বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:২৪ পি.এম
রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলায় গোলাম সাকলাইনের বাড়ি অবস্থিত। ১৯৯৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নে অনার্স পড়াকালীন সময় থেকেই নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য কৃষি নিয়ে কিছু করার চিন্তা তার মনে চলতে থাকে। একদিন সাকলাইন রাজশাহীতে মৎস্য সপ্তাহের একটি অনুষ্ঠানে ঢুকে পড়েন। সেখান থেকে কর্মকর্তাদের মৎস্য চাষের বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য তাকে আকৃষ্ট করে।
এরপর তিনি কীভাবে মাছ চাষে সফল হওয়া যায় সে সম্পর্কে কয়েকটি বই কিনে পড়েন। মাছ চাষ নিয়ে পড়াশোনা করার মাধ্যমে বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেন তিনি।
সেই সময় এলাকায় তিনি মাত্র দুই বিঘা জমিতে মাছ চাষ শুরু করেন। ৭ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে মাছ চাষ করে সেইবার তিনি লাভ অর্জন করেন ৬ হাজার টাকা। এরপর সাকলাইন আর পেছনে ফিরে তাকাননি। বর্তমানে তার ফার্মে ১ হাজার বিঘা জমিতে পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ করা হচ্ছে, যেখানে ১৫২ জন কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে।
অন্যান্য ফসলের তুলনায় মাছ চাষ বেশ লাভজনক হওয়ায় অনেকেই তার দেখাদেখি এই পেশায় ঝুঁকে পড়েছেন। তবে বেশিরভাগ লোকই বছর চুক্তিতে জমি লিজ নিয়ে পুকুর তৈরি করে মাছ চাষ শুরু করছেন। প্রতি বছরে বিঘা প্রতি জমির মালিককে দিতে হয় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। কিন্তু বছর দশেক আগে বিঘা প্রতি লিজ মূল্য ছিল মাত্র ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।
নাটোরের গুরুদাসপুর এলাকার মাছ ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম বলেন, এক সময় তিনি ধান, আলু, ভুট্টা, গমসহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের আবাদ করতেন। কোনো সময় ভালো দাম মিলতো আবার কখনো লসেও পড়তেন তিনি। ফলস্বরূপ, ফসলের চাষে তার আগ্রহ কমে গিয়েছিল। বিকল্প উপায়ে পরিবার নিয়ে ভালো থাকার চিন্তাভাবনা করার সময় তিনি লক্ষ্য করেন অনেকেই মাছ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নেন মাছ চাষ শুরু করার। পরিবার থেকে প্রথম দিকে কেউ বিষয়টি ভালোভাবে দেখেননি, কিন্তু মাছ চাষ শুরু করার পর তিনি যখন লাভবান হন, তখন পরিবার সহায়তা করতে শুরু করে। তিনি এক পর্যায়ে হাটি হাটি পা করে শুরু করলেও এখন তার দশটি পুকুর রয়েছে এবং বছরে সব খরচ বাদ দিয়ে ১৫ লাখ টাকা লাভ হয়।
নওগাঁর মাছ ব্যবসায়ী ও আড়তদার রবিউল ইসলাম জানান, তিনি প্রতিদিন তার পুকুর থেকে দুই থেকে তিন মন মাছ ধরে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। এতে প্রতিদিন আসা টাকা দিয়ে তার সংসার ভালোভাবে চলে।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, মিঠা পানির কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদনে দেশে রাজশাহী জেলা শীর্ষে রয়েছে। রাজশাহীর পর নাটোর ও নওগাঁয় মাছের উৎপাদন ও বেচাকেনা বেশি হয়।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিভাগের ৮টি জেলায় পুকুরের সংখ্যা ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৬৫৩ টি। মাছ চাষীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৬ জন। এই অঞ্চলের পুকুরগুলোতে রুই, কাতলা, মৃগেল, জাপানি, সিলভার কার্প, পাবদা, টেংরা, শিংসহ নানাবিধ মাছের চাষ হচ্ছে। প্রতিদিন পুকুর ও খালবিলে জাল টেনে মাছ ধরার দৃশ্য দেখা যায় এবং কখনও স্থানীয় আড়তে হাকডাকের মাধ্যমে মাছ বিক্রি করা হয়। প্রতিদিন বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ২'শ টি ট্রাকযোগে 'লাইভ ফিশ' বা জীবন্ত মাছ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যাচ্ছে।
এদিকে, বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আবু সাইদ জানান, চাষিদের নানা পরামর্শ ও কর্মশালার পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদনশীল মাছ চাষের জন্য চাষীদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়া মাছ রফতানি করা হচ্ছে।
রাজশাহী বিভাগে বছরে ৫ লক্ষ ৯৬ হাজার ৪৬৭ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। এরমধ্যে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন মাছ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যায়। প্রায় ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে মাছ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)।
এ সময়, মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়।
বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে, আশুলিয়া থানার নিরিবিলি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন- কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার শিবপুর গ্রামের মো. মাসুম (২২) এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার উথুলি গ্রামের মো. সোয়েব শেখ (২০)।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানান যে, তারা কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে পাইকারিভাবে গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ব্যবহার করে চুয়াডাঙ্গায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ মাদকচক্রের সক্রিয় সদস্য।
তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আশুলিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে, মাদকচক্রের অন্যান্য সদস্য এবং মাদকের উৎস শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকা জেলা পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফাইল ছবি
দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় থাকার কারণে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসের মধ্যে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় অবস্থিত।
প্রথম দিন
আজ ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ঢাকায় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে।
দ্বিতীয় দিন
ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
তৃতীয় দিন
খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
চতুর্থ ও পঞ্চম দিন
এই দুই দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় (৫ জুলাই রংপুরের কিছু কিছু জায়গায় এবং ৬ জুলাই রংপুর ও সিলেটের কিছু কিছু জায়গায়) দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। তবে এই দুই দিনে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এর ফলে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই পাঁচদিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী সময়েও দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই ২, ২০২৬ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, কাস্টমস এবং একটি গোয়েন্দা সংস্থা।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে বিমানটির কার্গোহোল থেকে এসব স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের পরিমাণ প্রায় ১৯ কেজি, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৪৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ নিশ্চিত করেছেন যে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে স্বর্ণের বারগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। ফ্লাইটটি (বিজি ১৪৮) দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকা শহরে অবতরণ করেছে।
অভিযানে মোট ১৬০টি স্বর্ণের বার জব্দ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে কারা জড়িত তা শনাক্তে তদন্ত চলছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। ধারণা করা হচ্ছে, এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা হবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় প্রাণ হারান ৮৬ বছর বয়সী খামেনি। খবর আলজাজিরার।
তাকে শেষ বিদায় জানানোর আনুষ্ঠানিকতা হবে মোট ছয়টি শহরে। এর মধ্যে ইরাকের কারবালাও রয়েছে। ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান কারবালাকে শিয়া মুসলিমরা পবিত্র শহর হিসেবে বিবেচনা করেন।
খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে আগামী শনিবার ৪ এপ্রিল। এদিন রাজধানী তেহরানের নির্মাণাধীন ইমাম খোমেনি মসজিদ কমপ্লেক্সে তার মরদেহ রাখা হবে। এরপর সোমবার(২৯ জুন) তেহরানের প্রধান প্রধান সড়ক দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে তার নিথর দেহ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) খামেনির মরদেহ নেওয়া হবে পবিত্র শহর কোমে। এরপর যথাক্রমে নাজাফ এবং ইরাকের কারবালায় নেওয়া হবে। কারবালা থেকে ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে নেওয়া হবে তার মরদেহ। সেখানেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিদেশি প্রতিনিধিরা তার শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। ধারণা করা হচ্ছে, খামেনিকে বিদায় জানাতে দুই কোটির বেশি মানুষ জড়ো হতে পারেন। বাংলাদেশ থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা আছে।
অন্যদিকে পাকিস্তান থেকে অংশ নেবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও এই রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইরান। তবে তার যাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানা গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ