০৬:০৭ পি.এম
নন্দিত লেখক হুমায়ূন আহমেদ বৃষ্টি এবং সবুজ প্রকৃতি খুবই ভালোবাসতেন। এই কারণে, তার বিয়োগ দিবসে অমর কানন নূহাশ পল্লীতে রোববার (১৯ জুলাই) সকাল থেকে শুরু হওয়া গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হুমায়ূন আহমেদের ভক্তরা সমবেত হন। হলুদ পাঞ্জাবি পরা হিমু পরিবারের সদস্যরা সেখানে এসে উপস্থিত হন। সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষজন কবৃতে ফুল দিয়ে তাদের গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে নুহাশ পল্লীতে কোরআন খানি, দোয়া, মিলাদ এবং এতিমদের খাবার বিতরণসহ নানা আয়োজন করা হয়।
আশেপাশের কয়েকশ’ এতিম শিশু অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। প্রয়াত লেখকের স্ত্রী, মেহের আফরোজ শাওন তার দুই পুত্র সন্তান নিষাদ ও নিনিদকে নিয়ে নুহাশ পল্লীতে সাড়ে ১১টার দিকে হুমায়ূন আহমেদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া, হুমায়ন ভক্তরা হিমু এবং রুপার চরিত্রে সেজে প্রিয় লেখকের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মেহের আফরোজ শাওন বলেন, "হুমায়ূন আহমেদ চলে গেছেন আজ ১৪ বছর। নূহাশ পল্লীর কর্মকর্তা ও আমরাই হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ও মৃত্যুদিন পালন করে থাকি। এর বাইরে সরকার, রাষ্ট্র কারও কাছে কিছু চাওয়ার নেই, আগেও ছিল না।" নুহাশপল্লীতে আগত দর্শনার্থীরা মন্তব্য করেছেন, "হুমায়ূন না থাকলেও তিনি তার অমর সৃষ্টির মাধ্যমে যুগে যুগে বেঁচে থাকবেন।"
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই প্রতিভাবান লেখক হুমায়ূন আহমেদ। তাঁর বাবা ফয়েজুর রহমান এবং মা আয়েশা ফয়েজ। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই, মারণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যান। তবে, বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী হুমায়ূন তার সৃষ্টিশীল কাজের মাধ্যমে এদেশের ভক্ত ও অনুসারীদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন, এটা আশা করেন তার অনুরাগীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন