ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রাথমিকের বৃত্তির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৩৮.৮৭ শতাংশ


প্রাথমিকের বৃত্তির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৩৮.৮৭ শতাংশ

অবশেষে ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে দীর্ঘ প্রতীক্ষা ছিল, একাধিকবার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন হয়েছিল এবং ফল আগাম উন্মুক্ত হওয়া নিয়ে বিতর্ক ছিল। কিন্তু সব কিছুর অবসান ঘটিয়ে আজ রোববার দুপুর ১২টায় এই ফল প্রকাশ করা হয়।

এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৮,৮১০টি বিদ্যালয়ের মোট ৬,৪৫,০৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত হয়েছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৪,১৯,৯৮২ জন। এতে চূড়ান্তভাবে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯,২৪৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর বিবেচনায় পাসের হার ৩৮.৮৭ শতাংশ। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি, ৪৩,৩৫৪ জন ছাত্রী (৫৪.৭১%) এবং ৩৫,৮৯২ জন ছাত্র (৪৫.২৯%) বৃত্তি পেয়েছে।

মোট বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩২,৯৬৫ জন পেয়েছে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) এবং ৪৬,২৮১ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। বিদ্যালয়ভিত্তিক হিসাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৫৭,৯৬২ জন এবং কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯,৯৯৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪,৬৮২টি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা, সবচেয়ে কম ১৮৮টি বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান জেলায় এবং সবচেয়ে বেশি ৮,৮৯৮ জন অকৃতকার্য হয়েছে দিনাজপুর জেলায়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা করে পাচ্ছে, আর সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা পাচ্ছে। তবে ২০২৬ সালের জন্য প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুমোদিত হলে এই হার বৃদ্ধি পেয়ে ট্যালেন্টপুলে মাসিক ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিতে মাসিক ৪৫০ টাকা হওয়ার কথা রয়েছে।

রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণ, স্বীকৃতি প্রদান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করে জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়।”

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬ অনুযায়ী, দেশে মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ৩৩ হাজার এবং সাধারণ বৃত্তি ৪৯ হাজার ৫০০টি। ট্যালেন্টপুল বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৮০ শতাংশ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোর স্টেডিয়ামে বিসিবির অর্থায়নে নির্মিত ক্রিকেট উইকেট নষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


যশোর স্টেডিয়ামে বিসিবির অর্থায়নে নির্মিত ক্রিকেট উইকেট নষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা

যশোর স্টেডিয়ামে বিসিবির সহযোগিতায় নির্মাণাধীন তিনটি সেন্টার ক্রিকেট উইকেট অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা নষ্ট করে দিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা নির্মাণাধীন উইকেটের ওপর উঠে হাঁটাহাঁটি ও লাফালাফি করার মাধ্যমে পুরো উইকেটটি নষ্ট করে দেয়। এর ফলে শেষ পর্যায়ে থাকা নির্মাণকাজে ব্যাহত হয়েছে এবং নতুন করে সংস্কারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

উইকেট নির্মাণের তদারকির দায়িত্বে নিয়োজিত একজন কর্মকর্তা ও ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব এএফএম মইনুদ্দিন রোম জানান, 'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তিনটি সেন্টার ক্রিকেট উইকেট নির্মাণের জন্য প্রায় চার লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। এই উইকেট নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল। তবে শুক্রবার বিকেলে অজ্ঞাত পরিচয়ের দুর্বৃত্তরা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে এবং উইকেটের ওপর উঠে তাণ্ডব চালায়। তাই পুরো পৃষ্ঠটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে উইকেটের সমতল অবস্থা নষ্ট হয়ে গেছে। এ ঘটনার ফলে সময়ের পাশাপাশি প্রকল্পেরও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।'

তিনি আরও জানান, 'যশোর স্টেডিয়ামে দিনের বেলায় কোনো প্রহরীর ব্যবস্থা নেই। এজন্য মাঠটি দিনের অধিকাংশ সময়েই কার্যত অরক্ষিত অবস্থায় থাকে। স্টেডিয়ামের প্রাচীর টপকে প্রতিদিনই অনেক মানুষ মাঠে প্রবেশ করে খেলাধুলা করেন। এটি কোনোভাবে কাম্য হতে পারে না।'

স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সময় স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে মাদক সেবনের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তার এমন শিথিল অবস্থার কারণে স্টেডিয়ামের বিভিন্ন স্থাপনা ও ক্রীড়া অবকাঠামো ক্ষতির ঝুঁকিতে রয়েছে।

ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, যশোরের ক্রিকেট অবকাঠামো উন্নয়নে বিসিবির অর্থায়নে নির্মিত উইকেটটি জেলার ক্রিকেটের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হতে পারতো। কিন্তু পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করায় দুর্বৃত্তরা সহজেই নির্মাণাধীন উইকেটে তাণ্ডব চালানোর সুযোগ পেয়েছে। এই ঘটনায় শুধু একটি উইকেটই ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, বরং বিসিবির অর্থে বাস্তবায়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া উন্নয়ন প্রকল্পও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

এই ঘটনার পর ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব মাহাতাব নাসির পলাশ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দিনের বেলায় স্থায়ী প্রহরী নিয়োগ, স্টেডিয়ামে অবাধ প্রবেশ বন্ধ, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং সর্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তার মতে, 'কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ করা হলেও যদি সেগুলোর ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তবে এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। তাই যশোর স্টেডিয়ামের ক্রীড়া অবকাঠামো রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সময় এসেছে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ভাসছে চট্টগ্রাম: ৫০ জনের মৃত্যু, ৮০ হাজার বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


বন্যায় ভাসছে চট্টগ্রাম: ৫০ জনের মৃত্যু, ৮০ হাজার বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

ছবি, সংগৃহীত

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং উজানের পানির ফলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বিভাগের ৩৯৪১টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৩৪৭২৩ জন মানুষ। বন্যার কারণে ৭৯১৮৭টি বসতঘর, ৩৪৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩৮৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৩৩৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আজ রোববার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত_latest তথ্য_ অনুযায়ী, বিভাগের ১১ জেলার মোট ৪০৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যায় আক্রান্ত আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলার ১৭৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা। এছাড়া কক্সবাজারে ৭৪টি, রাঙামাটিতে ৪২টি, খাগড়াছড়িতে ৪১টি এবং বান্দরবানে ৩৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে।

বন্যায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজারে, যেখানে মৃতের সংখ্যা ২৮ জন। চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন এবং রাঙামাটিতে ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এছাড়াও রাঙামাটি ও কক্সবাজারে একজন করে মোট দুইজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম জেলায়। চট্টগ্রামের ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২২৬০০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। কক্সবাজারের ৬১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন ১৫৮০ জন, বান্দরবানে ২০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬২৫০ জন, রাঙামাটির ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৯০৩ জন এবং খাগড়াছড়ির ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৮১ জন অবস্থান করছেন।

বন্যায় কক্সবাজারে সবচেয়ে বেশি ৪৮৬৩টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বান্দরবানে ১৫৩৩০টি, চট্টগ্রামে ১৪২৮১টি, খাগড়াছড়িতে ১০৪০টি এবং রাঙামাটিতে ৪৭৩টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবি ছাত্রীর আকুতি ক্যানসারে আক্রান্ত বাবাকে বাঁচানোর জন্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ পি.এম


ইবি ছাত্রীর আকুতি ক্যানসারে আক্রান্ত বাবাকে বাঁচানোর জন্য

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত এক ছাত্রী ক্যানসারে আক্রান্ত বাবাকে বাঁচানোর জন্য আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানানোর জন্য সবার কাছে আবেদন জানিয়েছেন।

এই ছাত্রীর নাম ফারিয়া (ছদ্মনাম), যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবर्षের শিক্ষার্থী। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের কাছে মানবিক ও আর্থিক সহায়তা প্রার্থনা করতে হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে যে, ক্যানসারে আক্রান্ত বাবার নাম মো. আব্দুল ওহাব। তিনি ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার মুরুটিয়া বলরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। রোগীর বায়োপসি চিকিৎসা করেছেন ডা. শাহাবুব আলম এবং হেমাটোলজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ডা. এম. এ. খান।

দুর্ভাগ্যবশত, আর্থিক সংকটের কারণে প্রায় পাঁচ মাস ধরে তার মূল চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয়নি। এই কারণে রোগটি আরও জটিল হয়ে ওঠেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, তাকে PET-CT Scan, প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষা, IHC Report ও Slide Review ভারতে করাতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ইবি ছাত্রী বলেন, "আমার বাবা একজন শিক্ষক। তিনি ব্লাড ক্যানসারে (Non-Hodgkin Lymphoma) আক্রান্ত। চিকিৎসার দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গিয়ে ইতোমধ্যে আমাদের পরিবারের সঞ্চিত অর্থ এবং সম্পদ সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে বাবার শারীরিক অবস্থা খুব সংকটাপন্ন এবং চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। উন্নত চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এই কঠিন সময়ে আপনার সামান্য সহযোগিতাও আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান হতে পারে। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যে কোনো পরিমাণ অর্থ দিয়ে পাশে দাঁড়ালে আমরা চিরকৃতজ্ঞ থাকব। আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন—আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন তাকে দ্রুত আরোগ্য দান করেন, নেক হায়াত দান করেন এবং এই কঠিন সময়টি آسان করে দেন।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম বাড়াচ্ছে উদ্বেগ: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত ৬৯৬ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


হাম বাড়াচ্ছে উদ্বেগ: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত ৬৯৬ জন

দেশে কয়েক মাস ধরে হাম রোগ মরণব্যাধি হিসেবে ব্যাপকভাবে উৎপাত করছে। প্রতিদিন শিশুদের তাজা প্রাণ ঝরে পড়ছে। পাশাপাশি হাজার হাজার শিশু হাম নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে আরও ৬৯৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।

আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৭৫৮ জনের মৃত্যু হলো।

দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯০ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে এই সময়ে আরও ৮৭৯ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এর ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৪৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১৩ হাজার ৫০০ জনের হাম শনাক্ত করা হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৯৪ হাজার ৩৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতালে থেকে ৯০ হাজার ৬০৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%