ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাদিসের বর্ণনায় বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে যারা


হাদিসের বর্ণনায় বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে যারা

মুমিনদের জীবনে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ভরসা বা তাওয়াক্কুলের গুরুত্ব অপরিসীম। মহান আল্লাহর অনন্য নেয়ামত হিসেবে বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করা একটি বিশেষ বিষয়। হাদিসের বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে, যারা প্রথমে জান্নাতে প্রবেশ করবেন, তাদের সম্পর্কে কি বলা হয়েছে? তাদের লক্ষণ কী হবে? এ বিষয়ে বিশ্বনবী কি বলেছেন?

বিশ্বনবী হাদিসের মাধ্যমে সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশকারী মানুষদের বর্ণনা করেছেন। আবার তারা কী আমলের বিনিময়ে বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবেন, সেটিও উল্লেখ করেছেন। হাদিসে পাকে এসেছে-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, জান্নাতে প্রবেশকারী প্রথম দলটি পূর্ণিমা চাঁদের মতো উজ্জ্বল আকৃতিতে প্রবেশ করবে। এরপর আকাশের সবচেয়ে দীপ্তিমান তারকার মতো উজ্জ্বল আকৃতিতে প্রবেশ করবে। তাদের অন্তরগুলো মানুষের ন্যায় হবে। তারা পরস্পর কোনো ধরনের শত্রুতা ও হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করবে না। (বুখারি ও মুসলিম)

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ: সিস্টার ডেইজির জীবনের গল্প

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু আরও উল্লেখ করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘জান্নাতে প্রবেশকারী প্রথম দল পূর্ণিমা চাঁদের মত উজ্জ্বল আকৃতিতে প্রবেশ করবে। পরবর্তী দল হিসেবে প্রবেশ করবে আকাশের সবচেয়ে দীপ্তিমান তারকার সুরতে। সেখানে তারা পেশাব-পায়খানা করবে না। থুতু ফেলবে না। নাক ঝাড়বে না। তাদের চিরুনিগুলো হবে স্বর্ণের। ঘাম হবে মিশক আম্বরের মত সুগন্ধি। তাদের ধুপ হবে চন্দন কাঠের এবং স্ত্রীগণ হবে ‘হূরুলঈন’ (আয়তলোচন চির কুমারী হুরগণ)। সবার আকৃতি হবে তাদের বাবা (হজরত আদম আলাইহিস সালামের) মত। ষাট হাত লম্বা।’ (বুখারি, মুসলিম)

অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘(জান্নাতে) তাদের পাত্র হবে স্বর্ণের, তাদের গায়ের ঘাম হবে কস্তুরীর ন্যায় সুগন্ধময়। তাদের প্রত্যেকের জন্য এমন দু’জন স্ত্রী থাকবে, যাদের সৌন্দর্যের দরুন মাংসভেদ করে পায়ের নলার হাড়ের মজ্জা দেখা যাবে। তাদের মধ্যে কোনো মতভেদ থাকবে না। পারস্পরিক বিদ্বেষ থাকবে না। তাদের সবার অন্তর একটি অন্তরের মত হবে। তারা সকাল-সন্ধ্যায় তাসবিহ পাঠে রত থাকবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবেন যারা

বিনা হিসাবে জান্নাতে যাওয়ার জন্য কারা যোগ্য হবে এবং তাদের আমল কী হবে, এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি দীর্ঘ হাদিসে বর্ণনা করেছেন। সেখানে উল্লেখ রয়েছে-

আরও পড়ুন: শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা পুত্রবধূর জন্য বাধ্যতামূলক নয়, জানুন ইসলামের বিধান

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরামের সামনে বর্ণনা করছিলেন, ‘আমার কাছে সব (নবির) উম্মত পেশ করা হল। আমি দেখলাম, কোনো নবির সঙ্গে কতিপয় (৩ থেকে ৭ জন) অনুসারী রয়েছে। কোনো নবির সঙ্গে এক অথবা দুইজন রয়েছে। আবার কোনো কোনো নবিকে দেখলাম তার সঙ্গে কেউই নেই। এমন সময় অনেক বড় একটি জামাআত আমার সামনে পেশ করা হল।

আমি মনে করলাম, এটিই আমার উম্মত। কিন্তু আমাকে বলা হল যে, এটি হল হজরত মুসা আলাইহিস সালাম ও তাঁর উম্মতের জামাআত। কিন্তু আপনি অন্য দিগন্তের দিকে তাকান।

অতপর আমি অন্য দিগন্তে তাকাতেই আরও বড় একটি জামাআত দেখতে পেলাম। আমাকে বলা হল যে- ‘এটি হল আপনার উম্মত। আর তাদের সঙ্গে রয়েছে এমন ৭০ হাজার ব্যক্তি; যারা বিনা হিসাব ও আজাব ভোগ কা ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে।’

এ কথা বলেই প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উঠে নিজ বাসায় প্রবেশ করলেন। আর এদিকে উপস্থিত সাহাবায়ে কেরাম ওই সব বিনা হিসাবে জান্নাতিদের ব্যাপারে বিভিন্ন আলোচনা শুরু করে দেয়-

আরও পড়ুন: অন্যের গোপন তথ্য ফাঁসের শাস্তি ঘোষণা করলেন আল্লাহ

- কেউ কেউ বলল, ‘সম্ভবত ওইসব লোকেরা হল তারা, যারা আল্লাহর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাহাবাগণ।

- কিছু লোক বলল, বরং সম্ভবত ওরা হল তারা, যারা ইসলামের ওপর জন্মগ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করেনি। এভাবে আরও অনেকে অনেক কিছু বলল।

কিছুক্ষণ পর...

আল্লাহর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের কাছে বের হয়ে এসে জানতে চাইলেন- তোমরা কী ব্যাপারে আলোচনা করছ? সাহাবায়ে কেরাম জানালেন, বিনা হিসাবে জানাতে যাবেন; তারা কারা?

আরও পড়ুন: স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘ওরা হল সেইসব ব্যক্তি-

-যারা ঝাঁড়ফুঁক করে না এবং ঝাঁড়ফুঁক করায় না।

- আর কোনো জিনিসকে অশুভ লক্ষণ বলেও মনে করেন না।

- বরং তারা শুধুই মহান আল্লাহ তাআলার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখেন।

আরও পড়ুন: কন্যাসন্তান নিয়ে কোরআনের সুসংবাদ ও ইসলামের নির্দেশনা

এ কথাগুলো শুনেই হজরত উক্কাশাহ ইবনে মিহসান রাদিয়াল্লাহু আনহু উঠে দাঁড়ালেন এবং বললেন-

‘(হে আল্লাহর রাসুল!) আপনি আমার জন্য দোয়া করুন, যেন আল্লাহ তাআলা আমাকে তাদের দলভুক্ত করে দেন! রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (সঙ্গে সঙ্গেই) বললেন, তুমি তাদের মধ্যে একজন।’

অতপর আরও এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়িয়ে বলল, আপনি আমার জন্যও দোয়া করুন, যেন আল্লাহ আমাকেও তাদের দলভুক্ত করে দেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘‘উক্কাশাহ (এ ব্যাপারে) তোমার চেয়ে অগ্রগামী।’ (বুখারি ও মুসলিম)

বিনা হিসাবে জান্নাতে যাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা

আরও পড়ুন: মুমিনদের জীবনে যেভাবে এলো পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ

বিনা হিসাবে জান্নাতে যাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা কত হবে এ সম্পর্কেও হাদিসের বিখ্যাত কিছু গ্রণ্তে ওঠে এসেছে কিছু সুস্পষ্ট বর্ণনা।

- ‘শুধু ৭০ হাজারই নয়, বরং ওই ৭০ হাজারের প্রতি হাজারের সঙ্গে আরও ৭০ হাজার করে মুসলিম জান্নাতে প্রবেশের সুযোগ লাভ করবে।’ অর্থাৎ এ হিসেবে প্রায় ৪৯ লাখ ব্যক্তি। (সহিহুল জামে)

- অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘ওই ৭০ হাজারের প্রত্যেক ব্যাক্তির সঙ্গে আরও ৭০ হাজার করে মুসলিম জান্নাতে প্রবেশ করবে। অর্থাৎ এ হিসেবে উম্মতে মুহাম্মাদির ৪৯০ কোটি মানুষ বিনা হিসাব ও আজাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (মুসনাদে আহমাদ, সিলসিলা সহিহাহ)

প্রথম বর্ণনায় উল্লেখিত ৭০ হাজার ব্যক্তির বিনা হিসাবে জান্নাত লাভ অনুসারে মহান আল্লাহর তিন অঞ্জলি অতিরিক্ত মুসলিমকে বিনা হিসাব ও আজাবে জান্নাতে প্রবেশের অধিকার দেবেন। আর এর প্রকৃত সংখ্যা শুধু আল্লাহই ভালো জানেন।

জান্নাতে প্রবেশকারী প্রথম দল ও তাদের সম্পর্কে কুরআনুল কারিমের বর্ণনাই সুস্পষ্ট। আল্লাহ তাআলা এ সম্পর্কে অনেক সুরার একাধিক আয়াতে তা সুস্পষ্ট করে বলেছেন-

وَالسَّابِقُونَ السَّابِقُونَ أُولَٰئِكَ الْمُقَرَّبُونَ فِي جَنَّاتِ النَّعِيمِ (১২) ثُلَّةٌ مِّنَ الْأَوَّلِينَ وَقَلِيلٌ مِّنَ الْآخِرِينَ

‘আর অগ্রবর্তীগণ তো অগ্রবর্তী। তারাই হবে নৈকট্যপ্রাপ্ত। তারা থাকবে সুখময় জান্নাতসমূহে। বহুসংখ্যক হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে এবং অল্প সংখ্যক হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।’ (সুরা ওয়াকিয়া : আয়াত ১০-১৪)

وَأُزْلِفَتِ الْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ غَيْرَ بَعِيدٍ - هَذَا مَا تُوعَدُونَ لِكُلِّ أَوَّابٍ حَفِيظٍ - مَنْ خَشِيَ الرَّحْمَن بِالْغَيْبِ وَجَاء بِقَلْبٍ مُّنِيبٍ

আর জান্নাতকে উপস্থিত করা হবে আল্লাহকে ভয়কারী বান্দার খুব কাছাকাছি। প্রত্যেক অনুগরাী ও স্মরণকারীকে এরই প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। যে না দেখে দয়াময় আল্লাহ তাআলাকে ভয় করত এবং বিনীত অন্তরে উপস্থিত হতো।’ (সুরা ক্বাফ : আয়াত ৩১-৩৩)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সবাইকে বিনা হিসাবে জান্নাত পাওয়ার জন্য উল্লেখিত ৩টি আমল যথাযথভাবে করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষিমন্ত্রী: সরকার পেঁয়াজ আমদানি করেনি, ভবিষ্যতে করতে হবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


কৃষিমন্ত্রী: সরকার পেঁয়াজ আমদানি করেনি, ভবিষ্যতে করতে হবে না

সরকার এখন পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি করেনি এবং কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, আগামীতেও পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার টাউন হল মাঠে কুমিল্লা কারিগরি শিক্ষা ও উদ্ভাবনী মেলায় তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে মাসে মাসে পেঁয়াজ আমদানির কথা শোনা যেত। এমনকি রাষ্ট্রীয় পলিসিতেও পেঁয়াজের কারণে আঘাত হানার বিষয়টি ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার পেঁয়াজ আমদানি করেনি এবং আগামীতে আমাদের পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, "আমাদের সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। এই সরকারের মূল দায়িত্ব হচ্ছে জনগণকে ভালো কিছু উপহার দেওয়া, সুন্দর কিছু উপহার দেওয়া এবং সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করা। কিছু দুষ্টু লোক আছে, যারা সুন্দর বাংলাদেশকে অসুন্দরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, সবাই সচেতন থাকবেন। এই দেশ আমাদের, এই দেশ আগামী প্রজন্মের। এই সরকার আপনাদের ভোটে নির্বাচিত সরকার। সুতরাং এই সরকারকে সহযোগিতা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য।"

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে মসজিদ রয়েছে। এই মসজিদগুলোর সঙ্গে ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা যুক্ত থাকায় তাদের মাধ্যমে কৃষি ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা সম্ভব। যদি তারা আধুনিক ও বিষমুক্ত কৃষি উৎপাদনে যুক্ত হন, তবে নিজেদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি অন্যদেরও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে উৎসাহিত করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাফেজ ও একাধিক হাফেজ সন্তানের বাবাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির রসায়ন বিভাগে এমএসসির ভর্তি, ক্লাস সাপ্তাহিক ছুটির দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


জবির রসায়ন বিভাগে এমএসসির ভর্তি, ক্লাস সাপ্তাহিক ছুটির দিন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের রসায়ন বিভাগের অধীনে ‘এমএসসি ইন কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল টেকনোলজি (প্রফেশনাল)’ প্রোগ্রামের উইন্টার-২০২৭ সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য আগামী ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ প্রোগ্রামের মেয়াদ এক বছর। ক্লাসগুলো সপ্তাহের কর্মদিবসের বাইরে শুধুমাত্র সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য কোর্স ফির ওপর ২০ শতাংশ বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিষয়টি বিভাগ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ভর্তির জন্য যোগ্যতা হিসেবে রসায়ন, ফলিত রসায়ন, রাসায়নিক প্রযুক্তি, প্রাণরসায়ন, পরিবেশ রসায়ন, শিল্প রসায়ন, লেদার, টেক্সটাইল টেকনোলজি অথবা রসায়নসংশ্লিষ্ট অন্য কোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। সিজিপিএ পদ্ধতিতে ৪.০০-এর মধ্যে ন্যূনতম ২.২৫ অর্জনকারীরা আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

আবেদনকারীকে সরাসরি ১ হাজার ৫০০ টাকা ফি জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫৩০ টাকা।

আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও নম্বরপত্রের সত্যায়িত কপি এবং দুই কপি রঙিন ছবি জমা দিতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে জাহাজভাঙা শিল্প এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


চট্টগ্রামে জাহাজভাঙা শিল্প এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাহাজভাঙা শিল্প এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা শিল্প এলাকা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উভয় পাশে জাহাজভাঙা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযানের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়, মশার লার্ভা নিধন করা হয় এবং শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজভাঙা শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শ্রমিক-কর্মচারীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া, যদি কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও ভাটিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ভাটিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল বশর, মহিলা ইউপি সদস্য দেলোয়ারা বেগম কলি, উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ জাফর আলম ও মোহাম্মদ শহিদুল আলম পাপ্পু, ভাটিয়ারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম মেম্বারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতারা।

উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগটি জাহাজভাঙা শিল্প এলাকার পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী-পুরুষের ফ্লার্টের ধরন নিয়ে গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


নারী-পুরুষের ফ্লার্টের ধরন নিয়ে গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ফ্লার্টের ধরন নারী ও পুরুষের মধ্যে কিছুটা ভিন্ন হলেও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাদের পছন্দের বেশিরভাগ কৌশল একই— এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে একাধিক গবেষণায়।

২০১৫ সালে টি. জোয়েল ওয়েড এবং জেনিফার স্লেম্প চারটি গবেষণার মাধ্যমে নারী-পুরুষের ফ্লার্টের বিভিন্ন আচরণ বিশ্লেষণ করেন। গবেষণায় দেখা যায়, পুরুষদের কাছে নারীর শারীরিক ঘনিষ্ঠতা—যেমন কাছে এসে দাঁড়ানো, স্পর্শ করা বা বাহুতে হাত রাখা— আগ্রহ প্রকাশের কার্যকর সংকেত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

অন্যদিকে, নারীরা শারীরিক ঘনিষ্ঠতার পাশাপাশি হাত ধরা, একসঙ্গে সময় কাটানোর আগ্রহ, বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব, হাসানো, আগ্রহ প্রকাশ এবং একসঙ্গে রাতের খাবারে যাওয়ার মতো আচরণকেও কার্যকর ফ্লার্ট হিসেবে দেখেছেন।

২০২২ সালে নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা ৯৯২ জন বিষমকামী মানুষের ওপর ৪০ ধরনের ফ্লার্টিং কৌশল নিয়ে আরেকটি গবেষণা পরিচালনা করেন। এই গবেষণায় স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে ফ্লার্টের কার্যকারিতায় পার্থক্য পাওয়া যায়।

স্বল্পমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীদের শারীরিক আকর্ষণ ও যৌন আগ্রহের সংকেত তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর বলে বিবেচিত হয়েছে। পুরুষদের ক্ষেত্রেও শারীরিক আকর্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও হাসি, কথাবার্তায় আগ্রহ, প্রশংসা ও হাসানোর মতো আচরণও কার্যকর বলে উঠে এসেছে।

দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষদের জন্য উদারতা, প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত, যত্ন, রসবোধ ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলাকে বেশি কার্যকর মনে করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কার্যকর ফ্লার্টের শীর্ষ ১০টি কৌশলের মধ্যে নয়টিই ছিল অভিন্ন।

গবেষণায় বহির্মুখী স্বভাব, নিজের আকর্ষণীয়তা সম্পর্কে ধারণা বা ধর্মীয় বিশ্বাস ফ্লার্টের কার্যকারিতা শক্তভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণকারীরা শরীর প্রদর্শন, প্রথমে যোগাযোগ করা ও উদারতাকে কিছু ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর মনে করেছেন।

নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই কার্যকর একটি আচরণ হিসেবে উঠে এসেছে হাসি। গবেষকদের মতে, হাসি আগ্রহের সংকেত দিলেও এতে সরাসরি চাপ বা দাবি থাকে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%