ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন দায়িত্ব পেলেন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন দায়িত্ব পেলেন

সংবিধান সংশোধনের উদ্দেশ্যে দেশের জাতীয় সংসদে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সোমবার (১৩ জুলাই) চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি সংসদে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত এই বিশেষ কমিটিতে বর্তমানে ১২ জন সদস্য রয়েছেন। কিন্তু বিরোধী দলের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে কমিটিকে ১৭ সদস্যে পুনর্গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

কমিটিতে সরকারি দল বিএনপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যও যুক্ত করা হয়েছে।

বিএনপি দলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ (কক্সবাজার-১), চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি (বরগুনা-২), আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান (ঝিনাইদহ-১), জয়নুল আবেদীন (বরিশাল-৩), প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (চট্টগ্রাম-৫), প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন (নাটোর-১), মাহমুদুল হক রুবেল (শেরপুর-৩) এবং শাকিলা ফারজানা (সংরক্ষিত মহিলা আসন-৮)।

অন্য সদস্যদের মধ্যে আছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালীব রহমান (ভোলা-১), গণঅধিকার পরিষদের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক (পটুয়াখালী-৩) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. অলি উল্লাহ (বরগুনা-১)।

বিলের ওপর আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিরোধী দলের ‘দুই শপথ’ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমান সংসদ বিদ্যমান সংবিধানের ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েছে এবং সংসদের অধিবেশনও সেই সংবিধান অনুযায়ী আহ্বান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, 'যদি কেউ বলে তারা দুইবার শপথ নিয়েছেন, আমরা তেমন কোনো দ্বিতীয় শপথ নিইনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার কোনো সাংবিধানিক বা আইনগত ভিত্তি নেই।'

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের যে রায় এসেছে, সরকার সেটিকে সম্মান করতে চায়। তবে সেই রায় কার্যকর করতে হলে আগে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন।

তিনি জানান, যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ সম্পর্কিত কোনো বিষয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন দেখা দেয় তাহলে তা সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটিতে আলোচনা করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের হু মকি: ইরানের ‘পিক্যাক্স মাউন্টেনে’ হা মলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


ট্রাম্পের হু মকি: ইরানের ‘পিক্যাক্স মাউন্টেনে’ হা মলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (জুলাই) মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘পিক্যাক্স মাউন্টেন’ গুঁড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেছে এবং তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন দেশটিতে কঠোর আঘাত হানা অব্যাহত রাখবে।

তিনি ‘হিউ হিউইট শো’-তে একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমরা পিক্যাক্স মাউন্টেন গুঁড়িয়ে দেব। ইরানিদের প্রস্তুত থাকতে বলুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা (পিক্যাক্স মাউন্টেন) নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সেখানে আমাদের কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। তাদের পারমাণবিক বিষয় নিয়ে কর্মকাণ্ড ভালো নয়। যখনই আমরা এ সম্পর্কে শুনি, আমরা উড়িয়ে দিই। তাই তারা এ নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে না। কিন্তু আমরা সম্ভবত খুব তাড়াতাড়ি পিক্যাক্সে একটি হামলা চালাব।’

পিক্যাক্স মাউন্টেন ইরানের মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত এবং এটি একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত স্থান, যেখানে মাটির গভীরে দুটি সুড়ঙ্গ কমপ্লেক্স রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন অস্ত্রাগারের সবচেয়ে শক্তিশালী বাঙ্কার বাস্টার বোমারও এগুলো নাগালের বাইরে।

এদিকে, সোমবার সকালে ট্রাম্প জানান, দুই পক্ষের মধ্যে আরও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বিনিময়ের পর যুক্তরাষ্ট্র পারস্য উপসাগরে ইরানি জাহাজ চলাচলের ওপর অবরোধ পুনর্বহাল করছে এবং অর্থের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা নিশ্চিত করবে।

তিনি ‘হিউ হিউইট শো’-তে বলেন, ‘আজ রাতে আমরা তাদের ওপর খুব কঠিন আঘাত হানব এবং আগামীকালও কঠিন আঘাত হানব। আর এ ব্যাপারে তাদের কিছুই করার থাকবে না।’

সূত্র: রয়টার্স

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে নামে বন্যার পানি, ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ভেসে উঠছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১২ পি.এম


কক্সবাজারে নামে বন্যার পানি, ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ভেসে উঠছে

নামছে বন্যার পানি, ভেসে উঠছে ধ্বংসের ক্ষতচিহ্ন। টানা নয় দিনের ভারী বর্ষণের পর কক্সবাজারে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে পানি সরে যেতেই সামনে আসছে ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ চিত্র-বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-বেড়িবাঁধ, বিপর্যস্ত কৃষি ও মৎস্য খাত। দুর্যোগের পানি কমলেও এখন বড় চ্যালেঞ্জ বন্যার রেখে যাওয়া ক্ষত সারানো।

কক্সবাজারের রামুর কালাখন্দকার পাড়ার রিকশাচালক মাহমুদুল হকের ঘরে এখনো বন্যার পানি রয়েছে। বৃষ্টি থেমেছে, কিন্তু দুর্ভোগ কাটেনি। কোমরসমান পানি পেরিয়ে তিনি দেখছেন ভেঙে পড়া বসতির ঘেরা-বেড়া এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া সংসারের শেষ সম্বল।

মাহমুদুল হকের দাবি, বন্যার পানিতে আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়সহ প্রয়োজনীয় সবকিছুই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অথচ এখনো মেলেনি কোনো সহায়তা।

গত ৪ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে পাহাড় ধস ও সৃষ্ট বন্যায় কক্সবাজারে ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য নিরূপণ করেছে জেলা প্রশাসন। সেখানে প্রাণহানি, বসতবাড়ি, মৎস্যখাত, কৃষি, সড়ক, বেড়িবাঁধে ভাঙনসহ ব্যাপক ক্ষতির চিত্র উন্মোচিত হয়। এরই মধ্যে সোমবার থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় প্লাবিত এলাকার পানি নামতে শুরু করেছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হান্নান জানান, ৪ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত টানা নয় দিনে কক্সবাজারে ৮২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ৭১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭০টি এবং পাঁচটি পৌরসভার মধ্যে চারটি প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৪৯ শতাংশ এলাকা পানির নিচে চলে গেছে এবং অন্তত আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে পেকুয়া উপজেলার ৯৫ শতাংশ এলাকা পানির নিচে চলে যায়। এরপর মাতামুহুরীতে ৮৫ শতাংশ, চকরিয়ায় ৮০ শতাংশ, কুতুবদিয়ায় ৬৫ শতাংশ এবং মহেশখালীতে ৫০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। অন্যদিকে রামু উপজেলার ৩৫ শতাংশ, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার ২৫ শতাংশ করে এবং ঈদগাঁও উপজেলার ৫ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়ধস ও বন্যাজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ১৫ জন রোহিঙ্গাসহ মোট ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া একজন নিখোঁজ রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে উখিয়ায়। সেখানে পাহাড়ধসে ১৩ জন রোহিঙ্গা নাগরিকসহ মোট ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এরপর চকরিয়ায় ছয়জন নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। কক্সবাজার সদরে তিনজন, পেকুয়া ও রামুতে দুজন করে, এবং মাতামুহুরী, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় একজন করে নিহত হন।

জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্য বলছে, নয় দিনের বৃষ্টি ও বন্যায় কক্সবাজারে মোট ১ হাজার ৬১৩টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পেকুয়ায়। উপজেলাটিতে ৪৫০টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য মিলেছে।

এরপর চকরিয়ায় ৩০০টি, কুতুবদিয়ায় ২৫০টি, মহেশখালীতে ২০০টি এবং মাতামুহুরীতে ১৯০টি, টেকনাফে ১০০টি, উখিয়ায় ৫০টি, ঈদগাঁওয়ে ৩০টি, রামুতে ২৫টি এবং কক্সবাজার সদর উপজেলায় ১৮টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য জানায় জেলা প্রশাসন।

কক্সবাজার জেলা মৎস্য বিভাগের প্রাথমিক হিসাবে, মৎস্য খাতে প্রায় ৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুল হুদা জানান, অতিবৃষ্টিজনিত বন্যায় জেলার ১০ উপজেলার ৬১টি ইউনিয়নের ৩ হাজার ৯১৮টি পুকুর ও ৪৫৩টি চিংড়িঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত জলাশয়গুলোর মোট আয়তন প্রায় ২ হাজার ৪৪০ হেক্টর।

তিনি বলেন, এসব পুকুর ও ঘের থেকে ১ হাজার ৯৭ মেট্রিক টন মাছ, ৩৮৫ মেট্রিক টন চিংড়ি, ৩ কোটি ৫৬ লাখ মাছের পোনা এবং ২ কোটি ২১ লাখ চিংড়ির পোনা নষ্ট হয়েছে। পাশাপাশি ৭৬৮টি পুকুর, ঘের ও খামারের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যায় আউশ ধান, আমনের বীজতলা, পানবরজ ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজিসহ ৪ হাজার ২১১ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উপজেলাভিত্তিক ক্ষতিগ্রস্ত জমির মধ্যে রয়েছে, চকরিয়ায় ১ হাজার ৬৬১ হেক্টর, কুতুবদিয়ায় ১ হাজার ১২০ হেক্টর, পেকুয়ায় ৫০০ হেক্টর, রামুতে ৩৪০ হেক্টর, মহেশখালীতে ২৩৭ হেক্টর, টেকনাফে ১৪০ হেক্টর, কক্সবাজার সদরে ৮৮ হেক্টর, ঈদগাঁওয়ে ৭৫ হেক্টর এবং উখিয়ায় ৫০ হেক্টর।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলার নয় উপজেলায় মোট ৪৩ হাজার ২১০ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে চকরিয়ায় ১৩ হাজার ৮৫২ জন, পেকুয়ায় ৭ হাজার ২০ জন, কুতুবদিয়ায় ৬ হাজার ৪১৫ জন, রামুতে ৪ হাজার ৮৭৫ জন, মহেশখালীতে ৪ হাজার ৩২০ জন, টেকনাফে ৩ হাজার ১২০ জন, ঈদগাঁওয়ে ১ হাজার ৩০৪ জন, কক্সবাজার সদরে ১ হাজার ১৬৬ জন এবং উখিয়ায় ১ হাজার ১৩৮ জন কৃষক রয়েছেন।

কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামানিক বলেন, এটি প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাব। বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে গেলে মাঠপর্যায়ে যাচাইশেষে চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, পানি উন্নয়ন বিভাগ-১-এর আওতাধীন ৩৮০ দশমিক ২৯৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে টানা বৃষ্টিতে বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় ৪৪টি স্থানে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুত্যাখালী পূর্বপাড়া এলাকায় প্রায় ২৫ মিটার বেড়িবাঁধ ও একটি সেতুর অংশ ভেঙে গেছে। বৃষ্টি কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।

জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ভারী বর্ষণ ও বন্যায় কক্সবাজারে মোট ২ হাজার ৪৮ কিলোমিটার সড়ক এবং ৭৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া, মাতামুহুরী ও পেকুয়া উপজেলায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চকরিয়ায় ৩৫০ কিলোমিটার সড়ক এবং ২০টি সেতু-কালভার্ট, মাতামুহুরীতে ১৯০ কিলোমিটার সড়ক ও ২০টি সেতু-কালভার্ট, এবং পেকুয়ায় ২৩০ কিলোমিটার সড়ক ও দুটি সেতু-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজার সদরে ২০ কিলোমিটার, রামুতে ৫০ কিলোমিটার, কুতুবদিয়ায় ৯ কিলোমিটার, উখিয়ায় ৬ কিলোমিটার, টেকনাফে ৫ কিলোমিটার এবং ঈদগাঁওয়ে ৫ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেতু ও কালভার্টের মধ্যে টেকনাফে ১৫টি, উখিয়ায় ১২টি, রামুতে ৫টি, কক্সবাজার সদরে ৪টি, পেকুয়া, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় দুটি করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অপরদিকে টানা নয় দিনের ভারী বর্ষণ ও বন্যায় কক্সবাজারে মোট ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলায়। এই দুই উপজেলায় ১৫টি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্য উপজেলাগুলোতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতির কোনো তথ্য জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক তালিকায় উল্লেখ করা হয়নি।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আঃ মান্নান জানান, ৯ দিনে জেলার ৬১৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১৫৮০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। প্লাবিত এলাকার মানুষদের ৭৭৯০ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৯৮ মেট্টিক টন চাল ত্রাণ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রাণের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনই হবে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামত, কৃষকের ফসল, গবাদিপশু ও মৎস্য খাতের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে সরকার।

সোমবার রাতে কক্সবাজারে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি এখন থেকেই পুনর্বাসনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কাজ চলমান রয়েছে।

সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অভিযোগ করেন, স্লুইস গেটগুলো যথাযথভাবে পরিচালিত না হওয়ায় বন্যার ক্ষয়ক্ষতি বেড়েছে। এ বিষয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি পাহাড়ধস রোধে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর, বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্ষা মৌসুম এখনো প্রায় দেড় মাস বাকি থাকায় আবারও দুর্যোগের আশঙ্কা রয়েছে। তাই সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে আগাম প্রস্তুতি এবং দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোকে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করছে। তবে আরও ভালো সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে একই এলাকায় একাধিকবার সহায়তা পৌঁছানো কমবে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্তরাও দ্রুত সহায়তা পাবেন। বিশেষ করে চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে সমন্বয় আরও জোরদারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো-কোনো ক্ষুধার্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ যেন ত্রাণ সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন। একই সাথে প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ যাতে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, সে জন্য সরকার সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

ত্রাণ বিতরণে বৈষম্যের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেসব এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো সেখানে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছানো সম্ভব হলেও বিচ্ছিন্ন ও দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে বেশি সময় লাগছে। সাতকানিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় সেনাবাহিনীর স্পিডবোট ব্যবহার করেও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে।

জিলা প্রশাসনের সীমিত নৌযানের কারণে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থার সম্পদ সমন্বয়ের মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। সরকার দ্রুততম সময়ে সব ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। তবে ভৌগোলিক ও লজিস্টিক সীমাবদ্ধতার কারণে সব এলাকায় একই সময়ে সহায়তা পৌঁছানো সবসময় সম্ভব হয় না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় একাকিত্বে ভুগছেন ? ভয় কাটানোর উপায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৮ পি.এম


বিদেশে উচ্চশিক্ষায় একাকিত্বে ভুগছেন ? ভয় কাটানোর উপায়

বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ অনেকের স্বপ্ন হয়ে থাকে। নতুন দেশ, নতুন পরিবেশ এবং নতুন সম্ভাবনাগুলির দিকে শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করে। কিন্তু এই আনন্দের পাশাপাশি, অনেকেই একাকিত্ব, ঘরছাড়া কষ্ট এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে এক অজানা ভয় ভোগেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক মানসিক অভিজ্ঞতা এবং সঠিকভাবে সামলাতে পারলে ধীরে ধীরে এই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব।

বিদেশে যাওয়ার পর পরিচিত মানুষ, পরিবার, ভাষা ও দৈনন্দিন পরিবেশ থেকে দূরে থাকার কারণে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি অনেকের মনে তৈরি হয়ে যায়। অসুস্থ হলে কী হবে, মন খারাপ হলে কার সঙ্গে কথা বলবেন, অথবা প্রয়োজনের সময়ে পাশে কে থাকবে—এমন নানা প্রশ্ন একাকিত্বের অনুভূতি আরও বাড়াতে পারে।

অনেক সময় হঠাৎ করে মায়ের রান্নার গন্ধ, সন্ধ্যার পরিচিত পরিবেশ বা নিজের বাড়ির নানা স্মৃতি মনে পড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, এগুলো দুর্বলতার লক্ষণ নয়; বরং নিজের শেকড়ের প্রতি স্বাভাবিক দৃঢ় টান। তবে যখন এই স্মৃতি বর্তমানের একাকিত্বের সঙ্গে তুলনা করা শুরু হয়, তখন মানসিক চাপও বেড়ে যেতে পারে।

এছাড়া, এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়ার ফলে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসে। একই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও পরিবহন ব্যবস্থা, আবহাওয়া, বাজার এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে পার্থক্য থাকতে পারে। এসব নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে অনেকের জন্য শুরুতে অস্বস্তি সৃষ্টি হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাইরের দৃষ্টিতে অনেককে আত্মবিশ্বাসী মনে হলেও বাস্তবে বিদেশে থাকা অনেক শিক্ষার্থী একই ধরনের একাকিত্ব অনুভব করেন। কিন্তু বিষয়টি সকলের দ্বারা প্রকাশিত না হওয়ায় অনেকের মনে হয় যে, শুধু তিনিই এই সমস্যায় ভোগছেন। অথচ এই অভিজ্ঞতা বিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই সাধারণ।

এমন পরিস্থিতিতে ভয়কে অস্বীকার না করে সেটিকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিজের কাছে প্রশ্ন করা দরকার—আপনি আসলে কী বেশি অনুভব করছেন? পরিবারের অভাব, পরিচিত পরিবেশের অভাব, অথবা ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা? কারণ সমস্যাটি বুঝতে পারলে সহজেই তার সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যায়।

মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে বিদেশে নিজের জন্য নতুন একটি দৈনন্দিন অভ্যাস তৈরি করার বরাত দেওয়া হয়েছে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা। নিয়মিত হাঁটা, নিজের পছন্দের খাবার রান্না করা, নির্দিষ্ট সময়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলা এবং নিজের সংস্কৃতির সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখাও মানসিক স্থিরতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। তবে অতীতের স্মৃতিতে ডুবে না থেকে নতুন পরিবেশের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে চলা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একা থাকা মানে একা হয়ে যাওয়া নয় বরং এই সময়টি নিজেকে নতুনভাবে জানার এবং মানসিকভাবে আরও শক্ত হওয়ার সুযোগ। ভয়, ঘরছাড়া কষ্ট বা মন খারাপ—এসব অনুভূতি বিদেশে উচ্চশিক্ষার পথে অস্বাভাবিক নয়। ধীরে ধীরে এই অভিজ্ঞতাই মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।

তাদের মতে, বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিষয়টি শুধুমাত্র একটি ডিগ্রি অর্জনের বিষয় নয়; এটি মানসিকভাবে পরিণত হওয়ার একটি দীর্ঘ যাত্রা। তাই শুরুতে একাকিত্ব বা ভয় অনুভব করলে সেটিকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিয়ে ধীরে ধীরে নতুন পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হা ম লা যুক্তরাষ্ট্রের নৌঘাঁটিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৩ পি.এম


ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হা ম লা যুক্তরাষ্ট্রের নৌঘাঁটিতে

বাহরাইনে নোঙর করা যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চম নৌবহর লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও আত্মঘাতী ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই খবর জানায়।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রকাশিত এক সামরিক বিবৃতিতে বাহিনীটি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলার জবাব দিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ইরানের মতে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে বাহরাইনের মার্কিন নৌঘাঁটির প্রধান জ্বালানি সংরক্ষণাগারে বড় ধরনের আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, হামলায় একটি আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার, নৌঘাঁটির প্রধান আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ রাডার এবং রকেট প্রতিরোধী সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে।

এছাড়া মার্কিন নৌবাহিনীর চালকবিহীন যুদ্ধজাহাজ নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ কেন্দ্রও এই হামলায় ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান।

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান এখনো চলমান রয়েছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী তারা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তবে এই দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোন আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%