বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:৫৩ পি.এম
প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকার দেশের ১৯২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে নগর এলাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা না করেই নগরবাসী যেন সহজে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এতে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া আরও সহজ হবে।
দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা চালু করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ৫০ শয্যা ও জেলা হাসপাতালগুলোতেও ডায়ালাইসিস সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।
তিনি বলেন, নতুন অবকাঠামো, ভবন ও বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে যাতে দেশের কোনো গ্রাম চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না থাকে। চিকিৎসার অভাবে যেন কোনো মানুষের প্রাণহানি না ঘটে, সে লক্ষ্যেই স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টানা ভারী বর্ষণের ফলে কক্সবাজারের চকরিয়ায় একটি ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনায় ঘুমন্ত অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার সময় আহত হয়েছেন আরো একজন নারী।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত দেড়টার দিকে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মছনিয়া কাটার ডবল তলী এলাকায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মৃত শিশুদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা ওবাইদুল ইসলামের ছেলে আবদুল মজিদ, ওবাইদুল ইসলাম (১৩) এবং মো. কাজলের মেয়ে রুমী আক্তার (১৩) রয়েছেন।
এই বিষয়ে বরইতলী ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দু শুক্কুর জানান, ‘ঘুমন্ত অবস্থায় রাত দেড়টার দিকে বাড়ির পেছনের পাহাড়ধসে দুই শিশু এবং একজন নারী চাপা পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার করেন। এরপর চাপা পড়া অবস্থায় স্থানীয় গ্রামবাসীরা দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেন। বর্তমানে মরদেহ বাড়িতে রয়েছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি রাত ৩টার সময় খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলটি গভীর পাহাড়ি এলাকার মধ্যে অবস্থিত। সেখানে নৌকা কিংবা পায়ে হেঁটে যেতে হয়। তবুও আমরা স্থানীয়ভাবে পাহাড়ে বসবাসকারী ব্যক্তিদের সরে যেতে সতর্ক করেছিলাম। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও মাইকিং করা হয়েছে। কিন্তু তবুও তারা সরেননি।’
ইউএনও জানান, আহত ওই নারীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্তদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হবে।
এ ঘটনার ফলে গত চার দিনে কক্সবাজারে পাহাড়ধসে নিহতের সংখ্যা ১৭ জনে পৌঁছেছে। মৃতদের মধ্যে উখিয়ার রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে অন্তত ১৩ জন রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছেন।
এদিকে, ৬ জুলাই দিবাগত রাতে টানা বর্ষণের মধ্যে উখিয়ার ৭, ১১ ও ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং কক্সবাজার শহরের ছাত্তারঘোনা এলাকায় পৃথক পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই দিনে পেকুয়া উপজেলায় পাহাড়ধসে বসতঘরের দেওয়ালে চাপা পড়ে সাত বছর বয়সী একটি শিশুর মৃত্যু ঘটে। এসব ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজার জেলায় ১২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরপরে গত রোববার থেকে বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ৩টা পর্যন্ত জেলায় মোট ৫০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। বর্তমানে সমুদ্রবন্দর এলাকায় ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত রক্ষিত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবের কারণে টানা বৃষ্টিতে পটিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। এতে বাড়িঘর, কাঁচা সড়ক, কৃষিজমি, বীজতলা এবং মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় জনদুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা, জিরি, কোলাগাঁও, হাবিলাসদ্বীপ, বড়লিয়া, জঙ্গলখাইন, আশিয়া, কাশিয়াইশ, ছনহরা এবং ভাটিখাইনসহ শোভনদন্ডী ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে উপজেলার একাধিক ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বহু গ্রামের কাঁচা সড়ক কাদায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও রাস্তার অংশ ভেঙে যাওয়ার কারণে জরুরি চলাচলও ব্যাহত হয়ে পড়েছে। বাড়ির উঠান, বসতঘর এবং কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে, স্কুলগামী শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক এবং দিনমজুররা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকরা জানাচ্ছেন, বীজতলা এবং নতুন আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মৌসুমি চাষাবাদ ক্ষতির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, পুকুর ও জলাশয়ের মাছ ভেসে যাওয়ায় ক্ষুদ্র মৎস্যচাষিদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
তাদের ভাষ্য হচ্ছে, এক রাতের বৃষ্টিতে কয়েক মাসের বিনিয়োগ পানিতে ভেসে গেছে। এছাড়া, বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় পানিবন্দি পরিবারগুলো রান্না, নিরাপত্তা ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শওকত আকবর বাসসকে জানিয়েছেন, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে পশ্চিম পটিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার নিয়েছে। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য ভেল্লাপাড়া স্লুইস গেট নিয়মিত খুলে রাখতে হবে যাতে পানি চলাচল স্বাভাবিক করা যায়।
তিনি আরও জানান, রাস্তাঘাট, কৃষিজমি, বীজতলা, মাছের ঘের এবং বসতবাড়ির যে ক্ষতি হয়েছে, তা দ্রুত তালিকাভুক্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সংকট কাটিয়ে উঠা কঠিন হবে।
পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বাসসকে জানিয়েছেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে।
এ কথা জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘এটি বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক, নির্বাচনী ও জাতীয় অঙ্গীকার। একই সাথে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিএনপির আন্দোলনের ফসল।’
আজ দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রের কবর রচনা করে ফ্যাসিবাদের নীল নকশা তৈরি করা হয়েছিল। আমরা শুরু থেকেই বলেছিলাম এটি ‘আল্ট্রা ভাইরাস’ (সংবিধান পরিপন্থী)। হাইকোর্ট বিভাগ এই সংশোধনীর কিছু বিষয় অবৈধ ঘোষণা করেছেন এবং বাকি বিষয়গুলো জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। আপিল বিভাগও হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন। সুতরাং, হাইকোর্টের রায় এখন চূড়ান্ত।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে মন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। এটি বিএনপির দীর্ঘ ১৬ থেকে ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও’ সংগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল-যেন মানুষ তার নিজের ভোট নিজে দিতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রায়ের আলোকে পাবলিক কনসালটেশন (জনমত যাচাই) ও রেফারেন্ডামের (গণভোট) মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক শাসনব্যবস্থার চূড়ান্ত কাঠামো তৈরি করা হবে।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে রায়টি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে। রায়ে যে ৫৪টি বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে, তার সবকটি আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অ্যাড্রেস করব। এ ক্ষেত্রে আমাদের মূল বিবেচ্য বিষয় থাকবে ‘জুলাই সনদ’। জুলাই জাতীয় সনদকে সামনে রেখে এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হবে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, সুশাসন, মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যা যা সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন প্রয়োজন-সব করা হবে।’
সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদসহ অন্যান্য সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালতের রায় এবং জনআকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে যেখানে যেখানে অস্পষ্টতা বা সংস্কার প্রয়োজন, সব জায়গায় পরিবর্তন আনা হবে। কোনো আইন বা সংবিধান সংশোধন আমরা একতরফাভাবে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেবো না।’
জনমত সংগ্রহের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে মানবাধিকার কমিশন আইনসহ বেশ কয়েকটি আইনের খসড়া তৈরির পর সংশ্লিষ্ট অংশীজন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, কূটনীতিক, মানবাধিকার সংগঠন এবং ভিক্টিম পরিবারগুলোর সাথে পাবলিক কনসালটেশন করেছি। একইভাবে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রেেও সাধারণ জনগণের মতামত নেওয়া হবে।
আগামী সংসদ অধিবেশনেই পরিমার্জিত মানবাধিকার কমিশন আইন পাসের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলেও ব্রিফিংয়ে জানান আইনমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ বেশ কিছু বিষয় পরিবর্তন করে আনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল আজ বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হিলিতে ৪৮ বছরের একটি নারী বিয়ের দাবিতে ৬০ বছরের বৃদ্ধের বাড়িতে অবস্থান নেন।
বুধবার (৯ জুলাই) সকালে এমাজুল হকের বাড়ির সামনে ওই নারী অবস্থান নিতে শুরু করেন, যা দেখে এলাকাবাসীরা পুলিশকে খবর দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নারীসহ বৃদ্ধ এমাজুল হককে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে পরিবারসমূহের মধ্যে আলোচনা ও মীমাংসার অনুরোধে দুজনকে দুই পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হয়।
হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়নের কাকডিমা গ্রামের রাবেয়া বেগম (৪৮) এবং এমাজুল হক (৬৫) সম্পর্কে দেবর ও ভাবী। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আলীহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল ইমরান জানালেন, উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে এক লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে তাদের বিয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। মেয়ের পক্ষের কোনো অভিভাবক এখনো পর্যন্ত তার কাছে আসেনি। পরে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, গত এক বছর ধরে ওই দুইজনের মধ্যে মোবাইলে কথোপকথন হয়। এতে ধীরে ধীরে তা প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়। পরবর্তীতে ওই নারী বৃদ্ধ এমাজুল হককে বিয়ের জন্য চাপ দিলে বৃদ্ধ রাজি হননি। তখন ওই নারীর প্রতিবাদে বৃদ্ধের বাড়ির সামনে বিয়ের দাবিতে অনশন করতে শুরু করেন। খবর নিয়ে হাকিমপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
সেখানে লোকজনের ভিড় ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পুলিশ দুজনকেই থানায় নিয়ে যায়। অভিযুক্ত এমাজুল হক কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। তিনি এক সন্তানের জনক এবং ওই নারী তিন সন্তানের জননী। পরে তাদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয় এবং তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সামাজিকভাবে সমস্যাটি সমাধানের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ