বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:১০ পি.এম
মহাসড়কে প্রবল বর্ষণ ও ঝড়ো হওয়ার কারণে শতবর্ষী একটি গাছ ভেঙে পড়ে। এর ফলে চলন্ত একটি মাইক্রোবাস দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এই দুর্ঘটনায় চালক প্রাণে বেঁচে গেছেন। তবে দুটি পথচারী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার সময় কক্সবাজারের টেকনাফে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া এলাকায় কক্সবাজার-টেকনাফ জাতীয় মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এ সময় সড়কে সাময়িক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে, পরে বিজিবি-পুলিশ ও স্থানীয় জনতার সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গাছটি সরিয়ে যান চলাচলের উপযুক্ত করা হয়।
এই বিষয়ে নিশ্চিত করে হোয়াইক্যং হাইওয়ে থানার ইনচার্জ নুরুল আবছার গণমাধ্যমকে জানান, কক্সবাজারমুখী একটি মাইক্রোবাস পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু চালকের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মালিকপক্ষ এলে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজালাল জানান, শতবর্ষী গাছটি খুব বড়। হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারত। গাড়ির ক্ষতি হলেও বড় কিছু হয়নি।
এদিকে, কক্সবাজারে গত চারদিন ধরে টানা বৃষ্টিতে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত জেলায় ২২ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফসলি জমি, রাস্তার ধারে ও পতিত ভূমিতে বিষাক্ত আগাছা পার্থেনিয়াম দ্রুত বিস্তার ঘটাচ্ছে। এই আগাছা দেখতে অনেকটা ধনিয়া গাছের মতো মনে হলেও এটি কৃষি, পরিবেশ, গবাদিপশু ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গত চার থেকে পাঁচ বছরে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে পার্থেনিয়ামের বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকা, রাস্তার দুই ধারে, পতিত জমি ও ফসলের মাঠের আশপাশে এই আগাছাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ অধিকাংশ মানুষই এর নাম ও ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে জানেন না।
জানা গেছে, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার এই আক্রমণাত্মক আগাছা ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করা হয়। গাছটির জীবনকাল মাত্র তিন থেকে চার মাস হলেও এই সময়ের মধ্যে একাধিকবার ফুল ও বীজ উৎপাদন করে। একটি গাছ থেকে হাজার হাজার বীজ বাতাস, পশুপাখি ও মানুষের মাধ্যমে দ্রুত নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে ছায়াযুক্ত বা দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকা স্থানে সাধারণত এ আগাছা জন্মায় না।
স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেছেন, কয়েক বছর আগেও এ আগাছার উপস্থিতি তেমন ছিল না। এখন কৃষিজমির চারপাশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। অনেক সময় গবাদিপশুর খাদ্যের সঙ্গে মিশে গিয়ে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। মাঠে কাজ করতে গিয়ে অনেক কৃষক চুলকানি ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন।
মথুরাপুর ইউনিয়নের হোসেনাবাদ গ্রামের কৃষক ওবাইদুল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আগে এ গাছ খুব একটা দেখা যেত না। এখন জমির চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে। শরীর বা ঘামযুক্ত ত্বকে গাছ লাগলেই চুলকানি শুরু হয়। কেটে ফেললেও আবার দ্রুত গজিয়ে ওঠে।
আরেক কৃষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, জমির চারপাশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। গরু-ছাগলও মাঝে মধ্যে খেয়ে ফেলছে। কোনো কীটনাশকেও তেমন কাজ হচ্ছে না। দ্রুত এটি দমন করা প্রয়োজন।
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন গণমাধ্যমকে বলেন, পার্থেনিয়ামের সংস্পর্শে এলে অ্যালার্জি, চুলকানি, চর্মরোগ, চোখে জ্বালাপোড়া, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। এর পাতা, ফুল ও পরাগরেণু মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তাই জমিতে কাজের সময় গ্লাভস, মাস্ক ও অন্য সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করা উচিত।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব জানান, গবাদিপশুর জন্যও এ আগাছা অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি খেলে হজমের সমস্যা, জ্বর, দুর্বলতাসহ নানা রোগ হতে পারে। বিশেষ করে দুগ্ধবতী গাভির ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।
দৌলতপুর উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফারিহা তানজুম স্বর্ণা বলেন, পার্থেনিয়াম মাটির পুষ্টি উপাদান শোষণ করে আশপাশের ফসলের বৃদ্ধি ব্যাহত করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এর কারণে ফসলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমে যেতে পারে। কৃষকদের নিয়মিত সচেতন করা হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ও পার্থেনিয়ামকে বিষাক্ত আগাছা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে এটি দমনের জন্য এখনো কার্যকর কোনো নির্দিষ্ট কীটনাশক বাজারে নেই।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ফুল ও বীজ ধরার আগেই পার্থেনিয়াম গাছ উপড়ে নিরাপদে ধ্বংস করতে হবে। আগাছা পরিষ্কারের সময় অবশ্যই গ্লাভস, মাস্ক ও সুরক্ষামূলক পোশাক ব্যবহার করতে হবে। তাদের মতে, স্থানীয় প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও পরিবেশ-সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এ আগাছার বিস্তার রোধ করা কঠিন হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে জলবায়ুবিষয়ক গবেষণা প্রকল্পটি উপস্থাপন করেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান।
এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়।
বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের (বিসিসিটিএফ) অর্থায়নে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ‘মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের ফসলের বৃদ্ধি ও উৎপাদনের উপর জলবায়ুর প্রভাব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে নোবিপ্রবির পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
প্রকল্পের আসন্ন কাজের আওতায় ১৯৫৭ থেকে ২০২১ সালের ঐতিহাসিক আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে ২১০০ সাল পর্যন্ত মেঘনা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের সম্ভাব্য জলবায়ু পরিস্থিতির পূর্বাভাস তৈরি করা হবে। এই পূর্বাভাসের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, স্বয়ংক্রিয় গ্রিনহাউজে zukünftigen জলবায়ু পরিবেশকে অনুকরণ করে বর্তমানে প্রচলিত সয়াবিন এবং সম্ভাবনাময় মিলেটজাতীয় ফসলের বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা ও জলবায়ু-সহিষ্ণুতা পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি, স্থানীয় আবহাওয়ার প্রভাব বিশ্লেষণ করে কৃষকদের জন্য কার্যকর অভিযোজন কৌশল প্রণয়ন করাও হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ঢাকা ও নোয়াখালীতে ইনসেপশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়াও, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রিনহাউজ পরিদর্শনের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা গবেষকরা অর্জন করেছেন। নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অত্যাধুনিক গ্রিনহাউজ নির্মাণের কাজ বর্তমানে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রকল্পের জন্য আধুনিক গবেষণাগার ও কার্যালয় স্থাপন, গবেষণা সহকারী ও ল্যাব টেকনিশিয়ান নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, ‘এই গবেষণার মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য উপযোগী জলবায়ু-সহিষ্ণু ফসল নির্বাচন, কৃষকদের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বৈজ্ঞানিক তথ্যভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়ন করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পটির মাধ্যমে নোবিপ্রবিতে একটি স্থায়ী জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। কেন্দ্রটি ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষণার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আগামী ৫ বছরের জন্য বিদেশে ১ কোটি দক্ষ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলুর প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য দেন। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ৬টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, মোট ১১০টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৫টি কর্মসংস্থান উপযোগী স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি ট্রেড/কোর্সের মাধ্যমে দক্ষতার উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বৈদেশিক শ্রমবাজারকে সুসংহতকরণ, সম্প্রসারণ এবং সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা হচ্ছে। তাদের ভাষাগত সমস্যা দূরীকরণেও মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এ কার্যক্রম সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, নিরাপদ, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। অভিবাসন ব্যয় এবং দালালচক্রের প্রতারণাকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিদেশগামী কর্মীদের দ্রুত সময়ে পাঠানোর জন্য মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর চেষ্টা চলছে। প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, মনিটরিং, সনদায়ন, বিদেশে শ্রম কল্যাণ উইংয়ের মাধ্যমে ডিমান্ড লেটার/ভিসা সত্যায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া, বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের বহির্গমন ছাড়পত্র ইস্যুর বিষয়টি আরো সহজ ও স্বচ্ছ করা হচ্ছে। এ কারণে, অভিবাসনে দালালদের দৌরাত্ম্য কিছুটা হ্রাস পেয়েছে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়া, দালাল বা সাব-এজেন্টদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার জন্য সরকার ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (রিক্রুটিং এজেন্ট লাইসেন্স এবং সাব-এজেন্ট নিবন্ধন ও আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ প্রস্তুত করেছে। স্থানীয় পর্যায়ে অভিবাসন সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য জেলা এবং উপজেলা অবলম্বনে যথাক্রমে জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটি এবং উপজেলা অভিবাসন সমাধা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে "জলবায়ু পরিবর্তনে আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা" এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বৃহষ্পতিবার (৯ জুলাই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আবুসাঈদ।
এই সভাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজিম উদ্দিন শেখ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ মো. গাওছাল আজম, পিপিএম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার প্রশাসক শরিফুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে। এছাড়াও তরী বাংলাদেশ আহবায়ক শামীম আহমেদ, বিডি ক্লিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যোবায়ের শাওন, তরী বাংলাদেশের সদস্য সোহেল রানা ভ‚ইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ খুবই জরুরি। প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিবেশ সংরক্ষণে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ