মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৪ পি.এম
ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: টেরিটরি সেলস ম্যানেজার
বিভাগ: কম্পিউটার প্রোডাক্টস
পদসংখ্যা: ২
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে বিবিএ বা স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি।
অন্যান্য যোগ্যতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, আইটি পণ্য বিক্রয় ও বিতরণের ক্ষেত্রে দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১ থেকে ৩ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: মাঠ পর্যায়ে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ২৫ থেকে ৩০ বছর
কর্মস্থল: কুমিল্লা, রাজশাহী
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
প্রার্থীদের জন্য অন্যান্য সুবিধা হিসেবে প্রভিডেন্ট ফান্ড, মোবাইল বিল, পারফরম্যান্স বোনাস, বিমা, লভ্যাংশ বা মুনাফার অংশ, বছরে ২টি উৎসবকালীন বোনাস এবং প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট প্রদান করা হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে আবেদন করতে পারবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাসে বসে জানালা দিয়ে আমড়া, শসা কিংবা পেয়ারা মাখা কেনার অভ্যাস অনেকের। পথে হাঁটতে হাঁটতে ঝালমুড়ি, ছোলা বা ভাজাপোড়া খাওয়ার দৃশ্যও দেখা যায়। অফিসের নিচে আড্ডার ফাঁকে গরম শিঙাড়া, পুরি কিংবা পিঠা খাওয়াও অনেকের নিত্যদিনের অভ্যাস। তবে, যদি এসব খাবার কাগজের ঠোঙা, পুরোনো পত্রিকা কিংবা সাধারণ ছাপানো কাগজে পরিবেশন করা হয়, তাহলে বিষয়টি নিয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
খাবার পরিবেশনে কাগজ ব্যবহার অনেকের কাছে সহজ ও সাশ্রয়ী মনে হলেও, এতে খাবারের সঙ্গে কাগজের কালি ও বিভিন্ন জীবাণু মিশে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে গরম, তেলযুক্ত বা ভেজা খাবারের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
কাগজের ঠোঙায় খাবার কতটা ঝুঁকিপূর্ণ
রাস্তার পাশে খাবারের দোকান বা ফেরিওয়ালাদের অনেক সময় পত্রিকার পাতা, সাধারণ কাগজ কিংবা কাগজের ঠোঙায় খাবার পরিবেশন করতে দেখা যায়। আচার, আমড়া, শসা, ঝালমুড়ি, ছোলা, পিঁয়াজু, বেগুনি, ফুচকা, শিঙাড়া, পুরি, জিলাপি, পরোটা কিংবা লুচির মতো খাবার এসব কাগজে পরিবেশন করা হয়।
অনেক সময় খাবারের বাড়তি তেল শুষে নেওয়ার জন্য কিংবা চামচের বিকল্প হিসেবেও কাগজ ব্যবহার করা হয়। এতে কাগজের কালি খাবারের সংস্পর্শে আসার সুযোগ তৈরি হয়। বিশেষ করে কাগজে পানি বা তেল লাগলে কালির কিছু উপাদান খাবারের সঙ্গে মিশে যেতে পারে।
কালির ক্ষতিকর উপাদান খাবারে মিশতে পারে। কাগজের ছাপার কালিতে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক উপাদান থাকতে পারে। এসব উপাদান খাবারের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে দীর্ঘমেয়াদে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এর মধ্যে কিডনি ও লিভারের প্রদাহ, হৃদ্রোগ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা এবং প্রজননসংক্রান্ত জটিলতার মতো বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন এসব রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকলে খাদ্যনালী, পাকস্থলী, বৃহদান্তর ও লিভারের মতো অঙ্গের ক্যানসারের ঝুঁকির সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে।
গরম ও তেলযুক্ত খাবারে ঝুঁকি বেশি
শিঙাড়া, সমুচা, পুরি, পরোটা বা ভাজাপোড়ার মতো গরম ও তেলযুক্ত খাবার কাগজে রাখলে কাগজের কালি খাবারের সঙ্গে মিশে যাওয়ার সুযোগ বাড়ে। একইভাবে শসা, আমড়া বা আচারের মতো ভেজা খাবারও কাগজের কালি ও অন্যান্য উপাদানের সংস্পর্শে আসে।
তেল ও পানি কাগজের কিছু রাসায়নিক উপাদান খাবারের দিকে স্থানান্তরে সহায়তা করতে পারে। ফলে কাগজে রাখা খাবার খাওয়ার সময় অজান্তেই এসব উপাদান শরীরে ঢুকে যেতে পারে।
পুরোনো কাগজে থাকতে পারে জীবাণু
শুধু কালিই নয়, অপরিষ্কার বা পুরোনো কাগজেও বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু থাকতে পারে। এমন কাগজ খাবারের সংস্পর্শে এলে জীবাণু খাবারে চলে আসার আশঙ্কা থাকে।
পরে সেই খাবার খেলে পাকস্থলী ও অন্ত্রে প্রদাহ, হজমের সমস্যা এবং অন্যান্য পেটের অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। তাই খাবার পরিবেশনের ক্ষেত্রে কাগজের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
কারা বেশি ঝুঁকিতে
যারা দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত কাগজের ঠোঙা বা পত্রিকার পাতায় দেওয়া খাবার খান, তাদের এ বিষয়ে বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত এমন খাবার খাওয়ার অভ্যাসের কারণে দীর্ঘমেয়াদে কাগজের কালি ও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের সংস্পর্শে আসার সুযোগ বাড়ে।
চিকিৎসকের পরামর্শ
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, কাগজের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করার প্রয়োজন নেই; বরং খাবার রাখার ক্ষেত্রে নিরাপদ ও খাদ্য রাখার উপযোগী কাগজ ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। সাধারণ ছাপানো কাগজ, পত্রিকার পাতা কিংবা হাতে লেখা কাগজে খাবার দেওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।
খাবার পরিবেশনের জন্য পরিষ্কার সাদা কাগজ, টিস্যু বা কাগজের তোয়ালে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে রঙিন টিস্যু ব্যবহার না করাই ভালো। বিশেষ করে গরম, তেলযুক্ত বা ভেজা খাবার পত্রিকার পাতা কিংবা সাধারণ ছাপানো কাগজে না রাখাই নিরাপদ।
ক্রেতাদেরও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। কাগজের ঠোঙা বা পত্রিকার পাতায় দেওয়া খাবার এড়িয়ে নিরাপদভাবে পরিবেশন করা খাবার বেছে নিলে বিক্রেতারাও ধীরে ধীরে এ ধরনের কাগজের ব্যবহার কমাতে উৎসাহিত হবেন।
তাহলে রাস্তার খাবার খাওয়ার সময় শুধু খাবারটি কী, সেটিই নয়—কোন পাত্র বা কাগজে খাবারটি দেওয়া হচ্ছে, সেদিকেও নজর রাখা জরুরি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে। মিয়ানমার উপকূলের নিকটবর্তী একটি গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আজ থেকে ঝোড়ো হাওয়া প্রবাহিত হতে পারে। আগামীকালও এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, নিম্নচাপটি মূলত মিয়ানমার উপকূল হয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, হাতিয়া ও কক্সবাজার অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে আজ থেকেই এসব এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং আগামীকালও এর প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর আন্দামান সাগর ও এর নিকটবর্তী মিয়ানমার উপকূলে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে গতকাল মধ্যরাতে একই এলাকায় অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী দু-তিন ঘণ্টার মধ্যে মিয়ানমারের কিয়াইকতো এলাকার ওপর দিয়ে স্থলভাগ অতিক্রম করতে পারে।
গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে তা ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
এর প্রভাবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে কোনো সতর্কসংকেত নেই। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগর ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।
এদিকে, রাজধানীর আবহাওয়া সম্পর্কে আবুল কালাম মল্লিক জানান, আজ দিনের বেলায় ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে রাতে সামান্য বৃষ্টি হতে পারে। বুধবারও (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে বৃষ্টি হতে পারে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সিলেটে ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত তিন দিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। চলতি মাসে ইতিমধ্যেই তিন দফায় তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে সেটিকে তাপপ্রবাহের পর্যায়ে ধরা হয়। তবে সোমবার ঢাকায় ৩৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা এক দিনের জন্য থাকায় তাপপ্রবাহ ঘোষণা করা হয়নি। মঙ্গলবার এবং বুধবারও গরমের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা বাজারে গরুর ব্যবসার বিরোধের কারণে মো. আওয়াল মিয়াকে (৫০) হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তিনি আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। তার স্ত্রী মোর্শেদা রওশন লাভলী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে শামীম পহলান (৩৪), শাহীন পহলান (৪৩), ইয়াকুব হাওলাদার (২৬) ও মনির পহলান (৩২) কে আসামি করা হয়েছে।
মোর্শেদা রওশন লাভলী অভিযোগ করেন যে, তার স্বামী সাপলেজা বাজারে গরুর ব্যবসা করেন এবং অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজনও একই বাজারে গরুর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের মধ্যে পূর্ব থেকেই ব্যবসা নিয়ে বিরোধ চলছিল, যার ফলে তার স্বামীকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।
২৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে সাপলেজা মাছ ও গরুর বাজারের ট্রালশেডের কাছে আওয়াল মিয়ার সঙ্গে অভিযুক্তদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এই সময় হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে তার মাথা, হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়, ফলে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আওয়ালের পকেটে থাকা ১৫ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শামীম পহলান। তিনি জানান, আওয়ালের সঙ্গে পূর্ব থেকেই একটি বিষয় নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই দিন বাজারের টোলঘরে দুজনের মধ্যে উত্তেজিত হয়ে কথা-কাটাকাটি হয়, পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাদের শান্ত করে দেন। তিনি দাবি করেন যে, কোনো মারধর বা হামলার ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে সাপলেজা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেন, মাংস ব্যবসায়ীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এর আগে টাকা-পয়সাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। মারামারির পর আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য মঠবাড়িয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি বলেন, ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং সঠিক বিচার হওয়া উচিত।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, সাপলেজায় কথা-কাটাকাটির জেরে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর, সিলেটের স্থলবন্দর থেকে ভারত থেকে কয়লা ও পাথর আমদানি আবার শুরু হচ্ছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ এবং সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের সঙ্গে ভারতের করিমগঞ্জ এক্সপোর্টারস্ অ্যান্ড ইম্পোর্টারস্ কো-অর্ডিনেশন টিমের মধ্যে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সীমান্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সুবিধা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে, সিলেটের বিয়ানীবাজারের শেওলা স্থলবন্দর দিয়ে আবারও কয়লা ও পাথর আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ীরা। দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতারা আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে এই বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার বিষয়ে একমত হন।
শেওলা স্থলবন্দরের পোর্ট ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই যৌথ মতবিনিময় সভায় দুই দেশের ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি চন্দন সাহা সভাপতিত্ব করেন এবং সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক মো. আতিক হোসেন সভাটি সঞ্চালনা করেন।
ভারতের করিমগঞ্জ এক্সপোর্টারস অ্যান্ড ইম্পোর্টারস কো-অর্ডিনেশন টিম, সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ এবং সিলেট জেলা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ