ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে প্রশাসন গুঁড়িয়ে দিল


কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে প্রশাসন গুঁড়িয়ে দিল

ঢাকার কেরানীগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন একটি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে খালের ওপর এবং তীর দখল করে নির্মিত মোট ১০টি অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল তিনটার সময় কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া ইউনিয়নের রামেরকান্দা এলাকায় খাড়াকান্দি খালের ওপর এই কর্তব্য পালন করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের পরিচালনা করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. উমর ফারুক।

অভিযান শেষে ইউএনও মো. উমর ফারুক বলেন, "সরকারের খাল খনন এবং খাল উদ্ধার কার্যক্রমের আওতায় কেরানীগঞ্জের সব খাল দখলমুক্ত করার জন্য উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। এর ধারাবাহিকতায় খাড়াকান্দি খালের ওপর নির্মিত ১০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। গত মার্চ মাসে এই খালটি খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে উদ্বোধন করা হয়।"

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

তিনি জানান, অনেক দিন ধরে প্রভাবশালীদের দখলে থাকা খালের ওপর বিভিন্ন ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল, যা খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহের বাধা সৃষ্টি করেছিল এবং জলাবদ্ধতা ও পরিবেশগত সমস্যা তৈরি করছিল।

যাদের খাল-বিল দখল করে স্থাপনা গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না, বলেছেন ইউএনও। "যারা এখনও সরকারি জমি দখল করে নিশ্চিন্ত রয়েছেন, তারা দ্রুত সেই জায়গা ছেড়ে দিন। অন্যথায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এটি ধারাবাহিক উচ্ছেদ কার্যক্রমের একটি অংশ।"

তিনি উল্লেখ করেন, অভিযানে খালের সীমানা দখল করে নির্মিত বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে, যার ফলে খননকাজ পরিচালনার পথ আরও উন্মুক্ত হয়েছে। ভবিষ্যতেও খাল, ফুটপাত ও অন্যান্য সরকারি জমি দখলমুক্ত করার জন্য এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কেরানীগঞ্জ সার্কেলের জান্নাতুল মাওয়া, কেরানীগঞ্জ উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদ খান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফগান নারীদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরানোর উদ্যোগ আইসিসির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


আফগান নারীদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরানোর উদ্যোগ আইসিসির

দীর্ঘ সময় ধরে আফগানিস্তানে তালেবানদের শাসন চলছে। সেখানে নারীদের চলাফেরার উপর দেশটির সরকার কড়াকড়ি আরোপ করেছে। নারীদের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই কারণেই আফগানিস্তানের নারী ক্রিকেট সম্পূর্ণ থমকে গেছে। অনেক আফগান নারী ক্রিকেটার বিশ্বের নানা স্থানে শরনার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছেন।

এখন আইসিসি আফগান নারী ক্রিকেটারদের খেলায় ফেরানোর বিষয়ে জোরেশোরে এগোচ্ছে। সম্প্রতি স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে অনুষ্ঠিত আইসিসির বার্ষিক সম্মেলনে আফগান শরণার্থী নারী ক্রিকেটারদের জন্য পরিচালিত ডেভেলপমেন্ট পাথওয়ে প্রোগ্রাম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল অনুমোদন করেছে।

আইসিসি বিশেষ টাস্কফোর্স পুনর্গঠন করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দলটিকে আইসিসির বাছাইপর্বের (কোয়ালিফিকেশন) টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আইসিসি বোর্ড তাদের স্বাধীন পরিচালক ড. রোজ রিভাজ এবং আইসিসির প্রধান নির্বাহী কমিটির সদস্য সারা কিনকে স্পেশাল টাস্কফোর্সে অন্তর্ভুক্ত করার অনুমোদন দিয়েছে। তারা আগের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এই কর্মসূচির তদারকিতে কাজ করবেন।

লক্ষ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, প্রতিনিধিত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক মান উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করা। আইসিসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ড. রিভাজ বলেছেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগে আইসিসির স্পেশাল টাস্কফোর্সে যোগ দিতে পেরে আমি সম্মানিত। টাস্কফোর্সকে একটি সুস্পষ্ট ও টেকসই রোডম্যাপ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা কাঠামোবদ্ধ কোচিং, অর্থবহ প্রতিযোগিতামূলক সুযোগ এবং উচ্চমানের পারফরম্যান্স উন্নয়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে আফগান শরণার্থী নারী ক্রিকেটারদের বিকাশে সহায়তা করবে।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘এই কর্মসূচি ক্রিকেটের মাধ্যমে সুযোগ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে আইসিসির অঙ্গীকারের প্রতিফলন। আমি টাস্কফোর্সের সহকর্মী, সদস্য বোর্ড ও বাস্তবায়ন অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে নিশ্চিত করতে চাই, যাতে এটি উদ্দেশ্যপূর্ণ, সৎ ও দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হয়।’

আফগান শরণার্থী নারী ক্রিকেটারদের একজন নাহিদা সাপান বলেন, ‘এই কর্মসূচি আমাদের শুধু ক্রিকেট চালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে, বরং দল হিসেবে একত্রিত হয়ে খেলতে সুযোগ করে দিয়েছে। আইসিসি ও টাস্কফোর্স আমাদের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে - এটা জেনে আমরা আশ্বস্ত। অন্য দেশের ক্রিকেটারদের মতো আমাদেরও সমান অধিকার ও সুযোগ রয়েছে - এই স্বীকৃতির জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’

আরেক আফগান শরণার্থী নারী ক্রিকেটার ফিরোজা আফগান বলেন, ‘গত এক বছরে দল হিসেবে একত্রিত হওয়া এবং ভারত ও ইংল্যান্ড সফরের সুযোগ আমাদের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। মানসম্পন্ন কোচদের অধীনে প্রশিক্ষণের সুযোগ আমাদের উন্নতিতে বড় ভূমিকা রাখছে। ২০৩০ সালের মধ্যে আইসিসির বাছাইপর্বে অংশ নেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য আমাদের সামনে একটি পরিষ্কার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সেই পথে প্রতিটি সুযোগকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও বর্তমান ধারাভাষ্যকার মেল জোন্স এই উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই অসাধারণ নারীদের প্রতি ধারাবাহিক সমর্থন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে আইসিসির বাছাইপর্বে অংশগ্রহণের একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তাদের ভবিষ্যতের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এটি শক্তিশালী একটি বার্তা দেয় যে প্রতিভা ও দৃঢ়সংকল্প সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। এই ক্রিকেটাররা বিশ্বের নারী ও কন্যাশিশুদের জন্য অনুপ্রেরণা। তাদের বিশেষ যাত্রাপথকে স্বীকৃতি দিয়ে উন্নয়ন ও অর্থবহ প্রতিযোগিতার মধ্যে ভারসাম্য রেখে দীর্ঘমেয়াদি একটি পথচলা দেখতে পারা সত্যিই আনন্দের।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘গত এক বছরে তারা যে অগ্রগতি করেছে, তা অসাধারণ। ২০৩০ সালের মধ্যে এই দল কী অর্জন করে, তা দেখার জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

আফগান শরণার্থী নারী ক্রিকেটারদের জন্য এই সহায়তা কর্মসূচির আওতায় তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে ক্রিকেট কোচ, স্ট্রেন্থ এন্ড কন্ডিশনিং কোচ এবং ফিজিওথেরাপিস্টের সেবা পেতে থাকবেন। সম্প্রতি ধাপে ধাপে তাদের ম্যাচ খেলার সুযোগও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও কানাডাভিত্তিক এই ক্রিকেটাররা স্থানীয় ক্রিকেট কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত আছেন এবং নিয়মিত অনুশীলন ও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছেন।

একই সঙ্গে ভারত ও ইংল্যান্ড সফরের মতো ভবিষ্যতে দল হিসেবে একসঙ্গে অনুশীলন এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ অব্যাহত থাকবে। এ সমস্ত যৌথ প্রতিযোগিতামূলক কার্যক্রম ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে এবং এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আয়োজন করা হবে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে আইসিসির বাছাইপর্বের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে তাদের প্রস্তুতি ও উন্নয়নে সহায়ক হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১২ হাজার ৫০০ পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


বান্দরবানে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১২ হাজার ৫০০ পরিবার

টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং ভূমিধসে বান্দরবানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জেলা প্রশাসন প্রকাশ করেছে। জেলার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে পানিবন্দি অবস্থায় পতিত হয়েছেন প্রায় ১২ হাজার ৫০০ পরিবার। একইভাবে আগামী ১৬ জুলাই থেকে জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ার বিষয়ে প্রশাসন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তবে এখনও এই সম্পর্কে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ৬ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত জেলায় মোট ৫১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা গিয়েছে। বন্যার সময়ে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ২ দশমিক ৫ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে মঙ্গলবার সকাল ৯টার রিপোর্ট অনুযায়ী, সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ দশমিক ৪৮ মিটার এবং মাতামুহুরী নদীর পানি ৩ দশমিক ৭১ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য বলছে, জেলায় মোট ৪৭টি ভূমিধস ও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১১টি বড় ধরনের ছিল। লামা উপজেলায় পাহাড় ধসে পাঁচজন এবং পানিতে ডুবে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

পাহাড় ধস ও গাছ উপড়ে পড়ার কারণে জেলার ২১টি স্থানে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পরে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস এবং সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় এসব সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৬১ কিলোমিটার এবং এলজিইডির ৯০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া চারটি সেতু ও কালভার্টও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি সচল করা গেলেও বাকি তিনটির সংস্কারকাজ এখনও চলছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, লামা পৌর এলাকা, বান্দরবান পৌরসভা এবং সদর উপজেলায় জলাবদ্ধতার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হলেও বর্তমানে ৬৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ৫৮২ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে ২ হাজার ১০৪ হেক্টর কৃষিজমি ও বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬৮ হেক্টর জমি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন ৫ হাজার ৩২৩ জন কৃষক।

ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে জেলা প্রশাসন জানায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে ৪০০ টন চাল ও ২০ লাখ টাকা এবং প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আরও ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন দুই বেলা করে ৮০ হাজার ৫০০ দুর্গত মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া ৮ হাজার ৫৬০ ব্যাগ ত্রাণসামগ্রী, ৮৭৫ প্যাকেট শিশুখাদ্য এবং তিন লাখ টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার, রেড ক্রিসেন্ট, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো ত্রাণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাচিং প্রু জেরীর পক্ষ থেকেও ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।

বৈরি আবহাওয়ার কারণে থানচিতে ১৬৭ জন, রুমায় ৩৭ জন এবং আমিয়াখুম এলাকায় চারজন পর্যটক আটকা পড়েছিলেন। পরে বিজিবির সহায়তায় তাদের নিরাপদে থানচি সদরে ফিরিয়ে আনা হয়।

জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস জানান, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১৬ জুলাই থেকে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী আন্দোলন বন্যার্তদের পাশে, ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


ইসলামী আন্দোলন বন্যার্তদের পাশে, ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে বর্তমানে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিনব্যাপী বন্যার্ত মানুষের মাঝে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। কালিপুর, বনাকাটা, জালিয়াঘাটা, হাজিপাড়া, ছনুয়া, শীলকুপ এবং পৌরসভা এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর হাতে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়।

এ ত্রাণ কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেওয়া হচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সেক্রেটারি এবং বাঁশখালীর সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ মাওলানা রুহুল্লাহর পক্ষ থেকে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মোজাম্মেল হক, মাওলানা ইয়াসীন আমীনী, নবাব আলী, মাওলানা কারী ফোরকান, মাওলানা জসিম উদ্দীন মেসবাহ, মাওলানা মুনির এবং মোহাম্মদ আবদুল কাদেরসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ সংসদে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ সংসদে

জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন দুঃখ প্রকাশ করছেন। মঙ্গলবার বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬ পাসের আগে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী প্রথমেই দুঃখ প্রকাশ করেন। শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, "আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে অনেকেই আপত্তি করেছেন। সেই ব্যাপারেও বলতে চাই, আমি কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু বলিনি। যদি কেউ আহত হয়ে থাকেন, সিম্পলি আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।" এসময় উপস্থিত সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে মন্ত্রীর এই দুঃখ প্রকাশকে স্বাগত জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। পরীক্ষা পেছানোর দাবি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "পদার্থবিজ্ঞান, হিসাব বিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা। এই পরীক্ষার সময় বৃষ্টি ছিল, অনেকেই ভিজেছে এবং পরীক্ষায় সঠিকভাবে দিতে পারেনি- এই ধরনের কমপ্লেন এসেছে। আমরা, যদিও, সবসময় প্রশ্নপত্রের ব্যাপারে সজাগ ছিলাম, তারপরও শিক্ষার্থীদের দাবি আসছে এই পরীক্ষাটি নিয়ে।" তিনি আরো বলেন, "ইতোমধ্যেই বন্যার কারণে আমরা চিটাগাং বোর্ডের প্রত্যেকটি জেলার পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছি এবং আমাদের পুনরায় পরীক্ষা নিতেই হবে। এক্ষেত্রে আমরা ভেবে-চিন্তে দেখেছি, চিটাগাং বোর্ডের পরীক্ষার আরেকটি প্রশ্নপত্রের সেটে যখন আমরা নিতে যাবো- ফিজিক্স সেকেন্ড পেপার, যুক্তিবিদ্যা এবং হিসাব বিজ্ঞান, সেই সময়ে আমরা এই পরীক্ষাটি পুনরায় নেয়ার ব্যবস্থা করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%