বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:০১ পি.এম
নিকলী থানার হাজত থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে রুবেল মিয়া (২২) নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ১০টার সময় নিকলী থানার হাজতখানা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রুবেল মিয়া ছিলেন উপজেলার কারাপাশা ইউনিয়নের শহরমূল এলাকার রাজা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে। নিহতের বাবা রাজা হাওলাদার জানান, রুবেল আমার একমাত্র ছেলে ছিল। সে খুব আদরের ছিল। কিন্তু অল্প বয়সে সে মাদকাসক্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে আমি নিজেই তার বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে হাজতে পাঠিয়ে দিই। তিন মাস কারাভোগ করার পরও তার কোনো পরিবর্তন হয়নি। পরে সে আবারও মাদকে জড়িয়ে পড়ে এবং পরিবারের সবার সঙ্গে খারাপ আচরণ করত। আজও আমি নিজেই পুলিশকে খবর দিয়েছিলাম। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পর আমি খাবার ও কাপড়চোপড় দিয়ে বাড়িতে ফিরছিলাম। পথে জানতে পারি সে আত্মহত্যা করেছে। নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বাবার করা মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানা হাজতেই রাখা হয়। ওসি আরো জানান, একপর্যায়ে রুবেল নিজের গায়ের শার্ট খুলে হাজতের গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে আত্মহত্যা করেন। পরে আদালতে নেওয়ার জন্য পুলিশ হাজতে গেলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। এ ঘটনার পর আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ৩৬ জন শিক্ষার্থী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন-২০২৬) পরিদর্শনে যাচ্ছেন।
এই পরিদর্শনের উদ্দেশ্য হলো, চর্চা, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া, এবং জাতীয় সংসদের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন এই শিক্ষার্থীরা।
সূত্র জানাচ্ছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী ও রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনুর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মোট ৩৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন, যার মধ্যে ৩০ জন নারী শিক্ষার্থী আছেন।
অংশগ্রহণকারী এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, "সংসদে যাওয়ার অনুভূতি আসলেই একটি স্বপ্নের মতো। আমার সত্যিই খুব ভালো লাগছে। আশা করি, আমরা অনেক ভালো কিছু জানতে ও শিখতে পারব।"
এ প্রসঙ্গে জানালে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেত্রী এবং সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিন বিশ্বাস এশা বলেন, "বর্তমানে যে নিয়মটি চালু হয়েছে, তাতে শিক্ষার্থীরা সংসদে বসে অধিবেশন দেখবে এবং সংসদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানবে। এর মাধ্যমে সংসদ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে তাদের ধারণা আরও বৃদ্ধি পাবে। আমি মনে করি, এটি একটি শিক্ষা সফরের মতো। আমরা মাহমুদা হাবিবা আপা এবং আমাদের ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু চাচার তত্ত্বাবধানে আমন্ত্রণ পেয়ে আসছি।"
উল্লেখ্য, স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে সংসদ অধিবেশন পরিদর্শনের উদ্যোগ গ্রহণের ধারাবাহিকতায় এবার অংশ নিচ্ছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চীনের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গ্রামে বন্যার পানির ফলে একটি সাপের খামার সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। খামারটি ভেসে যাওয়ার পর থেকেই সেখানে থেকে প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০টি সাপ পালিয়ে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। পালিয়ে যাওয়া সাপগুলোর মধ্যে মারাত্মক বিষধর গোখরাও রয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কয়েকজন গ্রামবাসী ইতিমধ্যে সাপের কামড়ে অসুস্থ হয়েছেন, এ সম্পর্কে স্থানীয় গণমাধ্যম তথ্য জানিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এলাকায় বিশেষ উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
ঘটনাটি ঘটেছে গুয়াংজি ঝুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের হেংঝৌ শহরে। চীনা গণমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস তাদের প্রতিবেদনে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শক্তিশালী টাইফুন মায়সাকের প্রভাবে গুয়াংজি অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর কারণে নাননিংয়ের অধীন হেংঝৌ এলাকার একাধিক জলাধারের বাঁধ ভেঙে নিচু এলাকার অংশ প্লাবিত হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, হেংঝৌ শহরের ইউনবিয়াও টাউনশিপের দেংওয়েই গ্রামের ওই সাপের খামারটি বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়ার পর বিপুলসংখ্যক সাপ আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করা হয়েছে, বন্যার পানিতে আটকে পড়া কয়েকজন গ্রামবাসী সাপের কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং দুর্গম পরিস্থিতির কারণে তারা সময়মতো চিকিৎসা নিতে পারছেন না। দেংওয়েই গ্রামের কমিটি প্রধান উ ঝি স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাটি ঘটে গত ৬ জুলাই সকালে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, বন্যার পানিতে খামারটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হওয়ার পর অন্তত ৯০০টি সাপ পালিয়ে যায়। এতদিনে একজন গ্রামবাসী সাপের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। উ ঝি এই বিষয়ে জানান, পালিয়ে যাওয়া সব সাপ বিষধর নয়, বরং এর মধ্যে একটি বড় অংশ অঁদেশের জলসাপ এবং কিং র্যাট স্নেক।
স্থানীয় সাপচাষি লেই জানান, এলাকার খামারগুলোতে মূলত গোখরা, কিং র্যাট স্নেক এবং জলসাপ পালন করা হয়। এর মধ্যে কেবল গোখরাই মারাত্মক বিষধর। তবে অধিকাংশ সাপ দীর্ঘ সময় পানির নিচে ডুবে থাকলে সেগুলোর বেশির ভাগই মৃত্যুর সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে হেংঝৌ জরুরি ব্যবস্থাপনা ব্যুরোর এক কর্মকর্তা জানান, সাপের খামার ধ্বংসের বিষয়টি জানার পর সামনের সারির উদ্ধারকর্মীদের দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য পরে সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে জানানো হবে।
দেংওয়েই গ্রামের প্রধান উ ঝি জানান, ঘটনার পর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া আশপাশের গ্রামের এক ডজনের বেশি বাসিন্দা স্বেচ্ছায় একটি বেসামরিক সাপ ধরার দল গঠন করেছেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রবেশ করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাপ ধরছেন, যাতে নতুন করে আর কেউ আক্রান্ত না হন। দলের সদস্যরা মূলত মাছ ধরার সরঞ্জাম ব্যবহার করে ভাসমান আবর্জনা ও ধ্বংসাবশেষ থেকে সাপ ধরছেন। এছাড়া গ্রামবাসীদের সতর্ক করে ইতিমধ্যে নোটিশ জারি করা হয়েছে। যাদের পেশাদারভাবে সাপ ধরার দক্ষতা নেই, তাদের কোনোভাবেই সাপ ধরার চেষ্টা না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মহাসড়কে প্রবল বর্ষণ ও ঝড়ো হওয়ার কারণে শতবর্ষী একটি গাছ ভেঙে পড়ে। এর ফলে চলন্ত একটি মাইক্রোবাস দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এই দুর্ঘটনায় চালক প্রাণে বেঁচে গেছেন। তবে দুটি পথচারী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার সময় কক্সবাজারের টেকনাফে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া এলাকায় কক্সবাজার-টেকনাফ জাতীয় মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এ সময় সড়কে সাময়িক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে, পরে বিজিবি-পুলিশ ও স্থানীয় জনতার সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গাছটি সরিয়ে যান চলাচলের উপযুক্ত করা হয়।
এই বিষয়ে নিশ্চিত করে হোয়াইক্যং হাইওয়ে থানার ইনচার্জ নুরুল আবছার গণমাধ্যমকে জানান, কক্সবাজারমুখী একটি মাইক্রোবাস পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু চালকের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মালিকপক্ষ এলে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজালাল জানান, শতবর্ষী গাছটি খুব বড়। হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারত। গাড়ির ক্ষতি হলেও বড় কিছু হয়নি।
এদিকে, কক্সবাজারে গত চারদিন ধরে টানা বৃষ্টিতে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত জেলায় ২২ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফসলি জমি, রাস্তার ধারে ও পতিত ভূমিতে বিষাক্ত আগাছা পার্থেনিয়াম দ্রুত বিস্তার ঘটাচ্ছে। এই আগাছা দেখতে অনেকটা ধনিয়া গাছের মতো মনে হলেও এটি কৃষি, পরিবেশ, গবাদিপশু ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গত চার থেকে পাঁচ বছরে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে পার্থেনিয়ামের বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকা, রাস্তার দুই ধারে, পতিত জমি ও ফসলের মাঠের আশপাশে এই আগাছাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ অধিকাংশ মানুষই এর নাম ও ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে জানেন না।
জানা গেছে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার এই আক্রমণাত্মক আগাছা ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করা হয়। গাছটির জীবনকাল মাত্র তিন থেকে চার মাস হলেও এই সময়ের মধ্যে একাধিকবার ফুল ও বীজ উৎপাদন করে। একটি গাছ থেকে হাজার হাজার বীজ বাতাস, পশুপাখি ও মানুষের মাধ্যমে দ্রুত নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে ছায়াযুক্ত বা দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকা স্থানে সাধারণত এ আগাছা জন্মায় না।
স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, কয়েক বছর আগেও এ আগাছার উপস্থিতি তেমন ছিল না। এখন কৃষিজমির চারপাশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। অনেক সময় গবাদিপশুর খাদ্যের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। মাঠে কাজ করতে গিয়ে অনেক কৃষক চুলকানি ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন।
মথুরাপুর ইউনিয়নের হোসেনাবাদ গ্রামের কৃষক ওবাইদুল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আগে এ গাছ খুব একটা দেখা যেত না। এখন জমির চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে। শরীর বা ঘামযুক্ত ত্বকে গাছ লাগলেই চুলকানি শুরু হয়। কেটে ফেললেও আবার দ্রুত গজিয়ে ওঠে।
আরেক কৃষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, জমির চারপাশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। গরু-ছাগলও মাঝে মধ্যে খেয়ে ফেলছে। কোনো কীটনাশকেও তেমন কাজ হচ্ছে না। দ্রুত এটি দমন করা প্রয়োজন।
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন গণমাধ্যমকে বলেন, পার্থেনিয়ামের সংস্পর্শে এলে অ্যালার্জি, চুলকানি, চর্মরোগ, চোখে জ্বালাপোড়া, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। এর পাতা, ফুল ও পরাগরেণু মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তাই জমিতে কাজের সময় গ্লাভস, মাস্ক ও অন্য সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করা উচিত।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব জানান, গবাদিপশুর জন্যও এ আগাছা অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি খেলে হজমের সমস্যা, জ্বর, দুর্বলতাসহ নানা রোগ হতে পারে। বিশেষ করে দুগ্ধবতী গাভির ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।
দৌলতপুর উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফারিহা তানজুম স্বর্ণা বলেন, পার্থেনিয়াম মাটির পুষ্টি উপাদান শোষণ করে আশপাশের ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এর কারণে ফসলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমে যেতে পারে। কৃষকদের নিয়মিত সচেতন করা হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ও পার্থেনিয়ামকে বিষাক্ত আগাছা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে এটি দমনের জন্য এখনো কার্যকর কোনো নির্দিষ্ট কীটনাশক বাজারে নেই।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ফুল ও বীজ ধরার আগেই পার্থেনিয়াম গাছ উপড়ে নিরাপদে ধ্বংস করতে হবে। আগাছা পরিষ্কারের সময় অবশ্যই গ্লাভস, মাস্ক ও সুরক্ষামূলক পোশাক ব্যবহার করতে হবে। তাদের মতে, স্থানীয় প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও পরিবেশ-সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ আগাছার বিস্তার রোধ করা কঠিন হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ