মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৫ পি.এম
ভারতের গ্রেটার নয়ডা ওয়েস্টে, কর্মস্থলে যাওয়ার সময় এক নারীর হাত থেকে মাত্র ৩ দিন আগে কেনা আইফোন ছিনতাই করেছে দুই ছিনতাইকারী। এই ঘটনা ঘটে যখন ভুক্তভোগী ই-রিকশায় চড়ে ছিলেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ভুক্তভোগী শুভি ভান্ডারি যখন ই-রিকশার ভাড়া অনলাইনে পরিশোধ করার জন্য ফোনটি বের করেন, তখন হেলমেট পরা দুই বাইক আরোহী তার কাছে আসে। প্রথমে তারা রাস্তার দিক সম্পর্কে জানতে চায় এবং পরে ‘এটা কি নতুন আইফোন?’ বলে প্রশ্ন করে। শুভি ইতিবাচক উত্তর দেওয়ার সাথে সাথে একজন ছিনতাইকারী তার হাত থেকে ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
শুভির স্বামী সাকেত গুপ্ত জানিয়েছেন, আইফোন ১৮ প্রো মডেলটি মাত্র ৩ দিন আগে কেনা হয়েছিল। ঘটনার পর, পরিবারটি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে এবং সকালে প্রধান সড়কগুলোতে পুলিশি টহল কম থাকার বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ভুক্তভোগীর বাবার আবেদনের ভিত্তিতে একটি অনলাইন এফআইআর নথিবদ্ধ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিসরাখ থানার ওসি রঞ্জিত সিং জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করার জন্য ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের জন্য ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ফি ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত বিদেশে কর্মসংস্থানের খরচকে আরও বাড়িয়ে দেবে, কারণ কর্মীরা ইতিমধ্যেই মাত্রাতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের চাপের মধ্যে রয়েছেন।
নতুনভাবে নির্ধারিত ফি বিদ্যমান হারের তুলনায় ৫৭.১ শতাংশ বেশি।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব সাইফুজ্জামান কর্তৃক স্বাক্ষরিত ২০ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, সংশোধিত ফি আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
বর্তমানে উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজের সন্ধানে যেতে বাংলাদেশি কর্মীদের ৪ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে। এই অবস্থায় নতুন করে ২ হাজার টাকার ফি বৃদ্ধি বিদেশ গমনেচ্ছু অনেক কর্মীর জন্য অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলবে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কার্যক্রম পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণমূলক সেবার পরিধি বাড়ানোর জন্য এবং এসব কর্মসূচির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ফি সংশোধন করা হয়েছে।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কল্যাণমূলক সেবা প্রদান করে থাকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের ঘিওর এলাকা থেকে ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে চুরি হওয়া প্রায় ১৩ লাখ টাকা মূল্যের সোনা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. সামিউল (৪০) রাজশাহীর বোয়ালিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ওই ব্যবসায়ীর মেয়ের স্বামী এবং ঘরজামাই হিসেবে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘিওর থানায় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ৩০ আগস্ট ঘিওর উপজেলার বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের পাটাইকোনা এলাকায় ব্যবসায়ী আকবর আলী খানের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। ওই সময় আকবর আলী খান ও তার স্ত্রী চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছিলেন। বাড়িতে ফিরে তারা দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষের দরজা, ট্রাংক ও লকারের তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে তল্লাশি করে তারা জানতে পারেন, ওই কক্ষ থেকে তার স্ত্রীর সোনা, চেকবই ও এটিএম কার্ড চুরি হয়েছে।
এই ঘটনায় ৮ সেপ্টেম্বর ঘিওর থানায় দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারায় মামলা করেন আকবর আলী খান। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চুরি যাওয়া সোনার মধ্যে তিনটি চেইন, পাঁচ জোড়া কানের দুল, দুটি বালা, একটি সিতাহার, দুটি আংটি ও একটি ব্রেসলেটসহ অন্যান্য মালামাল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মামলাটির তদন্তের জন্য তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সামিউলের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ। পরে ঘিওর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাজশাহীর বোয়ালিয়া এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে সামিউলকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ছয় ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারের বর্তমান আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা।
গ্রেপ্তার সামিউল নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার জোনাকী এলাকার মৃত আজিজুল হকের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মামলার বাদীর মেয়ের স্বামী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করছিলেন।
উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকার মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার সামিউলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ঘিওর থানার ওসি মুহাম্মদ মুহব্বত কবীর বলেন, তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে রাজশাহীতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার এবং চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার বাহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের (ডিআইপি) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল মো. আলীমুল আমীনকে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ারের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি আদেশে এই রদবদলের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশের নির্দেশ অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মেজর জেনারেল মো. আলীমুল আমীন এর আগে ১৭তম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) এবং সিলেট এরিয়া কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে, মেজর জেনারেল মো. নুরুল আনোয়ার প্রায় চার বছর ধরে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। অবসরের পূর্বে তাঁকে সেনাবাহিনীতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পাসপোর্ট, ভিসা ও ইমিগ্রেশন) এ টি এম আবু আসাদ জানিয়েছেন, মেজর জেনারেল নুরুল আনোয়ার ২০২২ সালের ২৬ অক্টোবর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁর অবসরের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে। এর আগেই তাঁকে নিজ বাহিনীতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘আউশকান্দির এগুলারে এখন আর রাস্তা মনে হয় না। এক বেলা রাস্তায় গেলে শইল ব্যথা থাকে তিন বেলা। ডেইলি রাইতে ব্যথার বড়ি খাওন লাগে। গাড়ি কী চালাইতে; হাডনই তো যায় না। আর ভোট আসলে আউশকান্দির নেতারা পাগল করে দেয়। ভোট গেলে কেউ উক্কি মারে না।’ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের আউশকান্দি-গোরাইরা বাজার এবং রুদ্রগ্রাম-নবীগঞ্জ বেহাল সড়ক নিয়ে এই মন্তব্য করেন স্থানীয় এক অটোরিকশাচালক।
স্থানীয়দের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দুটি ব্যবহার করে উপজেলার অন্তত ২৫ গ্রামের লাখো মানুষ। স্থানীয় বাজার থেকে আমুকোনা বেতাপুর ঈদগাহ হয়ে দেবপাড়া ইউপির ফরিদপুর এবং মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গোরাইর বাজার পর্যন্ত সড়কটি বর্তমানে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। গ্রাম্য বাজারে পণ্য পরিবহন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত এবং সদর অংশের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই সড়ক দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সংস্কারের দিকে কারও নজর নেই।
আউশকান্দি-গোরাইরা বাজার সড়কে নবীগঞ্জ ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ২০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ এবং শত শত ছাত্রছাত্রী যাতায়াত করে। পাকা অংশটুকু ভেঙে গিয়ে এখন এটি মেঠোপথে পরিণত হয়েছে।
প্রতিটি স্থানীয় সরকার ও জাতীয় নির্বাচনে এই সড়কের সংস্কার ইস্যু ভোট আদায়ের প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়। বিগত ২৫ বছরে বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থীরা এই সড়ক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থীরা পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রার্থনা করলেও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে চরম হতাশা বিরাজ করছে। এদিকে সড়কগুলোতে স্থানীয়দের যাতায়াত চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মো. কাজল মিয়া জানান, সড়কটি ভোট আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে প্রার্থীরা ব্যবহার করেন। কিন্তু নির্বাচন চলে গেলে আর মনে থাকে না।
অটোরিকশাচালক আমজাদ মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, এটা এখন আর চলাচলের উপযুক্ত নয়। এটা এখন আর সড়ক মনে হয় না।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মুকিত গণমাধ্যমকে জানান, সড়কটি সংস্কারের চেষ্টা চলছে এবং কিছুদিনের মধ্যে কাজ শুরু হবে।
আউশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান দিলাওয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, নতুন টেন্ডার তালিকায় সড়কটির নাম দেওয়ার জন্য এমপি ডিও দিয়েছেন এবং চলতি বছরের মধ্যেই কাজ হবে বলে তিনি আশাবাদী।
নবীগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা সাব্বির আহমদ জানান, সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বিশেষ প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে এবং এমপি মহোদয় এটি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সম্পন্ন করার জন্য তাগিদ দিয়েছেন।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সঙ্গে নবীগঞ্জ শহরের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের ১০ কিলোমিটার অংশজুড়ে চরম পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সামান্য বৃষ্টিতে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্তে পানি জমে মরণফাঁদে পরিণত হওয়া এই সড়কটি দেখলে বোঝার উপায় থাকে না, এটি পাকা রাস্তা, নাকি গ্রামের কোনো মেঠোপথ। এলাকাবাসী মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করলেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলার পানিউমদা, গজনাইপুর, দেবপাড়া ও বাউসা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের চলাচলের প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। এই পথ দিয়েই শাহ তাজ উদ্দিন কুরেশী (রহ.) উচ্চ বিদ্যালয়, ধুলচাতল তাজিয়া মোবাশ্বীরিয়া আলিম মাদ্রাসা, দিনারপুর কলেজ, দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয়, দিনারপুর দাখিল মাদরাসা, পানিউমদা রাগীব-রাবেয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সরকারি চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা যাতায়াত করেন। একমাত্র বাইপাস সড়ক হওয়ায় ট্রাক, অটোভ্যান, অটোরিকশা ও প্রাইভেটকার এক সময় ব্যাপক চলাচল করলেও বেহাল দশার কারণে এখন যান চলাচল খুবই সীমিত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাড়ে আট কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি সংস্কার করা হলেও অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে তা এক বছরও টেকেনি। সংস্কারের এক মাস পর থেকেই রাস্তা ভাঙতে শুরু করেছিল। বর্তমানে নবীগঞ্জ-রুদ্রগ্রাম ১০ কিলোমিটার সড়কের আইনগাঁও, ভরপুর, চৌধুরী বাজার, বাউসা বাজার, বাউসা পয়েন্ট, বাউসা মাদরাসা পয়েন্ট, নাদামপুর মাদরাসা পয়েন্ট, রিফাতপুর ও শিবপাশা এলাকার কোথাও পাকা সড়কের লেশমাত্র নেই।
এসব স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হওয়া বড় বড় গর্তে সামান্য বৃষ্টিতে পানি ও কাদামাটি জমে থাকে। যার ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ