ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেসির বিদায়বেলায় অঝোরে কাঁদলেন এনজো ফার্নান্দেজ


মেসির বিদায়বেলায় অঝোরে কাঁদলেন এনজো ফার্নান্দেজ

লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচে আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলের জয় অর্জন করেছে। তবে এই ম্যাচের ফলাফল ছাপিয়ে, শেষ বাঁশির পর মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে এক আবেগঘন পরিবেশ বিরাজ করছিল। প্রিয় অধিনায়কের বিদায়ী বক্তব্য শোনার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ।

মেসি যখন সতীর্থ এবং সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছিলেন, তখন এনজোসহ দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রা তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মেসির বক্তব্যের সময় এনজো চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। সেই দৃশ্যটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ম্যাচ শেষে এনজো মেসির বিদায় নিয়ে তার অনুভূতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "সত্যি বলতে, দিনটি ছিল খুব আবেগের। অনেক রকম অনুভূতি কাজ করছিল। আশা করি, লিও দিনটি উপভোগ করেছে। আমরা তাকে খুব মিস করব।"

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

এনজোর মেসির প্রতি ভালোবাসা নতুন নয়। মাত্র ১৫ বছর বয়সে তিনি মেসিকে নিয়ে একটি চিঠি লিখেছিলেন। তখন মেসি জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই সময় থেকেই এনজো হিসাব করতেন, মেসি ও তার বয়সের ব্যবধান কত। ভবিষ্যতে মেসির সঙ্গে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলার সুযোগ পাবেন কি না, সেটিও ভাবতেন তিনি।

অবশেষে এনজোর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। শুধু মেসির সঙ্গে মাঠ ভাগ করে নেওয়া নয়, বরং তার সতীর্থ হয়ে বিশ্বকাপও জিতেছেন তিনি।

মেসিকে উদ্দেশ্য করে লেখা সেই চিঠিতে এনজো বলেছিলেন, "আমি ছোট ছিলাম। তোমার বয়স আর আমার বয়স মিলিয়ে হিসাব করতাম। ভাবতাম, তোমার সঙ্গে একবার হলেও আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে পারব কি না।"

সময় গড়ানোর সঙ্গে সেই স্বপ্ন আরও বড় বাস্তবতায় রূপ নেয়। মেসির সঙ্গে অনুশীলন, ড্রেসিংরুম ভাগ করে নেওয়া, কঠিন সময় পার করা এবং আনন্দের মুহূর্ত উদ্‌যাপন সবকিছুরই অংশ হয়েছেন এনজো। শেষ পর্যন্ত দুজন একসঙ্গে হয়েছেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।

আরও পড়ুন: রিয়ালের জয় ছাপিয়ে গুলারের লাল কার্ড বিতর্ক

এনজো মেসির কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসার কথাও স্মরণ করেন। তিনি লিখেছেন, "আমি সবসময় কৃতজ্ঞ থাকব, যেভাবে তুমি আমাকে শুরু থেকেই আপন করে নিয়েছ। আমি আমার আদর্শের সঙ্গে মাঠ ভাগ করে নেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু শুরু থেকেই তুমি আমাকে দলের একজন মনে করেছ।"

মেসির কাছ থেকে পাওয়া ছোট ছোট মুহূর্তও এনজোর কাছে বিশেষ। তার ভাষায়, "তোমার একটি ভালো কথা, একটি পরামর্শ, একটি আলিঙ্গন অথবা শুধু এমনভাবে পাশে থাকা, যাতে প্রয়োজনের সময় স্বস্তি পাই, কখনো ভুলব না।"

এনজোর জন্য মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনার পরবর্তী ক্যাম্পের কথা ভাবতে কষ্ট হচ্ছে। এত বছর জাতীয় দলের জার্সিতে সামনে ১০ নম্বর জার্সিধারী মেসিকে দেখেই অভ্যস্ত তিনি।

চিঠির শেষদিকে নিজের শৈশবের সেই স্বপ্নের কথা স্মরণ করে এনজো লিখেছেন, "কী ভাগ্যবান ছিলাম আমি, লিও। সেই ছোট্ট ছেলেটি কত ভাগ্যবান ছিল, যে হিসাব করত সে কখনো সময়মতো তোমার সঙ্গে খেলতে পারবে কি না।"

আরও পড়ুন: সালমান আগার সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে পাকিস্তানের জয়

মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে এনজোর শেষ কথাগুলোও ছিল আবেগঘন। তিনি বলেন, "আমাকে যেভাবে আপন করে নিয়েছ, যা কিছু শিখিয়েছ এবং তোমার গল্পের একটি অংশ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমরা তোমাকে খুব মিস করব, অধিনায়ক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনার সুজানগরে তরুণ রাবিব সরদার নিখোঁজ, পরিবারের সাহায্যের আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ পি.এম


পাবনার সুজানগরে তরুণ রাবিব সরদার নিখোঁজ, পরিবারের সাহায্যের আবেদন

পাবনার সুজানগর এলাকা থেকে মো. রাবিব সরদার নামের এক তরুণ, যিনি মানসিক ভারসাম্যহীন, নিখোঁজ হয়ে গেছেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর আনুমানিক সকাল ৯টা ৪০-এর দিকে সুজানগর থানার অধীনস্থ সুজানগর বাজারের ভিতর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনেরা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

নিখোঁজ রাবিবের পিতা মো. রহিম সরদার এবং মাতা মোছা. রাবেয়া খাতুন; তাদের আবাস পাবনা জেলার সুজানগর থানার চর সুজানগর (ওয়ার্ড নং-৮) গ্রামে অবস্থিত।

নিখোঁজ তরুণের গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা ৫ ফুট, চুল কালো এবং মুখমণ্ডল গোলাকার। নিখোঁজ হওয়ার সময় তার পরনে ছিল সবুজ রঙের শার্ট এবং পায়ে লাল রঙের স্যান্ডেল। এ বিষয়ে তার পিতা সুজানগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর: ৩৬৭ তারিখ: ০৬/১০/২০২৬) দায়ের করেছেন।

যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি উক্ত তরুণের সন্ধান পেয়ে থাকেন, তাহলে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে যে, তারা পরিবারের সাথে ০১৩৪৪৯৭৭৭৩৪ নম্বরে অথবা সুজানগর থানায় যোগাযোগ করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষেধাজ্ঞা ঘিরে দুশ্চিন্তায় নোয়াখালীর হাতিয়ার জেলেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


নিষেধাজ্ঞা ঘিরে দুশ্চিন্তায় নোয়াখালীর হাতিয়ার জেলেরা

দেশের সমুদ্র ও নদীগুলোতে আবারও শুরু হচ্ছে মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। মা ইলিশের বাঁধাহীন প্রজনন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাত থেকে সরকার এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে যাচ্ছে।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় এই নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়েছে। এখানে ছোট-বড় প্রায় ২০টি ঘাটে ১০ হাজার জেলের নৌকা রয়েছে এবং প্রায় ১ লাখ মানুষ জেলে পেশার সঙ্গে জড়িত। নিষেধাজ্ঞার শেষ দিনে হাতিয়ার চারপাশে মেঘনা নদীতে জেলেদের মাছ ধরতে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়।

বুধবার সকালে উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে যাওয়ার সময় কয়েকটি জেলে নৌকার মাঝি-মাল্লাদের সঙ্গে কথা হয়। তাদের মধ্যে একজন সুখচর ইউনিয়নের বাসিন্দা নবীর উদ্দিন (৪০) জানান, তার নৌকায় ৮ জন লোক কাজ করেন। মৌসুমের শুরু থেকে তারা নদীতে মাছ শিকার করে লাভের মুখ দেখেননি। তবে গত দুই সপ্তাহ ধরে ভালো মাছ ধরা পড়ছিল। ঠিক এই সময়েই সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যার ফলে বৃহস্পতিবার থেকে তাদের বেকার থাকতে হবে। আগের দেনাও এখনও পরিশোধ করা যায়নি, ফলে এ বছর তাদের পুরোপুরি পেটে-ভাতে থাকতে হচ্ছে।

নবীর মাঝির পাশেই নদীতে জাল ফেলে অপেক্ষা করতে দেখা যায় আব্দুল মাঝিকে। আলাপকালে আব্দুল মাঝি জানান, নদীতে মাছ না থাকায় তিনি মৌসুমের শুরু থেকে নদীতে নামেননি। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তিনি নদীতে নেমেছেন। তার নৌকার ১০ জন মাঝি-মাল্লার মধ্যে ৫ জন বেতনভুক্ত। তাদের বেতন দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত আয় এখনও হয়নি। এর মধ্যেই সরকার নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় তারা আইন মেনে তীরে অবস্থান করবেন। তবে বর্ষা মৌসুম প্রায় শেষের পথে থাকায়, নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে পর্যাপ্ত মাছ পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না এই জেলে।

নিষেধাজ্ঞার শেষ দিন সকাল থেকে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় নোয়াখালী দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় মাছের আড়ত চেয়ারম্যান ঘাটের ব্যবসায়ীদেরও। সাদিয়া ফিস এজেন্সির মালিক মো. ছালা উদ্দিনকে কর্মচারীদের নিয়ে হিসাব-নিকাশ করতে দেখা যায়। তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞা মৌসুমের শেষ সময়ে দেওয়ায় নিষেধাজ্ঞার পর ব্যবসা চালু না করার সম্ভাবনাই বেশি। তাই তিনি এই বছরের হিসাব পুরোপুরি শেষ করে নিচ্ছেন।

ছালা উদ্দিন আরও জানান, তার আড়তে বিভিন্ন জেলের নৌকা মাছ বিক্রি করে এবং তাদের সবাই নিজ নিজ জেলায় চলে যাবেন। এ কারণে তিনি সবার হিসাব বুঝিয়ে দিচ্ছেন। আগামীকাল থেকে আড়ত বন্ধ থাকবে এবং ২২ দিনের জন্য সব কর্মচারীকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হবে।

হাতিয়া সূর্যমুখী মাছ ঘাটের মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি জবিরুল হক জানান, হাতিয়ার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রায় দুই লাখ মানুষ মাছ ধরা ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এদের মধ্যে ২৪ হাজার জেলে নিবন্ধিত। সরকার প্রতিবছর নিষেধাজ্ঞার সময় নির্দিষ্ট পরিমাণ চাল বিতরণ করলেও তা সংখ্যা অনুপাতে খুবই কম।

হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান জানান, এ বছর নিষেধাজ্ঞার সময় ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে। এই সময়ে জেলেরা নদীতে নামতে পারবেন না এবং সরকার এ ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর। অসাধু জেলেদের আইনের আওতায় আনতে মোবাইল টিমসহ একাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে কাজ করবে। প্রতিদিন দুটি টিম হাতিয়ার চারপাশে মেঘনা নদীতে টহল ও পাহারায় নিয়োজিত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবিতে পদোন্নতি ও আপগ্রেডেশন দাবিতে কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


বেরোবিতে পদোন্নতি ও আপগ্রেডেশন দাবিতে কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) কর্মরত কর্মচারীরা দীর্ঘ সময় ধরে পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশন থেকে বঞ্চিত থাকার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি ও কর্মবিরতি পালন করেছেন। তারা বৈষম্য, প্রহসন ও হয়রানির বিরুদ্ধে এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দক্ষিণ গেটে অবস্থান করে কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করেন। অবস্থানকারীরা জানিয়েছেন, পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশন না দেওয়া পর্যন্ত তাদের এই অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ও ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সেমিনার সহকারী মো. মাহফুজার রহমান বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত। কেউ ১০ বছর, কেউ সাত বছর ধরে পদোন্নতি পাননি। আমাদের নীতিমালা অনুযায়ী পাঁচ বছর পরপর আপগ্রেডেশন দেওয়ার কথা। কিন্তু প্রশাসনকে বারবার জানানোর পরও আমাদের আপগ্রেডেশন বোর্ডের আয়োজন করা হয়নি। এ জন্য আমরা উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে চিঠি দিয়েছি। আমরা প্রথমে দুই ঘণ্টা করে অবস্থান করব। এরপর দাবি আদায় না হলে আমরা সবাই অনশনে যাব।”

গণিত বিভাগের সেমিনার সহকারী কাকলী বেগম বলেন, "আমরা খুব অল্প টাকা বেতন পাই। এই অল্প টাকা দিয়ে আমাদের পরিবার চালানো খুব কষ্ট হয়। যার কারণে আমাদের বেশির ভাগ কর্মচারী ভাই-বোন ঋণে জর্জরিত। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ইতিমধ্যে আমাদের অনেক কর্মচারী ভাই-বোন মারা গেছেন।"

দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সেমিনার সহকারী মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, "যেখানে আমরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে কম বেতনভোগী এবং আমাদের সময়মতো আপগ্রেডেশন/পদোন্নতি হলে আমরা আর্থিকভাবে কিছুটা উপকৃত হতাম। অথচ আমরাই গত ১০ বছর ধরে কোনো আপগ্রেডেশন পাচ্ছি না। এতে করে আমরা আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত। মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের কাছে আমাদের আকুল আবেদন, আমাদের যৌক্তিক দাবিদাওয়া মেনে নিয়ে আপগ্রেডেশন/পদোন্নতি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস রহমান এ বিষয়ে মন্তব্য করেন, "ইউজিসি থেকে সংবিধি করতে বলেছেন। সেটির জন্য কমিটি হয়েছে। এই কমিটি নীতিমালা প্রণয়ন করে ইউজিসিতে পাঠাবে। সেটি পাস হলে তারা পদোন্নতি পাবেন।"

পদোন্নতি-বঞ্চিত কর্মচারীদের মধ্যে এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হুমায়ুন কবির সাগর, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর রাফি আক্তার, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সেমিনার অ্যাটেনডেন্ট মোসা. ফারজানা বেগমসহ আরও অনেকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসুর উদ্যোগে ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ পি.এম


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসুর উদ্যোগে ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী শুরু

সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শুরু হয়েছে ‘নূরুস সীরাহ’ শীর্ষক ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী। এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু), যেখানে জবির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রতিযোগীদের শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনের নিচে এ আয়োজনের সূচনা হয়। প্রদর্শনীর প্রথম দিনে বিভিন্ন প্রতিযোগীর ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শিত হয়। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

আয়োজন সম্পর্কে জকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম আরটিভিকে জানান, "ক্যালিগ্রাফির মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্য ও নান্দনিকতাকে শৈল্পিকভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।" তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যারা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, তাঁদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানাচ্ছি।

জকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য ফাতেমা আওরীন বলেন, "এ আয়োজনে অর্ধশতাধিক প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান আদর্শ এবং ইসলামের সৌন্দর্যকে শিল্পের মাধ্যমে মানুষের কাছে তুলে ধরাই আমাদের মূল লক্ষ্য।"

প্রদর্শনী দেখতে এসে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মোস্তফা শরীয়তুল্লাহ মন্তব্য করেন, "ক্যালিগ্রাফিগুলো অত্যন্ত সুন্দর ও অর্থবহ। জকসুর এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতে এমন আয়োজন আরও হবে বলে আশা করছি।"

উল্লেখ্য, গত ২৫ আগস্ট জকসুর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এ ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। প্রতিযোগিতায় সেরা তিনজনের জন্য রয়েছে সম্মানী, আকর্ষণীয় পুরস্কার ও সীরাতগ্রন্থ। এছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে দেওয়া হবে সম্মাননা সনদ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%