ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনা, প্রধান আসামি ফরিদ গ্রেপ্তার


পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনা, প্রধান আসামি ফরিদ গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের দরিয়ানগর সমুদ্রসৈকতে প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় এক পর্যটক নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি মো. ফরিদকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫ ও র‌্যাব-৪।

শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল' এন্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক।

গ্রেফতার হওয়া মো. ফরিদ (৪৫) কক্সবাজার পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাই এর ছেলে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

র‌্যাব-১৫ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫ ও র‌্যাব-৪ এর আভিযানিক দল যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মহানগরীর মিরপুর মডেল থানাধীন ১০২/১-ক, আজাদ মিনি মার্কেট, মধ্য পীরেরবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মো. ফরিদকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ০১ আগস্ট দুপুরে কক্সবাজারের দরিয়ানগর ফরিদের প্যারাসেইলিং এলাকায় প্যারাসেইলিং করার সময় নিরাপত্তাজনিত অবহেলার কারণে উড্ডয়নরত অবস্থায় প্যারাসেইলিংয়ের রশি ছিঁড়ে অক্ষর সৌভিক রায় (৩১) সমুদ্রে পড়ে যান। এতে তাৎক্ষণিক উদ্ধার ব্যবস্থা না থাকায় বিলম্বে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর নিহতের বোন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করেন।

গ্রেফতার এড়াতে ঘটনার পর থেকে আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেলে র‌্যাব ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। একপর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় মামলার ১ নম্বর আসামি মো. ফরিদ ঢাকার মিরপুর এলাকায় আত্মগোপন করে রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৫ ও র‌্যাব-৪ এর সমন্বিত অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ফরিদ কক্সবাজার থেকে পালিয়ে ঢাকায় আত্মগোপন করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে উদ্ধার করা আলামতসহ কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

. থাইল্যান্ডে স্কুলে শিক্ষার্থীর গুলিতে শিক্ষকসহ নিহত ৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


. থাইল্যান্ডে স্কুলে শিক্ষার্থীর গুলিতে শিক্ষকসহ নিহত ৬

থাইল্যান্ডে একটি স্কুলে বন্দুকের সাথে ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী। স্কুল চলাকালীন একের পর এক গুলি করে শিক্ষক সহ ৬ জনকে মেরে ফেলেছে সে। এরপর নিজের জীবনও শেষ করে দিয়েছে সে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে থাইল্যান্ডের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ ননথাবুরির বাং কুরাই জেলার সুপরিচিত ডেবসিরিন ননথাবুরি স্কুলে ঘটেছে এই ভয়াবহ ঘটনা। হামলার সময় স্কুলটির দৈনন্দিন কার্যক্রম অব্যাহত ছিল। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায়।

এ ঘটনায় আরও ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা দিয়েছে দেশটির জাতীয় পুলিশ।

থাইল্যান্ডের শিক্ষামন্ত্রী প্রসার্ত জান্তারারুয়াংথং জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী—দুই ধরনের মানুষ রয়েছে। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, হামলাকারী ওই স্কুলেরই একজন শিক্ষার্থী।

ঘটনার পর আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা ডেবসিরিন ননথাবুরি স্কুল থেকে দৌড়ে বেরিয়ে আসে। আহতদের দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষক কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় এবং একে অপরকে জড়িয়ে ধরতে দেখা যায়।

জরুরি সেবাকর্মীদের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একজন আহতকে অ্যাম্বুলেন্সের বাইরে স্ট্রেচারে শোয়ানো হয়েছে এবং আরেকজনকে চিকিৎসাকর্মীরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন।

১৮ বছরের একজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, প্রথমে বুঝতে পারিনি যে এটি গুলির শব্দ। শুরুতে ভেবেছিলাম বাইরে কেউ আতশবাজি ফাটাচ্ছে বা কোনো কিছুতে জোরে আঘাত করছে। একের পর এক অনেক গুলির শব্দ হচ্ছিল। এরপর কিছুক্ষণ নীরবতা, তারপর আবার গুলি শুরু হয়।

থাই জাতীয় পুলিশের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ত্রিরং ফোফান জানিয়েছেন, মোট ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন।

চলতি বছরের মধ্যে এটি থাইল্যান্ডের স্কুলে দ্বিতীয় বন্দুক হামলার ঘটনা। এর পূর্বে ফেব্রুয়ারিতে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে আরেকটি স্কুলে গুলির ঘটনায় একজন শিক্ষক নিহত এবং একজন শিক্ষার্থী আহত হন।

জানা যায়, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, থাইল্যান্ডে বর্তমানে সাধারণ নাগরিক পর্যায়ে ১ কোটি আগ্নেয়াস্ত্র আছে এবং দেশটিতে বসবাসকারী প্রতি ৭ জনের মধ্যে একজন আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক কারবারির বাড়িতে পুলিশ সদস্যদের তল্লাশি, মিলল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৫ পি.এম


মাদক কারবারির বাড়িতে পুলিশ সদস্যদের তল্লাশি, মিলল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

মেহেরপুরের গাংনীতে এক মাদক কারবারির বাড়িতে অভিযান চলাকালে পুলিশের সদস্যদের দেহ তল্লাশির একটি ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ফলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে ইতোমধ্যে।

গত ৪ আগস্ট বিকেলে গাংনী উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নে চলা মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানের ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, যে সময় মাদক কারবারির বাড়িতে প্রবেশের আগে উপস্থিত এক গণমাধ্যমকর্মীকে দিয়ে পুলিশের সদস্যদের দেহ তল্লাশি করা হচ্ছে। পরে পুলিশ সদস্যরা অভিযানের অংশ হিসেবে ওই বাড়িতে প্রবেশ করেছে। এই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এই বিষয়টি ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

এই তীব্র বিতর্কের মধ্যে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বিষয়টি নিয়ে বলেছেন যে, মাদকবিরোধী অভিযানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য অভিযানের আগে পুলিশ সদস্যদের দেহ তল্লাশি করা হয়। তিনি বলেছেন যাতে পরবর্তীতে কেউ অভিযোগ করতে না পারে যে পুলিশ আলামত নিয়ে গিয়ে উদ্ধার দেখিয়েছে বা কাউকে ফাঁসিয়েছে।

তিনি জানান, পুলিশ রেজুলেশনস অব বেঙ্গল (পিআরবি)-এর ২৮০ বিধির ‘ডি’ উপবিধি অনুযায়ী, তল্লাশি শুরুর আগে তল্লাশি পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তা, উপস্থিত সাক্ষী এবং সংবাদদাতার দেহ তল্লাশি করার বিধান রয়েছে। এই তল্লাশি সাক্ষীদের পাশাপাশি যার বাড়ি বা স্থানে তল্লাশি চালানো হবে, তার বা তার প্রতিনিধির উপস্থিতিতেই সম্পন্ন করতে হয়। গাংনীর অভিযানে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ওই বিধি অনুসরণের অংশ।

মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় জানিয়েছেন, নিয়ম মেনে মাদকবিরোধী অভিযানের আগে পুলিশ সদস্যদের দেহ তল্লাশি করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো, যাতে অভিযান নিয়ে যেন কোনো ধরনের প্রশ্ন বা সন্দেহের অবকাশ না থাকে। মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট বিকেলে গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী কাজীপুর ইউনিয়নের পাঁচটি স্থানে ঘণ্টাব্যাপী যৌথ অভিযান চালানো হয়েছিল। এই অভিযানে প্রায় ৫ কেজি গাঁজা, ২১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং একটি নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ সময় নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে গাংনী উপজেলার কাজীপুর বর্ডারপাড়ার বজলুর রহমানের ছেলে শিপন হোসেন (৪৫), ফজল আলীর স্ত্রী তানজিলা খাতুন (৪৭), ইয়াদ আলীর ছেলে ফজল আলী (৬৫), দুলাল হোসেনের ছেলে রানা হোসেন (২২) এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার নাটনাপাড়া গ্রামের তাজ উদ্দিনের ছেলে জাহিদ হোসেন (২৮), হাবিবুল ইসলাম (৩৬) ও শাহিন আলম (৫০) রয়েছেন।

এই ঘটনায় গাংনী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার

নেত্রকোনা জেলায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার কারণে আলোচিত কনটেন্ট নির্মাতা মো. রিপন মিয়াকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৪।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত ১২টার সাথে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার মহিষারন এলাকার অচিন্তপুরে র‍্যাব অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

র‍্যাব জানায়, মামলার পর থেকেই রিপন মিয়া আত্মগোপনে চলে যান। পরে গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। এরপর আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে নেত্রকোনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী কিশোরী ও রিপন একই এলাকায় বাস করেন এবং তারা প্রতিবেশী। রিপন একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে নিজের পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরেই কিশোরীকে ভিডিও বানানোর প্রলোভন দেখাতেন এবং কুপ্রস্তাব দিতেন।

অভিযোগের অনুসারে, গত ৩০ জুলাই রাত ৮টার দিকে জরুরি কথা বলার প্রলোভন দিয়ে কিশোরীকে বাড়ির পাশের এক জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন রিপন।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে, গত ৫ আগস্ট ভুক্তভোগীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নেত্রকোনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, অভিযুক্ত রিপন মিয়াকে র‍্যাব গ্রেফতার করেছে। তাকে আদালতে পাঠানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পেশায় কাঠমিস্ত্রি রিপন মিয়া ২০১৬ সাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে পরিচিতি লাভ করেন। ‘হাই আই এম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’ এর মতো সংলাপের ভিডিও দ্বারা তিনি জনপ্রিয় হন। ২০১৯ সালে রিপন মিয়া নামে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ চালু করেন, যেখানে বর্তমানে অনুসারীর সংখ্যা ১৯ লাখেরও বেশি।

ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করেছে, ঘটনার রাতে কিশোরীর বাবা বাজারে এবং মা বাইরে কাজ করছেন। এ সুযোগে রিপন বাড়িতে গিয়ে কিশোরীকে জোর করে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান।

পরিবারের দাবি, ভিডিও বানানোর কথা বলে রিপন কিশোরীকে আগে থেকেই উত্যক্ত করে আসছিলেন। লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে তারা বিষয়টি প্রকাশ না করলেও পরে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাজারে সালিশ বসানো হয়।

সালিশে উপস্থিত বিভিন্ন ব্যক্তির দাবি, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে সেই বৈঠকে রিপন অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন। পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছেড়ে যেতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামরিক জোট গঠনের দ্বারপ্রান্তে সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


সামরিক জোট গঠনের দ্বারপ্রান্তে সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটোর দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে নতুন একটি সামরিক জোট গঠন করার উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তান।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সৌদি আরবের উপকূলবর্তী বন্দরশহর জেদ্দায় এই উদ্দেশ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের কথা রয়েছে তিন দেশের মধ্যে। এ বিষয়ে এএফপির একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে হওয়া নতুন এই চুক্তির চূড়ান্ত নথিগুলি প্রস্তুত হয়ে গেছে। তিন দেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন, সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান।

চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং দেশটির সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা প্রধান ফিল্ডমার্শাল আসিম মুনির গতকাল বৃহস্পতিবার এ উপলক্ষে জেদ্দায় পৌঁছেছেন। তারা ৮ আগস্ট শনিবার পর্যন্ত সৌদিকে রাষ্ট্রীয় সফরে থাকবেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান শুক্রবার (৭ আগস্ট) জেদ্দায় আসার পরিকল্পনা করছেন।

নতুন এই প্রতিরক্ষা চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা জোট গঠন নিয়ে সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনা চলছিল দীর্ঘকাল ধরেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সাম্প্রতিক সংঘাত এবং এ কারণে হরমুজ প্রণালিতে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জাহাজ চলাচলে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি প্রস্তাবিত চুক্তিকে বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে।

আরেকজন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বরাতে জানা যায়, প্রস্তাবিত এই সামরিক জোটে সৌদি আরব অর্থ ও আঞ্চলিক প্রভাবের যোগান দেবে, তুরস্ক তাদের আধুনিক সামরিক প্রযুক্তি ও ন্যাটোর মানের সামরিক শিল্পোৎপাদন ঘাঁটি প্রদান করবে। আর পাকিস্তান যোগান দেবে তাদের পারমাণবিক সক্ষমতা এবং দক্ষ সেনাবাহিনী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%