শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪৮ এম
ফরিদপুরের সদরপুরে সরকারি খাল থেকে ড্রেজার ব্যবহার করে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এতে খালের পাড়, পার্শ্ববর্তী কৃষিজমি এবং আশপাশের সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের কোকারাম সরকারের কান্দি গ্রামে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেখানে কাজল ও মুন্নাফ নামের দুই ব্যক্তি ড্রেজার দিয়ে বালু তুলছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এইভাবে বালু উত্তোলনের ফলে খালের পাড় ভেঙে যাওয়ার, কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার এবং আশপাশের সড়ক ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে খালের স্বাভাবিক পরিবেশ ও নাব্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রকাশ্যে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে এলাকার কৃষিজমি ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কোকারাম সরকারের কান্দি এলাকার এক কৃষক বলেন, এই অঞ্চলের মানুষ প্রতিবছরই পদ্মা নদীর ভাঙনের শিকার হন। এর মধ্যে আবার প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে বালু তুলছেন। এতে খালের পাশের কৃষিজমি সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
ড্রেজার মালিক মুন্নাফ শেখের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এখান থেকে চুরি করে বালু উত্তোলন করছি। সরকারি কোনো অনুমোদন নেই।’
ড্রেজার মালিক কাজল বলেন, ‘এভাবে বালু উত্তোলনে কোনো অনুমোদন লাগে না। এটা সরকারি জায়গা নয়, ব্যক্তিগত জমি।’
সদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পলাশ উদ্দিন বলেন, ‘সরকারি খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই সিদ্ধান্তটি বৈদ্যুতিক লাইনের পাশের গাছের ডালপালা কর্তন এবং লাইনের ব্যাকবোন অংশে কাজ করার জন্য নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাইকিং করে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ ব্রাহ্মণপাড়া জোনাল অফিস কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে।
জোনাল অফিসের ঘোষণার ভিত্তিতে, বারেশ্বর উপকেন্দ্রের বিপি১-৮ এইচ ফিডারের ব্যাকবোন লাইনে কাজ করা হবে। পাশাপাশি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বৈদ্যুতিক লাইনের পাশের গাছের ডালপালা কর্তন করা হবে।
এই কারণে ব্রাহ্মণপাড়া বাজার ও আশপাশের এলাকা, সাহেবাবাদ, দীর্ঘভূমি, উপজেলা সদর, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ব্রাহ্মণপাড়া থানা এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কাজ শেষ হতে কিছুটা কম বা বেশি সময় লাগতে পারে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে ব্রাহ্মণপাড়া জোনাল অফিস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি নতুন করে হামলা চালায়, তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলের সাতটি দেশের তেল স্থাপনা, সমুদ্রতলের যোগাযোগ ক্যাবল, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংক্রান্ত স্থাপনায় হামলা করার হুমকি দিয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসিন রেজায়ি।
মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের উপদেষ্টা মেহদি মোহাম্মদি, যিনি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত বন্ধে আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন, বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নীতিগতভাবে নতুন হামলার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তবে, তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এ হামলায় সফলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পরবর্তী সংঘাতকে অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছি। দুই বছরের মধ্যে তৃতীয় যুদ্ধ আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। আমাদের কৌশল হলো, কোনো সীমারেখা না মানা।’
মোহাম্মদি বলেন, ‘আমরা সংঘাতের সময় ও ভৌগোলিক পরিসর—দুই ক্ষেত্রেই প্রচলিত সীমা ভেঙে দেব। শত্রুপক্ষ যতটা ধারণা করছে, যুদ্ধ তার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং আরও বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলার জবাবে ইরান এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করার সক্ষমতা রাখে কি না এবং চীন বা রাশিয়ার কাছ থেকে অনানুষ্ঠানিক কোনো সহায়তা পায় কি না, তা যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রেজায়ি বলেছেন, ‘যুদ্ধ শুরু হলে যোগাযোগ ক্যাবল, ডেটা সেন্টার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসংক্রান্ত স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। সংঘাত আবার শুরু হলে আমাদের আরও বিস্তৃত পরিকল্পনা থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের অর্থনৈতিক জীবনরেখায় হামলা চালানো হবে, অথচ এসব হামলা চালাতে সহায়তাকারী অর্থনৈতিক অবকাঠামোকে নিরাপদ ও হামলার আওতামুক্ত রাখা হবে—এমন কোনো ব্যবস্থা হতে পারে না।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে যৌথ হামলা চালানোর জন্য দেশটির সামরিক উপদেষ্টারা লক্ষ্যবস্তুর একটি বিস্তারিত তালিকা তৈরি করেছেন।
এদিকে, ইরান, ইয়েমেন ও ফিলিস্তিনের সংকট নিয়ে সমন্বিত নীতি নির্ধারণে শুক্রবার ইস্তাম্বুলে বৈঠকে বসবেন তিনটি ইউরোপীয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তুরস্ক, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও মিসরের প্রতিনিধিরা। তেহরান ও ওয়াশিংটন—উভয় পক্ষই নতুন করে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আশঙ্কা বাড়ছে।
বুধবার, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করা চারটি বাণিজ্যিক জাহাজে একই সময়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। জাহাজগুলো থেকে অন্য জাহাজে তেল স্থানান্তর করা হচ্ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে আরও তিনটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এসব জাহাজে হামলার সংখ্যা ও ঘটনার বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, ইরানে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৩ দশমিক ৪ ডলারে পৌঁছেছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি।
গত চার মাসে সাতবার ইরানে নতুন করে হামলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ট্রাম্প। তবে কূটনৈতিক আলোচনা অচলাবস্থায় পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের বিষয়ে আলোচনা করছেন। এ অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, তেল অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হুমকির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে। ইরাকের আকাশসীমার ওপর দিয়ে উড্ডয়নসহ বিভিন্ন অভিযানের অনুশীলনও চলছে। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইসরাইলের কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ইরানের সীমান্তের কাছাকাছি উড়েছে।
এ ছাড়া, মধ্য ইরানের আরাক শহরের একটি বড় অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মাধ্যমে দেশটির ভেতরে অন্তর্ঘাতমূলক অভিযান চলার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
সোমবার, ইসরাইলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। সেখানে সম্ভাব্য যৌথ হামলার সময় ও উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা হয়। এ হামলা নেতানিয়াহুর পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনায় কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহু চান ইরান আগে হামলা চালাক। সোমবারের বৈঠকে তিনি হেগসেথকে এ মনোভাবের কথা জানিয়েছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে তিনটি বিমানবাহী রণতরি, কয়েক হাজার মেরিন সেনা, যুদ্ধবিমান ও বিশেষ অভিযান পরিচালনাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ রেজা নাসরি সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধের তৃতীয় ধাপ শুরু হলে তা কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না।
তিনি বলেন, ‘পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎ গ্রিড, লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্র, তেল শোধনাগার ও বন্দরগুলোতে আগুন জ্বলবে। কোটি কোটি মানুষ পানি ও বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়বে। আরব দেশগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক শরণার্থী ইউরোপের দিকে ছুটবে।’
নাসরি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে, তেলের দাম আকাশচুম্বী হবে এবং বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার মুখে পড়বে। সেনা মোতায়েন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এমনিতেই চাপে থাকা ইসরাইলের অর্থনীতি দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধের ধকল সামলাতে পারবে না। আর ট্রাম্প এমন এক সংকটে আটকে পড়বেন, যা তার প্রেসিডেন্সির বাকি সময়কে গ্রাস করবে এবং পরবর্তী প্রশাসনের জন্য ধ্বংসস্তূপ রেখে যাবে।’
আইআরজিসির ঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, ইরান তার বিভিন্ন সামরিক ও অভিযান পরিচালনাকারী ইউনিটকে নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হলে, বিশেষ করে ইরানি কর্মকর্তাদের হত্যা ও বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটলে, ইরানের পাল্টা জবাব শুধু সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; রাজনৈতিক লক্ষ্যবস্তুও হামলার আওতায় আসবে।
এদিকে, যুদ্ধবিরতির পথ খুঁজতে ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা চলতি সপ্তাহে আবারও আলোচনা করেছেন। আলোচনায় আগের কিছু প্রস্তাব নতুনভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ তুলে নেওয়া, জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের বোমা হামলার শিকার ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া এবং দেশটির উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর বিনিময়ে ইরানকে কয়েক বিলিয়ন ডলারের জব্দ সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া সবুজ পাহাড় এলাকায় শ্যামলী পরিবহণের একটি বাস এবং সবজিবাহী পিকআপের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় দুজন প্রাণ হারিয়েছেন।
শুক্রবার (২২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে মহাসড়কের সবুজ পাহাড় এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে। এতে পিকআপে অবস্থানরত আবদুল্লাহ ও মো. ইয়াছিন নামের দুই ব্যক্তি নিহত হন।
আবদুল্লাহ টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ফুলের ডেইল এলাকার আবুল কালামের পুত্র এবং মো. ইয়াছিন মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল রামপুর এলাকার মো. দুলালের সন্তান।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, ঢাকাগামী শ্যামলী এনআর পরিবহণের যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে চকরিয়া থেকে কক্সবাজারগামী সবজিবাহী পিকআপটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে মালুমঘাট হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ইনচার্জ (উপপরিদর্শক-এসআই) মো. সেলিম মিয়া জানান, নিহত দুজনের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে, নগরটির বাতাস এখনও সংবেদনশীল জনগণের জন্য অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। শুক্রবার সকালে ঢাকার অবস্থান ছিল বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ১২তম।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) ছিল ১৪৪। আগের দিন বৃহস্পতিবার এই সূচক ছিল ১৭৩। ফলে, এক দিনের ব্যবধানে ঢাকার বায়ুমানের কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমান সূচকে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
একই সময়ে, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে পাকিস্তানের লাহোর, যার বায়ুমান সূচক ছিল ২৮৮, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি, যার স্কোর ২৪৩। এই শহরের বাতাসও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।
এদিকে, বায়ুমান সূচকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় থাকা শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি, মিশরের কায়রো, ইন্দোনেশিয়ার মেদান, কাতারের দোহা, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ভারতের মুম্বাই ও কলকাতা এবং সেনেগালের ডাকার।
ঢাকার মতো ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ বায়ুমানের তালিকায় আরও কয়েকটি শহরের নাম রয়েছে। এই শহরগুলো হলো কঙ্গোর কিনশাসা, ভিয়েতনামের হ্যানয়, বাহরাইনের মানামা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, উজবেকিস্তানের তাসখন্দ, চীনের বেইজিং, সৌদি আরবের রিয়াদ, সিঙ্গাপুর, কুয়েত সিটি, পাকিস্তানের করাচি, যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন ও নেপালের কাঠমান্ডু।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ভালো বাতাস হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা মাঝারি বা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। ১০১ থেকে ১৫০ হলে বাতাস সংবেদনশীল জনগণের জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়।
এছাড়া, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত বায়ুমান সূচককে অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বায়ুদূষণের কারণে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই দূষণ বেশি থাকলে তাদের দীর্ঘক্ষণ বাইরে না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রয়োজন হলে বাইরে বের হওয়ার সময় উপযুক্ত মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ