ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এক মুহূর্তেই শেষ ১৩টি প্রাণ, হিমাচলে চলন্ত গাড়ির ওপর আছড়ে পড়ল পাথর


এক মুহূর্তেই শেষ ১৩টি প্রাণ, হিমাচলে চলন্ত গাড়ির ওপর আছড়ে পড়ল পাথর

ভারতের হিমাচল প্রদেশের লাহুল-স্পিতি জেলায় চলন্ত একটি ট্যাক্সির ওপর পাহাড় থেকে বিশাল পাথর গড়িয়ে পড়ে, যাতে ছয় মাসের একটি শিশুসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন আরও দুজন।

শুক্রবার স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই এ তথ্য জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, ১৫ জন যাত্রী নিয়ে ট্যাক্সিটি কুল্লু থেকে কিলারের দিকে যাচ্ছিল। পথে উদয়পুর-পাঙ্গি সড়কে পাহাড়ি ঢাল থেকে বড় বড় পাথর গাড়িটির ওপর আছড়ে পড়ে। এর ফলে ট্যাক্সিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, দুর্ঘটনার পর গাড়িটির পেছনের অংশে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা ও সেনাসদস্যরা সে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।

ভারমুরের বিধায়ক জনক রাজ পিটিআইকে জানান, গাড়িতে থাকা ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। বাকি দুজন গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে প্রাণে বাঁচেন। তিনি চাম্বা ও লাহুল-স্পিতির ডেপুটি কমিশনারদের দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার অনুরোধ করেছেন।

পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, উদয়পুর-কিলার সড়ক আগের দিন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা হিমাচলের তিন্দিতে আটকা পড়ে ছিলেন। শুক্রবার সড়কটি চালু হওয়ার পর তারা পাঙ্গির উদ্দেশে রওনা দেন। পথেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

সোর্সঃ পিটিআই

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার পানি না কমায় কুড়িগ্রামে দুর্ভোগ, বাড়ছে ভাঙন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


বন্যার পানি না কমায় কুড়িগ্রামে দুর্ভোগ, বাড়ছে ভাঙন

কুড়িগ্রামে তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্রসহ সব নদ-নদীর পানি কমা সত্ত্বেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। গত ৪ দিন ধরে নতুন করে এসব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছিল, তবে এখন সেগুলো আবার কমতে শুরু করেছে। শুক্রবার দুপুরের পর থেকে তিস্তা নদীতে ফের পানি বাড়তে শুরু করেছে। თუმცა, তিস্তার পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজারহাটের তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানির স্তর ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার নিচে অবস্থান করছে। অন্যদিকে, ধরলা নদীর শিমুলবাড়ি ও সেতু পয়েন্টে পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদের হাতিয়া, চিলমারী ও নুনখাওয়া পয়েন্টে পানির স্তর কমে গিয়ে পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আছে। ফলে, এসব নদ-নদীর অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে পানি উঠে প্লাবিত হয়েছে এবং সেখানে নতুন নতুন ফসল তলিয়ে গেছে।

এদিকে, তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি কমা ও বাড়ার ফলে নদী ভাঙন তীব্র রূপ নিয়েছে। চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জে কাচকল এলাকায় প্রায় ৬০ মিটার বাঁধ আবারও ভেঙে গেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নদী ভাঙন আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এর পাশাপাশি, জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙার রামহরি, খিতাবখা ও বুড়িরহাট বাজার, উলিপুরের হাতিয়া, দাগারকুটি, জলাঙরকুটি সহ অন্যান্য অনেক এলাকায় প্রবল স্রোত নদী ভাঙনের সৃষ্টি করছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড অস্থায়ী ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করছে, তবে তা এখনও কার্যকর হচ্ছে না।

মোগলবাসা এলাকার বাসিন্দা কুদরত আলী জানিয়েছেন, তারা নয়ার চর থেকে নৌকায় এসে মোগলবাসায় নদী ভাঙন ঠেকাতে কাজ করছেন, কিন্তু নয়ারহাটে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও স্থাপনা ভাঙছে। তিনি দাবি করেছেন, তাঁদের এলাকায়ও ভাঙন প্রতিরোধে বোল্ডার ফেলার ব্যবস্থা হোক।

চিলমারী উপজেলার কাচকল এলাকার বাসিন্দা জলিল মিয়া জানিয়েছেন, কয়েক দিন ধরে বাঁধের রাস্তায় তিনটি ভাঙন দেখা দিয়েছে। কিন্তু ওয়াপদা জিওব্যাগ ফেলে যে প্রতিরোধের চেষ্টা করছে, তার সুফল মিলছে না। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, যদি বাড়িগুলো তলিয়ে যায়, তবে তাঁরা কোথায় যাবেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানিয়েছেন, নদী ও নদীর পানি কমা-বাড়ার প্রভাবে তীব্র ভাঙন ঘটছে। জেলার ৩৮টি স্থানে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। চিলমারীর কাচকল এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করা হলেও সেগুলোও আবার ভেঙে যাচ্ছে। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, শুকনো মৌসুমে এসব এলাকায় স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে পারিবারিক কলহের জেরে মারধরে নারী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


রাজশাহীতে পারিবারিক কলহের জেরে মারধরে নারী নিহত

রাজশাহীতে পারিবারিক কলহের প্রেক্ষাপটে মারামারির ফলে ফরিদা পারভীন (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত ফরিদা পারভীন পবা উপজেলার হরিয়ান এলাকার লালন শেখের স্ত্রী। তার মরদেহ বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় পারিবারিক বিরোধের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এই মারামারির ফলে প্রতিপক্ষের হামলায় ফরিদা পারভীন গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেছেন, ‘ফরিদা নামে এক নারী মারামারির ঘটনায় মারা গেছেন। ঘটনার স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে দিন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে দিন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নয়

বাংলাদেশে যখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে, তখন নির্বাচনী নীতিমালার বাইরেও একটি বিষয় আলোচনায় উঠে এসেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দাবি তুলেছে যে, সরকারি কর্মচারী ও নিয়মিত রাজনৈতিক দলের সদস্যদের এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ কমিয়ে আনতে হবে।

এই প্রস্তাবকে সামনে রেখে একটি বড় প্রশ্ন উঠেছে। নাগরিকের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা কি তাকে নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি হওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে? একটি গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য অপরাধ এবং রাজনৈতিক অপরাধের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য থাকা খুবই প্রয়োজন। এই দুটি এক নয়। ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপি, রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অব্যবহার, দুর্নীতি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এসব সম্পর্কে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে যাদের বিরুদ্ধে কথা উঠেছে, তাদের জন্য নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত এবং প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে আইনানুগ বিচার করা উচিত। জনসাধারণের মধ্যে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হলে জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে রাজনৈতিক দলের সদস্য সবাইকে গণহারে শাস্তির আওতায় আনা একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

অন্যান্য দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব বহন করে। দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবৈষম্যের অবসানের পর ন্যাশনাল পার্টির সাধারণ সমর্থকদের রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করা হয়নি। ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশনের মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হয়েছিল, তবে গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার পথও উন্মুক্ত ছিল।

আগাস্তো পিনোশের সামরিক শাসনের পর চিলিও একই পথ অনুসরণ করেছে। আগের শাসনব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন, এবং তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ জনগণের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করেছে।

১৯৯৮ সালে প্রেসিডেন্ট সুহার্তোর পতনের পর ইন্দোনেশিয়াও অনুরূপ একটি অন্তর্ভুক্তির পথ বেছে নিয়েছিল। কর্তৃত্ববাদী শাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত গোলকারকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়নি। বরং জনসমর্থনের ওপর ভিত্তি করে দলের রাজনৈতিক প্রভাব কমেছে এবং বেড়েছে।

এর বিপরীত দৃষ্টিভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৩ সালের পর ইরাকে ব্যাপক দে-বাথিফিকেশন নীতির ফলে সাদ্দাম হোসেনের বাথ পার্টির সঙ্গে সম্পৃক্তদের জনবিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর বাথ পার্টিকে নিষিদ্ধ করা, উচ্চপদস্থ সদস্যদের সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা এবং সামরিক বাহিনী ভেঙে দেওয়ার এই সরকারী নীতি রাজনৈতিক বিভাজনকে বাড়িয়েছে এবং স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ার প্রচেষ্টাকে জটিল করেছে, এ বিষয়ে অনেক গবেষক ও নীতিনির্ধারক একমত।

বাংলাদেশের জন্য এই পর্যবেক্ষণগুলো থেকে সঠিক শিক্ষা গ্রহণ করা প্রয়োজন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যদি নির্দলীয় পদ্ধতির পুনর্বাসন ঘটে, তবে এটি আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে। প্রার্থীরা দলীয় প্রতীকের বদলে তাদের ব্যক্তিগত খ্যাতি এবং স্থানীয় অবস্থানের ভিত্তিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এ পরিস্থিতিতে অতীতের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেবল নির্দলীয় নির্বাচনের উদ্দেশ্য ক্ষুণ্ন করবে না, বরং নির্বাচনের মূল চেতনাকেও বাধাগ্রস্ত করবে।

যদি কেউ সত্যিই জনগণের মধ্যে আস্থা হারায়, তবে সেটি নির্বাচনের মাধ্যমেই পরিষ্কার হওয়া উচিত। প্রশাসনিকভাবে বাদ দেওয়ার পরিবর্তে ভোটারদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার গণতান্ত্রিক মূল্য ধরা অনেক বেশি। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বর্জনের চক্রে আবদ্ধ হয়ে আছে, যেখানে প্রত্যেক বিজয়ী পক্ষ তাদের প্রতিপক্ষকে সংশোধনের অযোগ্য মনে করে। এমন দৃষ্টিভঙ্গি স্থায়ী ন্যায়বিচার কিংবা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনতে সক্ষম হয়নি।

দেশের জবাবদিহি প্রয়োজন। তবে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থাও প্রয়োজন। যারা অপরাধ করেছেন, তাদের স্বাধীন আদালতে জবাবদিহি করতে হবে। যারা শুধু রাজনৈতিক বিশ্বাস ধারণ করেন, তাদের জবাবদিহি করতে হবে ভোটারদের কাছে। কোনো রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিপক্ষের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়া উচিত নয়, এই সিদ্ধান্তটি আদালতে উপস্থাপিত যথাযথ প্রমাণ এবং জনগণের ভোটের মাধ্যমে হওয়া উচিত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের স্বাবলম্বী করতে সরকারের উদ্যোগ চলমান: বাণিজ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ পি.এম


নারীদের স্বাবলম্বী করতে সরকারের উদ্যোগ চলমান: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র এবং পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেকসই অগ্রগতির জন্য নারীকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে হবে পরিবারে। এই লক্ষ্যে সরকার নারীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসারে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি শুক্রবার সিলেট সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়নাধীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত জনগণের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে শিক্ষাবৃত্তি, বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথাগুলো জানিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, সংসারে অর্থের প্রয়োজন সবারই আছে। বিশেষ করে সন্তানরা মায়ের কাছেই বেশি আবদার করে। তাই সরকার মা-বোনদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যাতে পরিবারে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও সিদ্ধান্ত গ্রহণে কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা যায়।

তিনি জানান, নারীদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বাড়ির আঙিনায় অ্যাকুয়াপনিক্স পদ্ধতিতে মাছ ও সবজি চাষের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ লাভের পর চাষাবাদের জন্য সরকারি প্রণোদনারও ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ কারণে এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে নির্দিষ্ট বিষয়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই সময় তিনি সিলেট সদরের শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার, ড্রাইভিংসহ বিভিন্ন কারিগরি বিষয়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ সম্প্রসারণে একটি টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, শুষ্ক মৌসুমেও কৃষিজমিতে চাষাবাদ নিশ্চিত করতে খাল খনন কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত করতে হবে। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ রাখার জন্য কোনো কৃষিজমি অনাবাদি রাখা যাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাপলু এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াত বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

অন্যদিকে, এ সময় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম, খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এবং গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে মন্ত্রী নগরীর লাক্কাতুরা চা-বাগানে একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। পরে বিকেলে তিনি উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%