ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে ধসে পড়েছে আউটার রিং রোডের একাংশ


চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টিতে ধসে পড়েছে আউটার রিং রোডের একাংশ

চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টির ফলে পতেঙ্গা এলাকায় আউটার রিং রোডের একটি অংশ ধসে পড়েছে। এই সড়কের একটি অংশ ধসে যাওয়ার ফলে এক পাশে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই সড়কটি মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত ভোররাতে পতেঙ্গা সৈকত এলাকা সংলগ্ন ট্রাফিক পুলিশ বক্সের পাশে ওই অংশটি ধসে পড়ে।

রাস্তাটি ব্যবহার করে বন্দরের ট্রাক ও বিমানবন্দরের যানবাহন চলাচল করে। সুতরাং, দ্রুত সড়কটি মেরামত করা না হলে আমদানি রপ্তানি কার্যকলাপে বড় ধরনের প্রভাব পরার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ট্রাফিক হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, ‘সড়কের এক পাশে ধস হওয়ায় অন্য পাশ দিয়ে রেশনিং করে আমরা যান চলাচল স্বাভাবিক রেখেছি। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছি। তারা কাজ শুরু করেছে।’

এদিকে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। চট্টগ্রামে টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণ এবং জোয়ারের পানিতে নগরের নিচু এলাকা সমূহে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ভারী বর্ষণে নগরীর মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, কাপাসগোলাসহ বিভিন্ন সড়ক হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামজুড়ে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ এম


টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামজুড়ে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টির কারণে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, পতেঙ্গা, হালিশহর, আকমল আলী রোড এবং কুয়াইশসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় নগরবাসী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে ভারী বৃষ্টির পর নগরীর নিচু এলাকাগুলোতে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক অফিসগামী মানুষকে জুতা হাতে নিয়ে পানির মধ্যে হাঁটতে দেখা গেছে, যাতে তারা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। গণপরিবহন ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংকটেও যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আগ্রাবাদ, বাকলিয়া, আকমল আলী রোড, সুন্নিয়া মাদ্রাসা রোড এবং চকবাজারের অনেক বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে আসবাবপত্র ও মালামালের ক্ষতি হয়েছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবে স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানায়, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী দুই থেকে তিন দিন চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, আমবাগান আবহাওয়া অফিসে একই সময়ে ২৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পরিমাণ রেকর্ড করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পানির নিচে রেললাইন, হাজারো যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামে আটকে আছে পর্যটক এক্সপ্রেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ এম


পানির নিচে রেললাইন, হাজারো যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামে আটকে আছে পর্যটক এক্সপ্রেস

চট্টগ্রামে টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার ফলে রেললাইনের ওপর পানি জমে গেছে। এই কারণে নগরীর ষোলশহরে আটকে আছে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন। ট্রেনে প্রায় ১ হাজার যাত্রী রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ট্রেনটি আটকে পড়ে। হঠাৎ করে ট্রেন থামিয়ে দেওয়ার ফলে কক্সবাজারগামী যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিয়ে অনেকেই আতঙ্কে রয়েছেন।

রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৬টায় ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি। দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশন অতিক্রম করে। এরপর ভারি বৃষ্টির ফলে রেললাইনের ওপর পানি জমে যায়। ইঞ্জিনে পানি প্রবেশ করে বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি বা দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে চালক ট্রেনটি থামিয়ে দেন। এরপর থেকে ট্রেনটি ওই এলাকায় আটকা পড়ে আছে।

পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আরেকটি ইঞ্জিন এনে ট্রেনটিকে পুনরায় পেছনে টেনে চট্টগ্রামে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে।

জানালিহাট স্টেশনমাস্টার নেজাম উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রেললাইনে পানি জমে থাকায় ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আটকে পড়া পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনে এক হাজারের বেশি যাত্রী রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বৃষ্টিতে কর্ণফুলীতে সড়ক তলিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বিদ্যুৎহীন ১১ ইউনিয়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ এম


টানা বৃষ্টিতে কর্ণফুলীতে সড়ক তলিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, বিদ্যুৎহীন ১১ ইউনিয়ন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে। পানিতে তলিয়ে গেছে মেরিন একাডেমি সড়ক, ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে, উপজেলার ১১টি ইউনিয়নেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে মেরিন একাডেমি সড়কের অনেক অংশ কোমরসমান পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে কর্ণফুলী ড্রাইডক, মেরিন একাডেমি, কেইপিজেড ও বন্দর কমিউনিটি সেন্টারের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। জরুরি প্রয়োজনে স্থানীয়দেরকে পানির মধ্য দিয়েই হেঁটে চলাচল করতে দেখা গেছে।

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বৈরাগ ইউনিয়নের উত্তর গুয়াপঞ্চক, বৈরাগ আমানউল্লাহ পাড়া, চাতরী পাঁচ সিকদার বাড়ি, মোহাম্মদপুর এবং কেইপিজেড-সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে গেছে। এছাড়া সিইউএফএল সড়ক, বটতলী-শাহ মোহছেন আউলিয়া সড়ক, বটতলী-শোলকাটা সড়ক, আনোয়ারা সদর ও চাতরীর ইছামতি এলাকা পানির নিচে চলে যায়। রায়পুর ইউনিয়নের পূর্বগহিরা এলাকায় ঝড়ো বাতাসের কারণে একটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় পরীক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও সাধারণ বাসিন্দারা চরম ভোগান্তি ও সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। অনেক এলাকায় রান্নাবান্নাও বন্ধ হয়ে গেছে।

সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্র জানায়, চাতরী চৌমুহনী থেকে সিইউএফএল-মেরিন একাডেমি-কর্ণফুলী ড্রাইডক পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণকাজ চলছে। কেইপিজেডের জেডি গেট এলাকায় একটি কালভার্ট নির্মাণের কারণে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করা হচ্ছিল। তবে সোমবার বিকেলে পাহাড়ি ঢলে সেই বিকল্প সড়কও তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

অটোরিকশাচালক মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, বৃষ্টির কারণে গাড়ি বের করতে পারেননি। ফলে আয় বন্ধ হয়ে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

গুয়াপঞ্চক এলাকার বাসিন্দা মো. দিদারুল আলম বলেছেন, সকাল থেকে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন এবং পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় ঘরেও পানি ঢুকে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা কাজী জাকের হোসাইন আনসারী অভিযোগ করেছেন, পাহাড়ি ঢল ও অপর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে গেছে। এতে ঘরবাড়ি, কবরস্থান ও সড়কের ক্ষতি হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাহের অ্যান্ড ব্রাদার্সের প্রকৌশলী মোহাম্মদ মুন্না জানিয়েছেন, বিকল্প সড়কটি সচল করতে দ্রুত কাজ অর্থাৎ চলছে। আশা করা হচ্ছে, বুধবারের মধ্যে সড়কটি আবার যান চলাচলের উপযোগী করা যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরসরাইয়ে বিস্কুট কারখানার গার্ডরুমে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১০ এম


মিরসরাইয়ে বিস্কুট কারখানার গার্ডরুমে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে একটি বিস্কুট কারখানার গার্ডরুম থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির (আনুমানিক ৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পুলিশ দ্বারা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে মিরসরাই ফিলিং স্টেশনের দক্ষিণে অবস্থিত কারখানার গার্ডরুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সকালে গার্ডরুমে অর্ধবসা অবস্থায় ওই ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, তাকে অন্য কোথাও হত্যা করা হয়েছে এবং মরদেহ সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মোহাম্মদ ইব্রাহীম ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন। এ সময় পুলিশ নিহত ব্যক্তির সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বিষয়টি জানা যাবে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%