ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না


বিএনপি ক্ষমতায় আসলে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না

জাতীয় সংসদে আবারও হট্টগোলের দৃশ্য দেখা গেল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্যের কারণে সংসদ কক্ষে তীব্র হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

ব্যাংক রেজল্যুশন বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে তার একটি নির্দিষ্ট চরিত্র প্রকাশ পায়, যা অতীতেও দেখা গেছে।’

বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে তিনি নিজের নির্ধারিত দুই মিনিটের বক্তব্য দিতে দাঁড়িয়ে এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

রুমিন ফারহানা বলেন, প্রত্যেকটি সরকারের একটি নির্দিষ্ট চরিত্র থাকে, মাননীয় স্পিকার। বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না। বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আবার সারের সংকট হবে না, সারে যারা গরীব কৃষক রয়েছেন তারা সার কারখানায় গিয়ে সেটা লুট করবেন না, সেটাও হতে পারে না। মাননীয় স্পিকার, বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং দুর্নীতিতে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবে না, সেটাও সম্ভব নয়। মাননীয় স্পিকার, বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং বাংলাদেশ প্রথমবারের মত ঋণ খেলাফিতে সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করবে না, সেটাও হতে পারে না। সুতরাং বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানেই ঋণ খেলাফিতে সর্বোচ্চ হওয়া, ৬ লাখ হাজার কোটি টাকার ওপরে ঋণ খেলাপি হওয়া ইত্যাদি।

তিনি বলেন, সংসদে এত অসহিষ্ণুতা! মনে হচ্ছে যেন আমরা আবারও আওয়ামী লীগের আমলে ফিরে গেছি। মজা মন্দ না! আওয়ামী লীগকে যখন বলতাম, তখন তারাও হট্টগোল করত। এখন এরাও একই ধরনের আচরণ করছে; বরং আরও খারাপ আচরণ বলব।

স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, এই আইনটিতে ১৮-র ‘ক’ ধারা যুক্ত করা হয়েছে। বলা হয়েছিল ১৮-র ‘ক’ রাখা হবে না, কিন্তু তা আছে। এর কারণ হচ্ছে, এই সংসদে বেশিরভাগ সংসদ সদস্য ঋণ খেলাপি হিসেবে পরিচিত। ওই নির্বাচনের আগে নামটা কাটানোর জন্য হাইকোর্টে গিয়ে রিট করা, এগুলো আমাদের পুরানো সংস্কৃতি। মাননীয় স্পিকার, নির্বাচনের আগে তাড়াতাড়ি ঋণ খেলাপি থেকে নাম বাদ দেয়, আর নির্বাচনের পর...।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিগত ১৭ বছরের দুর্নীতির ওপরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ নিচ্ছে বর্তমান সরকার।’

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদকে একথা জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি কমিটি গঠন করেছিল এবং সেই কমিটি সমগ্র দেশের মানুষের সামনে একটি শ্বেতপত্র বা এই ধরনের একটি রিপোর্ট-হোয়াইট পেপার প্রকাশ করেছিল। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল অর্থনীতির বিষয়টি। ওই পেপারটা যদি বের করে দেখেন তাহলে মোটামুটিভাবে পরিষ্কার একটি চিত্র পাবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার সেই পেপারটিকে সামনে রেখে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত পর্যায়ক্রমে চেষ্টা করা হচ্ছে সেই সকল পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য।’

প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ বৃদ্ধি ও ব্যয় বৃদ্ধি সাধারণত একটি কারণে হয় না। প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, ক্রয় প্রক্রিয়া, ব্যবস্থাপনার একাধিক দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই সমস্যা তৈরি করে। প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতার বিষয়টি বর্তমান সরকারের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর এ বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমত, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো: দুর্বল ফিজিবিলিটি স্টাডি, প্রকল্পের ব্যয় প্রাক্কলন যথাযথ না হওয়া, প্রকল্প এলাকা নির্বাচনে দুর্বলতা, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, ইউটিলিটি স্থানান্তরে বিলম্ব, ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ না দেওয়া, দুর্বল মনিটরিং ও জবাবদিহিতা, অর্থায়ন পরিকল্পনা ও বাজেট সামঞ্জস্যের ঘাটতি এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের অভাব ইত্যাদি।’

এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলো হচ্ছে, নতুন প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে নির্ভুল সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রণয়ন নিশ্চিত করা, প্রকল্প অনুমোদনের পর প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রস্তুতি ত্বরান্বিত করা, প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধন সংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশিকা সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে নির্দেশিকার সংশোধন, চলমান প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি মনিটরিং জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগে ড্যাশবোর্ড স্থাপন, নিয়মিত প্রকল্প পর্যালোচনা ও মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি বৃদ্ধি, ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তর কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের মধ্যে সমন্বয় জোরদার, যে সব প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হয়নি, সে সব প্রকল্পের বিলম্ব, অনিয়ম, ব্যয় বৃদ্ধি ও সংশোধনের কারণ নিরূপণের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় কর্তৃক পর্যালোচনাপূর্বক বিলম্বের জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সব প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৩০ শতাংশের কম সেসব প্রকল্পের উপযোগিতা ও কার্যকারিতা বিবেচনা করে প্রকল্পগুলো পুনর্বিন্যাস, স্কোপ পরিবর্তন কিংবা চলমান রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয়/বিভাগ কর্তৃক যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ, বিচ্ছিন্নভাবে প্রকল্প গ্রহণ না করে সমন্বিত কর্মসূচির অধীনে গুচ্ছ প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ই-জিপি ব্যবহারের সম্প্রসারণ, পেশাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দায়িত্বের ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণ, বিদ্যমান নীতিমালা হালনাগাদ, সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেলের প্রকল্প গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্ব প্রদানের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান এবং সরকারি ক্রয় অধিকতর প্রতিযোগিতা এবং জবাবদিহিতামূলক করতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুল ২০২৫ হালনাগাদ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

সাময়িক সংকটকালীন সময়ে শিল্পখাতে গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিকল্পনাগুলো হচ্ছে: ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১৫০টি কূপ খনন, দেশীয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে মোট ৪,৫০০ লাইন কি.মি. ২ডি সাইসমিক (দ্বি-মাত্রিক) সার্ভে এবং ৪,২০০ বর্গ কি.মি. ৩ডি সাইসমিক (ত্রি-মাত্রিক) সার্ভে পরিচালনা, সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উত্তোলনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের জন্য গত ২৪ মে আন্তর্জাতিক বিডিং রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। নভেম্বর পর্যন্ত বিড দাখিলে সময়সীমা নির্ধারণ আছে। স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি-২০২৬ প্রণয়নের কার্যক্রম গ্রহণ।’

তিনি বলেন, ‘দেশে বিদ্যমান দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে কমবেশি গড়ে দৈনিক ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। ভবিষ্যতে আকস্মিক গ্যাস সংকটে শিল্পখাত যেন বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন না হয় তা নিশ্চিতের জন্য মহেশখালির কুতুবজোমে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়িতে একটি ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিকল্পনা অনুযায়ী কুতুবজোম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল হতে ২০২৮ সালে এবং ল্যান্ড-বেইজড এলএনজি টার্মিনাল হতে ২০৩০ সালের ডিসেম্বরে নাগাদ রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ করা হবে আশা করা যায়।’

পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূল বিবেচনায় গভীর সমুদ্রে কোনো সুবিধাজনক স্থান নির্বাচন করে জরুরি ভিত্তিতে নতুন একটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে মেইনল্যান্ডে এনে আগ্রহী গ্রাহক শিল্প প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। গ্যাসপ্রাপ্তি সাপেক্ষে শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের মত পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

ভোলার গ্যাস ব্যবহার প্রসঙ্গে সুলতানা আহমেদের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভোলায় যে গ্যাস রয়েছে সেই গ্যাসকে যদি পাইপলাইনের মাধ্যমে মেইনল্যান্ডে নিয়ে আসতে চাই, তাহলে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অন্তত সাত বছরের মত সময় লাগবে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যেটি করতে চাচ্ছি তা হলো-সেখানে শিল্প কারখানা স্থাপন করা যায় কিনা। এরই মধ্যে কিছু শিল্প উদ্যোক্তা সেখানে তাদের কারখানা স্থাপনের চেষ্টা করছেন। যেগুলো গ্যাস দ্বারা পরিচালিত হবে। এর ফলে একদিকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে, অন্যদিকে অর্থনীতির পরিধিও বৃদ্ধি পাবে ভোলা অঞ্চলে। এর বাইরেও সেখানকার গ্যাসকে সঠিকভাবে দেশের স্বার্থে ব্যবহারের জন্য একটি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। একইসঙ্গে পাঁচশ মেগাওয়াটের আরেকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের আলোচনা চলছে।’

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে তিনটায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট ছিলো প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুদক হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ পি.এম


দুদক হারুনের বিরুদ্ধে দুই মামলায় চার্জশিট দিয়েছে

ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় চার্জশিট অনুমোদন করেছে।

আজ বুধবার, দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য প্রকাশ করেন।

দুদক জানায়, সজেকা, ঢাকা-১-এর মামলা নং ১৬ (১৭ ডিসেম্বর ২০২৪) অনুযায়ী হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে ২১ কোটি ২৮ লাখ ৯ হাজার ৬০৫ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর বিপরীতে ব্যয় বাদে তার বৈধ আয় ১ কোটি ২৯ লাখ ১৫ হাজার ৬ টাকা, ফলে হারুনের বিরুদ্ধে ১৯ কোটি ৯৮ লাখ ৯৪ হাজার ৫৯৯ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সত্যতা নিশ্চিত করেছে দুদক।

অন্যদিকে, ১৮ নং মামলায় হারুন অর রশীদ এবং তার ভাই এ বি এম শাহারিয়ারকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় শাহারিয়ারের ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৫৫৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সত্যতা পাওয়া গেছে। এছাড়া হারুনের কাছ থেকে হেবা সূত্রে ১ হাজার ৮৫০ শতাংশ জমি পাওয়ার পাশাপাশি সম্পদ স্থানান্তর ও মানিলন্ডারিংয়ের প্রমাণও পাওয়া গেছে।

দুদক জানায়, মামলা দুটির তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। তদন্তে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, আয়কর নথি ও ব্যাংক লেনদেন পর্যালোচনা করা হয়েছে।

মামলা দুটিতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের পাশাপাশি অপরাধলব্ধ সম্পদের অবৈধ উৎস গোপন, সম্পদ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতা পাওয়া গেছে।

হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১), দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

এ বি এম শাহারিয়ারের বিরুদ্ধে এসব ধারার পাশাপাশি দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রশিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু

ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

আজ বুধবার সমাজসেবা অধিদপ্তরের মধুমতি মিলনায়তনে এই প্রশিক্ষণের কার্যক্রম শুরু হয়, যা আগামীকাল শেষ হবে।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহ্বুবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প হচ্ছে-ফ্যামিলি কার্ড। ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন কাজ নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর।"

মন্ত্রী আরও বলেন, "এই কাজের ভিত্তি হচ্ছে-তথ্য সংগ্রহ। এই কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের তাই উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিতে হবে। তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব প্রশিক্ষকদের। আমরা বিশ্বাস করি, আন্তরিকতার সাথে প্রশিক্ষকবৃন্দ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন এবং পরবর্তীতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণ দেবেন।"

তিনি উল্লেখ করেন, "প্রশিক্ষকবৃন্দ যেহেতু সরকারের নিয়মিত স্টাফ। তাই আপনাদের দায়িত্ব অনেক বেশী। আগামী চার বছর আপনারা প্রশিক্ষণ দেবেন। শুধু প্রশিক্ষণ দেওয়ার মধ্যেই দায়িত্ব সীমাবদ্ধ নয়, মাঠ পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতেও আপনাদেরকেই ভূমিকা পালন করতে হবে।"

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড বর্তমান সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। বর্তমান সরকার শপথ গ্রহনের মাত্র দশ দিনের মাথায় এই প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রকল্পের পাইলটিং থেকে আমরা দিক নির্দেশনা পেয়েছি, সেই দিক নির্দেশনার আলোকে পরিচালিত প্রশিক্ষণ শতভাগ সফল হবে।"

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড সর্বজনীন। দেশের দেড় কোটি পরিবারের কাছে স্বপ্ন পৌঁছে দেওয়ার কাজ এটি। এই কাজে সম্পৃক্ত থাকতে পারা অনেক গৌরবের। তাই ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজ স্বচ্ছতার সঙ্গে যথাযথভাবে হতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলার উন্নয়নে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


ভোলার উন্নয়নে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোলার উন্নয়নে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন।

আজ বুধবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে ভোলা-৪ আসনের নুরুল ইসলাম নয়নের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘ভোলার যে প্রাকৃতিক সম্পদ আছে, সেই সম্পদ আমরা দেশের মানুষের জন্য যেমন ব্যবহার করতে চাই, পাশাপাশি ভোলার মানুষ যাতে উপকৃত হয় সেটিও আমাদের লক্ষ্য।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ভোলা একটি দ্বীপ জেলা। এজন্য আমাদের প্রথম পরিকল্পনা হচ্ছে এই জেলাকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা। সেতু নির্মাণ করে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা এটি সম্পন্ন করতে চাই। দ্বিতীয়ত, ভোলায় ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে একটি ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপন করতে চাই।’

ভোলায় শিল্পায়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের আমরা উৎসাহিত করছি। ইতোমধ্যে বেশ কিছু উদ্যোক্তা সেখানে শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আমরা আরও কিছু মানুষের সঙ্গে আলোচনা করছি, যারা সেখানে কলকারখানা স্থাপন করবেন। এর মাধ্যমে আমরা ভোলাকে গড়ে তুলতে চাই। সেখানকার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে চাই।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে তিনটায় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রথম ৩০ মিনিট ছিলো প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব।

আজ প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন নির্ধারিত ছিলো। এরমধ্যে তিনটি প্রশ্ন এবং সাতটি সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর তিনি প্রদান করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%