শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪২ পি.এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে নিখোঁজ অপ্রতীমের মরদেহ পশ্চিম সানন্দা এলাকায় ম্যাজিক প্যারাডাইস সংলগ্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের জঙ্গলের মধ্যে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে দেখা যায়, তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী মো. আব্দুল কাদির জিলানী জানান, বাঁশ সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় অপ্রতীমকে দেখতে পান। তিনি বলেন, "আমরা এখানে কাজ করতে এসেছিলাম। কাজের মাঝে আমাদের বাঁশের প্রয়োজন হয়। তখন এই বাঁশ সংগ্রহের জন্য এই দিক দিয়ে গেলে আমার সঙ্গে থাকা ভাতিজা আমাকে বলে- কাকা এখানে একটা বাচ্চা পড়ে আছে। তখন আমি এখানে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পাই। এরপর আমরা ভয়ে কাজ ফেলে চলে যাই।"
তিনি আরও যোগ করেন, "কিছুক্ষণ পর আমরা শুনতে পাই- ম্যাডামের বাচ্চা পাওয়া যাচ্ছে না। তখন আমরা জানাই যে সেখানে একটা বাচ্চা দেখে এসেছি, সে এখনো সেখানেই পড়ে আছে। তখন সবাই আমাকে এখানে নিয়ে আসে। আমরা আনুমানিক বেলা ১১টার দিকে বাচ্চাটিকে দেখতে পাই।"
অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পশ্চিম সানন্দা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং এ ঘটনায় কেউ জড়িত কি না- এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
এর আগে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পেছনে একটি টিলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ জানায়, নিখোঁজ হওয়ার পর অপ্রতীমের মুঠোফোনের সর্বশেষ অবস্থান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন সামাজিক বনায়ন এলাকায় শনাক্ত হয়। ওই অবস্থানের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে শিশুটির মরদেহ দেখতে পায়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
এই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, "এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় অপ্রতীম। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তার মা ড. নাহিদা বেগম ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, "আমার ছেলেকে আমি বিকেল ৩টা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। ওর নাম অপ্রতীম। বয়স ১৩, ক্লাস সেভেনে পড়ে। হারানোর সময় ছবিতে দেওয়া পাঞ্জাবিটি তার পরনে ছিল। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নেই। ফেসবুক আইডি যে ফোনে সেটা বাসায় রেখে গেছে।"
এ ঘটনায় তার বাবা কেএম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।
এদিকে, অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুরে একই সময়ে (মিনিটের ব্যবধানে) দুইটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর মিরপুর-১১ নম্বর ও মিরপুর-১ নম্বরে পৃথকভাবে দুই বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
সবশেষ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মিরপুর-১ নম্বর মোড়ে অভিযাত পরিবহনের একটি বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, আগুন দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।
এ ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাসটির পেছনের দিকে আগুন জ্বলছিল। বাইরে থেকে কিছু লোক পানি ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিল। তবে, ফায়ার সার্ভিসের কাছে এই বাসে আগুন লাগার কোনো তথ্য নেই।
মিরপুর থানার ওসি হাফিজ বলেন, কে বা কারা একটি বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেটি পোড়েনি। এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলছে।
এর আগে মিরপুর-১১ নম্বরে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে মিরপুর-১১ নম্বরের জমজম টাওয়ারের পাশে শিকড় পরিবহনের ওই বাসে আগুন লাগার খবর ফায়ার সার্ভিস পায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আইন ও ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী একটি ডিভোর্সী নারীকে বিয়ে করার কারণে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার রতন সরদারের (৪৫) জন্য কাল একটি কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কোনো অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ার পরও তথাকথিত সালিশ বৈঠকে তাকে সাড়ে ৫ লাখ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মাতব্বররা শুধু জরিমানা করেই থেমে থাকেনি; রামদা, ছেনদা ও লোহার রড হাতে নিয়ে তার বাড়ি ঘেরাও করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার কারণে রাতের আঁধারে নদী পার হয়ে গ্রাম ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন এই ভুক্তভোগী।
এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে জাজিরা উপজেলার মনাই ছৈয়াল কান্দি গ্রামে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রতন সরদারের বন্ধু রুবেল শিকদারের সাথে তার স্ত্রী রুবিনা আক্তারের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর ফলস্বরূপ, ২০২৫ সালের অক্টোবরে রুবেল আনুষ্ঠানিকভাবে তার স্ত্রী রুবিনাকে ডিভোর্স দেন। বিচ্ছেদের প্রায় ১০ মাস পরে রুবিনাকে বিয়ে করেন রতন সরদার। রতনের প্রথম স্ত্রী হোসনে আরা বেগমেরও এই বিয়েতে পূর্ণ সম্মতি ছিল। তবে রুবেল ও এলাকার কিছু প্রভাবশালী মহল এই বৈধ ও আইনি বিয়ে মেনে নিতে পারেনি।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাতব্বররা মনাই ছৈয়াল কান্দি গ্রামে একটি সালিশ বৈঠক (ক্যাঙ্গারু কোর্ট) আয়োজন করে। প্রায় পাঁচশ মানুষের উপস্থিতিতে বিচার বসানো হলেও রতন বা রুবিনার বিরুদ্ধে কোনো পরকীয়া বা অনৈতিক কাজের প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি কেউ। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও জুরি ভোটের অজুহাতে জোরপূর্বক রতনকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং সূর্য ওঠার আগেই গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে একটি 'আপোষনামা' জোর করে তৈরি করা হয়। নথির হিসাব অনুযায়ী, নগদ ১০ হাজার টাকা ও বন্দকি জমির ১ লাখ টাকা কেটে নেওয়ার পরও প্রভাবশালী সমাজপতিরা শান্ত হয়নি। বাকি টাকা আদায়ের জন্য একের পর এক কিস্তির তারিখ বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
অত্যাচারের মাত্রা এখানেই শেষ হয়নি। সালিশের পর রামদা ও লোহার রড নিয়ে রতনের বসতবাড়িতে হামলা ও তাণ্ডব চালানোর চেষ্টা করে প্রভাবশালীরা। উপায় না পেয়ে নিজের জীবন বাঁচাতে রাতের আঁধারে নদী পার হয়ে আত্মগোপনে যান রতন।
রতনের প্রথম স্ত্রী হোসনে আরা বেগম জানান, রতনের সাথে তার সম্মতিতেই এই বিয়ে হয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রী রুবিনা আক্তার বলেন, "আগের স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আইনি উপায়েই বিচ্ছেদ হয়েছিল। কোনো পরকীয়া নয়, পরিবারের সম্মতিতে স্বেচ্ছায় রতনকে বিয়ে করেছি।"
এদিকে সালিশ বৈঠকে জরিমানার বিষয়টি স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সমাজপতিরা। তবে তারা কোন আইনের ভিত্তিতে এমন সিদ্ধান্ত ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়ানো রতন সরদার জাজিরা থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহাম্মদ জানান, "আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা মিললে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর হাজারীবাগের ঝাউচর বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়েছে ১১ বছর বয়সী আবদুল্লাহ।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে আবদুল্লাহ বাসা থেকে বের হওয়ার পর তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
নিখোঁজ আবদুল্লাহর বাবার নাম টিপু এবং মায়ের নাম মিমি। হারিয়ে যাওয়ার সময় তার পরনে ছিল কমলা রঙের গেঞ্জি ও প্যান্ট।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ১৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে ঝাউচর বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে নামাজ পড়তে যাওয়ার কথা বলে আবদুল্লাহ বাসা থেকে বের হয়। এরপর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ হয়নি। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পাওয়ায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
আবদুল্লাহর স্থায়ী ঠিকানা হলো, ভিশন শোরুম বিল্ডিং, ঝাউচর বাজার, হাজারীবাগ, ঢাকা।
কোনো সহৃদয় ব্যক্তি আবদুল্লাহর সন্ধান পেলে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যোগাযোগের নম্বর: ০১৮৮৬৮২০৭৩৩।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের মোট ঋণের পরিমাণ প্রথম প্রান্তিকে রেকর্ড ১৮ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভের তথ্য অনুযায়ী, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে অনেক পরিবার এখন দৈনন্দিন খরচ মেটাতে ক্রেডিট কার্ডের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
মানি ম্যানেজমেন্ট ইন্টারন্যাশনালের টেড রসম্যান মন্তব্য করেন যে, ঋণসংক্রান্ত পরামর্শ নেওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ঋণ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০২১ সালের শুরুতে তুলনা করলে আর্থিক পরামর্শ নেওয়ার সেশনের সংখ্যা ১৪৩ শতাংশ বেড়েছে।
রসম্যানের মতে, এই আর্থিক চাপের প্রধান কারণ হলো প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বৃদ্ধি। তিনি উল্লেখ করেন, মানুষ এখন প্রায় সবকিছুর জন্য আগের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদনের উল্লেখ করে তিনি জানান, ২০১৯ সালের তুলনায় খাদ্যের দাম ৩৩ শতাংশ বেড়েছে।
শুধু খাদ্য নয়, গাড়ি, জ্বালানি, চিকিৎসা, বাসস্থান এবং শিশুদের দেখাশোনার খরচও মহামারির পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে বলে জানান রসম্যান। এর ফলে অনেক পরিবারকে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে হচ্ছে, সঞ্চয় ভাঙতে হচ্ছে এবং কোন বিল আগে পরিশোধ করা হবে, তা নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
তবে ঋণের কারণে অনেকে লজ্জায় সাহায্য চাইতে চান না। রসম্যান বলেন, ক্রেডিট কার্ডের ঋণ নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের সামাজিক সংকোচ কাজ করে। তাঁর প্রতিষ্ঠানের পরামর্শদাতাদের কাছে অনেকেই জানতে চান, তাঁদের আর্থিক পরিস্থিতি কি সবচেয়ে খারাপ উদাহরণ।
রসম্যানের মতে, এই লজ্জা দূরে রাখা উচিত, কারণ একই পরিস্থিতিতে রয়েছেন লাখো মানুষ। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের প্রায় অর্ধেকই প্রতি মাসে পুরো ঋণ পরিশোধ করতে পারেন না এবং এক মাসের ঋণ পরের মাসে বহন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ