প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ফরিদপুরের সদরপুরে সরকারি খাল থেকে ড্রেজার ব্যবহার করে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এতে খালের পাড়, পার্শ্ববর্তী কৃষিজমি এবং আশপাশের সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের কোকারাম সরকারের কান্দি গ্রামে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেখানে কাজল ও মুন্নাফ নামের দুই ব্যক্তি ড্রেজার দিয়ে বালু তুলছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এইভাবে বালু উত্তোলনের ফলে খালের পাড় ভেঙে যাওয়ার, কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার এবং আশপাশের সড়ক ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে খালের স্বাভাবিক পরিবেশ ও নাব্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রকাশ্যে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে এলাকার কৃষিজমি ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কোকারাম সরকারের কান্দি এলাকার এক কৃষক বলেন, এই অঞ্চলের মানুষ প্রতিবছরই পদ্মা নদীর ভাঙনের শিকার হন। এর মধ্যে আবার প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে বালু তুলছেন। এতে খালের পাশের কৃষিজমি সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
ড্রেজার মালিক মুন্নাফ শেখের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এখান থেকে চুরি করে বালু উত্তোলন করছি। সরকারি কোনো অনুমোদন নেই।’
ড্রেজার মালিক কাজল বলেন, ‘এভাবে বালু উত্তোলনে কোনো অনুমোদন লাগে না। এটা সরকারি জায়গা নয়, ব্যক্তিগত জমি।’
সদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. পলাশ উদ্দিন বলেন, ‘সরকারি খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন