শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২১ পি.এম
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আসাদগেট এলাকায় তিনজন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, যারা দেশীয় অস্ত্র হিসেবে ধারালো চাকু বহন করছিল।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার সময় আসাদগেট এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন: কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার আলতাফের ছেলে আরাফাত (২০), সিলেটের বিশ্বনাথের আলমগীরের ছেলে ফাইমুল হাসান (২২) এবং ভোলার হারুন বেপারীর ছেলে আবির বেপারী শান্ত (২৩)।
মোহাম্মদপুর থানার সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের সময় এসআই হুমায়ুন কবীর, এএসআই কামাল এবং এএসআই ইমদাদ আসাদগেট এলাকায় নিয়মিত হোন্ডা মোবাইল ডিউটি পালন করছিলেন। এ সময় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতির সময় ওই তিন যুবককে দুটি ধারালো চাকুসহ গ্রেফতার করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কলেজ গেট এলাকায় ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থানরত এক যুবককে সুইচগিয়ারসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিরপুর রোডের মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের সামনে পাকা রাস্তা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া যুবকের নাম মো. হাসনাইন (২৬)। তিনি ভোলার বোরহানউদ্দিন থানার দিঘিরপাড় এলাকার নুরনবীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রানা রায় ও এএসআই মো. সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কলেজ গেট সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের সামনে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় মো. হাসনাইনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে আনুমানিক ১১ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের একটি খোলা সুইচগিয়ার উদ্ধার করা হয়, যা ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাসনাইন স্বীকার করেছেন যে তিনি পথচারীদের কাছ থেকে ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা গ্রামে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক আবু ইউসুফের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে।
অভিযুক্ত আবু ইউসুফ পাবনা সদরের সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর পুত্র। তিনি ওই মহিলা মাদরাসার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। মাদ্রাসাটিতে মোট দেড়শ মেয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে ভাঁড়ারা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে পদ্মা মাঠসংলগ্ন নুরে মদিনা মহিলা কওমি মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। ফজরের আজানের আগে এক ছাত্রী শৌচাগারে যাওয়ার জন্য কক্ষ থেকে বের হয়। এ সময় শিক্ষক ইউসুফ তাকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেছে ওই ছাত্রীর। তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত শিক্ষক পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
ওই ছাত্রীর অভিযোগ, এর আগে তাকে একাধিকবার অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন যে, এ জন্য চেতনানাশক পদার্থ ব্যবহার করা হতো। ঘটনার পর তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো। মাদ্রাসার অন্য কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই ছাত্রী। তিনি জানান, বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেছেন ওই ছাত্রী।
এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর এবং আগুন দেয়। এছাড়া অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগে পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগও রয়েছে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জর্ডানের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি গির্জায় আয়োজিত শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বন্দুকধারীদের গুলিতে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, জর্ডানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল 'আল-মামলাকা'র বরাতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
শুক্রবার, কারাক গভর্নরেটের হামুদ গির্জায় অনুষ্ঠিত এক শেষকৃত্যের মিছিল চলাকালীন এই হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, একটি গাড়ি থেকে দুই বন্দুকধারী নেমে হামুদ গির্জায় এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।
হামলার সময় উপস্থিত থাকা খালেদ বুরকান নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী আল-মামলাকাকে জানিয়েছেন, সেখানে বহু মানুষের সমাগম হয়েছিল। হঠাৎ রাইফেল ও পিস্তল হাতে দুই ব্যক্তি এসে তাদের ওপর কয়েক মিনিট ধরে টানা গুলি বর্ষণ করে।
ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গির্জায় উপস্থিত হয়ে এলাকাটি ঘিরে ফেলেন এবং হামলাকারীদের ধরতে অভিযান শুরু করেন।
এ হামলার দায় এখনো কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। জর্ডান কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে হামলাকারীদের পরিচয় বা দায়ীদের বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি।
সাধারণত, জর্ডানে এ ধরনের সহিংসতার ঘটনা অত্যন্ত বিরল হয়ে থাকে। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে তুলনামূলক স্থিতিশীল এই দেশটি ক্রমাগত ইরানি হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার কারাগারে অবস্থানরত ধুনট পৌর যুবলীগের সাবেক সভাপতি সোহরাব হোসেনের মৃত্যু ঘটেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বগুড়া কারাগারের জেল সুপার।
সোহরাব হোসেন ধুনট পৌরসভার সদরপাড়া গ্রামের মৃত রহম আলী হাজীর পুত্র। তার পরিবার জানিয়েছে, তিনি বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলায় গত তিন থেকে চার মাস ধরে কারাগারে ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোহরাব হোসেন চার থেকে পাঁচ দিন আগে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। শুক্রবার সকালে তার মৃত্যুর খবর পরিবারের কাছে পৌঁছায়।
সোহরাব হোসেনের বড় ভাই শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, কারা কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার ভাইয়ের মৃত্যু ঘটেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার দুপুরে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে বাদ আসর ধুনটের চর ধুনট এলাকার জান্নাতুল ফেরদৌস কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
বগুড়া কারাগারের জেল সুপার আসাদুর রহমান বলেন, সোহরাব হোসেন হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, কারাগারে সোহরাব হোসেন নামের এক যুবলীগ নেতার মৃত্যুর বিষয়টি তিনি শুনেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে থানা পুলিশের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ