প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ছবি, সংগৃহীত
টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং উজানের পানির ফলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বিভাগের ৩৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৩৪৭২৩ জন মানুষ। বন্যার কারণে ৭৯১৮৭টি বসতঘর, ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আজ রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত_latest তথ্য_ অনুযায়ী, বিভাগের ১১ জেলার মোট ৪০৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যায় আক্রান্ত আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলার ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা। এছাড়া কক্সবাজারে ৭৪টি, রাঙামাটিতে ৪২টি, খাগড়াছড়িতে ৪১টি এবং বান্দরবানে ৩৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে।
বন্যায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, যেখানে মৃতের সংখ্যা ২৮ জন। চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়াও রাঙামাটি ও কক্সবাজারে একজন করে মোট দুইজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম জেলায়। চট্টগ্রামের ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২২৬০০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। কক্সবাজারের ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন ১৫৮০ জন, বান্দরবানে ২০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬২৫০ জন, রাঙামাটির ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৯০৩ জন এবং খাগড়াছড়ির ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৮১ জন অবস্থান করছেন।
বন্যায় কক্সবাজারে সবচেয়ে বেশি ৪৮৬৩টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বান্দরবানে ১৫৩৩০টি, চট্টগ্রামে ১৪২৮১টি, খাগড়াছড়িতে ১০৪০টি এবং রাঙামাটিতে ৪৭৩টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন