মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৯ পি.এম
সিলেট, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ড্রোনের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
আজ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সিলেট সেক্টর সদর দফতরে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’ (এসএসএসডিডব্লিউ)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এই বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, “সীমান্তের যেসব দুর্গম ও গভীর বনাঞ্চলবেষ্টিত এলাকা রয়েছে, যেখানে সরাসরি জনবল দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত দুষ্কর; সেসব জায়গায় নাইট ভিশন এবং থার্মাল প্রযুক্তি সংবলিত ড্রোন ব্যবহার করে সার্বক্ষণিক আধুনিক ডিজিটাল নজরদারি পরিচালনা করা হবে। থার্মাল প্রযুক্তির এই ব্যবহারের ফলে রাতের আঁধারেও সীমান্তের ওপারে অপরাপর পক্ষের যেকোনো অপতৎপরতা তদারকি এবং চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের রুট চিহ্নিত করে তা প্রতিহত করা অনেক সহজ হবে।”
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামের অতি দুর্গম এলাকায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা এবং সরাসরি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিতে বিজিবি সদস্যরা সফলভাবে ড্রোনের ব্যবহার নিশ্চিত করেছেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমানে এই ড্রোন স্কুলে বিজিবি সদস্যদের সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন ওয়ারফেয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, তবে ভবিষ্যতে বেসামরিক জনবলকেও উন্নত প্রযুক্তি ও ড্রোন পরিচালনায় দক্ষ করে তুলতে এই প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে বিশ্বের সব সর্বাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি এই প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে যুক্ত করে দেশের সর্বাত্মক সুরক্ষা ও সামগ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনকে ইতোমধ্যে যুগোপযোগী করা হয়েছে এবং জেলা পর্যায়ে ল্যাব, হাজতখানা, ডগ স্কোয়াড ও আধুনিক অস্ত্রের মাধ্যমে বাহিনীর কার্যকারিতা বহুগুণ বাড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করতে ‘মব’ তৈরির যেকোনো অপচেষ্টা প্রচলিত আইনের মাধ্যমে অত্যন্ত কঠোরভাবে মোকাবেলা করা হবে বলেও স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজিবির সিলেট সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দীন।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি উদ্বোধনের আগে মন্ত্রীকে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’ সম্পর্কিত বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সার্বিক দিক নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফ করা হয়।
উদ্বোধনের পর মন্ত্রী ড্রোন স্কুল কমপ্লেক্স ও ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন এবং পরবর্তীতে বিজিবির দক্ষ পরিচালনায় একটি বাস্তবভিত্তিক অপারেশনাল মহড়া ও ডাইনামিক ড্রোন ডিসপ্লে প্রত্যক্ষ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিবি সদর দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাট, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী মন্তব্য করেছেন, যখন দেশের পরিস্থিতি সংকটময় হয়ে ওঠে, তখন সেই সংকট থেকে মুক্তির জন্য জনগণ বিএনপি-কে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে আসে।
তিনি আজ জয়পুরহাটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী অতীতের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, জনগণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিশ্বাস করে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। একইভাবে, বর্তমান পরিস্থিতিতেও তারা বিএনপি-কে ক্ষমতায় এনেছে।
তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের কাজের প্রশংসা করে বলেন, তিনি দেশকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিতে এবং সংকট থেকে উদ্ধার করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কয়েকটা দিন সময় দেন, দেখবেন দেশ উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাবে, ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে সকালে জয়পুরহাট জেলা বিএনপি কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয়। পরে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বেলা ১১টায় জেলা বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সার্কিট হাউস মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিপূর্ব এই সমাবেশে বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মাসুদ রানা প্রধান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাবসহ বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ আরও বক্তব্য রাখেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এই নির্দেশনার উদ্দেশ্য হলো ভূমি সেবা নিতে আসা নাগরিকদের হয়রানি, অনিয়ম, দুর্নীতি বা দালালের শিকার হওয়া থেকে রক্ষা করা।
তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের ভোগান্তি কমানো এবং স্বচ্ছ ও দ্রুত ভূমিসেবা নিশ্চিত করা জেলা প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার। আজ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সহকারী কমিশনার (ভূমি), ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
ফরিদা খানম বলেন, "একজন নাগরিক ভূমি অফিসে কোনো ব্যক্তির কাছে নয়, রাষ্ট্রের কাছে সেবা নিতে আসেন।" তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব এবং নৈতিক দায়বদ্ধতা হচ্ছে নাগরিককে যথাযথ সেবা প্রদান করা। তিনি আরও বলেন, ভূমি সেবায় কোনো ধরনের গাফিলতি, অনিয়ম বা হয়রানি গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন যে, নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে দ্রুত সেবা কার্যক্রম শুরু করতে হবে। নামজারি, খতিয়ান, মিউটেশনসহ ভূমি-সংক্রান্ত সেবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
জেলা প্রশাসক দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ঘুষ, অতিরিক্ত অর্থ আদায়, ফাইল আটকে রাখা, অযথা হয়রানি কিংবা দালালের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি সতর্ক করেন যে, এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত রাখার নির্দেশ দেন এবং নাগরিকদের সরাসরি ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সেবা প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সরকারি ফি ও সেবা প্রদানের সময়সীমা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য প্রদান করতে হবে।
ফরিদা খানম নাগরিকদের সঙ্গে মানবিক আচরণের ওপর জোর দিয়ে বলেন, "একজন সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর জমি হয়তো জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।" তাই তিনি নিশ্চিত করতে চান যে, কোনো নাগরিক যেন ভূমি অফিস থেকে অপমানিত বা হয়রানির শিকার হয়ে ফিরে না যান।
সভায় জানানো হয়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ঢাকা জেলায় সাধারণ খাতে ভূমি উন্নয়ন করের দাবি ছিল ৮৪ কোটি ৭০ লাখ ৭২ হাজার ২৮০ টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে ৯৩ কোটি ৬৮ লাখ ৪০ হাজার ৭৮৬ টাকা, যা দাবির ১১০.৬ শতাংশ।
এছাড়া সংস্থার ভূমি উন্নয়ন কর বাবদ ২৬ কোটি ১১ লাখ ১১ হাজার ১৬০ টাকা এবং অর্পিত সম্পত্তির লিজমানি বাবদ ৮ কোটি ৭৬ লাখ ৮৬ হাজার ১২৫ টাকা আদায় হয়েছে।
জেলা প্রশাসক সহকারী কমিশনার (ভূমি), তহসীলদার ও সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের রাজস্ব আদায়ে এ সাফল্যের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, "এ অর্জন তাদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন।" তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু ফাইল নিষ্পত্তি করা নয়, মানুষের সমস্যার সমাধান করা। জনগণ যেন দালাল ছাড়াই স্বচ্ছ ও সহজ প্রক্রিয়ায় ভূমিসেবা পান এবং হয়রানি ছাড়াই সন্তুষ্টচিত্তে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেটিই নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় ভূমি ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আদায়, ভূমিসেবা সহজীকরণ ও নাগরিক ভোগান্তি কমানোর বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে পাঠানো একটি চিঠিতে এই প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
চিঠির মধ্যে ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে, নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেলেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এবং দেশের জনগণের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে, এ ব্যাপারে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তার আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসার কথাও তুলে ধরেন।
এছাড়া, বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তিনি আশ্বস্ত করেন যে, বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না। একইসঙ্গে, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত মনোযোগের কথা তিনি সবসময় মনে রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও জ্যেষ্ঠ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের স্ত্রী, দুই ছেলে এবং মেয়ের নামে-বেনামে অবৈধ সম্পদ রয়েছে কি না, তা উদঘাটনের জন্য সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিতে।
আজ দুদক প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য প্রকাশ করেন।
দুদক জানায়, শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৩ কোটি ৫৯ লাখ ১৮ হাজার ৬০ টাকার সম্পদ পাওয়ার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় দায়েরকৃত একটি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
এদিকে অনুসন্ধানে শেখ সেলিমের স্ত্রী ফাতেমা সেলিমের নামে বৈধ্য আয়ের চেয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৩৫৫ টাকার অতিরিক্ত সম্পদ পাওয়া গেছে। তাঁর নামে-বেনামে অন্য কোনো গোপন সম্পদ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারায় সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একইভাবে, শেখ সেলিমের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ ফজলে ফাহিমের নামে আয়ের চেয়ে ২ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার ৩৬ টাকার বেশি সম্পদ পাওয়া গেছে। তাঁর নামে-বেনামে আরও সম্পদ রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধানে একই ধারায় সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সংস্থাটি।
অপর পুত্র শেখ ফজলে নাঈমের নামে বৈধ্য আয়ের চেয়ে ১১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৪৪ টাকার অতিরিক্ত সম্পদ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক। তাঁর নামে-বেনামে থাকা সম্পদের বিস্তারিত তথ্য জানতেও একই আইনি ধারায় নির্দেশ জারির সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এ ছাড়া, শেখ সেলিমের কন্যা শেখ আমেনা সুলতানা সোনিয়ার নামে আয়ের চেয়ে ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকার বৈধ্য উৎসবিহীন সম্পদ পাওয়া গেছে। তাঁর অর্জিত সম্পদের সঠিকতা নিরূপণ ও গোপন তথ্য উদঘাটনে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
দুদকের বিশেষ তদন্ত সংশ্লিষ্ট অফিসিয়াল নথিতে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদক কর্মকর্তা জানান, উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গকে তাদের বর্তমান ঠিকানায় না পাওয়ায় আদেশপত্র তাদের স্থায়ী ঠিকানায় লটকিয়ে (নোটিশ টানিয়ে) জারি করা হবে।
শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অনুসন্ধানকারী দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদকের উপপরিচালক মো. খায়রুল হক। এই দলের অন্য সদস্যরা হলেন—সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার এবং উপসহকারী পরিচালক এলমান আহাম্মদ অনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ