বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৮ এম
শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির সন্নিকটে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আহ্বান জানানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেন ছাত্রনেতারা। এ সময় ইউনূসের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য একজন বিশ্বস্ত মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন ছিল তাদের। সেই গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তৎকালীন এএফপির ঢাকা ব্যুরোর ফ্যাক্ট-চেক সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির। বর্তমানে তিনি দ্য ডিসেন্টের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানান সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
পোস্টে শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, এএফপির ঢাকা ব্যুরোতে তার ডেস্ক থেকে মাত্র এক গজ দূরে বসে শিশির অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানতেন হাতেগোনা কয়েকজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি। ছাত্রনেতাদের পক্ষ থেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ স্থাপন এবং দুই পক্ষের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করেন শিশির নিজেই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার সময় তখনও দুই দিন বাকি ছিল। এমন পরিস্থিতিতে তার নিরাপত্তা বাহিনী পুরো বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানতে পারেনি। শফিকুল আলমের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড ও গুমের অভিযোগে কুখ্যাত ওই বাহিনী বিষয়টি জানতে পারলে শিশিরসহ এএফপির পুরো দলকে গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘরে’ আটক রাখার আশঙ্কা ছিল।
শফিকুল আলম আরও লেখেন, পুরো সময়জুড়ে শিশির অত্যন্ত শান্ত ও অবিচল থেকে নিজের দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে তিনি গোপনে ওই সময়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ করতেও শুরু করেছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাত পোহালেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ গ্রহণের পর শূন্য হয়ে যাওয়া এই আসনে ভোটগ্রহণের জন্য ইতোমধ্যে ১৮৫টি কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১১৩টি, নবগঠিত রুহিয়া উপজেলায় ৩৩টি এবং ভুল্লী উপজেলায় ৩৯টি কেন্দ্রে মোট ১৮৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। ভোটাররা ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে থাকা ৯৮৯টি ভোটকক্ষে ভোট প্রদান করতে পারবেন।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ২৯ অক্টোবর নির্বাচনের সময় জেলায় প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের প্রায় ৫ হাজার ৩০০ জন কর্মরত থাকবেন। এর মধ্যে ২ হাজার ২৭২ জন পুলিশ, ২১ প্লাটুন বিজিবি, ২ হাজার ৪০৫ জন আনসার, ৩ জন ইলেকশন ইনকোয়ারি কমিটির সদস্য, ৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবেন। এছাড়া, মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স ৯০টি, নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব পর্যবেক্ষক ২৫ জন, বিদেশি পর্যবেক্ষক ৪ জন এবং দেশি ও স্থানীয় ১৭৭ জন পর্যবেক্ষক নির্বাচনি মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এদিকে, উপনির্বাচনের আগের দিন পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছেন প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বলেন, "নির্বাচনী প্রচারণার শুরু থেকেই বিএনপির নেতা-কর্মীরা দাঁড়িপাল্লার কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছেন এবং বিভিন্নভাবে বাধা সৃষ্টি করছেন।" তিনি আরও অভিযোগ করেন, "সরকারি চাকরিজীবীদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ার সুযোগ না থাকলেও ২৪ ও ২৫ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকদের দিয়ে বিএনপি তিনটি চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করেছে।" এ ছাড়া, পরিবার কার্ড, কৃষি কার্ড, বয়স্ক ও বিধবা ভাতা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাওয়া এবং ভোটার স্লিপ বিতরণের সময় টাকা দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
জামায়াতের এই প্রার্থী বলেন, "ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী ও তার সমর্থকেরা ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।"
অন্যদিকে, বুধবার রাত ৯টার দিকে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলটির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন। জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, "ধানের শীষের জোয়ার দেখে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে। নানাভাবে ভোটকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।" তিনি আরও বলেন, "এলাকার মানুষ ধানের শীষে ভোট দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। চারদিকে ধানের শীষের জয়জয়কার। নির্বাচিত হলে এলাকাকে মাদকমুক্ত করার পাশাপাশি উন্নয়নে ভূমিকা রাখব।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাগুরার শালিখা উপজেলায় বিএনপি নেতা মশিয়ার রহমান হত্যা মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ এবং উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) মাগুরার শালিখা আমলি আদালতে তাদের হাজির করা হলে বিচারক বর্ণালী রানী জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বরিশাল নৌ-পুলিশে কর্মরত অবস্থায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা শালিখা উপজেলার বিএনপি নেতা মশিয়ার রহমান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি ও ছয়ঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মশিয়ার রহমানকে তার বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যান তৎকালীন শালিখা থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ এবং এসআই ইসমাইল হোসেন।
পরবর্তীতে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই হত্যাকাণ্ডকে সে সময় ‘ক্রসফায়ার’ হিসেবে দেখিয়ে শালিখা থানায় একটি মামলা করা হয়েছিল।
নিহত মশিয়ার রহমানের স্ত্রী হাসিনা বেগম বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আদালতে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ এবং এসআই ইসমাইল হোসেনসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গণ্য করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে শালিখা থানাকে নির্দেশ দেন। পরে মামলাটির তদন্ত শুরু হয়।
তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্যের বিস্তারিত প্রকাশ করেননি তিনি।
স্থানীয় এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মাগুরা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরসহ বিভিন্ন জেলায় দায়িত্ব পালনকালে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াতের বহু নেতাকর্মীকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা এবং ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথ যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথের জামাতা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের নির্বাচনে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। জোট গঠনের আলোচনা শেষে প্রধানমন্ত্রীর পদ তাকে ছাড়তে হতে পারে। তবে, চলমান আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়াগুলো থেমে যাবে না। বরং, ক্ষমতা হারানোর পর বিদেশের আদালতে গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি হওয়ার ক্ষেত্রে তার ব্যক্তিগত দায়মুক্তির সুরক্ষা কমে যেতে পারে।
২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজায় কথিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নেতানিয়াহু এবং ইসরাইলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের কৌশল হিসেবে অনাহারকে ব্যবহার, হত্যা ও নিপীড়ন। নেতানিয়াহু যদি ক্ষমতা ছাড়েন, তবুও এই পরোয়ানা বহাল থাকবে, যদি না আদালত তা প্রত্যাহার করে। তবে, তাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা না হলে বিচার শুরু করা সম্ভব নয়।
আইসিসির পাশাপাশি, তুরস্কেও নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মামলা এবং অনুপস্থিতিতে গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয় রয়েছে। গাজামুখী ত্রাণবহরে ইসরাইলের অভিযানের ঘটনায় নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, ক্ষমতাসীন সরকারপ্রধান হিসেবে নেতানিয়াহু কিছু দেশের জাতীয় আদালতে ব্যক্তিগত দায়মুক্তির সুবিধা পেতে পারেন। তবে, সাধারণত পদ ছাড়ার সঙ্গে এই সুরক্ষা শেষ হয়ে যায়। এরপর, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিদেশি আদালতে বিচারের সম্ভাবনা বাড়তে পারে। যদিও সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় সংঘটিত কাজের জন্য কার্যগত দায়মুক্তির প্রশ্নটি আদালতভেদে বিবেচিত হতে পারে।
ফ্রান্স, ইতালি ও হাঙ্গেরি অতীতে নেতানিয়াহুর ক্ষেত্রে দায়মুক্তির যুক্তি তুলেছে। তবে, আইসিসি হাঙ্গেরিকে নেতানিয়াহুকে গ্রেফতার না করায় সহযোগিতার বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত করেছে। তবুও, তার গ্রেফতার নিশ্চিত নয়, কারণ আইসিসির নিজস্ব পুলিশ বাহিনী নেই; পরোয়ানা কার্যকরে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ওপর নির্ভর করতে হয়।
এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার করা ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাও নেতানিয়াহুর ক্ষমতা ছাড়ার কারণে বন্ধ হবে না। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মামলাটি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইলের দায় নিয়ে। মামলায় নেতানিয়াহুর বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত প্রমাণের অংশ হতে পারে। তবে, চূড়ান্ত রায় আসতে আরও কয়েক বছর লাগতে পারে।
ইসরাইলের অভ্যন্তরেও নেতানিয়াহুর দুর্নীতির বিচার চলমান রয়েছে। ২০২০ সাল থেকে ঘুষ, জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে তিনটি মামলায় বিচার চলছে। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ২০২৫ সালের নভেম্বরে দোষ স্বীকার না করেই প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের কাছে ক্ষমার আবেদন করেন। তবে, আবেদনটির বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে আদালতের বাইরে সমঝোতার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, নেতানিয়াহু প্রধানমন্ত্রীর পদ হারালে তার বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়া শেষ হবে না। বরং, বিদেশি আদালতে ব্যক্তিগত দায়মুক্তি হারানোর কারণে তার আইনি ঝুঁকির ধরন বদলাতে পারে। তবে, গ্রেফতার, বিচার ও মামলার চূড়ান্ত পরিণতি সংশ্লিষ্ট আদালত, রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতা এবং আইনি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয় জাল টাকার কারবারের অভিযোগে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ আব্দুল জব্বার (৪৫) নামক এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তার হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এক হাজার টাকা মূল্যমানের ২৫টি জাল নোট, যার মোট মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার টাকা।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার চকবাড়িয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুল জব্বার আলেক শিকদারের পুত্র। তিনি ওই এলাকায় রুহুল আমিনের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চকবাড়িয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় জাল নোট বাজারজাতের প্রস্তুতি নেওয়ার গোপন তথ্য পাওয়া যায়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের নির্দেশনায় বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল ওই বাসায় অভিযান চালায়। অভিযানের ফলে আব্দুল জব্বারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে তার হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় এক হাজার টাকা মূল্যমানের ২৫টি জাল নোট।
রাত ১০টার দিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাল নোটের কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুল জব্বারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, জাল নোটসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ