ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রথম টি-টোয়েন্টি একাদশে থাকবেন যারা


প্রথম টি-টোয়েন্টি একাদশে থাকবেন যারা

টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজ শেষ করার পরে এবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি লড়াই শুরু হতে চলেছে। আগের দুই ফরম্যাটে প্রত্যাশিত ফলাফল না পাওয়ার কারণে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য টাইগাররা প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ে যে শক্ত প্রতিপক্ষ, তা বিবেচনায় নিয়ে শুরু থেকেই জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ দলের সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তাদের পেস আক্রমণে তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম এবং নাহিদ রানা খেলার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। স্পিন বিভাগে রিশাদ হোসেন মূল ভরসা হিসেবে থাকবেন। উইকেট ও কন্ডিশন পর্যবেক্ষণের পর অতিরিক্ত পেসার হিসেবে আব্দুল গাফফার সাকলাইন মাঠে নামতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নাসুম আহমেদ এবং শেখ মেহেদী হাসান বেঞ্চে থাকতে হতে পারে।

ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রেও ওপেনিংয়ে তানজিদ হাসান তামিমের সাথে সাইফ হাসানকে দেখা যেতে পারে। তিন নম্বরে পারভেজ হোসেন ইমন, চার নম্বরে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় এবং পাঁচ নম্বরে উইকেটরক্ষক ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান খেলতে পারেন। অলরাউন্ডার হিসেবে ছয় নম্বরে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত থাকতে পারেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ তুলে ধরা হলো:

বাংলাদেশ: তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, রিশাদ হোসেন, আবদুল গাফফার সাকলাইন/নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা এবং শরিফুল ইসলাম।

জিম্বাবুয়ে: বেন কারান, ব্রায়ান বেনেট, তাদিওয়ানাশে মারুমানি (উইকেটরক্ষক), সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), রায়ান বার্ল, টনি মুনিয়োঙা, ক্লিভ মাদান্দে, ব্র্যাড ইভান্স, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, রিচার্ড এনগারাভা এবং ব্লেসিং মুজারাবানি।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে পাল্টে যাবে দেশের বিদ্যুৎচিত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে পাল্টে যাবে দেশের বিদ্যুৎচিত্র

বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর যদি সম্পূর্ণভাবে চালু হয়, তবে দেশের মোট বিদ্যুতের প্রায় 15 শতাংশ সরবরাহ করা সম্ভব হবে। 2028 সালের মধ্যে কেন্দ্রটির দুটি চুল্লি পুরোপুরি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর নির্ভরতা হ্রাস পাবে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কার্যকরভাবে আরও শক্তিশালী হবে, এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

এই তথ্যটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

পদ্মা নদীর তীরে নির্মিত হচ্ছিল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি, যেখানে দুটি চুল্লির মোট উৎপাদন ক্ষমতা 2400 মেগাওয়াট। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথের দুই দশকেরও বেশি সময় পার হয়েছে। যদিও মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে প্রকল্পের কাজের গতি ব্যাহত হয়েছে, যার ফলে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রকল্পটি পিছিয়ে পড়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহেদুল হাসান জানিয়েছেন, প্রথম চুল্লি 2027 সালের শুরুর দিকে এবং দ্বিতীয় চুল্লি 2028 সালে পুরোপুরি বিদ্যুৎ উৎপাদনে আসবে।

রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত এই প্রকল্পের মূল ব্যয় প্রায় 1265 কোটি মার্কিন ডলার। তবে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ার কারণে প্রকল্পের ব্যয় প্রায় এক-চতুর্থাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পটি শেষ হলে এই অতিরিক্ত ব্যয় হ্রাস করা সম্ভব হত এবং জ্বালানি আমদানির খরচও হ্রাস করা যেতে পারতো।

তবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘমেয়াদে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং উৎপাদন ব্যয়ের দিক থেকে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দেশের জন্য লাভজনক হবে।

এদিকে, সরকার ভবিষ্যতের জন্য ছোট আকারের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনাও করছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, 300 থেকে 400 মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতার ছোট কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে বিভিন্ন দেশের নির্মাতাদের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা চলছে। এসব কেন্দ্র নদীর তীরে দ্রুত নির্মাণ করা সম্ভব হবে। বড় আকারের নতুন কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত নেই বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে আগামী পাঁচ থেকে সাত বছর দেশে নতুন ভিত্তিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রয়োজন হবে না। এর ফলে সৌর ও বায়ুশক্তির মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালনব্যবস্থা আধুনিক করার সুযোগ তৈরি হবে।

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য সতর্ক করে বলেছেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি সফলভাবে পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল, শক্তিশালী ও স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা, জনসমর্থন ও ব্যবহৃত জ্বালানির নিরাপদ উপায়ে ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী নির্মাণাধীন অধিকাংশ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রাশিয়া ও চীনের প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল। একই সময়ে ভারত বড় পরিসরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানও চীনের সহায়তায় একাধিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রূপপুর প্রকল্প শুধুমাত্র দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষা এলেই ঢাকায় সমন্বয়হীনতার চিত্র ফুটে ওঠে: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪২ পি.এম


বর্ষা এলেই ঢাকায় সমন্বয়হীনতার চিত্র ফুটে ওঠে: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সমস্যা দীর্ঘকাল ধরে পুঞ্জীভূত হয়ে রয়েছে। বর্ষা এলেই ঢাকায় সমন্বয়ের কঠিন অবস্থা বুঝা যায়।

বুধবার (১৫ জুলাই) রাজধানী ঢাকার গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, বাংলাদেশ একটি দরিদ্র দেশ। এখানে অর্থনীতির মূল কেন্দ্র ঢাকা। ঢাকার সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে দুটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে; একটি নগর এবং আরেকটি গ্রাম্য। সবাই শহরের নাগরিক হয়ে উঠতে পারেনি। শহরটিকে বড় করা হচ্ছে, জনগণ বাড়ছে, এবং বর্জ্যও বেড়ে যাচ্ছে। বিদেশে গেলে চকলেটের খোসা ফেলতে হলেও ডাস্টবিন খোঁজা হয়, এটি মানসিকতার বিষয়।

তিনি আরও বলেছেন, আমরা নতুনভাবে দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। প্রধানমন্ত্রীর যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেটিকে আমাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমরা ঢাকাকে নাগরিক হিসেবে ঠিক করতে চাই। এখানে বিএনপি-জামায়াতকে দেখার সময় নেই। রাজনৈতিক মতবিরোধের ঊর্ধ্বে রাজধানী গড়ে তুলতে সকলকে একত্রে কাজ করতে হবে। বহু সেমিনার হয়েছে, কিন্তু এবার ঢাকাকে গড়ে তুলতে হবে। গুলশান, বনানী, বারিধারায় শিক্ষিত সচেতন মানুষের বাস, তাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করে সেটিকে এগিয়ে নিতে হবে। স্কুল পর্যায় থেকেই সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এসময় বলেন, তুরাগ নদী নিয়মিতভাবে দখল হয়ে গেছে। সেখান থেকে নিজেদের সচেতন হতে হবে। বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীকে দখলমুক্ত করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। এই নদীগুলোকে বাঁচাতে পারলেই ঢাকা বাঁচবে।

এখন মির্জা ফখরুল বলেন, ঢাকায় এআই চালিত ট্রাফিক সিগনাল চালুর ফলে সড়কে কিছুটা শৃঙ্খলা এসেছে। কারণ অটোমেটেড ট্রাফিক সিগনালে মামলার ভয়ও রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেলুন বিস্ফোরণে দগ্ধদের চিকিৎসার অগ্রগতি জানতে বার্ন ইউনিটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ পি.এম


সেলুন বিস্ফোরণে দগ্ধদের চিকিৎসার অগ্রগতি জানতে বার্ন ইউনিটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাজধানীর গুলিস্তানের আলু বাজার এলাকায় একটি সেলুনে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের দেখতে আজ সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) তিনি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন নাছির, যুগ্ম পরিচালক ডা. ইকবাল আহমেদ, আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান এবং আহতদের স্বজনরা।

গত ১৪ জুলাই দিবাগত রাত ১টার দিকে গুলিস্তানের ওই সেলুনে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১০ জন অগ্নিদগ্ধ হন। হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাছির উদ্দীন জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে ৩ জনের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে এবং তাদের অবস্থার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিদর্শনকালে আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। এর সঙ্গে তিনি সরকারিভাবে সব ধরনের সহায়তার নিশ্চয়তা প্রদান করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে চার্চে হামলা-ভাঙচুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


ভারতে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে চার্চে হামলা-ভাঙচুর

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সুভাস গ্রামের একটি নির্মাণাধীন চার্চে হামলা এবং ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে জানা যায়, একদল ব্যক্তি ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে চার্চে প্রবেশ করে ক্রস, দরজা ও পিলার ভাঙচুর করে। এছাড়া, তারা খ্রিস্টান পরিবারগুলোকে হুমকি দেয়।

বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫ জুলাই দুপুরে বুড়িবরতলা এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, হামলাকারীরা চার্চের ওপর স্থাপিত তিনটি ক্রস ভেঙে ফেলে এবং নির্মাণাধীন স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা শিউলি ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা খ্রিস্টান পরিবারগুলোর নাম ও ফোন নম্বরের তালিকা দাবি করেছিল। তাদের দাবি ছিল, পানি, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। তাদের দাবির মধ্যে ছিল, হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় চার্চ নির্মাণ অগ্রহণযোগ্য। পাশাপাশি, অর্থের বিনিময়ে ধর্মান্তরের অভিযোগও তোলা হয়।

আরেক বাসিন্দা বর্ণালি ভূঁইয়া হামলাকারীদের একটি বক্তব্য শেয়ার করে বলেন, হামলাকারীরাও দাবি করেছে শাখা-সিঁদুর পরার অধিকার শুধুই হিন্দু নারীদের। তিনি আরও মন্তব্য করেন, “আমরা যদি অর্থের বিনিময়ে ধর্মান্তরিত হতাম, তাহলে আজও ঝুপড়ি ঘরে থাকতে হতো না।” অন্যদিকে, হামলাকারীরা চার্চের ক্রস ভাঙার সময় তাদের অনুরোধ উপেক্ষা করে।

স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা নিজেদের ‘হিন্দু জাগরণ মঞ্চ’-এর কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। তবে সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক তাপস বারিক বলেন, তিনি নিশ্চিত নন তাদের কোনো সদস্য ওই ঘটনায় জড়িত ছিল কি না। কিন্তু তিনি এক্ষেত্রে জোরপূর্বক বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তরের বিরোধিতা করেন।

অন্যদিকে, খ্রিস্টান সংগঠনগুলো ধর্মান্তরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানায়, সম্পত্তি নষ্ট, অনধিকার প্রবেশ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত বর্তমানে চলছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনজনকে আটক করা হলেও পুলিশ এখনও কোনো গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

এদিকে, খ্রিস্টান কল্যাণ সংস্থা বঙ্গীয় খ্রিষ্টীয় পরিষেবা দাবি করেছে, এটি বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হেরোদ মল্লিক জানান, গত দুই সপ্তাহে পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান সহ বিভিন্ন এলাকায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর অন্তত চারটি বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে। সংগঠনটি জানায়, এসব ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%