ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকারি চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ করার আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধার অধিকারী হবেন না


সরকারি চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ করার আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধার অধিকারী হবেন না

সরকারি চাকরিতে ২৫ বছর পূর্ণ করার পূর্বে যে কেউ পদত্যাগ করে, তিনি পেনশন সুবিধার অধিকারী হবেন না, এ বক্তব্য একটি রায় আপিল বিভাগের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

এই রায়টি ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ২৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রূপে প্রকাশ করা হয়। রায়টি লিখেছেন বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

এর prior, হাইকোর্টের এক রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ যে আপিল করেছে, তা মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের সমন্বয়ে যে রায়টি হয়েছে, তা ১১ মার্চ প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ এবং অনীক আর হক। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। এছাড়া, রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন রিটকারী মাহবুব মোরশেদ নিজে।

রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, আইনসভা প্রজ্ঞা ও যৌক্তিক বিবেচনার উপর ভিত্তি করেই এমন বিধান তৈরি করা হয়েছে যে ২৫ বছরের চাকরির টাইম লাইনে পূর্ণ হওয়ার পূর্বে যদি কোনো সরকারি কর্মচারী পদত্যাগ করেন, তাহলে তিনি কোনো সুবিধার অধিকারী হবেন না।

নথিপত্র থেকে দেখা যায়, মাহবুব মোরশেদ ১৯৯১ সালে সহকারী বিচারক হিসেবে জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯ বছর সার্ভিস করে ২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন, তখন তিনি অতিরিক্ত জেলা জজ ছিলেন। সার্ভিসে ১৯ বছর পূর্ণ হওয়ার পরে ৬১ শতাংশ পেনশন ও আনুতোষিকের জন্য ২০১৫ সালে আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তিনি।

এরপর, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ২০১৫ সালের ২৫ মার্চ আইন মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠিতে জানানো হয়, সরকারি চাকরিতে পদত্যাগ করলে পূর্ববর্তী চাকরিকাল আইনগতভাবে বাজেয়াপ্ত হবে। অর্থাৎ, পেনশনের জন্য সেটি গণনা করা হবে না (বিএসআর প্রথম খণ্ডের বিধি-৩০০ সেকশন-৩)। মাহবুব মোরশেদের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হয়নি, এবং তিনি ২৫ বছর পূর্তি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট বিধানের আলোকে পেনশনের জন্য কোনো আবেদন করেননি, সুতরাং তিনি পেনশনপ্রাপ্ত নন (১৯৭৪ সালের গণকর্মচারী অবসর আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী)।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এ অবস্থায়, বিধি-৩০০ এবং ওই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মাহবুব মোরশেদ ২০১৬ সালে রিট করেন। চূড়ান্ত শুনানির পর, হাইকোর্ট ২০২১ সালের ১৮ মার্চ রায় দেন, এবং এতে ২০১৫ সালের ২৫ মার্চের ওই চিঠিকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হয়। একইসাথে, রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে, চাকরির মেয়াদ অনুসারে মাহবুব মোরশেদের পেনশনসহ অন্যান্য বকেয়া সুবিধার গণনা ও মঞ্জুর করতে নির্দেশ দেয়া হয়।

এই রায়ের বিরোধিতায় রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগ, এবং সেইসাথে হাইকোর্টের রায়ের স্থগিতাদেশ চলমান রাখে। এর ধারাবাহিকতায়, রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।

রাষ্ট্রপক্ষের করা ওই আপিল মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়টি বাতিল করে গত ১১ মার্চ আপিল বিভাগ রায় দেন।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রথযাত্রায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


রথযাত্রায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার

রথযাত্রায় সকলকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

রোববার (১২ জুলাই) সকালে ১১টায় ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রথযাত্রা একটি বড় শোভাযাত্রা। জনসমাগম বেশি হবে বিধায় সকলকে সর্বোচ্চ সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। রথযাত্রা উদ্‌যাপন সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরাপদে করার লক্ষ্যে ডিএমপির পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। প্রতিটি বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) সংশ্লিষ্ট রথযাত্রা উদ্‌যাপন কমিটির সঙ্গে পৃথক পৃথক সমন্বয় সভা করবেন এবং সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখবেন।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আসন্ন রথযাত্রা উপলক্ষে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিএমপিতে এক সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যের সময় তিনি এসব তথ্য জানান।

তিনি আরও বলেন, রথযাত্রার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী স্বেচ্ছাসেবকদের নির্ধারিত ভেস্ট পরিধান করতে হবে। সাদা পোশাকে নিরাপত্তা সদস্য ও লাইনিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে। বৈদ্যুতিক লাইনের বিষয়ে সতর্ক থেকে দুর্ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ছোট-বড় সব রথযাত্রার জন্যই সমান গুরুত্ব দিয়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

সভায় ১৬ জুলাই রথযাত্রা ও ২৪ জুলাই উল্টো রথযাত্রা উদ্‌যাপন উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গৃহীত পদক্ষেপ এবং নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। রথযাত্রায় পিকেট পার্টি, টহল পার্টি, সিসিটিভি ক্যামেরা, ফুট পেট্রোল, রুফটপ পার্টি, হোন্ডা মোবাইল, ডিবি টিম, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা টিম, সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল টিম এবং ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকবে বলে সভায় অবহিত করা হয়।

রথযাত্রা নির্ধারিত রুট এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া নামাজ ও আজানের সময় লাউড স্পিকার বা মাইক বাজানো থেকে বিরত থাকা, নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, ব্যাগ-পোটলাসহ রথযাত্রায় অংশগ্রহণ না করার বিষয়গুলোও উল্লেখ করা হয়েছে এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু দেখলে পুলিশকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

সমন্বয় সভায় যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া, ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং রথযাত্রা উদ্‌যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ মতামত দেন।

সমন্বয় সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট), অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রটেকশন অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি) মো. আবুল বাশার তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) এবং অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোহাম্মদ শামসুল হক, যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনার এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং ডিজিএফআই, এনএসআই, এসবি, সিআইডি, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি ও রথযাত্রা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ সকলেই অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিকের বৃত্তির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৩৮.৮৭ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


প্রাথমিকের বৃত্তির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৩৮.৮৭ শতাংশ

অবশেষে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে দীর্ঘ প্রতীক্ষা ছিল, একাধিকবার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন হয়েছিল এবং ফল আগাম উন্মুক্ত হওয়া নিয়ে বিতর্ক ছিল। কিন্তু সব কিছুর অবসান ঘটিয়ে আজ রোববার দুপুর ১২টায় এই ফল প্রকাশ করা হয়।

এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৮,৮১০টি বিদ্যালয়ের মোট ৬,৪৫,০৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত হয়েছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৪,১৯,৯৮২ জন। এতে চূড়ান্তভাবে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯,২৪৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর বিবেচনায় পাসের হার ৩৮.৮৭ শতাংশ। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি, ৪৩,৩৫৪ জন ছাত্রী (৫৪.৭১%) এবং ৩৫,৮৯২ জন ছাত্র (৪৫.২৯%) বৃত্তি পেয়েছে।

মোট বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩২,৯৬৫ জন পেয়েছে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) এবং ৪৬,২৮১ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। বিদ্যালয়ভিত্তিক হিসাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৫৭,৯৬২ জন এবং কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯,৯৯৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪,৬৮২টি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা, সবচেয়ে কম ১৮৮টি বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান জেলায় এবং সবচেয়ে বেশি ৮,৮৯৮ জন অকৃতকার্য হয়েছে দিনাজপুর জেলায়।

বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা করে পাচ্ছে, আর সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা পাচ্ছে। তবে ২০২৬ সালের জন্য প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুমোদিত হলে এই হার বৃদ্ধি পেয়ে ট্যালেন্টপুলে মাসিক ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিতে মাসিক ৪৫০ টাকা হওয়ার কথা রয়েছে।

রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণ, স্বীকৃতি প্রদান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করে জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়।”

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬ অনুযায়ী, দেশে মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ৩৩ হাজার এবং সাধারণ বৃত্তি ৪৯ হাজার ৫০০টি। ট্যালেন্টপুল বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৮০ শতাংশ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোর স্টেডিয়ামে বিসিবির অর্থায়নে নির্মিত ক্রিকেট উইকেট নষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


যশোর স্টেডিয়ামে বিসিবির অর্থায়নে নির্মিত ক্রিকেট উইকেট নষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা

যশোর স্টেডিয়ামে বিসিবির সহযোগিতায় নির্মাণাধীন তিনটি সেন্টার ক্রিকেট উইকেট অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা নষ্ট করে দিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা নির্মাণাধীন উইকেটের ওপর উঠে হাঁটাহাঁটি ও লাফালাফি করার মাধ্যমে পুরো উইকেটটি নষ্ট করে দেয়। এর ফলে শেষ পর্যায়ে থাকা নির্মাণকাজে ব্যাহত হয়েছে এবং নতুন করে সংস্কারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

উইকেট নির্মাণের তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত একজন কর্মকর্তা ও ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব এএফএম মইনুদ্দিন রোম জানান, 'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তিনটি সেন্টার ক্রিকেট উইকেট নির্মাণের জন্য প্রায় চার লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। এই উইকেট নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল। তবে শুক্রবার বিকেলে অজ্ঞাত পরিচয়ের দুর্বৃত্তরা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে এবং উইকেটের ওপর উঠে তাণ্ডব চালায়। তাই পুরো পৃষ্ঠটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে উইকেটের সমতল অবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। এ ঘটনার ফলে সময়ের পাশাপাশি প্রকল্পেরও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।'

তিনি আরও জানান, 'যশোর স্টেডিয়ামে দিনের বেলায় কোনো প্রহরীর ব্যবস্থা নেই। এজন্য মাঠটি দিনের অধিকাংশ সময়েই কার্যত অরক্ষিত অবস্থায় থাকে। স্টেডিয়ামের প্রাচীর টপকে প্রতিদিনই অনেক মানুষ মাঠে প্রবেশ করে খেলাধুলা করেন। এটি কোনোভাবে কাম্য হতে পারে না।'

স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সময় স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে মাদক সেবনের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তার এমন শিথিল অবস্থার কারণে স্টেডিয়ামের বিভিন্ন স্থাপনা ও ক্রীড়া অবকাঠামো ক্ষতির ঝুঁকিতে রয়েছে।

ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, যশোরের ক্রিকেট অবকাঠামো উন্নয়নে বিসিবির অর্থায়নে নির্মিত উইকেটটি জেলার ক্রিকেটের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হতে পারতো। কিন্তু পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করায় দুর্বৃত্তরা সহজেই নির্মাণাধীন উইকেটে তাণ্ডব চালানোর সুযোগ পেয়েছে। এই ঘটনায় শুধু একটি উইকেটই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, বরং বিসিবির অর্থে বাস্তবায়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া উন্নয়ন প্রকল্পও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

এই ঘটনার পর ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব মাহাতাব নাসির পলাশ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দিনের বেলায় স্থায়ী প্রহরী নিয়োগ, স্টেডিয়ামে অবাধ প্রবেশ বন্ধ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং সর্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তার মতে, 'কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ করা হলেও যদি সেগুলোর ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তবে এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। তাই যশোর স্টেডিয়ামের ক্রীড়া অবকাঠামো রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সময় এসেছে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ভাসছে চট্টগ্রাম: ৫০ জনের মৃত্যু, ৮০ হাজার বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


বন্যায় ভাসছে চট্টগ্রাম: ৫০ জনের মৃত্যু, ৮০ হাজার বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

ছবি, সংগৃহীত

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং উজানের পানির ফলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বিভাগের ৩৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৩৪৭২৩ জন মানুষ। বন্যার কারণে ৭৯১৮৭টি বসতঘর, ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আজ রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত_latest তথ্য_ অনুযায়ী, বিভাগের ১১ জেলার মোট ৪০৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যায় আক্রান্ত আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলার ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা। এছাড়া কক্সবাজারে ৭৪টি, রাঙামাটিতে ৪২টি, খাগড়াছড়িতে ৪১টি এবং বান্দরবানে ৩৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে।

বন্যায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, যেখানে মৃতের সংখ্যা ২৮ জন। চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়াও রাঙামাটি ও কক্সবাজারে একজন করে মোট দুইজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম জেলায়। চট্টগ্রামের ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২২৬০০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। কক্সবাজারের ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন ১৫৮০ জন, বান্দরবানে ২০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬২৫০ জন, রাঙামাটির ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৯০৩ জন এবং খাগড়াছড়ির ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৮১ জন অবস্থান করছেন।

বন্যায় কক্সবাজারে সবচেয়ে বেশি ৪৮৬৩টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বান্দরবানে ১৫৩৩০টি, চট্টগ্রামে ১৪২৮১টি, খাগড়াছড়িতে ১০৪০টি এবং রাঙামাটিতে ৪৭৩টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%