প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এক নারীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে নির্জন বাড়িতে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রধান অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তবে মামলার অন্য আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে দক্ষিণ সুরমার চণ্ডীপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক নারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন, যিনি এয়ারপোর্ট থানার সাহেববাজার এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ রয়েছে, সিএনজি চালক তাকে নির্ধারিত গন্তব্যে না নিয়ে কৌশলে বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের একটি নির্জন বসতঘরে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি মিলে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন।
এই ঘটনার পর, বুধবার (১৫ জুলাই) ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত গয়াছ মিয়া গেদা (৪৫)কে গ্রেপ্তার করে। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার হায়াতেরগাঁও গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ঘটনার পর থেকেই মামলার বাকি অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগী নারীকেসহ চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্বনাথ থানার ওসি (তদন্ত) জানিয়েছেন, মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন