বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৫৭ পি.এম
ইসরায়েলের হেফাজতে থাকার সময়ে ভয়াবহ যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন গাজাগামী মানবিক সহায়তাবাহী নৌবহরের (ফ্লোটিলা) কর্মী ও ফিলিস্তিনপন্থি জার্মান অধিকারকর্মী অ্যানা লিডকে।
তার বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও ইসরায়েলে করা একটি ফৌজদারি অভিযোগ থেকে যার একটি ভয়াবহ কাহিনী জানা গেছে, বন্দিশালায় তৃতীয়বারের মতো বেআইনিভাবে শরীর তল্লাশির সময় কারারক্ষীরা তাকে জোর করে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করেন। এসময় চিৎকার বন্ধ করতে তারা লিডকের মুখ চেপে ধরেন এবং তাকে ধর্ষণ করেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। লিডকে বলেন, নির্যাতনের সময় তিনি পুরুষ রক্ষীদের হাসির শব্দ শুনেছিলেন। তার ধারণা, পুরুষ রক্ষীরা তার ওপর চলা এ নির্যাতন দেখছিলেন এবং সম্ভবত ভিডিও ধারণ করছিলেন। কারাগারের বারান্দা থেকে আংশিক টানা একটি পর্দা দিয়ে জায়গাটি আলাদা করা ছিল। পর্দাটি খোলাই রেখেছিলেন ইসরায়েলের কারারক্ষীরা।
২৫ বছর বয়সী লিডকে গত শরতে ইউরোপ থেকে গাজাগামী মানবিক সহায়তাবাহী নৌবহরে (ফ্লোটিলা) যোগ দেন। ইসরায়েলের বাহিনী ৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে তাদের নৌকাটি আটক করে। এরপর তাকে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে পাঁচদিন আটক রাখা হয়।
লিডকে বলেন, ইসরায়েলের কারাগারে ফ্লোটিলার কর্মীদের ওপর ধর্ষণের পাশাপাশি যে নির্যাতন ও সহিংসতা চালানো হয়েছে, তার উদ্দেশ্য ছিল তাদের ভয় দেখানো। গার্ডিয়ানকে তিনি বলেন, ‘এটি স্পষ্ট যে তারা আমাদের মনোবল ভেঙে দিতে চায় এবং আমাদের চুপ করাতে চায়। তারা আমাদের এমন এক ট্রমার মধ্যে ফেলতে চায়, যাতে আমরা আর কখনো ফিলিস্তিন নিয়ে কথা না বলি।’
তবে দমে না গিয়ে লিডকে কয়েক দিনের মধ্যে তার বন্ধু ও চিকিৎসকদের বিষয়টি জানান। গত ডিসেম্বরে তিনি প্রথম ফ্লোটিলা কর্মী হিসেবে ইসরায়েলি হেফাজতে ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেন। আরও এক ডজনের বেশি কর্মী যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন, যাদের বেশিরভাগই নাম প্রকাশ করেননি।
ইসরায়েলে লিডটকের আইনজীবীরা তার অভিযোগগুলো তদন্ত করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ইসরায়েলের আইন অনুযায়ী, সম্মতি ছাড়া যেকোনো ধরনের যৌন নিপীড়নকে ধর্ষণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
আইনি লড়াই শুরু করার পর দেওয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে লিডকে বলেন, ‘আমার লজ্জা পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা চুপ থাকলে তারা অন্য কারও সঙ্গেও একই কাজ করবে।’
অভিযোগপত্রটি ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল, ইসরায়েল কারা কর্তৃপক্ষের আইনি উপদেষ্টা, কারারক্ষী তদন্ত বিভাগ (ইয়াহাস) এবং গিভন কারাগারের কমান্ডারের কাছে পাঠানো হয়েছে। লিডকের আইনজীবী মুনা হাদ্দাদ বলেন, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ইসরায়েলে বন্দি নির্যাতনের ক্ষেত্রে যে ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতির’ সৃষ্টি হয়েছে, সেটাকে চ্যালেঞ্জ করা।
ইসরায়েলে কর্মরত ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থা ‘আদালাহ’-এর আইনজীবী হাদ্দাদ বলেন, ‘অ্যানা ন্যায়বিচার চান। অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে তিনি সব পথ ব্যবহার করতে চান। আমরা জনসচেতনতা বাড়াতে এবং তদন্তের দাবিতে ইসরায়েলের ব্যবস্থা কীভাবে সাড়া দেয় তা পর্যবেক্ষণ করতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় তিন বছর ধরে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর ক্রমাগতভাবে যৌন সহিংসতা ও ধর্ষণের মতো অপরাধ চালানো হচ্ছে। এখন আমরা এর মাত্রা আরও বাড়তে দেখছি। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানানো বিদেশি নাগরিকদের ওপরও একই আচরণ করছে ইসরায়েল।’
লিডকে বলেন, ‘আমি মনে করি না, মুখ খুললেই কারাগারে ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে। তবে একজন রাজনৈতিক সচেতন নারী হিসেবে আমি এ বিষয়ে কথা বলা দায়িত্ব মনে করি। আমি এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাই। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, ফিলিস্তিনি বন্দিরা যে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, আমার ওপর হওয়া নির্যাতন তার চেয়ে অনেক কম।’
গেল বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ ইতালি থেকে প্রায় ১০০ কর্মীর সঙ্গে একটি বড় ফেরিতে করে রওনা হওয়ার আগে লিডকে আগের ফ্লোটিলা সদস্যদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েছিলেন। তিনি ইসরায়েলের হেফাজতে যৌন নিপীড়নসহ সম্ভাব্য সহিংসতার মুখোমুখি হওয়ার জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে পরে তিনি বুঝতে পারেন, এমন পরিস্থিতির জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া প্রায় অসম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই শহীদ দিবসে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয়
কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপলক্ষে সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে শহীদ আয়াতুল্লাহর কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৬ জুলাই) বেলা ২ ঘটিকার সময় মধ্যনগর বাজার থেকে ট্রলারযোগে শহীদ আয়াতুল্লাহর কবরস্থানে গিয়ে কবর জিয়ারত, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধরমপাশা উপজেলা উলামা বিভাগের সভাপতি, সাবেক সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি এবং সম্ভাব্য চামরদানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাওলানা মোঃ এনামুল হক।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য প্রেরণার উৎস। তাদের আদর্শকে ধারণ করে ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মধ্যনগর উপজেলা জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আবু তাহের।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সেক্রেটারি মোঃ আলী হোসেন, সহ-সেক্রেটারি অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মোঃ আব্দুল মোছাব্বির, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সম্রাট মিয়া এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
শেষে শহীদ আয়াতুল্লাহর রুহের মাগফিরাত, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এক নারীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে নির্জন বাড়িতে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রধান অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে মামলার অন্য আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে দক্ষিণ সুরমার চণ্ডীপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক নারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন, যিনি এয়ারপোর্ট থানার সাহেববাজার এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, সিএনজি চালক তাকে নির্ধারিত গন্তব্যে না নিয়ে কৌশলে বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের একটি নির্জন বসতঘরে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি মিলে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন।
এই ঘটনার পর, বুধবার (১৫ জুলাই) ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত গয়াছ মিয়া গেদা (৪৫)কে গ্রেপ্তার করে। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার হায়াতেরগাঁও গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ঘটনার পর থেকেই মামলার বাকি অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগী নারীকেসহ চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্বনাথ থানার ওসি (তদন্ত) জানিয়েছেন, মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢালিউড অভিনেতা ওমর সানির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসিকে নিয়ে তার মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ফেসবুকে নেটিজেনরা নানা প্রকার প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। কেউ তার মন্তব্যের সমালোচনা করছেন, আবার কেউ ব্যঙ্গ ও বিদ্রূপকরে পোস্ট ও মন্তব্য করছেন।

এ আলোচনায় শাহরিয়ার নাজিম জয় নামের উপস্থাপক, অভিনেতা ও নির্মাতাও যোগ দিয়েছেন। তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘ওমর সানি ভাই মেসিকে প্রতিবন্ধী বলেছে। ৯০ দশকে দেখতাম সিনেমাতে মৌসুমী ওমর সানিকে চাবুক মারত। কেন মারত এখন বুঝেছি।’
জয়ের এই পোস্ট দেওয়ার পরে সেটি ঘিরে মন্তব্যের ঝড় শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যে পোস্টটিতে প্রচুর প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্য জমা হতে থাকে। অনেকেই ওমর সানির বক্তব্যের সমালোচনা করে নিজেদের তাৎক্ষণিক মতামত প্রকাশ করেন।
বেলী খন্দকার নামে একজন নেটিজেন মন্তব্য করেন, ‘চাবুকের খেয়ে এতদিন মাথা ঠিক ছিল, এখন আর ঠিক নাই। তাই নতুন করে আবার মারতে হবে।’ আরেকটি মন্তব্যে শামীমা ইসলাম বলেন, ‘চাবুক মারা অনেক দিন হয় না, তাই উল্টাপাল্টা বলা শুরু করছে।’ তার মন্তব্যেও অনেক নেটিজেন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
শুধু এই দুই মন্তব্যই নয়, জয় এর পোস্টে বহু নেটিজেন ওমর সানির বক্তব্য নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন। কেউ পুরোনো বাংলা সিনেমায় মৌসুমী ও ওমর সানির বিভিন্ন দৃশ্যের ছবি শেয়ার করছেন, আবার কেউ সেই দৃশ্যের সঙ্গে বর্তমান বিতর্কের মিল খুঁজে রসিকতা করছেন।
এদিকে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়েই আর্জেন্টিনা ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে। উক্ত উপলক্ষে শাহরিয়ার নাজিম জয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও একটি রসাত্মক পোস্ট করে নতুন করে আলোচনায় আসেন। তিনি চিত্রনায়ক ওমর সানীকে ট্যাগ করে লেখেন, আর্জেন্টিনার গোলগুলো মৌসুমী আপার চাবুকের মতো। তবে তুলার না। একদম অরিজিনাল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের সড়ক দুর্ঘটনায় দুই ভাই ফয়েজ আহমেদ সজীব (২৯) ও ফরহাদ হোসেন সুজন (২১) মারা গেছেন।
মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টার দিকে। তাদের প্রাইভেটকারটি রিয়াদ থেকে জেদ্দা যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সজীব ও সুজন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেকের বড় এবং মেজো ছেলে।
সজীব ও সুজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাদের বাবা, ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক। তিনি জানিয়েছেন, সজীব ও সুজন জেদ্দায় ব্যবসা করেন। তারা রিয়াদ শহরে ব্যবসায়িক মালামাল ক্রয় করতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে তাদের গাড়িটি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে পতিত হয়। এই দুর্ঘটনার ফলে তাদের গাড়ির সামনের অংশ সম্পূর্ণরূপে দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় সজীব ও সুজন মারা যান।
এ ঘটনায় শোকার্ত আব্দুল মালেক বলেন, "আমার দুই ছেলে একসাথে মারা গেছে। সবাই তাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করবেন।" তিনি মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, "ঘটনাটি আমাদের জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ