প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে, নগরটির বাতাস এখনও সংবেদনশীল জনগণের জন্য অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। শুক্রবার সকালে ঢাকার অবস্থান ছিল বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ১২তম।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) ছিল ১৪৪। আগের দিন বৃহস্পতিবার এই সূচক ছিল ১৭৩। ফলে, এক দিনের ব্যবধানে ঢাকার বায়ুমানের কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমান সূচকে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
একই সময়ে, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে পাকিস্তানের লাহোর, যার বায়ুমান সূচক ছিল ২৮৮, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি, যার স্কোর ২৪৩। এই শহরের বাতাসও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।
এদিকে, বায়ুমান সূচকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় থাকা শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি, মিশরের কায়রো, ইন্দোনেশিয়ার মেদান, কাতারের দোহা, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ভারতের মুম্বাই ও কলকাতা এবং সেনেগালের ডাকার।
ঢাকার মতো ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ বায়ুমানের তালিকায় আরও কয়েকটি শহরের নাম রয়েছে। এই শহরগুলো হলো কঙ্গোর কিনশাসা, ভিয়েতনামের হ্যানয়, বাহরাইনের মানামা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, উজবেকিস্তানের তাসখন্দ, চীনের বেইজিং, সৌদি আরবের রিয়াদ, সিঙ্গাপুর, কুয়েত সিটি, পাকিস্তানের করাচি, যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন ও নেপালের কাঠমান্ডু।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ভালো বাতাস হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা মাঝারি বা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। ১০১ থেকে ১৫০ হলে বাতাস সংবেদনশীল জনগণের জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়।
এছাড়া, ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত বায়ুমান সূচককে অস্বাস্থ্যকর, ২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বায়ুদূষণের কারণে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই দূষণ বেশি থাকলে তাদের দীর্ঘক্ষণ বাইরে না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রয়োজন হলে বাইরে বের হওয়ার সময় উপযুক্ত মাস্ক ব্যবহার করা উচিত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন