ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রামে জাহাজভাঙা শিল্প এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান


চট্টগ্রামে জাহাজভাঙা শিল্প এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুর প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাহাজভাঙা শিল্প এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা শিল্প এলাকা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উভয় পাশে জাহাজভাঙা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযানের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়, মশার লার্ভা নিধন করা হয় এবং শিল্প ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজভাঙা শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শ্রমিক-কর্মচারীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এছাড়া, যদি কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও ভাটিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ভাটিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল বশর, মহিলা ইউপি সদস্য দেলোয়ারা বেগম কলি, উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ জাফর আলম ও মোহাম্মদ শহিদুল আলম পাপ্পু, ভাটিয়ারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম মেম্বারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতারা।

উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগটি জাহাজভাঙা শিল্প এলাকার পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী-পুরুষের ফ্লার্টের ধরন নিয়ে গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ পি.এম


নারী-পুরুষের ফ্লার্টের ধরন নিয়ে গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

ফ্লার্টের ধরন নারী ও পুরুষের মধ্যে কিছুটা ভিন্ন হলেও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাদের পছন্দের বেশিরভাগ কৌশল একই— এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে একাধিক গবেষণায়।

২০১৫ সালে টি. জোয়েল ওয়েড এবং জেনিফার স্লেম্প চারটি গবেষণার মাধ্যমে নারী-পুরুষের ফ্লার্টের বিভিন্ন আচরণ বিশ্লেষণ করেন। গবেষণায় দেখা যায়, পুরুষদের কাছে নারীর শারীরিক ঘনিষ্ঠতা—যেমন কাছে এসে দাঁড়ানো, স্পর্শ করা বা বাহুতে হাত রাখা— আগ্রহ প্রকাশের কার্যকর সংকেত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

অন্যদিকে, নারীরা শারীরিক ঘনিষ্ঠতার পাশাপাশি হাত ধরা, একসঙ্গে সময় কাটানোর আগ্রহ, বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব, হাসানো, আগ্রহ প্রকাশ এবং একসঙ্গে রাতের খাবারে যাওয়ার মতো আচরণকেও কার্যকর ফ্লার্ট হিসেবে দেখেছেন।

২০২২ সালে নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা ৯৯২ জন বিষমকামী মানুষের ওপর ৪০ ধরনের ফ্লার্টিং কৌশল নিয়ে আরেকটি গবেষণা পরিচালনা করেন। এই গবেষণায় স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে ফ্লার্টের কার্যকারিতায় পার্থক্য পাওয়া যায়।

স্বল্পমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীদের শারীরিক আকর্ষণ ও যৌন আগ্রহের সংকেত তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর বলে বিবেচিত হয়েছে। পুরুষদের ক্ষেত্রেও শারীরিক আকর্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও হাসি, কথাবার্তায় আগ্রহ, প্রশংসা ও হাসানোর মতো আচরণও কার্যকর বলে উঠে এসেছে।

দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষদের জন্য উদারতা, প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত, যত্ন, রসবোধ ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলাকে বেশি কার্যকর মনে করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কার্যকর ফ্লার্টের শীর্ষ ১০টি কৌশলের মধ্যে নয়টিই ছিল অভিন্ন।

গবেষণায় বহির্মুখী স্বভাব, নিজের আকর্ষণীয়তা সম্পর্কে ধারণা বা ধর্মীয় বিশ্বাস ফ্লার্টের কার্যকারিতা শক্তভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণকারীরা শরীর প্রদর্শন, প্রথমে যোগাযোগ করা ও উদারতাকে কিছু ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর মনে করেছেন।

নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই কার্যকর একটি আচরণ হিসেবে উঠে এসেছে হাসি। গবেষকদের মতে, হাসি আগ্রহের সংকেত দিলেও এতে সরাসরি চাপ বা দাবি থাকে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন ৫১ সদস্যের কমিটি গঠনের আলোচনা শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন ৫১ সদস্যের কমিটি গঠনের আলোচনা শুরু

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমিনুল হক এবং সদস্যসচিব মো. মোস্তফা জামানের নেতৃত্বাধীন ৫১ সদস্যবিশিষ্ট বিদ্যমান আহ্বায়ক কমিটি নির্দেশক্রমে বিলুপ্ত করা হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়েছে, অতিশিগগিরই ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ নভেম্বর আমিনুল হককে আহ্বায়ক ও মোস্তফা জামানকে সদস্য সচিব করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, এবার কমিটি গঠনে তিনটি বিষয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে- দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা, তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা এবং বিতর্কমুক্ত ‘পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি’ বা ক্লিন ইমেজ।

এদিকে, পুরোনো কমিটি বিলুপ্তির পর নতুন কমিটি নিয়ে ইতোমধ্যে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আলোচনায় যারা

নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ছাত্রনেতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।

ডিএনসিসির বর্তমান প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনও সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন। মিল্টন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি ছাড়াও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্যসচিব ছিলেন এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক কমিশনার আনারুজ্জামান আনোয়ার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী ইউসুফ এবং সাবেক দফতর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক।

এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতৃত্বে থাকতে পারেন এমন আরও কয়েকজন নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে এস এম জাহাঙ্গীর, মামুন হাসান, সাইফুল আলম নীরব এবং এস এ সিদ্দিকী সাজু অন্তর্ভুক্ত আছেন।

নেতৃত্বে কী চাইছে বিএনপি

নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে দলটি সাংগঠনিকভাবে কার্যকর নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে পারে বলে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, সাংগঠনিক সক্ষমতা এবং অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মন্তব্য করেছেন, ‘ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে। রাজনৈতিক সংগঠনে পুনর্গঠন একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত প্রক্রিয়া। নতুন কমিটিতে রাজপথের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে বলে আমি আশাবাদী।’

তবে আলোচনায় থাকা নামগুলো এখনো সম্ভাব্য হিসেবেই রয়েছে; বিএনপির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে কারও নিয়োগ নিশ্চিত নয়। দলটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন কমিটি অতি শিগগিরই ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিট কার্যালয়ের রান্নাঘরে মিলল সংরক্ষিত বনের গাছ, সাংবাদিকদের ম্যানেজের চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


বিট কার্যালয়ের রান্নাঘরে মিলল সংরক্ষিত বনের গাছ, সাংবাদিকদের ম্যানেজের চেষ্টা

বরগুনার তালতলী উপজেলায় টেংরাগিরি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গাছ কেটে রান্নার লাকড়ি হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে নলবুনিয়া বিট কর্মকর্তা মো. শাওনের বিরুদ্ধে।

নলবুনিয়া বিট কার্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টেংরাগিরি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী পর্যটন কেন্দ্র ‘শুভ সন্ধ্যা’ সমুদ্র সৈকতের বনাঞ্চলের নলবুনিয়া বিট কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মূল্যবান গাছ কেটে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য স্তূপ করে রাখা হয়েছে। বিট কার্যালয়ের রান্নাঘরে সেই কাঠ চুলার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে রান্না করতেও দেখা যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বনের গাছপালা রক্ষা করার দায়িত্ব যাদের ওপর অর্পণ করা হয়েছে, তাদের হাত দিয়েই যদি নিয়মিত এভাবে গাছ উজাড় হয়, তবে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ধ্বংসের মুখে পড়বে।

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’-এর তালতলী শাখার সমন্বয়ক আরিফুর রহমান বলেন, সরকার যেখানে সারা দেশে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করছে, সেখানে বন বিভাগ নিজেই উল্টো বনের মূল্যবান গাছ জ্বালানি কাঠ হিসেবে চুলায় পোড়াচ্ছে। যাদের ওপর বন সুরক্ষার দায়িত্ব, তারাই যদি রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকা পালন করে, তবে কোনোভাবেই বন ও পরিবেশ রক্ষা সম্ভব নয়।

বনের গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকার করলেও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে রাজি হননি নলবুনিয়া বিট কর্মকর্তা মো. শাওন। উল্টো সাংবাদিকদের ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন তিনি।

এ বিষয়ে বন বিভাগের বরগুনা কার্যালয়ের সহকারী বন সংরক্ষক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন ভূঞা বলেন, গাছগুলো দ্রুত অপসারণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতালের মেঝেতে বাবার চিকিৎসা, স্যালাইনের বোতল হাতে ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


হাসপাতালের মেঝেতে বাবার চিকিৎসা, স্যালাইনের বোতল হাতে ছেলে

হাসপাতালের মেঝেতে বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন বাবা। তার পাশে স্যালাইনের বোতল হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে শিশুটি। স্যালাইন রাখার জন্য কোনো স্ট্যান্ড নেই, এবং শয্যাও নেই। এই কারণে বাবার চিকিৎসা নির্বিঘ্ন রাখতে শিশুটি নিজের হাতে স্যালাইনের বোতল ধরে দাঁড়িয়ে আছে। বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের এই দৃশ্যটি দেখা যাচ্ছে।

ভুক্তভোগী রোগীর নাম শহিদুল ইসলাম। তিনি বরগুনা পৌর শহরের শহীদ স্মৃতি সড়কের বাসিন্দা। গত দুই দিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু শয্যা না পাওয়ার কারণে তার ঠাঁই হয়েছে হাসপাতালের মেঝেতে। স্যালাইন দেওয়া হলেও, সেটি রাখার স্ট্যান্ড না থাকায় বিপাকে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে তার ছোট ছেলেকে স্যালাইনের বোতল হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। পরে জানালার জায়গা পরিবর্তন করে গ্রিলের সঙ্গে স্যালাইনের বোতল বেঁধে রাখেন।

শহিদুল ইসলাম বলেন, "আমি দুদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত। সকালে হাসপাতালে এসে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু কোনো বেড পাইনি। স্যালাইন দেওয়া হয়েছে, সেটা রাখার স্ট্যান্ড নেই। বাধ্য হয়ে আমার ছেলে স্যালাইন হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। এখন জানালার গ্রিলের সঙ্গে স্যালাইন বেঁধে রেখেছি।"

শহিদুলের মতো এমন ভোগান্তিতে পড়ছেন হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে আসা অনেক রোগী। বিশেষ করে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় প্রতিনিয়ত চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা রয়েছে ৫০টি। তবে বর্তমানে রোগীর সংখ্যা নির্ধারিত শয্যার চেয়েও বেশি। ফলে অতিরিক্ত রোগীদের মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রেজওয়ানুর আলম বলেন, "ডেঙ্গু রোগীদের জন্য হাসপাতালে ৫০টি শয্যা নির্ধারিত রয়েছে। তবে রোগীর সংখ্যা নির্ধারিত শয্যার চেয়ে বেশি হলে অতিরিক্ত রোগীদের বাধ্য হয়ে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। ছবিতে যে রোগীকে মেঝেতে বসে চিকিৎসা নিতে এবং তার সন্তানকে স্যালাইনের বোতল হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে, সেটি সাময়িক পরিস্থিতি ছিল। স্যালাইন ঝোলানোর ব্যবস্থা করার আগ পর্যন্ত শিশুটি বোতলটি ধরে রেখেছিল। পরে স্যালাইন ঝোলানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে রোগীর বাড়তি চাপ সামাল দিতে শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%