বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:১২ এম
ভালো জীবনের আশায় ইতালি পাড়ি দেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ছয় তরুণ। অথচ সেই স্বপ্ন বর্তমানে পরিণত হয়ে গেছে দুঃস্বপ্নে। অবৈধ পথে লিবিয়ায় যাওয়ার পর প্রায় আট মাস ধরে তাঁরা মানব পাচারকারী চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে রয়েছেন। মুক্তিপণের টাকা আদায়ে তাঁদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এই নির্যাতনের ভিডিও ও ছবি ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ভিডিও কলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে জনপ্রতি ২৭ লাখ টাকা দাবি করছে চক্রটি।
জিম্মি হওয়া তরুণদের মধ্যে রয়েছেন- খিলা ইউনিয়নের দিশাবন্দ গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২০), মাহবুবুর রহমানের ছেলে মানিকুল ইসলাম (২০), হারুনুর রশিদের ছেলে মো. সোহেল (২৭), ছবু মিয়ার ছেলে তাজ মোহাম্মদ (২৫), সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ফয়সাল (২০) এবং লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নের বেতিয়াপাড়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে মেহেদী হাসান (২১)।
শাহাদাত হোসেন খিলা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারুনুর রশিদের ভাগনে। অপরদিকে মেহেদী হাসান তার শ্যালক। হারুনুর রশিদ জানান, প্রতিদিনই জিম্মি হওয়া ছয় তরুণের ওপর নিয়মিত শারীরিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। সেই ভয়াবহ দৃশ্য ভিডিও করে তাদের স্বজনদের কাছে পাঠানো হচ্ছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, প্রত্যেকের জন্য ২৭ লাখ টাকা দিলে তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানো যাবে। অন্যথায় তাদেরকে হত্যা করে মরদেহ সমুদ্রে ফেলে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সপ্তাহখানেক আগে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত তাঁদের কাছে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপের খবর আসেনি।
পরিবারগুলোর মতে, কেউ আট মাস আগে, আবার কেউ ৯ মাস আগে স্থানীয় দালালের মাধ্যমে ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে তাঁদের ইতালিতে পাঠানোর কথা ছিল। এজন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। কিন্তু তারা প্রায় ২০ দিন আগে মাফিয়া চক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা ধারণা করছেন, দালালদের যোগসাজশেই এই ঘটনা ঘটেছে।
স্বজনদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন লিবিয়ার বিভিন্ন স্থানে আটকে রাখার পর সম্প্রতি ছয় তরুণকে আরেকটি মানব পাচারকারী চক্রের কাছে তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তাদের ওপর শুরু হয় অমানবিক নির্যাতন। মুক্তিপণের টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন তাঁদের নির্যাতনের ভিডিও এবং ছবি পরিবারের কাছে পাঠানো হচ্ছে। কখনো ভিডিও কল চালু রেখে স্বজনদের সামনে তাঁদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা দেখানো হচ্ছে।
হারুনুর রশিদ বলেন, ছয় পরিবারের কেউ নতুন করে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ জোগাড় করার সামর্থ্য রাখে না। আগেই ঋণ, ধারদেনা ও জমিজমা বিক্রি করে দালালদের টাকা দেওয়া হয়েছিল। এখন তারা চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
মানিকুল ইসলামের বাবা মাহবুবুর রহমান অভিযোগ করে জানান, গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে মানিক ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে তার ভাই সামছুল আলমের মাধ্যমে প্রায় ৯ মাস আগে ২০ লাখ টাকা নেন। একই গ্রামের মানুষ হওয়ায় তারা বিশ্বাস করেছিলেন। কিন্তু এরপর তাকে লিবিয়ায় নিয়ে মাফিয়াদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন ছেলের নির্যাতনের ভিডিও দেখে পরিবারের সদস্যরা ভেঙে পড়ছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মানিক বর্তমানে লিবিয়ায় অবস্থান করছেন। দেশে তার হয়ে বিদেশে লোক পাঠানোর কার্যক্রম পরিচালনা করেন তার ভাই সামছুল আলম।
এদিকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর সামছুল আলমসহ অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
মেহেদী হাসানের বাবা শাহ আলম জানান, ১৮ লাখ টাকা খরচ করে ছেলেকে ইতালি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। সব লেনদেন ছিল সামছুল আলমের মাধ্যমে। এখন মুক্তিপণের দাবিতে তার ছেলেকে উলঙ্গ করে নির্যাতন করা হচ্ছে। পরিবারের সুখের আশায় বিদেশে পাঠানো ছেলেকে এভাবে নির্যাতিত হতে হবে, তা কখনো তিনি ভাবেননি।
মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহমেদ জানান, বিষয়টি তিনি বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জেনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারীদের জীবনে একটি স্বাভাবিক জৈবিক পরিবর্তনের নাম হলো মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া। সাধারণত এটি ৫০ থেকে ৫২ বছর বয়সের মধ্যে ঘটে। তবে এর আগে কয়েক বছর ধরে শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব পরিবর্তন সম্পর্কে আগে থেকেই জানলে এই সময়টিকে অনেক সহজভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হতে পারে।
এই পরিবর্তনটি কীভাবে শুরু হয়?
মাসিক হঠাৎ করে বন্ধ হয় না। মাসিক বন্ধ হওয়ার পূর্বে বেশ কয়েক বছর ধরে শরীরে হরমোনের পরিবর্তন শুরু হয়। এ সময় মাসিক অনিয়মিত হতে পারে। কখনও বেশি, কখনও কম রক্তপাত হতে পারে। এই সময়টিকে মাসিক বন্ধের আগের ধাপ বলা হয়ে থাকে।
যখন টানা ১২ মাস মাসিক না হলে সেটিকে স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ হওয়ার পর্যায় হিসেবে ধরা হয়। এর পরে শুরু হয় পরবর্তী জীবন পর্ব।
যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে
এই সময় বিভিন্ন নারীর অভিজ্ঞতা একেকরকম হয়ে দেখা দিতে পারে। অনেকের উপসর্গ খুব কম থাকে, আবার কারও ক্ষেত্রে তা বেশ তীব্র হতে পারে।
সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে—
এছাড়াও মানসিক পরিবর্তনের মধ্যেও থাকতে পারে—
কেন এই পরিবর্তন ঘটে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে নারী হরমোনের মাত্রা কমতে থাকে। এর ফলে ডিম্বাশয় ধীরে ধীরে ডিম্বাণু তৈরি বন্ধ করে দেয়, ফলে মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
তবে কিছু ক্ষেত্রে ক্যানসারের চিকিৎসা, ডিম্বাশয় অপসারণের অস্ত্রোপচার, বিকিরণ চিকিৎসা অথবা অন্য কোনো চিকিৎসাজনিত কারণে স্বাভাবিক সময়ের আগে মাসিক বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়?
যদি মাসিক অনিয়মিত হওয়ার পাশাপাশি এসব লক্ষণ দেখা দেয় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা করে হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। একইসাথে একই ধরনের উপসর্গের অন্য কোনো কারণ আছে কি না তাও পরীক্ষা করা হতে পারে।
উপসর্গ কমানোর জন্য কী করবেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, উপসর্গের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রয়োজনে হরমোনভিত্তিক চিকিৎসা, কিছু ওষুধ, শুষ্কতা কমানোর জন্য বিশেষ ময়েশ্চারাইজার অথবা সহবাসের সময় ব্যবহারের জন্য পিচ্ছিলকারী ব্যবহার করা হতে পারে।
তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ অথবা হরমোন গ্রহন পরামর্শ দেওয়া হয় না।
জীবনযাপনে যেসব পরিবর্তন উপকারী
এই সময় কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করার মাধ্যমে উপসর্গ অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাসিক বন্ধ হওয়া কোন রোগ নয়, বরং জীবনের একটি স্বাভাবিক পরিবর্তন। তবে উপসর্গ তীব্র হলে অথবা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সঠিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এর মাধ্যমে এই সময়টিও স্বাভাবিক এবং স্বস্তিতে কাটানো সম্ভব।
সূত্র: হেলথ লাইন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি তুচ্ছ ঘটনার পর প্রাইভেটকার চালকের মারধরের ফলে রফিকুল নামে একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকের মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রাইভেটকার চালক নাদিমকে পুলিশ আটক করেছে।
২০২৩ সালের ২২ জুলাই বুধবার রাতে, রাত এগারোটায়, সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জপুল এলাকায় রায়হান সিএনজি পাম্পের ভেতরে এই ঘটনার সুত্রপাত হয়।
নিহত অটোরিকশা চালক রফিকুল পটুয়াখালী জেলার ঘেরাখালী গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, সিএনজি পাম্পের ভেতরে প্রাইভেটকার ঢোকার সময় একটি অটোরিকশার সঙ্গে ধাক্কা লেগে। এর ফলে দুই যানবাহনের চালকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে রফিককে মারধর করে প্রাইভেটকার চালক নাদিম। এই মারধরের পর রফিক গুরুতর আহত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে শহরের খানপুর ৩শ’ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসক রফিককে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সাহায্যে অভিযুক্ত প্রাইভেটকার চালক নাদিমকে আটক করে। পরে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, অভিযুক্ত প্রাইভেটকার চালককে আটক করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ভাইস অ্যাডমিরাল র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তাকে এই র্যাংক ব্যাজ পরানো হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এই তথ্য জানিয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
এর আগে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এম জে আরিফ বেগের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছিল যে, রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ২০২৯ সালের ২২ জুলাই পর্যন্ত মোট তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরব একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা উপসাগরীয় দেশটির জন্য একটি বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির ভিত্তি স্থাপনের সুযোগ প্রদান করে। এই খবরটি বিবিসির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগ চুক্তিটি শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, এই চুক্তির ফলে সৌদি আরবের পারমাণবিক জ্বালানি কর্মসূচিতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য বিশাল সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
অতিরিক্তভাবে, জ্বালানি বিভাগ জানাচ্ছে, সহযোগিতা চুক্তির পাশাপাশি একটি দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, এই দুটি চুক্তি একসঙ্গে কয়েক দশকব্যাপী বহু বিলিয়ন ডলারের অংশীদারিত্বের আইনি ভিত্তি তৈরি করছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ করার পাশাপাশি একাধিক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
সৌদি সরকারও এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, এই চুক্তিটি দুই দেশের জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতার সম্প্রসারণ ঘটাচ্ছে। তারা বলেন, গত বছরের নভেম্বরে সৌদি যুবরাজের ওয়াশিংটন সফরের পরই এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ভবিষ্যতে এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে। সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হলেও তা পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে।
চুক্তির ঘোষণা এমন সময় জারি হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সংঘাত আরো তীব্র হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র সৌদি আরবে একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, যেগুলো ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর উপরে, দুই দিন আগে ইয়েমেনভিত্তিক ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ