ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন গ্রামের সংঘর্ষে উত্তেজনা


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে তিন গ্রামের সংঘর্ষে উত্তেজনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরে সংঘর্ষে আরও একটি গ্রামের লোকজন যুক্ত হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের শ্যামবাড়ি ও বাদৈর ইউনিয়নের হাতুড়াবাড়ি গ্রামের মধ্যে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে গ্রামের অভ্যন্তরীণ সড়কে পড়ে থাকা একটি গাছ সরানোকে কেন্দ্র করে সিএনজিচালিত রিকশাচালক ও ইজিবাইকচালকদের দুটি পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে দুই গ্রামের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। গ্রাম্য সালিশ অনুষ্ঠিত হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি। এর জেরে সোমবার বিকেলে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে শ্যামবাড়ি গ্রামের পক্ষে পাশের নিমবাড়ি গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে যোগ দেন। এতে তিন গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

স্থানীয়দের দাবি, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রলের শিকার হয়ে ব্রাজিলভক্তের আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


ট্রলের শিকার হয়ে ব্রাজিলভক্তের আত্মহত্যা

ব্রাজিল ফুটবল দলের পরাজয়ের কারণে তার গ্লানি এবং তার সঙ্গে যুক্ত প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকদের নেতিবাচক ট্রল (উপহাস) সহ্য করতে না পেরে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ২১ বছর বয়স্ক রতন নামের এক যুবক গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনা ঘটে সোমবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকায়।

নিহত রতন ওই এলাকার হোসেন মিস্ত্রির সন্তান। পেশায় সে একজন শ্রমিক ছিল। মাত্র দুই মাস বয়সী একটি সন্তানের বাবা রতন।

জানা যায়, রোববার (৫ জুলাই) রাতে ব্রাজিল ও নরওয়ে ফুটবল দলের মধ্যকার খেলায় রতনের প্রিয় দল ব্রাজিল পরাজিত হয়েছিল। রতন ছিল ব্রাজিল ফুটবল দলের একজন কট্টর সমর্থক। সে প্রিয় দলের পরাজয় মানসিকভাবে সহ্য করতে পারছিল না। তার ওপর সকালের দিকে প্রতিপক্ষ ফুটবল দলের সমর্থকদের অনবরত নেতিবাচক ট্রল ও উপহাস শুনে তার মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরাজয়ের বেদনা এবং প্রতিপক্ষের বিদ্রুপ সহ্য করতে না পেরে এই যুবক টানা মানসিক চাপের কারণে ভেঙে পড়েন। পরে নিজের শোবার ঘরে চলে গিয়ে তিনি ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

রতনের বাবা হোসেন মিস্ত্রি বলেন, "রাতে খেলা দেখে ছেলে ঘুমিয়ে পড়েছিল। পরে বেলা ১১টার দিকে ঘরের ভেতর থেকে তার কোনো সাড়া শুনতে না পেয়ে আমাদের সন্দেহ হয়। পরে আমরা দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখি ঘরের আড়ার সঙ্গে রশিতে ঝুলছে রতন।" এরপর তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার তদন্তের বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আমিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিবার নিশ্চিত করেছে যে রতন ছিল ব্রাজিলের একজন কট্টর সমর্থক। তারা ধারণা করছেন, দল হেরে যাওয়ার দুঃখ এবং ট্রল সহ্য করতে না পেরেই তিনি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা দাবি না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দাফনের জন্য পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাকে মারধরের ঘটনায় প্রতিশোধ, ভাড়াটিয়া খুনে ৪ ভাই গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


মাকে মারধরের ঘটনায় প্রতিশোধ, ভাড়াটিয়া খুনে ৪ ভাই গ্রেফতার

ময়মনসিংহ নগরীর ছত্রিশবাড়ি কলোনি এলাকার আলোচিত রাজিব আহমেদ রুবেল ওরফে ‘কাইল্যা রুবেল’ হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন করা হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর দ্বারা।

সংস্থাটি জানিয়েছে, বাড়িওয়ালাকে মারধর করা ও শ্লীলতাহানির প্রতিশোধ নিতে ওই নারীর চার ছেলে মিলে ভাড়াটিয়া রুবেলকে হত্যা করেছেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনার এক দিনের মধ্যেই জড়িত চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে পিবিআই ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন রহমত (৩০), জনি (২৮), রকি (২৬) ও ইমরাজ (১৮)। তারা সবাই বাড়ির মালিক পারুল বেগমের ছেলে।

পিবিআই জানায়, নগরীর ছত্রিশবাড়ি কলোনির বাসিন্দা পারুলের বাসায় প্রায় এক মাস আগে একটি কক্ষ ভাড়া নেন রুবেল। সেখানে তিনি নিয়মিত মাদকের আসর বসাতেন ও কেনাবেচা করতেন। এ নিয়ে বাড়ির মালিক পারুল সহ তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রুবেলের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে, পারুল তাকে বাসা ছেড়ে দেয়ার জন্য চাপ দেন।

রোববার (৫ জুলাই) সকালে রুবেল প্রথমে বাড়িওয়ালা ও তার ছেলে জনির কক্ষের দরজায় লাথি মেরে তাদের ঘুম থেকে তোলেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তিনি বাড়ির মালিককে মারধর করেন এবং শ্লীলতাহানি করেন। মাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির বিষয়টি অন্য তিন ভাইকে জানান পারুলের ছেলে জনি।

এরপর পূর্ববিরোধ এবং মাকে মারধরের প্রতিশোধ নিতে চার ভাই একত্রে রুবেলের ঘরে যান। সেখানে তাকে প্রথমে বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয় এবং পরে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। এরপর পালিয়ে যান তারা।

এই হত্যার ঘটনায় রোববার রাতেই নিহতের বাবা মো. আব্দুল হামিদ বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাড়িওয়ালা পারুল বেগমসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পিবিআই ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং পিবিআই সদর দফতরের সহযোগিতায় হত্যাকাণ্ডের এক দিনের মধ্যে মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনার গভীরে আরও কিছু রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চারজনই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এছাড়া তারা আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সোমবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ময়মনসিংহ পিবিআইয়ের পরিদর্শক মোজাম্মেল হক জানান, মামলার এক নম্বর আসামি বাড়ির মালিক পারুল বেগম বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি সুস্থ হলে তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চালুর বছর না পেরোতেই বন্ধ সিলেটের ৩০ কোটি টাকার ফ্রি ওয়াইফাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


চালুর বছর না পেরোতেই বন্ধ সিলেটের ৩০ কোটি টাকার ফ্রি ওয়াইফাই

২০১৭ সালে সিলেটকে দেশের প্রথম স্মার্ট নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রায় ৩০ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘ডিজিটাল সিলেট সিটি’ প্রকল্প শুরু হয়েছিল। এই প্রকল্পটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) দ্বারা বাস্তবায়িত হয়। প্রকল্পটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল নগরজুড়ে বিনামূল্যে ওয়াইফাই সেবা প্রদান করা। কিন্তু উদ্বোধনের কয়েক বছরের মধ্যেই কোটি কোটি টাকার এই প্রকল্প এখন অচল অবকাঠামোয় পরিণত হয়েছে।

জানা যায়, ২০২০ সালের মার্চে সিলেট নগরীর ৬২টি স্থানে ১২৬টি ওয়াইফাই অ্যাক্সেস পয়েন্ট চালু করা হয়েছিল। তখন ঘোষণা করা হয়েছিল, প্রতিটি পয়েন্টে একসঙ্গে ৫০০ জন ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ ১০ এমবিপিএস গতিতে বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু উদ্বোধনের কিছুর মধ্যেই ধীরগতির সংযোগ, বারবার বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং পরবর্তীতে সম্পূর্ণ সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

বর্তমানে বন্দরবাজার, চৌহাট্টা, রিকাবীবাজার, টিলাগড় সহ নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থাপিত ওয়াইফাই ডিভাইসগুলো সম্পূর্ণ অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত এই প্রকল্পটি এখন শুধু নামেই আছে, বাস্তবে এর কোনো সেবা নেই। তারা দাবি করছেন, এটি জনগণের অর্থের স্পষ্ট অপচয় এবং এ বিষয়ে দায়ীদের দ্রুত জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পটি ২০২১ সালে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। পরে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিসিসি ওয়াইফাই জোনের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিতে সিটি কর্পোরেশনকে চিঠি দেয়। তবে পর্যাপ্ত বাজেট ও জনবল না থাকায় সিটি কর্পোরেশন প্রকল্পটি সচল রাখতে পারেনি। ফলে মাসিক রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বহন করতে না পেরে এই সেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন অযত্নে পড়ে থাকার কারণে মাঠপর্যায়ের অধিকাংশ মূল্যবান যন্ত্রপাতি এখন নষ্ট হয়ে গেছে।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার সময় সংবাদকে বলেন, 'প্রকল্পটির নকশাগত ত্রুটি ছিল। ফলে এক বছর সেবা চালুর পর সেটি আর টেকসই হয়নি। প্রকল্প পরিকল্পনার সময় দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।'

অন্যদিকে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়দেব বিশ্বাস প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বলেন, 'বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা ও নির্দেশনা দিলে প্রকল্পটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।'

স্মার্ট সিটির যে স্বপ্ন দেখিয়ে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল, তার বড় অংশই এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে। কোটি টাকার এই প্রকল্পে যেমন কোনো সেবা নেই, তেমনি নেই কোনো কার্যকর জবাবদিহি। ফলে সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই অপরিকল্পিত বাস্তবায়নের ব্যর্থতা, নাকি জনগণের অর্থ অপচয়ের আরেকটি বৃহৎ নজির। বর্তমানে এই পুরো বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও উত্তর খুঁজছেন সিলেটবাসী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাহফুজ আলমের পোস্ট: ‘খেলা শেষ, খোদা হাফেজ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


মাহফুজ আলমের পোস্ট: ‘খেলা শেষ, খোদা হাফেজ’

বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম উগ্র ডানপন্থী বা ‌‘ফার-রাইট’ গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা এবং রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

সোমবার (৬ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘খেলা শেষ, খোদা হাফেজ!’ শিরোনামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, রাইট উইং এক্টর আর কুশীলবদের ফার-রাইট এলেমেন্টস ইউজ করার ভয়ঙ্কর খেলা এখন কোন পর্যায়ে আছে? মব সন্ত্রাস, মাজার, পত্রিকা অফিস ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলায় ওদের মার্সেনারি হিসেবে ব্যবহারের ভেতর দিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার করা শেষ। এখন হাত ধুয়ে ফেলবে জাশি-রাইট উইং বলয়!

তিনি লেখেন, গত দুই বছর কীভাবে ফার-রাইট এলেমেন্টস কথিত রাইট-উইং কুশীলবদের দ্বারা সৃষ্ট-পুষ্ট হইল, সেকুলার-মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসী মধ্যবিত্ত শ্রেণির মনে জুলাই নিয়ে বীতশ্রদ্ধা তৈরিতে ভূমিকা রাখলো এবং কাদের আশকারায়-‘শরিকানা’য় এসকল ফার-রাইট এলেমেন্টস জুলাইকে একটা ‘ইসলামি’-‘ঐতিহ্যবাদী’-‘পুনর্জাগরণবাদী’ বিপ্লব বানানোর স্বার্থে অনলাইনে-অফলাইনে বেমেসাল মব-নৈরাজ্য চালালো-সেসব আশা করি বিজ্ঞজন বলা শুরু করবেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা আরও লেখেন, আমি গত বছরের শুরু থেকেই এসব ফার-রাইট গুন্ডাতন্ত্র আর ডিজিটাল মবের বিরুদ্ধে বলেছি। সেজন্য কুশীলবদের চক্রান্ত এবং ফুটসোলজারদের দৌরাত্ম্য কম সহ্য করতে হয়নি। 

 

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%