ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ময়মনসিংহে বহুতল ভবনের ছড়াছড়ি, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা


ময়মনসিংহে বহুতল ভবনের ছড়াছড়ি, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

ময়মনসিংহ নগরীতে দ্রুততার সাথে বাড়ছে বহুতল ভবনের সংখ্যা। কিন্তু পরিকল্পিত নগরায়ণের পরিবর্তে জাতীয় বিল্ডিং কোড ও নিরাপত্তাবিধি উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণের অভিযোগও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ড অথবা অন্যান্য যেকোনো দুর্যোগের ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের প্রাণহানি ও বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ময়মনসিংহের প্রাচীন শহরে একের পর এক বহুতল ভবন গড়ে উঠলেও, অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও নির্মাণবিধি মেনে চলা হচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, কোথাও নির্ধারিত সেটব্যাক রাখা হয়নি, আবার কোথাও পার্কিংয়ের জায়গা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে নগরীর পরিকল্পিত উন্নয়ন যেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

সম্প্রতি, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক দীর্ঘ সময় আটকে থাকা প্রায় ৪৮০টি ভবনের নকশা অনুমোদন দিয়েছেন। বিষয়টিকে সচেতন নাগরিকরা ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখছেন। এদিকে নবগঠিত ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (মউক) দাবি করছে, এখন থেকে বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদনের দায়িত্ব তাদের হবে। তবে সিটি করপোরেশন জানায়, এ বিষয়ে তারা এখনো সরকারের কোন আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পায়নি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সিটি করপোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদের তথ্য অনুযায়ী, নগরীতে প্রায় ৩৫ হাজার বহুতল ভবন রয়েছে। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে নতুন প্রশাসক ৪৮০টি ভবনের নকশা অনুমোদন দিয়েছেন। অনুমোদিত নকশা লঙ্ঘনের অভিযোগে অন্তত ৬০টি ভবনের মালিককে অবৈধ অংশ অপসারণের নোটিশও দেওয়া হয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়নি।

ময়মনসিংহের সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সভাপতি ইয়াজদানী কোরাইশী কাজল বলেন, নগরীতে বহুতল ভবন নির্মাণের যেন এক প্রতিযোগিতা চলছে। রাস্তার ধারণক্ষমতা অথবা নগর পরিকল্পনা বিবেচনা না করেই নকশা অনুমোদনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যথাযথ নিয়ম মেনে নকশা অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়ে আমাদের সংশয় ও রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন ছাড়া কোন ভবনকে ঝুঁকিমুক্ত বলা যায় না। অনেক ভবন প্রাথমিক অনুমোদন নিলেও চূড়ান্ত অনুমোদন নেয়নি। বর্তমানে পুরো নগরীতে মাত্র একটি ভবনেরই ফায়ার সার্ভিসের চূড়ান্ত অনুমোদন রয়েছে।

ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, অতীতে যেভাবে নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তাতে নগর পরিকল্পনা ব্যাহত হয়েছে। এখন থেকে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ কোনোভাবেই অনুমোদন দেওয়া হবে না এবং বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদনের দায়িত্ব উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পালন করবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

অন্যদিকে, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকন উজ্জামান সরকার জানান, নতুন করে নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ হচ্ছে কি না তা তদারকিতে সিটি করপোরেশনের টিম কাজ করছে। অতীতে অপরিকল্পিতভাবে নগর গড়ে ওঠার দায় তখনকার সংশ্লিষ্টদের। উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নকশা অনুমোদন দেবে কি না, সে বিষয়ে আমরা এখনো কোনো সরকারি নির্দেশনা পাইনি। নগরবাসী সিটি করপোরেশনকে কর দেন, তাই তাদের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার দায়িত্বও আমাদের।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ বাংলাদেশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৬ পি.এম


মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ বাংলাদেশের

বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি বাংলাদেশের নিকটবর্তী প্রতিবেশী হিসেবে বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে।

রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ে মসাক্ষাৎ করেন। ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গ্যাস আনার বিষয়ে আগ্রহ জানানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা অনেক বেশি। এই অবস্থায় মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহের ব্যাপারে বাংলাদেশ বিশেষভাবে আগ্রহী।

জাতীয় জ্বালানি কর্মকর্তার প্রত্যুত্তরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। তিনি এলএনজি হিসেবেও গ্যাস সরবরাহের সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার কথা জানান। মন্ত্রীও তার এ প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে পাইপলাইন করার অতীতের প্রস্তাবটি নতুন করে আলোচনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

জ্বালানি খাতের এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তাব দেন। তিনি মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানোর কথাও তুলে ধরেন। প্রয়োজনীয় হলে তিনি নিজেও মিয়ানমার সফরের বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের স্মৃতি ফিরিয়ে এনে মন্ত্রী বলেন, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোরের প্রস্তাব ছিল। এই ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে পাইপলাইন স্থাপন করা হলে তা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। পাশাপাশি মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

জ্বালানি মন্ত্রী মত প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বহু সম্ভাবনার ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। ‘প্রতিবেশী প্রথম’ ওই চিন্তাভাবনা অনুযায়ী দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আন্তরিক সদিচ্ছার কথাও তিনি বৈঠকে উল্লেখ করেন।

সাক্ষাৎকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই আহত-শহীদদের তালিকা তৈরিতে বৈষম্য করেছে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই আহত-শহীদদের তালিকা তৈরিতে বৈষম্য করেছে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন অভিযোগ করেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জুলাই আহত ও শহীদদের তালিকা তৈরিতে বৈষম্য করা হয়েছে। তিনি জানান, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের ব্যক্তিদের গেজেটভুক্ত করা হয়নি। এছাড়াও, ক্যাটাগরি বন্টনেও বৈষম্য করা হয়েছে।

জাগ্রত জুলাই ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

আইন অনুযায়ী জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে সরকার বাধ্য বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি এ সময় জানান, জুলাই আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা প্রদান করতে হাসপাতাল ও চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের তাগাদ দিচ্ছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, সরকার এখন পর্যন্ত জুলাই আহত ও শহীদদের জন্য ১ হাজার ৬ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা উপেক্ষা করে জুলাই শহীদদের প্রাপ্য সুবিধা বাস্তবায়নে কাজ চলমান রয়েছে।

ইশরাক হোসেন মধ্য দিয়ে কিছু মানুষ অশালীন ভাষায় প্রতিবাদ প্রকাশের চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন। তিনি প্রশ্ন করেন, “তবে কি এমন অশালীন ভাষাই নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল?” এই অশালীন ভাষাগুলো কিশোর-তরুণদের মাঝে পাচ্ছে। তিনি সতর্ক করেছেন যে, এমন অপসংস্কৃতি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করতে দেওয়া যাবে না। গালাগালিকে সহজিকরণের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে।

আলোচনা সভায় প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই অভ্যুত্থানকে হাইজ্যাক করেছে এবং রাজনৈতিক সক্রিয়তা না থাকলেও অনেক অযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রাধীন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে নিয়োগ দিয়ে ড. ইউনূস বিপ্লবকে বিভাজিত করেছেন।

নুর অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক অনভিজ্ঞ ব্যক্তিরা তাদের অশ্লীল ও অশ্রাব্য ভাষাকে সহজিকরণ করছে এবং তারা এখন রাজনৈতিক বিষফোঁড়ায় পরিণত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ আ গুন নেভাতে গিয়ে গ্রিসে দাবানল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:২১ পি.এম


দুই হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ আ গুন নেভাতে গিয়ে গ্রিসে দাবানল

গ্রিসে দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় মাঝ আকাশে দুটি অগ্নিনির্বাপণ হেলিকপ্টারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় চারজন ক্রু সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে ব্যাপক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২ আগস্ট) এথেন্সের পশ্চিমে সাথা এলাকায় আগুন নেভানোর সময় দুটি বেল হেলিকপ্টারের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানিয়েছে গ্রিসের ফায়ার সার্ভিস।

এদিকে করিন্থ উপসাগরের তীরবর্তী পোর্তো জেরমেনো এলাকাতেও আরেকটি দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন দমকলকর্মীরা। আগুন পাহাড় পেরিয়ে একটি সামরিক ফায়ারিং রেঞ্জে পৌঁছালে সেখানে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ সক্রিয় হয়ে ওঠার আশঙ্কা দেখা দেয়।

বর্তমানে প্রায় ৫০০ দমকলকর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। পাশাপাশি ফ্রান্স ও রোমানিয়া থেকেও অতিরিক্ত সহায়তা পৌঁছেছে।

অল্প বৃষ্টিপাত ও তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে চলতি গ্রীষ্মে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এ ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ও তীব্র হচ্ছে।

গ্রিসে কয়েকদিন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও আবার নতুন করে বিভিন্ন স্থানে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। প্রবল বাতাস কিছুটা কমে এলেও আগুন ভেনিজা গ্রামে পৌঁছে গেছে। মেগারা উপকূলীয় শহরে আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে প্রাণপণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমি পুড়ে গেছে।

আগিওস কনস্তানতিনোস গ্রামের বাসিন্দা ৬১ বছর বয়সী তাসোস জেমবেলিকোস বলেন, "গত রাত থেকেই আগুন জ্বলছে। সব জায়গায় দমকল পৌঁছানো সম্ভব নয়। তাই আমরা স্থানীয় বাসিন্দারাই নিজের সাধ্যমতো আগুন নেভানোর চেষ্টা করছি।"

এদিকে কেফালোনিয়া দ্বীপে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগানোর অভিযোগে ৪৪ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ফ্রান্সের জিরন্দ ও ভার অঞ্চলের দাবানল কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনও বিচ্ছিন্নভাবে আগুন জ্বলছে। স্পেনের মধ্যাঞ্চলেও গত সপ্তাহে কয়েক হাজার হেক্টর বনভূমি পুড়ে গেলেও অধিকাংশ এলাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে কিছু স্থানে আবারও আগুন জ্বলে উঠছে।

স্পেনের কাসেরেস প্রদেশে সরিয়ে নেওয়া প্রায় ৮০০ বাসিন্দাকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে দেওয়া হলেও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় তাদের ঘরের মধ্যেই থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দাবানলের পাশাপাশি ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ নতুন সংকট তৈরি করেছে। হাঙ্গেরিতে দানিউব নদীর পানি রেকর্ড পরিমাণ কমে যাওয়ায় চার দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো দেশটির একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী পিটার মাগিয়ার সতর্ক করে জানিয়েছেন, দানিউবের পানি কমে যাওয়া, পারমাণবিক কেন্দ্র বন্ধ থাকা এবং শতাধিক শহর ও গ্রামে পানি ব্যবহারে বিধিনিষেধ জারির কারণে দেশটি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ সময় পার করছে।

এদিকে সার্বিয়াতেও খরার কারণে দানিউব নদীর পানির স্তর ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। ফলে দেশটির জলবিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

জ্বালানিমন্ত্রী দুব্রাভকা জেদোভিচ হানদানোভিচ জানান, দেশটির সবচেয়ে বড় দুটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র বর্তমানে তাদের উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। গত পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ ধরে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় দানিউব নদীর পানির স্তর ক্রমাগত কমে যাচ্ছে।

সূত্র: আলজাজিরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় আকস্মিকভাবে হাসপাতাল পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


গাইবান্ধায় আকস্মিকভাবে হাসপাতাল পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা), ২ আগস্ট, ২০২৬ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আকস্মিকভাবে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন। আজ রোববার তিনি পরিদর্শনে গেলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে এক সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের (সেকমো) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন, কিন্তু পরে অভিযোগকারী রোগীকে টিকা কেনার টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য মৌখিক নির্দেশ দেন মন্ত্রী। পরিদর্শনকালে কুকুরের কামড়ে আহত শামসুন্নাহার নামে এক রোগী স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন যে, হাসপাতালে ভ্যাকসিন থাকা সত্ত্বেও দায়িত্বরত স্বাস্থ্যকর্মী (সেকমো) তাকে বাইরে থেকে কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন কিনতে বলেন। এরপর তিনি এক হাজার ৩০ টাকা দিয়ে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে নিতে বাধ্য হন। এ অভিযোগ শুনে ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইটএফপিও) ডা. মাসুদুর রহমান আকন্দকে ফোন করে ভ্যাকসিন মজুত থাকা সত্ত্বেও রোগীকে বাইরে থেকে কিনতে বাধ্য করার জন্য সেকমো হেদায়েতুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি বিভাগ, বিভিন্ন ওয়ার্ড, স্টোর ও রান্নাঘর পরিদর্শনের পাশাপাশি রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারের মানও পরীক্ষা করেন। এরপর তিনি একটি বেসরকারি ক্লিনিক ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারও পরিদর্শন করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%