মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৪ পি.এম
বাংলাদেশ পুলিশে ব্যাপক রদবদল করেছে সরকার। মোট ৩১ জন কর্মকর্তা, যাদের মধ্যে ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার পর্যায়ের সদস্য রয়েছে, নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান খানকে ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলে (টিডিএস) কমান্ড্যান্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সুপারনিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া মোহাম্মদ এনামুল হককে সিলেট মহানগর থেকে খাগড়াছড়ি এপিবিএন ও বিশেষ ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে। একই পদে থাকা পরিতোষ ঘোষকে পার্বত্য জেলা এপিবিএন কার্যালয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি আনিছুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে থাকা অতিরিক্ত ডিআইজি গিয়াস উদ্দিন আহমদকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, সুপার নিউমারারি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারদেরও বদলির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হঠাৎ করে ইরানের আকাশে অজ্ঞাত উড়ন্তযান দেখা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে একটি উজ্জ্বল আলোকিত বস্তু তেহরানের আকাশে ভেসে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে এবং এটি ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে।
এই ভিডিওগুলি নিয়ে ইরানে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এটি কি ইউএফও, ড্রোন, বিমান, নাকি অন্য কিছু? তবে এখন পর্যন্ত এর সঠিক পরিচয় সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি। ভিডিওতে ধারণ করা বস্তুটি আসলে কী, সে সম্পর্কে ইরানের কর্তৃপক্ষ এখনও কিছু জানায়নি।
মজার বিষয় হলো, প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে তেহরানে একটি ইউএফও দর্শনের ঘটনা বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়েছিল। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ দশক পর আবারও রাতের আকাশে রহস্যময় একটি বস্তু দেখা গেছে।
তেহরানের ১৯৭৬ সালের ইউএফও রহস্য
এই সময়টি এই রহস্যকে আরও গভীর করে তুলেছে। ১৯৭৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, তেহরানের আকাশে একটি আকাশযান সংক্রান্ত ঘটনা ঘটে। সেটি পরবর্তীতে নথিভুক্তও করা হয়েছে। প্রায় পঞ্চাশ বছর পর এই নতুন ফুটেজ সামনে এসেছে।
ঘটনাটি শুরু হয়েছিল শেমিরান এলাকার বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্য থেকে। তারা জানায়, আকাশে একটি অদ্ভুত উজ্জ্বল বস্তু দেখেছেন। পরে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি গোপনীয়তামুক্ত প্রতিবেদনে ইম্পেরিয়াল ইরানিয়ান বিমানবাহিনী এবং দুটি এফ-৪ ফ্যান্টম যুদ্ধবিমানের প্রতিক্রিয়ার বিবরণ নথিভুক্ত করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম এফ-৪ বিমানটি বস্তুটির কাছাকাছি পৌঁছালে এর যন্ত্রপাতি এবং যোগাযোগব্যবস্থা বিকল হয়ে যায়। পাইলট বিমানটি ঘুরিয়ে নেওয়ার পর সিস্টেমগুলো আবার কাজ করা শুরু করে। এরপর তদন্তের জন্য পাঠানো হয় দ্বিতীয় একটি এফ-৪ বিমান। রাডারে বস্তুটি শনাক্ত করে সেই বিমান।
দ্বিতীয় বিমানের ক্রুরা আরেকটি অস্বাভাবিক ঘটনার কথা জানান। তাদের মতে, মূল বস্তুটি থেকে একটি ছোট অংশ আলাদা হয়ে যায়। পাইলট সেটির মোকাবিলা করার চেষ্টা করলে ঠিক সেই মুহূর্তে বিমানের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং যোগাযোগব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে যায়।
১৯৭৬ সালের এই ঘটনা পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নথিতে লিপিবদ্ধ হয়। এটি সামরিক বিমান জড়িত ইউএফও সংক্রান্ত ইতিহাসের অন্যতম পরিচিত ঘটনা হিসেবে এখনো বিবেচিত হয়।
সামাজিক মাধ্যমে নানা মত
সামাজিক মাধ্যমের কিছু ব্যবহারকারীর দাবি, এই আলো একটি সামরিক ড্রোন অথবা একসঙ্গে উড়তে থাকা একাধিক ড্রোনের হতে পারে। আবার অনেকের ধারণা, এটি কোনো বিমান অথবা ইউএফও হতে পারে। তবে এসব দাবির কোনোটিই স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।
এই ফুটেজ নিয়ে নেটদুনিয়ায় নানা মজার প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বলছেন, এটি আলাদিনের উড়ন্ত গালিচা, আবার কেউ বলছেন, এটি চীনের এলইডি বাতি।
একজন লিখেছেন, ‘এই ইউএফওর রংগুলো দেখে মনে হচ্ছে এটা নিশ্চয়ই কোনো নারী এলিয়েনের উড়ন্ত যান। দেখুন তো, কত সুন্দরভাবে রঙিন আলো দিয়ে নিজের নভোযানটি সাজিয়েছে সে।’
আরেকজন মজা করে লিখেছেন, ‘ট্রাম্প এবং ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা করাতেই বুঝি এসেছে এলিয়েনরা।’
তৃতীয় একজনের প্রশ্ন ছিল আরও বাস্তবসম্মত, ‘এলিয়েনরা এত সস্তা আরজিবি লাইট কেন ব্যবহার করছে?’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের গ্রেটার নয়ডা ওয়েস্টে, কর্মস্থলে যাওয়ার সময় এক নারীর হাত থেকে মাত্র ৩ দিন আগে কেনা আইফোন ছিনতাই করেছে দুই ছিনতাইকারী। এই ঘটনা ঘটে যখন ভুক্তভোগী ই-রিকশায় চড়ে ছিলেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ভুক্তভোগী শুভি ভান্ডারি যখন ই-রিকশার ভাড়া অনলাইনে পরিশোধ করার জন্য ফোনটি বের করেন, তখন হেলমেট পরা দুই বাইক আরোহী তার কাছে আসে। প্রথমে তারা রাস্তার দিক সম্পর্কে জানতে চায় এবং পরে ‘এটা কি নতুন আইফোন?’ বলে প্রশ্ন করে। শুভি ইতিবাচক উত্তর দেওয়ার সাথে সাথে একজন ছিনতাইকারী তার হাত থেকে ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
শুভির স্বামী সাকেত গুপ্ত জানিয়েছেন, আইফোন ১৮ প্রো মডেলটি মাত্র ৩ দিন আগে কেনা হয়েছিল। ঘটনার পর, পরিবারটি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে এবং সকালে প্রধান সড়কগুলোতে পুলিশি টহল কম থাকার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ভুক্তভোগীর বাবার আবেদনের ভিত্তিতে একটি অনলাইন এফআইআর নথিবদ্ধ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিসরাখ থানার ওসি রঞ্জিত সিং জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করার জন্য ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের জন্য ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ফি ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত বিদেশে কর্মসংস্থানের খরচকে আরও বাড়িয়ে দেবে, কারণ কর্মীরা ইতিমধ্যেই মাত্রাতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের চাপের মধ্যে রয়েছেন।
নতুনভাবে নির্ধারিত ফি বিদ্যমান হারের তুলনায় ৫৭.১ শতাংশ বেশি।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সাইফুজ্জামান কর্তৃক স্বাক্ষরিত ২০ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, সংশোধিত ফি আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
বর্তমানে উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজের সন্ধানে যেতে বাংলাদেশি কর্মীদের ৪ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। এই অবস্থায় নতুন করে ২ হাজার টাকার ফি বৃদ্ধি বিদেশ গমনেচ্ছু অনেক কর্মীর জন্য অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কার্যক্রম পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণমূলক সেবার পরিধি বাড়ানোর জন্য এবং এসব কর্মসূচির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ফি সংশোধন করা হয়েছে।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কল্যাণমূলক সেবা প্রদান করে থাকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের ঘিওর এলাকা থেকে ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে চুরি হওয়া প্রায় ১৩ লাখ টাকা মূল্যের সোনা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. সামিউল (৪০) রাজশাহীর বোয়ালিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ওই ব্যবসায়ীর মেয়ের স্বামী এবং ঘরজামাই হিসেবে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘিওর থানায় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ৩০ আগস্ট ঘিওর উপজেলার বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের পাটাইকোনা এলাকায় ব্যবসায়ী আকবর আলী খানের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। ওই সময় আকবর আলী খান ও তার স্ত্রী চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছিলেন। বাড়িতে ফিরে তারা দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের দরজা, ট্রাংক ও লকারের তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে তল্লাশি করে তারা জানতে পারেন, ওই কক্ষ থেকে তার স্ত্রীর সোনা, চেকবই ও এটিএম কার্ড চুরি হয়েছে।
এই ঘটনায় ৮ সেপ্টেম্বর ঘিওর থানায় দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারায় মামলা করেন আকবর আলী খান। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চুরি যাওয়া সোনার মধ্যে তিনটি চেইন, পাঁচ জোড়া কানের দুল, দুটি বালা, একটি সিতাহার, দুটি আংটি ও একটি ব্রেসলেটসহ অন্যান্য মালামাল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মামলাটির তদন্তের জন্য তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সামিউলের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ। পরে ঘিওর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাজশাহীর বোয়ালিয়া এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে সামিউলকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ছয় ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারের বর্তমান আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা।
গ্রেপ্তার সামিউল নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার জোনাকী এলাকার মৃত আজিজুল হকের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মামলার বাদীর মেয়ের স্বামী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করছিলেন।
উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকার মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার সামিউলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ঘিওর থানার ওসি মুহাম্মদ মুহব্বত কবীর বলেন, তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে রাজশাহীতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ