ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেপাল বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি পুনরায় শুরু করেছে


নেপাল বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি পুনরায় শুরু করেছে

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : দুই মাসের বিরতির পর, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে, আজ শুক্রবার বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি পুনরায় শুরু করেছে নেপাল।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম আজ বাসস‘কে জানান, ‘শুক্রবার ভারতের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে নেপাল।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশে মৌসুমি বিদ্যুৎ রপ্তানির জন্য নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) এবং বাবিউবো ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর পাঁচ বছরের জন্য একটি চুক্তি সই করেছে।

আরও পড়ুন: ৫.২ মাত্রার ভূকম্পে কাঁপল পাকিস্তান ও আফগানিস্তান

এনইএ’র নির্বাহী পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ দ্য কাঠমান্ডু পোস্টকে জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সঞ্চালন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও বিকল্প জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ রপ্তানি অব্যাহত রাখা এবং বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি পুনরায় শুরু করা- দুটিই নেপালের বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি।

তিনি বলেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিকল্প জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহের অনুমোদন দেওয়ার পর এই রপ্তানি পুনরায় শুরু হয়।

এর আগে, গত ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদীতে ভয়াবহ বন্যার ফলে ত্রিশূলী ও চিলিমে জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই দুটি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদন ছিল। কেন্দ্র দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি স্থগিত করা হয়েছিল।

সংশোধিত ব্যবস্থার আওতায় সোলু খোলা ও কাবেলি বি-১ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: চেক প্রজাতন্ত্রে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর সই হওয়া চুক্তির অধীনে, নেপাল প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে দৈনিক ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।

বর্ষা মৌসুমে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পর উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানি করে নেপাল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান চিফ হুইপের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান চিফ হুইপের

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের জন্য কোনো করুণা বা অনুদানের প্রয়োজন নেই। আমাদের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রাপ্য বৈশ্বিক জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

আজ রোববার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ‘আজকের প্রজন্ম ফোরাম’ (এপিএফ) আয়োজিত এবং ‘ইয়ং ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক’ এর সহযোগিতায় ‘বাংলাদেশ অ্যাট কপ-৩১: ফ্রম ন্যাশনাল প্রায়োরিটিজ টু গ্লোবাল ক্লাইমেট অ্যাকশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, ‘বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান মাত্র শূণ্য দশমিক ৪৭ শতাংশ হলেও, প্রায় ২০ কোটি মানুষের এই দেশটি আজ জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে মারাত্মক ক্ষতির শিকার হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে বরগুনা ও খুলনায়, নদীর পানিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সুপেয় পানির তীব্র সংকট তৈরি করছে। এতে মৎস্য ও কৃষিসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতি বছর বন্যায় সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি, ধান, গবাদিপশু ও ভিটেমাটি পানিতে ভেসে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ কখনো বিশ্বে সংঘাত সৃষ্টি করেনি বা অস্ত্র তৈরি করেনি। অথচ উন্নত দেশগুলোর ঐতিহাসিক কার্বন নিঃসরণের মাশুল আমাদের সাধারণ জনগণকে দিতে হচ্ছে। জলবায়ু তহবিলের অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অহেতুক জটিলতা থাকা উচিত নয়। বরং অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানো জরুরি।’

আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের জলবায়ু অগ্রাধিকার ও তরুণদের ঐক্যবদ্ধ দাবি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, ইউনেস্কো বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. সুসান ভাইজ, ইউএনডিপি বাংলাদেশের রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালী দয়ারত্নেসহ আয়োজক সংগঠনের প্রতিনিধি, যুব প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবপাচার সন্দেহে কবিরসহ ২ আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ এম


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানবপাচার সন্দেহে কবিরসহ ২ আটক

আন্দামান সাগরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় দুই শতাধিক বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তদন্তের জন্য মানবপাচার চক্রের দুই সন্দেহভাজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. কবির, যিনি ডা. কবির নামেও পরিচিত (৬৫), এবং মো. ইলিয়াস, যিনি ইলিয়াস মেম্বার নামে পরিচিত (৪২) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। উভয়েই টেকনাফের লেদা এলাকার ২৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্প এলাকায় বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিলে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে ডুবে যাওয়া নৌযানের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই এখনও উদ্ধার হয়নি।

গত ৭ মে কালের কণ্ঠে ‘মাছ শিকারিরাই মানুষ শিকারে’ শিরোনামে একটি বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী চক্রের হোতাদের ধরতে তৎপর হয়ে ওঠে।

কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে টেকনাফকেন্দ্রিক মানবপাচার চক্রের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল আন্দামান সাগরে ডুবে যাওয়া নৌযানের সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কবিরসহ অনেকে জড়িত ছিল।

১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে মানবপাচারের একাধিক মামলার আসামি কবির ও ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করা হয়। কবির ট্রলারডুবির ঘটনায় দায়ের করা মামলার পলাতক আসামি।

অভিযানে অংশগ্রহণকারী বাহিনীর মধ্যে জেলা পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড, এসআরবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং ব্যাটালিয়ন আনসার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

১৬ এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, চলতি বছরের এপ্রিলে উন্নত জীবনের আশায় বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের একটি নৌযানে করে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল। পরে নৌযানটি আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে ডুবে যায়। এ সময় কয়েকজন যাত্রী ড্রাম ও কাঠের টুকরো ধরে সাগরে ভাসতে থাকলে তাদের উদ্ধার করে কোস্টগার্ড।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তির নৌযান পাঠানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়।

একই অভিযানের অংশ হিসেবে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে হত্যা ও অস্ত্র-সংক্রান্ত তিনটি মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আবু তৈয়ব (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি টেকনাফের নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

১৬ এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে একটি মামলায় চার বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের সাজা রয়েছে।

যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারি আদেশ অমান্য, মাদক সেবন, বাবা-মাকে মারধর এবং ক্যাম্পে অবৈধ অনুপ্রবেশের মতো বিভিন্ন অপরাধে ছয়জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২ মিনিটে ডেঙ্গুতে যুবকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ এম


রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২ মিনিটে ডেঙ্গুতে যুবকের মৃত্যু

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত আব্দুল হাসিব (২৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে।

তিনি শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাত ১০টা ৪০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন। হাসপাতালের ভর্তি হওয়ার মাত্র ১২ মিনিট পরেই তার মৃত্যু হয়।

হাসিবের বাসস্থান চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় অবস্থিত।

হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ রোববার সকালে এই মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার রাত ১০টা ২৮ মিনিটে হাসিবকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর ১০টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু ঘটে।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নতুন ৫২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন, এবং ৩০ জন রোগী ছাড়পত্র লাভ করেছেন। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ২০১ জন ডেঙ্গু রোগী রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাহাম আব্দুস সালাম: ‘কেউ মারা গেলে তার বিচার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫০ এম


ফাহাম আব্দুস সালাম: ‘কেউ মারা গেলে তার বিচার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন’

অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফাহাম আব্দুস সালাম মন্তব্য করেছেন, "কেউ মারা গেলে তার বিচার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন।"

তিনি এই মন্তব্যটি রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "একটি ভিডিওতে দেখলাম কয়েকটি ছেলে মিলে মাইক হাতে ক্যানভাসিং করছে— পিরোজপুরের মাটিতে ওরে দাফন হতে দিব না।" অনুমান করা সঠিক নয়, তবে তাদের চেহারা ও পোশাক দেখে মনে হচ্ছে তারা ইসলামিস্ট।

ফাহাম বলেন, "আমি বলছি না দলীয়ভাবে জামায়াতে ইসলামী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কিন্তু অন্ততপক্ষে কিছু জামাতে মুসলমান নিজেরা নিজেরা মিলে যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে— এতটুকু বলা যায়।"

তিনি আরও জানান, "এই বিকার আমরা প্রথম আওয়ামীদের মধ্যে দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আপনাদের কেউ কেউ ঠিক সেই রাস্তাতেই এখন হাটছেন।"

ফাহাম আব্দুস সালাম অনুরোধ করেন, "আল্লাহর ওয়াস্তে এই বিকার থেকে বের হন। অনেক ত্যাগ, অনেক প্রাণের পর আমরা ৫ই অগাস্ট পেয়েছি। এই মাটিতে দম্ভ দেখায়েন না।"

তিনি বলেন, "আজকে আমাদের অবস্থা ভালো আছে। ভালো থাকুন এবং নেক্সট জেনারেশনকে দেখান যে আমরা হানাহানি থেকে বের হতে চাই।"

তিনি উল্লেখ করেন, "আওয়ামীদের কাজ রিপিট করার মধ্যে কোনো বাহাদুরি নাই। তবে আওয়ামীদের কাজ না রিপিট করার মধ্যে বাহাদুরি আছে। তাছাড়া এ সব ইতরামি পলিটিকালিও সুইসাইডাল। মানুষ মোটেও পছন্দ করে না। আপনারাই জনবিচ্ছিন্ন হবেন।"

সবশেষে তিনি পুনরায় বলেন, "কেউ মারা গেলে তার বিচার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%