকসেবা এবং ঋণগ্রহীতাদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়। সভায় ব্যাংক ও গ্রাহকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠান শেষে ১২ জন গ্রাহকের মাঝে ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া খেলাপি ঋণ আদায় করা হয়েছে ৮ লাখ ৮৪ হাজার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদে আবারও হট্টগোলের দৃশ্য দেখা গেল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্যের কারণে সংসদ কক্ষে তীব্র হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
ব্যাংক রেজল্যুশন বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে তার একটি নির্দিষ্ট চরিত্র প্রকাশ পায়, যা অতীতেও দেখা গেছে।’
বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে তিনি নিজের নির্ধারিত দুই মিনিটের বক্তব্য দিতে দাঁড়িয়ে এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, প্রত্যেকটি সরকারের একটি নির্দিষ্ট চরিত্র থাকে, মাননীয় স্পিকার। বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না। বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আবার সারের সংকট হবে না, সারে যারা গরীব কৃষক রয়েছেন তারা সার কারখানায় গিয়ে সেটা লুট করবেন না, সেটাও হতে পারে না। মাননীয় স্পিকার, বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং দুর্নীতিতে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবে না, সেটাও সম্ভব নয়। মাননীয় স্পিকার, বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং বাংলাদেশ প্রথমবারের মত ঋণ খেলাফিতে সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করবে না, সেটাও হতে পারে না। সুতরাং বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানেই ঋণ খেলাফিতে সর্বোচ্চ হওয়া, ৬ লাখ হাজার কোটি টাকার ওপরে ঋণ খেলাপি হওয়া ইত্যাদি।
তিনি বলেন, সংসদে এত অসহিষ্ণুতা! মনে হচ্ছে যেন আমরা আবারও আওয়ামী লীগের আমলে ফিরে গেছি। মজা মন্দ না! আওয়ামী লীগকে যখন বলতাম, তখন তারাও হট্টগোল করত। এখন এরাও একই ধরনের আচরণ করছে; বরং আরও খারাপ আচরণ বলব।
স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, এই আইনটিতে ১৮-র ‘ক’ ধারা যুক্ত করা হয়েছে। বলা হয়েছিল ১৮-র ‘ক’ রাখা হবে না, কিন্তু তা আছে। এর কারণ হচ্ছে, এই সংসদে বেশিরভাগ সংসদ সদস্য ঋণ খেলাপি হিসেবে পরিচিত। ওই নির্বাচনের আগে নামটা কাটানোর জন্য হাইকোর্টে গিয়ে রিট করা, এগুলো আমাদের পুরানো সংস্কৃতি। মাননীয় স্পিকার, নির্বাচনের আগে তাড়াতাড়ি ঋণ খেলাপি থেকে নাম বাদ দেয়, আর নির্বাচনের পর...।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ