বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:০০ পি.এম
মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবের কারণে টানা বৃষ্টিতে পটিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে গেছে। এতে বাড়িঘর, কাঁচা সড়ক, কৃষিজমি, বীজতলা এবং মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় জনদুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা, জিরি, কোলাগাঁও, হাবিলাসদ্বীপ, বড়লিয়া, জঙ্গলখাইন, আশিয়া, কাশিয়াইশ, ছনহরা এবং ভাটিখাইনসহ শোভনদন্ডী ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে উপজেলার একাধিক ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বহু গ্রামের কাঁচা সড়ক কাদায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও রাস্তার অংশ ভেঙে যাওয়ার কারণে জরুরি চলাচলও ব্যাহত হয়ে পড়েছে। বাড়ির উঠান, বসতঘর এবং কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে, স্কুলগামী শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক এবং দিনমজুররা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকরা জানাচ্ছেন, বীজতলা এবং নতুন আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মৌসুমি চাষাবাদ ক্ষতির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, পুকুর ও জলাশয়ের মাছ ভেসে যাওয়ায় ক্ষুদ্র মৎস্যচাষিদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
তাদের ভাষ্য হচ্ছে, এক রাতের বৃষ্টিতে কয়েক মাসের বিনিয়োগ পানিতে ভেসে গেছে। এছাড়া, বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় পানিবন্দি পরিবারগুলো রান্না, নিরাপত্তা ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শওকত আকবর বাসসকে জানিয়েছেন, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে পশ্চিম পটিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার নিয়েছে। মানুষের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য ভেল্লাপাড়া স্লুইস গেট নিয়মিত খুলে রাখতে হবে যাতে পানি চলাচল স্বাভাবিক করা যায়।
তিনি আরও জানান, রাস্তাঘাট, কৃষিজমি, বীজতলা, মাছের ঘের এবং বসতবাড়ির যে ক্ষতি হয়েছে, তা দ্রুত তালিকাভুক্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সংকট কাটিয়ে উঠা কঠিন হবে।
পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বাসসকে জানিয়েছেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসন তৎপর রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে।
এ কথা জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘এটি বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক, নির্বাচনী ও জাতীয় অঙ্গীকার। একই সাথে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিএনপির আন্দোলনের ফসল।’
আজ দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রের কবর রচনা করে ফ্যাসিবাদের নীল নকশা তৈরি করা হয়েছিল। আমরা শুরু থেকেই বলেছিলাম এটি ‘আল্ট্রা ভাইরাস’ (সংবিধান পরিপন্থী)। হাইকোর্ট বিভাগ এই সংশোধনীর কিছু বিষয় অবৈধ ঘোষণা করেছেন এবং বাকি বিষয়গুলো জাতীয় সংসদের সিদ্ধান্তের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। আপিল বিভাগও হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন। সুতরাং, হাইকোর্টের রায় এখন চূড়ান্ত।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে মন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। এটি বিএনপির দীর্ঘ ১৬ থেকে ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল। বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও’ সংগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল-যেন মানুষ তার নিজের ভোট নিজে দিতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘রায়ের আলোকে পাবলিক কনসালটেশন (জনমত যাচাই) ও রেফারেন্ডামের (গণভোট) মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক শাসনব্যবস্থার চূড়ান্ত কাঠামো তৈরি করা হবে।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে রায়টি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে। রায়ে যে ৫৪টি বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে, তার সবকটি আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অ্যাড্রেস করব। এ ক্ষেত্রে আমাদের মূল বিবেচ্য বিষয় থাকবে ‘জুলাই সনদ’। জুলাই জাতীয় সনদকে সামনে রেখে এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হবে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, সুশাসন, মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যা যা সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন প্রয়োজন-সব করা হবে।’
সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদসহ অন্যান্য সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালতের রায় এবং জনআকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে যেখানে যেখানে অস্পষ্টতা বা সংস্কার প্রয়োজন, সব জায়গায় পরিবর্তন আনা হবে। কোনো আইন বা সংবিধান সংশোধন আমরা একতরফাভাবে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেবো না।’
জনমত সংগ্রহের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে মানবাধিকার কমিশন আইনসহ বেশ কয়েকটি আইনের খসড়া তৈরির পর সংশ্লিষ্ট অংশীজন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, কূটনীতিক, মানবাধিকার সংগঠন এবং ভিক্টিম পরিবারগুলোর সাথে পাবলিক কনসালটেশন করেছি। একইভাবে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রেেও সাধারণ জনগণের মতামত নেওয়া হবে।
আগামী সংসদ অধিবেশনেই পরিমার্জিত মানবাধিকার কমিশন আইন পাসের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলেও ব্রিফিংয়ে জানান আইনমন্ত্রী।
উল্লেখ্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ বেশ কিছু বিষয় পরিবর্তন করে আনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল আজ বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হিলিতে ৪৮ বছরের একটি নারী বিয়ের দাবিতে ৬০ বছরের বৃদ্ধের বাড়িতে অবস্থান নেন।
বুধবার (৯ জুলাই) সকালে এমাজুল হকের বাড়ির সামনে ওই নারী অবস্থান নিতে শুরু করেন, যা দেখে এলাকাবাসীরা পুলিশকে খবর দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ নারীসহ বৃদ্ধ এমাজুল হককে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে পরিবারসমূহের মধ্যে আলোচনা ও মীমাংসার অনুরোধে দুজনকে দুই পরিবারের হাতে হস্তান্তর করা হয়।
হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়নের কাকডিমা গ্রামের রাবেয়া বেগম (৪৮) এবং এমাজুল হক (৬৫) সম্পর্কে দেবর ও ভাবী। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আলীহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল ইমরান জানালেন, উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে এক লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে তাদের বিয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। মেয়ের পক্ষের কোনো অভিভাবক এখনো পর্যন্ত তার কাছে আসেনি। পরে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, গত এক বছর ধরে ওই দুইজনের মধ্যে মোবাইলে কথোপকথন হয়। এতে ধীরে ধীরে তা প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয়। পরবর্তীতে ওই নারী বৃদ্ধ এমাজুল হককে বিয়ের জন্য চাপ দিলে বৃদ্ধ রাজি হননি। তখন ওই নারীর প্রতিবাদে বৃদ্ধের বাড়ির সামনে বিয়ের দাবিতে অনশন করতে শুরু করেন। খবর নিয়ে হাকিমপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
সেখানে লোকজনের ভিড় ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পুলিশ দুজনকেই থানায় নিয়ে যায়। অভিযুক্ত এমাজুল হক কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। তিনি এক সন্তানের জনক এবং ওই নারী তিন সন্তানের জননী। পরে তাদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয় এবং তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সামাজিকভাবে সমস্যাটি সমাধানের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজমান থাকায় পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলে টানা ছয় দিন ধরে মাঝারি থেকে ভারী এবং কোথাও কোথাও অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় বাসস’কে জানিয়েছেন, গতকাল বুধবার সকাল ৬টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৮২ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে হলো উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্যের প্রভাবের কারণে।
তিনি বলেন, আজও উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো অথবা দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই কারণে পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্রবন্দরসমূহে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছধরা ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফল, দশমিনা, গলাচিপা ও কলাপাড়া উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন সড়কে পানি জমে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় মৎস্যচাষি ও বর্ষাকালীন সবজি চাষিদের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। বিশেষ করে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের চলাচল এবং নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষদের কর্মসংস্থান ব্যাহত হওয়ায় তাঁরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার, এবং পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৩ জন ব্যক্তি এবং ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬-এর জাতীয় অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই পদক তুলে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
পরিবেশ পদক-২০২৫ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন—পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ ক্যাটাগরিতে আলহাজ ফরহাদ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. হাসমত আলী, পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার ক্যাটাগরিতে মো. মনির হোসেন এবং পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ও অধ্যাপক প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম পদক লাভ করেছেন।
এ ছাড়া, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ ক্যাটাগরিতে ক্লাসিকাল হ্যান্ডমেইড প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড, পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার ক্যাটাগরিতে ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটও পরিবেশ পদক পাওয়ার সম্মানে ভূষিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা তৃতীয় স্থানে রয়েছে, যা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। এছাড়াও বুধবার (৮ জুলাই) পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংবাদকে সূত্র ধরে তিনি পরিবেশ দূষণ রোধের জন্য দেশের সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ