বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:১৩ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন, যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে রচিত।
এই গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিশিষ্ট গবেষক ও লেখক কালাম ফয়েজী রচিত এই গ্রন্থে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব, রাষ্ট্র পরিচালনা, উন্নয়ন দর্শন এবং জাতীয় জীবনে তার বহুমাত্রিক অবদান বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচনকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে পরীক্ষা কেন্দ্রে দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা ধারণা করছেন যে প্রচণ্ড গরম এবং শারীরিক দুর্বলতার কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে গেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জগন্নাথপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাঈমা আক্তার এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে (২ জুলাই) পৌরসভার আব্দুস সোবহান উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এরপর তাকে দ্রুত জগন্নাথপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) শফিকুল ইসলাম তার গাড়ি দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেন। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। নাঈমা আক্তার উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের নাদামপুর গ্রামের কাজল মিয়ার মেয়ে।
জগন্নাথপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক কেন্দ্র সচিব নিয়াজ আহমেদ জানিয়েছেন, শিক্ষার্থী নাঈমা আক্তার আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। পরীক্ষার শেষ পর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে, আমরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠাই ও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। পরে অভিভাবকরা এসে তাকে নিয়ে যান এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে তিনি সুস্থ রয়েছেন।
অন্যদিকে, কলকলিয়া শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সূচনা রানী সরকার আটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ভর্তি রয়েছেন। সূচনা রানী সরকার জগন্নাথপুর পৌর শহরের বাসুদেব বাড়ি এলাকার সুধা সরকারের মেয়ে।
শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এনামুল কবির জানিয়েছেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার ১৫ মিনিট আগে সূচনা অসুস্থ হয়ে পড়েন। শিক্ষকদের তরফ থেকে তাকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মনিরা মুঠোফোনে বলেন, দুই শিক্ষার্থী প্রচণ্ড গরম ও শারীরিক দুর্বলতা জনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। একজন শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং অপরজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যা যা ঘটেছে, তা হলো ১০ শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড না পাওয়ায় চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি বগুড়ার মহাস্থান মাহীসাওয়ার ডিগ্রি কলেজের। ছবিটি কালবেলার।
বগুড়ার মহাস্থান মাহীসাওয়ার ডিগ্রি কলেজের ১০ শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড না পাওয়ার কারণে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারলেন না। পরীক্ষার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে কলেজে এসে প্রবেশপত্র না পাওয়ার পর তারা সেখানে অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই ঘটনায় কলেজের কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার একটি গুরুতর অভিযোগ উঠছে। বুধবার থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
কলেজের সূত্র ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, দুই মাস আগে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ফরম পূরণ করার আশ্বাস দেন তিনি। মানবিক বিভাগের ১০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সাব্বির হোসেন শাওন চার হাজার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা করে নেন।
২৪ জুন কলেজের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন কার্ড বিতরণ করা হলেও এই ১০ শিক্ষার্থীকে জানানো হয়েছিল, বিলম্বে ফরম পূরণ করার কারণে তাদের কাগজপত্র পরে দেওয়া হবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও ওই শিক্ষার্থীরা কেউই প্রবেশপত্র বা নিবন্ধন কার্ড পাননি। বুধবার বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষা করেও কাগজপত্র না পাওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বাড়িতে ফিরে যেতে বাধ্য হন। এরপর থেকে অভিযুক্ত কম্পিউটার অপারেটরের মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
যেহেতু তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি, তাই শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অভিযোগ উঠেছে, কলেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা এবং এক কর্মচারীর প্রতারণার কারণে তাদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়ে পড়েছে।
মহাস্থান মাহীসাওয়ার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মতিউর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করলে অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বছর মহাস্থান মাহীসাওয়ার ডিগ্রি কলেজ থেকে তিনটি বিভাগে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের উজিরপুরে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় প্রতিবেশী ও দূর সম্পর্কের আত্মীয় আলমগীর সিকদারকে (৫২) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আশরাফুল ইসলাম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট এ কে এম শামসুল হক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর সিকদার উজিরপুর উপজেলার পূর্ব কেশবকাঠি গ্রামের মৃত আ. রশিদ সিকদারের ছেলে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২২ মার্চ দুপুরে পূর্ব কেশবকাঠি এলাকায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা যখন বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে যান, ঠিক সেই সময় প্রতিবেশী আলমগীর সিকদার পূর্বে থেকে ওত পেতে থেকে ঘরে প্রবেশ করে ওই ছাত্রীর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এই ঘটনার পর সে কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। লোকলজ্জা ও প্রাণের ভয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী প্রথমে বিষয়টি গোপন রাখেন, কিন্তু পরে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ঘটনার দুই মাস পর এটি পরিবারের কাছে প্রকাশ পায়।
এ ঘটনার পর ২০২৩ সালের ২৯ মে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা নূর আলম সিকদার বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার পর আদালত উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ কে এম শামসুল হক বলেন, ‘আমরা আদালতে ভুক্তভোগীর মেডিকেল রিপোর্ট, ডিএনএ টেস্টের ফলাফল এবং সাক্ষীদের জবানবন্দিসহ যাবতীয় প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছি। বিচারক সাক্ষ্য-প্রমাণ ও নথি পর্যালোচনা করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলায় গোলাম সাকলাইনের বাড়ি অবস্থিত। ১৯৯৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নে অনার্স পড়াকালীন সময় থেকেই নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য কৃষি নিয়ে কিছু করার চিন্তা তার মনে চলতে থাকে। একদিন সাকলাইন রাজশাহীতে মৎস্য সপ্তাহের একটি অনুষ্ঠানে ঢুকে পড়েন। সেখান থেকে কর্মকর্তাদের মৎস্য চাষের বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য তাকে আকৃষ্ট করে।
এরপর তিনি কীভাবে মাছ চাষে সফল হওয়া যায় সে সম্পর্কে কয়েকটি বই কিনে পড়েন। মাছ চাষ নিয়ে পড়াশোনা করার মাধ্যমে বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেন তিনি।
সেই সময় এলাকায় তিনি মাত্র দুই বিঘা জমিতে মাছ চাষ শুরু করেন। ৭ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে মাছ চাষ করে সেইবার তিনি লাভ অর্জন করেন ৬ হাজার টাকা। এরপর সাকলাইন আর পেছনে ফিরে তাকাননি। বর্তমানে তার ফার্মে ১ হাজার বিঘা জমিতে পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ করা হচ্ছে, যেখানে ১৫২ জন কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে।
অন্যান্য ফসলের তুলনায় মাছ চাষ বেশ লাভজনক হওয়ায় অনেকেই তার দেখাদেখি এই পেশায় ঝুঁকে পড়েছেন। তবে বেশিরভাগ লোকই বছর চুক্তিতে জমি লিজ নিয়ে পুকুর তৈরি করে মাছ চাষ শুরু করছেন। প্রতি বছরে বিঘা প্রতি জমির মালিককে দিতে হয় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু বছর দশেক আগে বিঘা প্রতি লিজ মূল্য ছিল মাত্র ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।
নাটোরের গুরুদাসপুর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম বলেন, এক সময় তিনি ধান, আলু, ভুট্টা, গমসহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের আবাদ করতেন। কোনো সময় ভালো দাম মিলতো আবার কখনো লসেও পড়তেন তিনি। ফলস্বরূপ, ফসলের চাষে তার আগ্রহ কমে গিয়েছিল। বিকল্প উপায়ে পরিবার নিয়ে ভালো থাকার চিন্তাভাবনা করার সময় তিনি লক্ষ্য করেন অনেকেই মাছ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নেন মাছ চাষ শুরু করার। পরিবার থেকে প্রথম দিকে কেউ বিষয়টি ভালোভাবে দেখেননি, কিন্তু মাছ চাষ শুরু করার পর তিনি যখন লাভবান হন, তখন পরিবার সহায়তা করতে শুরু করে। তিনি এক পর্যায়ে হাটি হাটি পা করে শুরু করলেও এখন তার দশটি পুকুর রয়েছে এবং বছরে সব খরচ বাদ দিয়ে ১৫ লাখ টাকা লাভ হয়।
নওগাঁর মাছ ব্যবসায়ী ও আড়তদার রবিউল ইসলাম জানান, তিনি প্রতিদিন তার পুকুর থেকে দুই থেকে তিন মন মাছ ধরে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। এতে প্রতিদিন আসা টাকা দিয়ে তার সংসার ভালোভাবে চলে।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, মিঠা পানির কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদনে দেশে রাজশাহী জেলা শীর্ষে রয়েছে। রাজশাহীর পর নাটোর ও নওগাঁয় মাছের উৎপাদন ও বেচাকেনা বেশি হয়।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিভাগের ৮টি জেলায় পুকুরের সংখ্যা ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৬৫৩ টি। মাছ চাষীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৬ জন। এই অঞ্চলের পুকুরগুলোতে রুই, কাতলা, মৃগেল, জাপানি, সিলভার কার্প, পাবদা, টেংরা, শিংসহ নানাবিধ মাছের চাষ হচ্ছে। প্রতিদিন পুকুর ও খালবিলে জাল টেনে মাছ ধরার দৃশ্য দেখা যায় এবং কখনও স্থানীয় আড়তে হাকডাকের মাধ্যমে মাছ বিক্রি করা হয়। প্রতিদিন বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ২'শ টি ট্রাকযোগে 'লাইভ ফিশ' বা জীবন্ত মাছ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যাচ্ছে।
এদিকে, বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আবু সাইদ জানান, চাষিদের নানা পরামর্শ ও কর্মশালার পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদনশীল মাছ চাষের জন্য চাষীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়া মাছ রফতানি করা হচ্ছে।
রাজশাহী বিভাগে বছরে ৫ লক্ষ ৯৬ হাজার ৪৬৭ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। এরমধ্যে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন মাছ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যায়। প্রায় ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে মাছ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ