বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৫৩ পি.এম
নাটোরের লালপুর উপজেলার সাপে কামড়ে অবরুদ্ধ গৃহবধূ লাতা খাতুন (৪০) মৃত্যু বরণ করেছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যার সময় এই ঘটনা ঘটেছে লালপুর ইউনিয়নের জোতদৈবকী-বুধপাড়া গ্রামে।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, জোতদৈবকী-বুধপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. সাইদুর রহমানের স্ত্রী লতা খাতুন বিকেলে আনুমানিক ৫টার সময় নিজ বাড়ির খড়ের ঘরে কাজ করার সময় অজ্ঞাতনামা একটি সাপ তার ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলে কামড়ায়। এ ঘটনার সময় তার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না, তাই তিনি নিজেই কাপড় দিয়ে পা বেঁধে প্রাথমিকভাবে ক্ষতস্থানে চাপ প্রয়োগ করেন।
পরবর্তীতে, পরিবারের সদস্যরা তার দ্রুত চিকিৎসা করতে গিয়ে স্থানীয় একটি ডেবরপাড়া এলাকার এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পর তার অবস্থার অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটে তাকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে লতা খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে মরদেহটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংরক্ষিত রয়েছে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভার উত্তর সোনাপাহাড় এলাকায় ঘটেছে একটি মারাত্মক ঘটনা। এখানে ঘুমন্ত স্বামীর স্পর্শকাতর অঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় গুরুতর আহত মোহাম্মদ রাসেল সোনাপাহাড় এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন পিকআপচালক।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, রাসেলের পরকীয়া নিয়ে তার স্ত্রী মনির সঙ্গে পারিবারিক কলহ চলছিল। এরই জেরে আজ ভোরে মনির ঘুমন্ত অবস্থায় রাসেলকে হাত-পা বেঁধে দা দিয়ে তার পা ও স্পর্শকাতর অঙ্গে এলোপাতাড়ি কোপ দিয়ে গুরুতর জখম করেন।
পরে রাসেলকে প্রথমে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম গণমাধ্যমকে জানান, পরকীয়ার জের ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্ত্রী-স্বামীর স্পর্শকাতর অঙ্গ এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অভিযুক্ত মনি কে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চেয়ার ছেড়ে দিতে বললেন দেশটির তরুণদের নতুন প্লাটফর্ম তেলাপোকা বা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে।
এই দাবি তিনি করেছেন টানা ৩৭ দিনের তীব্র আন্দোলনের পর।
অভিজিৎ বলেছেন, মোদিকে দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিয়ে ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ হয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
একইসঙ্গে তিনি প্রশ্নফাঁস রোধে লোকসভায় পাস হওয়া নতুন আইন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ‘তেলাপোকা পার্টির’ প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ বলেন, শুধু আইন করলেই হবে না, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে কোনও পরিবর্তন আসবে না।
বুধবার (২৯ জুলাই) মহারাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খোঁচা দিয়ে এসব মন্তব্য করেন অভিজিৎ দিপকে। খবর প্রকাশ করেছে হিন্দ্যস্তান টাইমস।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অভিজিৎ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তরুণদের উদ্দেশে মোদির প্রকাশিত ভিডিওগুলোর প্রসঙ্গ টানেন। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, মোদির ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত। তিনি সেটা খুব ভালোই করছেন।
অভিজিৎ মন্তব্য করেন, যদি মোদি এত ভালো ইনফ্লুয়েন্সার হন, তাহলে তার প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দেয়া উচিত এবং দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে পালন করতে দেয়া উচিত।
এর আগে, গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও মোদির ইনস্টাগ্রাম ভিডিও নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি সংসদে বলেন, নতুন নতুন অ্যাঙ্গেলে ভিডিও বানিয়ে জেন জির সমর্থন পাওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল নয়, বদলাতে হবে তার মনের অ্যাঙ্গেল।
লোকসভায় পাস হওয়া প্রশ্নফাঁসবিরোধী বিল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিজিৎ দিপকে। তিনি বলেন, শুধু আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। যারা আইন বাস্তবায়ন করবেন, তাদের সদিচ্ছা না থাকলে কোনও লাভ নেই।
এ দেশে একের পর এক ভালো আইন হয়েছে, কিন্তু শুধু আইন পাস করলেই সবকিছু বদলে যায় না।
অভিজিৎ দিপকে বলেন, প্রশ্নফাঁসের মামলার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির ঘোষিত ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের প্রসঙ্গ টেনে। তিন দিন আগে নরেন্দ্র মোদি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এতে মানুষ ভেবেছিল প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত বিচার হবে। কিন্তু কী হলো?
অভিজিৎ দাবি করেছেন, প্রথম শুনানিতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি পিছিয়ে গেছে। তাই যত আইনই করা হোক, যারা তা বাস্তবায়ন করবেন তারা যদি দায়িত্বশীল না হন, তাহলে সেই আইনের কোনও অর্থ থাকে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি চরম আর্থিক অনটন—কোনো কিছুই কক্সবাজারের রামুর তিন বোনের পড়াশোনার অদম্য স্পৃহাকে দমাতে পারেনি। সাম্প্রতিক সময়ের টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে তাদের মাটির ঘর ধসে গেলেও ছেঁড়া পলিথিনের নিচে বসে থেকেই নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে উম্মে হাবিবা, উম্মে সালমা এবং জান্নাতুল মাওয়া।
কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের খাসজমিতে বাস করা এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বাবা দিল মোহাম্মদ (৬৭) পাঁচ বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে অটোরিকশা চালানো বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। অন্যদিকে, মা রোকেয়া বেগম (৪০) জন্মগতভাবে এক চোখে দৃষ্টিহীন, রোদ উঠলে অন্য চোখেও ঝাপসা দেখেন।
সম্প্রতি বাকখালী নদীর পানি উপচে পুরো রামু এলাকা প্লাবিত হলে তাদের মাটির তৈরি বসতঘরের তিন পাশের দেয়াল পাহাড়ি ঢলে ভেঙে পড়ে। বর্তমানে মাথার ওপর ছেঁড়া পলিথিন টাঙিয়ে ভেজা জামাকাপড় ও বই-খাতা নিয়ে দিন পার করছে পরিবারটি। বৃষ্টি থামলেই বাড়ির উঠানে পলিথিন বিছিয়ে বই নিয়ে বসে পড়ে তিন বোন। উম্মে হাবিবা মাদরাসায় অষ্টম শ্রেনিতে, উম্মে সালমা পঞ্চম শ্রেনিতে এবং জান্নাতুল মাওয়া নার্সারিতে পড়ে। তাদের ছোট একটি চার বছরের বোনও রয়েছে।
সন্তানেরা লেখাপড়ার জন্য আগ্রহী থাকা সত্ত্বেও পরিবারের অভাবে ঠিকমতো বই কিনে দিতে না পারায় বুকফাটা কান্না আর অপরাধবোধ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মা রোকেয়া বেগমকে গ্রাস করছে। পঙ্গু বাবা দিল মোহাম্মদও সন্তানের এই কিছু সহ্যের কাছে অসহায় বোধ করছেন।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান জানালেন, রোকেয়া বেগমের পরিবারের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। প্রতিবন্ধী ভাতা, নিরাপদ বাসস্থান এবং মেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আশা করি দ্রুত সমাধান হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩০ জুলাই, ২০২৬ (বাসস/এএফপি) : জাপানে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। জরুরি উদ্ধারকর্মীরা বৃহস্পতিবার ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া জীবিতদের উদ্ধার করার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন, যেটি তীব্র গরমের মধ্যে হচ্ছে।
সরকার সর্বশেষ নিহতের এ সংখ্যা জানিয়েছে। একই সঙ্গে কুমামোতো কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবারের ভূমিকম্পের পর সন্দেহভাজন গ্যাস বিস্ফোরণে ধসে পড়া এইয়ন (অবড়হ) শপিংমলের ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রায় একই সময়ে আরও চারটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে রয়েছে কংক্রিট, ইস্পাত ও তারের স্তূপ।
জাপানের কিউশু দ্বীপের কুমামতো প্রিফেকচারের রাজধানী শহর কুমামোতো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের এক কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘শপিংমল থেকে আমরা ১০ জনকে উদ্ধার করেছি। তাদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। আরও একজনের শরীরে প্রাণের কোনো লক্ষণ নেই। বাকি পাঁচজন গুরুতর ও সামান্য আহত হয়েছেন।’
মঙ্গলবার রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অসংখ্য বাড়িঘর ধসে পড়েছে, সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে আগুন লেগেছে। এ কারণে কয়েক হাজার মানুষ বিদ্যুৎ ও পানি ছাড়াই দিন কাটাচ্ছেন। সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবীণ জনগোষ্ঠীর দেশ জাপানে উকি শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারের লবিতে কয়েক শত বয়স্ক মানুষ পাতলা মাদুর বিছিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রচণ্ড গরম থেকে বাঁচতেই তারা সেখানে অবস্থান করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী বলেন, ‘এই আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।’ তারা সেখানে চেয়ার-টেবিলের মাঝখানে ঘুমাচ্ছেন বা টেলিভিশনের সামনে বসে খবর দেখছেন।
একজন বলেন, ‘আমি বাড়িতে থাকার বা গাড়িতে বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু গরম খুব বেশি, আর মশারও উপদ্রব রয়েছে।’ চার সন্তানের বাবা ও সুপারমার্কেট কর্মী ৫৩ বছর বয়সী হিরোইউকি মাতসুশিমা বলেন, ‘এমন গরমে বিদ্যুৎ ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকলে পরিস্থিতি খুবই কঠিন হয়ে যায়।’ ভূমিকম্পের পর শপিংমলটি খালি করে ফেলা হয়েছিল, তবে প্রায় ৫০ মিনিট পর সেখানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। তখন ঠিক কতজন কর্মী ভেতরে ছিলেন, তা জানা যায়নি।
৫৬ বছর বয়সী ব্যবসায়ী ফুমিহিকো মাতসুউরা এএফপিকে বলেন, সপ্তাহখানেক আগে তিনি ওই শপিংমলেই সর্বশেষ ‘টয় স্টোরি’ চলচ্চিত্রটি দেখেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি এখানে ছিলাম। ঠিক এখানেই ছিলাম। মনে হচ্ছে অল্পের জন্য বিপদ থেকে বেঁচে গেছি।’ ঘটনার স্থানে উদ্ধারকর্মীরা বিপদের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা বুধবার এএফপিকে জানান, ইয়াতসুশিরো শহরের নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ কারখানার একটি লাল-সাদা চিমনির অংশ ধসে পড়ে। এতে পাঁচজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আরও চারজন নিখোঁজ রয়েছেন।
-বিদ্যুৎ ও পানির সংকট-
বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৭০টি পরিবার ও স্থাপনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। বুধবার পর্যন্ত প্রায় ৮৪ হাজার বাড়িতে পানির সরবরাহ ব্যাহত ছিল। টেলিভিশনের ফুটেজে দেখা গেছে, মানুষ পেট্রোল ও বিশুদ্ধ পানির জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে কর্তৃপক্ষ কয়েক শত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র পাঠিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ