শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২০ পি.এম
নওগাঁর মান্দায় অটোরিকশায় মাইকিং করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা দেয়ার ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার কাশোপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ মাইকিংয়ের কাজে ব্যবহৃত অটোরিকশাটি জব্দ করেছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন, কাশোপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম শহীদ, যিনি রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের মৃত অব্দুল জলিল প্রামানিকের ছেলে। অপরজন হলেন, মান্দা ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আব্দুল জলিল (৫০), যিনি নবগ্রাম তালবোনার মৃত গামা সরকারের ছেলে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কয়েকজন মাইকিং করে জানান যে শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসবেন। পরে মাইকিংয়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি চলমান ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় এক যুবক মাইক লাগিয়ে প্রকাশ্যে এই প্রচারণা চালাচ্ছে। মাইকিংয়ের সময় দাবি করা হয়, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে আসবেন। এ সময় দলমত নির্বিশেষে তাকে স্বাগত জানানোর আহ্বান জানিয়ে 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোগান দিয়ে মাইকিং শেষ হয়।
মান্দা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আসলে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত দুজন এই ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কোমোর বিরুদ্ধে ৪-১ গোলের বিশাল পরাজয়ের পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ মাইকেল ক্যারিকের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঢেউ উঠেছে। ইউনাইটেডের অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজও ক্যারিকের সমালোচনা করেছেন।
কিছুদিন আগে ক্লাবের ফুটবল পরিচালক জেসন উইলকক্সের দিকে আঙুল তুলেছিলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। এই দুই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইউনাইটেডের প্রাক্তন খেলোয়াড় ওয়েইন রুনি ব্রুনো ও মার্তিনেজকে স্বার্থপর হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি তাদের আচরণকে শিশুদের মতো উল্লেখ করে আয়নায় নিজেদের মুখ দেখার পরামর্শ দিয়েছেন।
‘দ্য ইউনাইটেড স্ট্যান্ড’ পডকাস্টে রুনি বলেন, ‘মার্তিনেজ যখন কথা বলেছিল, তখনই আমি বলেছিলাম, এটি একেবারে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করবে, কারণ এতে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ খারাপ হয়ে যাবে। এখান থেকেই শুরু। এখন ব্রুনোকেও একই কাজ করতে দেখছি, সামনে আরও খেলোয়াড় এমন করবে। এর কারণ হলো, ওই খেলোয়াড়েরা নিজেদের দায়িত্ব নিতে চায় না।’
রুনি ইউনাইটেডের খেলোয়াড়দের স্বার্থপর আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘এই খেলোয়াড়েরা স্বার্থপর। তারা শুধু নিজেদের কথা ভাবে। সতীর্থদের নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই, কোচকে নিয়ে নেই, স্টাফদের নিয়ে নেই, সমর্থকদের নিয়েও নেই। তারা শুধু নিজেদের নিয়েই ভাবে।’
খেলোয়াড়দের নিজেদের দিকে তাকানোর পরামর্শ দিয়ে রুনি বলেন, ‘ব্রুনো যদি আয়না দেখে, মার্তিনেজ যদি আয়নার দিকে তাকায়, দলের সব খেলোয়াড় যদি নিজেদের দিকে তাকায়, তাহলে তারা নিজেদের প্রতিচ্ছবিই দেখতে পাবে। সেই ছবিটা ভালো নয়।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আসাদগেট এলাকায় তিনজন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, যারা দেশীয় অস্ত্র হিসেবে ধারালো চাকু বহন করছিল।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার সময় আসাদগেট এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন: কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার আলতাফের ছেলে আরাফাত (২০), সিলেটের বিশ্বনাথের আলমগীরের ছেলে ফাইমুল হাসান (২২) এবং ভোলার হারুন বেপারীর ছেলে আবির বেপারী শান্ত (২৩)।
মোহাম্মদপুর থানার সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের সময় এসআই হুমায়ুন কবীর, এএসআই কামাল এবং এএসআই ইমদাদ আসাদগেট এলাকায় নিয়মিত হোন্ডা মোবাইল ডিউটি পালন করছিলেন। এ সময় ছিনতাইয়ের প্রস্তুতির সময় ওই তিন যুবককে দুটি ধারালো চাকুসহ গ্রেফতার করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কলেজ গেট এলাকায় ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থানরত এক যুবককে সুইচগিয়ারসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিরপুর রোডের মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের সামনে পাকা রাস্তা থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া যুবকের নাম মো. হাসনাইন (২৬)। তিনি ভোলার বোরহানউদ্দিন থানার দিঘিরপাড় এলাকার নুরনবীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই রানা রায় ও এএসআই মো. সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কলেজ গেট সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের সামনে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় মো. হাসনাইনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে আনুমানিক ১১ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের একটি খোলা সুইচগিয়ার উদ্ধার করা হয়, যা ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাসনাইন স্বীকার করেছেন যে তিনি পথচারীদের কাছ থেকে ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা গ্রামে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক আবু ইউসুফের বিরুদ্ধে। স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে।
অভিযুক্ত আবু ইউসুফ পাবনা সদরের সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর পুত্র। তিনি ওই মহিলা মাদরাসার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। মাদ্রাসাটিতে মোট দেড়শ মেয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে ভাঁড়ারা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে পদ্মা মাঠসংলগ্ন নুরে মদিনা মহিলা কওমি মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। ফজরের আজানের আগে এক ছাত্রী শৌচাগারে যাওয়ার জন্য কক্ষ থেকে বের হয়। এ সময় শিক্ষক ইউসুফ তাকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেছে ওই ছাত্রীর। তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত শিক্ষক পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
ওই ছাত্রীর অভিযোগ, এর আগে তাকে একাধিকবার অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন যে, এ জন্য চেতনানাশক পদার্থ ব্যবহার করা হতো। ঘটনার পর তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো। মাদ্রাসার অন্য কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই ছাত্রী। তিনি জানান, বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হতো। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেছেন ওই ছাত্রী।
এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর এবং আগুন দেয়। এছাড়া অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগে পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগও রয়েছে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সাহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ