ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুবাইয়ে বেনজীরের কারামুক্তি নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী


দুবাইয়ে বেনজীরের কারামুক্তি নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দুবাইয়ে গ্রেফতার হওয়া বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ শর্তসাপেক্ষে জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

রোববার (২ আগস্ট) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে একটি অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।

এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ শর্তসাপেক্ষে ছাড়া পাওয়ার ঘটনাটি দেশটির আইনী প্রক্রিয়ার অংশ। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে দেশটির সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এদিকে দুদক মহাপরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেছেন, মিডিয়াসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা জানি সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ছাড়া পেয়েছেন। কিন্তু তার ছাড়া পাওয়ার পেছনে দুদকের আইনি কোনো গাফিলতি ছিল না।

জানা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি আদালত গত ২৭ জুলাই বেনজীর আহমেদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করে। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ৩০ জুলাই তিনি কারামুক্তি পান।

এর আগে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা একটি মামলার প্রেক্ষাপটে বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করে দুবাই পুলিশ। পরে গত ১২ জুন দুবাই পুলিশ এক চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে গ্রেফতারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে। এই সময় বেনজীরকে ফেরত চেয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পাঠানোর কাজ করে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইস'রা'য়েলি হামলা অব্যাহত, নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


গাজায় ইস

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকার কারণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। আজ রবিবার স্থানীয় সূত্রের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

সর্বশেষ হামলার ঘটনা ঘটে গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের রিমাল এলাকায়, যেখানে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আশ্রয় নেওয়া একটি তাঁবুর উপর ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালানো হয়। সেই ঘটনায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হন, যাদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে।

এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকায় মোট ১৫২ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা চলতি বছরের মধ্যে এক মাসে সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিহতদের তালিকায় ২১ শিশু, ১৪ নারী এবং চারজন বয়স্ক ব্যক্তিও রয়েছেন বলে মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে।

মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার কারণে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরেও ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ২২২ জন নিহত এবং ৪ হাজার ৫৩ জন আহত হয়েছেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৩৪৯ জনে। একই সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ১৬২ জন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে বহুতল ভবনের ছড়াছড়ি, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


ময়মনসিংহে বহুতল ভবনের ছড়াছড়ি, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

ময়মনসিংহ নগরীতে দ্রুততার সাথে বাড়ছে বহুতল ভবনের সংখ্যা। কিন্তু পরিকল্পিত নগরায়ণের পরিবর্তে জাতীয় বিল্ডিং কোড ও নিরাপত্তাবিধি উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণের অভিযোগও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড অথবা অন্যান্য যেকোনো দুর্যোগের ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের প্রাণহানি ও বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ময়মনসিংহের প্রাচীন শহরে একের পর এক বহুতল ভবন গড়ে উঠলেও, অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও নির্মাণবিধি মেনে চলা হচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, কোথাও নির্ধারিত সেটব্যাক রাখা হয়নি, আবার কোথাও পার্কিংয়ের জায়গা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে নগরীর পরিকল্পিত উন্নয়ন যেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

সম্প্রতি, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক দীর্ঘ সময় আটকে থাকা প্রায় ৪৮০টি ভবনের নকশা অনুমোদন দিয়েছেন। বিষয়টিকে সচেতন নাগরিকরা ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখছেন। এদিকে নবগঠিত ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (মউক) দাবি করছে, এখন থেকে বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদনের দায়িত্ব তাদের হবে। তবে সিটি করপোরেশন জানায়, এ বিষয়ে তারা এখনো সরকারের কোন আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পায়নি।

সিটি করপোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদের তথ্য অনুযায়ী, নগরীতে প্রায় ৩৫ হাজার বহুতল ভবন রয়েছে। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে নতুন প্রশাসক ৪৮০টি ভবনের নকশা অনুমোদন দিয়েছেন। অনুমোদিত নকশা লঙ্ঘনের অভিযোগে অন্তত ৬০টি ভবনের মালিককে অবৈধ অংশ অপসারণের নোটিশও দেওয়া হয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়নি।

ময়মনসিংহের সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সভাপতি ইয়াজদানী কোরাইশী কাজল বলেন, নগরীতে বহুতল ভবন নির্মাণের যেন এক প্রতিযোগিতা চলছে। রাস্তার ধারণক্ষমতা অথবা নগর পরিকল্পনা বিবেচনা না করেই নকশা অনুমোদনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যথাযথ নিয়ম মেনে নকশা অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়ে আমাদের সংশয় ও রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন ছাড়া কোন ভবনকে ঝুঁকিমুক্ত বলা যায় না। অনেক ভবন প্রাথমিক অনুমোদন নিলেও চূড়ান্ত অনুমোদন নেয়নি। বর্তমানে পুরো নগরীতে মাত্র একটি ভবনেরই ফায়ার সার্ভিসের চূড়ান্ত অনুমোদন রয়েছে।

ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, অতীতে যেভাবে নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তাতে নগর পরিকল্পনা ব্যাহত হয়েছে। এখন থেকে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ কোনোভাবেই অনুমোদন দেওয়া হবে না এবং বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদনের দায়িত্ব উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পালন করবে।

অন্যদিকে, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকন উজ্জামান সরকার জানান, নতুন করে নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ হচ্ছে কি না তা তদারকিতে সিটি করপোরেশনের টিম কাজ করছে। অতীতে অপরিকল্পিতভাবে নগর গড়ে ওঠার দায় তখনকার সংশ্লিষ্টদের। উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নকশা অনুমোদন দেবে কি না, সে বিষয়ে আমরা এখনো কোনো সরকারি নির্দেশনা পাইনি। নগরবাসী সিটি করপোরেশনকে কর দেন, তাই তাদের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার দায়িত্বও আমাদের।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ বাংলাদেশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৬ পি.এম


মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ বাংলাদেশের

বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি বাংলাদেশের নিকটবর্তী প্রতিবেশী হিসেবে বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে।

রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ে মসাক্ষাৎ করেন। ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গ্যাস আনার বিষয়ে আগ্রহ জানানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা অনেক বেশি। এই অবস্থায় মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহের ব্যাপারে বাংলাদেশ বিশেষভাবে আগ্রহী।

জাতীয় জ্বালানি কর্মকর্তার প্রত্যুত্তরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। তিনি এলএনজি হিসেবেও গ্যাস সরবরাহের সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার কথা জানান। মন্ত্রীও তার এ প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে পাইপলাইন করার অতীতের প্রস্তাবটি নতুন করে আলোচনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

জ্বালানি খাতের এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তাব দেন। তিনি মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানোর কথাও তুলে ধরেন। প্রয়োজনীয় হলে তিনি নিজেও মিয়ানমার সফরের বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের স্মৃতি ফিরিয়ে এনে মন্ত্রী বলেন, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোরের প্রস্তাব ছিল। এই ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে পাইপলাইন স্থাপন করা হলে তা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। পাশাপাশি মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

জ্বালানি মন্ত্রী মত প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বহু সম্ভাবনার ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। ‘প্রতিবেশী প্রথম’ ওই চিন্তাভাবনা অনুযায়ী দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আন্তরিক সদিচ্ছার কথাও তিনি বৈঠকে উল্লেখ করেন।

সাক্ষাৎকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই আহত-শহীদদের তালিকা তৈরিতে বৈষম্য করেছে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই আহত-শহীদদের তালিকা তৈরিতে বৈষম্য করেছে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন অভিযোগ করেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জুলাই আহত ও শহীদদের তালিকা তৈরিতে বৈষম্য করা হয়েছে। তিনি জানান, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের ব্যক্তিদের গেজেটভুক্ত করা হয়নি। এছাড়াও, ক্যাটাগরি বন্টনেও বৈষম্য করা হয়েছে।

জাগ্রত জুলাই ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

আইন অনুযায়ী জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে সরকার বাধ্য বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি এ সময় জানান, জুলাই আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা প্রদান করতে হাসপাতাল ও চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের তাগাদ দিচ্ছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, সরকার এখন পর্যন্ত জুলাই আহত ও শহীদদের জন্য ১ হাজার ৬ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা উপেক্ষা করে জুলাই শহীদদের প্রাপ্য সুবিধা বাস্তবায়নে কাজ চলমান রয়েছে।

ইশরাক হোসেন মধ্য দিয়ে কিছু মানুষ অশালীন ভাষায় প্রতিবাদ প্রকাশের চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন। তিনি প্রশ্ন করেন, “তবে কি এমন অশালীন ভাষাই নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল?” এই অশালীন ভাষাগুলো কিশোর-তরুণদের মাঝে পাচ্ছে। তিনি সতর্ক করেছেন যে, এমন অপসংস্কৃতি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া যাবে না। গালাগালিকে সহজিকরণের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে।

আলোচনা সভায় প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই অভ্যুত্থানকে হাইজ্যাক করেছে এবং রাজনৈতিক সক্রিয়তা না থাকলেও অনেক অযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রাধীন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে নিয়োগ দিয়ে ড. ইউনূস বিপ্লবকে বিভাজিত করেছেন।

নুর অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক অনভিজ্ঞ ব্যক্তিরা তাদের অশ্লীল ও অশ্রাব্য ভাষাকে সহজিকরণ করছে এবং তারা এখন রাজনৈতিক বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%