১১:০৬ পি.এম
বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি বাংলাদেশের নিকটবর্তী প্রতিবেশী হিসেবে বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে।
রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ে মসাক্ষাৎ করেন। ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গ্যাস আনার বিষয়ে আগ্রহ জানানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা অনেক বেশি। এই অবস্থায় মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহের ব্যাপারে বাংলাদেশ বিশেষভাবে আগ্রহী।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
জাতীয় জ্বালানি কর্মকর্তার প্রত্যুত্তরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। তিনি এলএনজি হিসেবেও গ্যাস সরবরাহের সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার কথা জানান। মন্ত্রীও তার এ প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে পাইপলাইন করার অতীতের প্রস্তাবটি নতুন করে আলোচনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
জ্বালানি খাতের এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তাব দেন। তিনি মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানোর কথাও তুলে ধরেন। প্রয়োজনীয় হলে তিনি নিজেও মিয়ানমার সফরের বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের স্মৃতি ফিরিয়ে এনে মন্ত্রী বলেন, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোরের প্রস্তাব ছিল। এই ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে পাইপলাইন স্থাপন করা হলে তা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। পাশাপাশি মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
জ্বালানি মন্ত্রী মত প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বহু সম্ভাবনার ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। ‘প্রতিবেশী প্রথম’ ওই চিন্তাভাবনা অনুযায়ী দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আন্তরিক সদিচ্ছার কথাও তিনি বৈঠকে উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন