রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৮ পি.এম
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের জন্য ১৫ সদস্যের একটি দল ঘোষণা করেছে। এই দলে ভালো পারফর্মেন্সের জন্য ফিরেছেন তাওহীদ হৃদয় এবং জাকির আলি অনিক।
প্রধান নির্বাচক জানিয়েছেন, ‘এ’ দলের পারফর্ম্যান্সের ভিত্তিতে তাওহীদ হৃদয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন। ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় থাকা ক্রিকেটার অনিককে স্কোয়াডে দ্বিতীয় উইকেটকিপার হিসেবে রাখা হয়েছে।
তিনি মন্তব্য করেন, "জাকির আলী অনিক আমাদের প্রিভিয়াস চয়েজ ছিলেন। ফর্মের কারণে বাদ পড়েছিলেন। এরপর তার কাছ থেকে যে আশা করেছিলাম, সেটি তিনি খুব ভালোভাবে পূরণ করেছেন এবং তার ফর্ম ফিরে পেয়েছেন। তাকে দেখে বেশ ভালো মনে হচ্ছে।"
এ বিষয়ে হাবিবুল বাশার বলেন, "নাহিদ রানাকে আমরা বেস্ট পসিবল সুযোগটা দিতে চাই, যাতে তিনি সবগুলো ম্যাচ খেলতে পারেন। তবে তাকে আমরা এই টেস্টে খেলাতে পারছি না। তাসকিন আহমেদকেও আমরা বিশ্রাম দিয়েছি। অবশ্যই তাকেও আমরা প্রায়োরিটাইজ করছি আমাদের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলোর দিকে; তাই চাওয়া হচ্ছে, যেন তাকে ওই ম্যাচগুলোতে পুরোপুরিভাবে পাওয়া যায়।"
অভিজ্ঞতা বাড়ানোর লক্ষ্যে স্কোয়াডে না থাকলেও তরুণ দুই পেসার ইকবাল হোসেন ঈমন ও মুশফিক হাসানকে ট্রাভেলিং রিজার্ভ হিসেবে দলের সঙ্গে রাখা হবে। তাদের সঙ্গে ভ্রমণ করবেন স্পিনার নাইম হাসান।
এর আগে, আফগানদের বিপক্ষে দেশের মাটিতে দুই টেস্ট খেলে বাংলাদেশ একটি ম্যাচে ৫৪৬ রানের বড় জয় পেলেও প্রথমটিতে ২২৪ রানে হেরেছিল। এবার আমিরাতের মাটিতে টেস্ট জিতে ২-১ এগিয়ে যাওয়াটাই টাইগারদের মূল লক্ষ্য।
সাদা পোষাকের ক্রিকেটে বাংলাদেশের টেস্ট দল নিজেদের সেরা সময় পার করছে। প্রথমবারের মতো তারা টেস্ট র্যাংকিংয়ের ৬ নম্বরে অবস্থান করছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের হিসেব করলে পরিসংখ্যান আরও ভালো। টাইগারদের অবস্থান সেরা চারে।
সামনেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বেশ কয়েকটি ম্যাচ অপেক্ষা করছে নাজমুল শন্তর দলের জন্য। মর্যাদার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা উকি দিচ্ছে। ফলে আফগানিস্তান টেস্টটি টাইগারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে আগামী ৯ অক্টোবর শুরু হবে এই টেস্ট।
বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াড: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, জাকির আলী অনিক, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন এবং শরিফুল ইসলাম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয় ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. রাশেদুজ্জামান নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে তার সাত বছর বয়সী শিশুকন্যা রুমাইসা জামানও রয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার হাপানিয়া এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মো. রাশেদুজ্জামান নওগাঁ সওজ অধিদপ্তরের মহাদেবপুর-পত্নীতলা সাব-ডিভিশনে উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি মহাদেবপুর উপজেলায় স্ত্রী ও সন্তানসহ বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে রাশেদুজ্জামান তার স্ত্রী ও কন্যাসন্তানকে নিয়ে নওগাঁ শহর থেকে সিএনজিযোগে মহাদেবপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। হাপানিয়া এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে সিএনজিটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই প্রকৌশলী রাশেদুজ্জামান মারা যান। এ সময় তার সাত বছরের শিশুকন্যা রুমাইসা গুরুতর আহত হয়। সিএনজিতে থাকা অন্যান্য যাত্রীরাও আহত হন।
নওগাঁ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শহর থেকে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। এটি সড়ক বিভাগের জন্য একটি বড় ক্ষতি। দুর্ঘটনায় রাশেদুজ্জামানের স্ত্রী শঙ্কামুক্ত থাকলেও তার ৭ বছরের শিশুকন্যা গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে। চালক ও ঘাতক ট্রাকটি আটকের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশকে ফিল্ডিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর।
বাংলাদেশ কোনো ম্যাচ খেলাই ছাড়াই সেমিফাইনালে পৌঁছেছে। কোয়ার্টার ফাইনাল বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়ে যাওয়ার ফলে চীনের চেয়ে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার কারণে তারা শেষ চারের টিকিট লাভ করেছে।
অন্যদিকে, ভারত কোয়ার্টার ফাইনালে আয়োজক জাপানকে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে সেমিফাইনালে প্রবেশ করে।
পরিসংখ্যানে ভারত যথেষ্ট এগিয়ে রয়েছে। দুই দলের টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ে ভারতের আধিপত্য দীর্ঘকাল ধরে রয়েছে। বাংলাদেশকে মোকাবেলা করে ২৫ ম্যাচের মধ্যে ২২টিতে জয়লাভ করেছে ভারত। সর্বশেষ ২০২৩ সালে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছিল ভারত।
আজকের সেমিফাইনাল বাংলাদেশের জন্য প্রতিশোধের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে পরাজিত হয়ে বিদায় নিয়েছিল জ্যোতিরা। ভারত ১৪৯ রান করার পর বাংলাদেশ ১০৯ রানে অলআউট হয়। ভারতের বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচের আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় রয়েছে।
ভারত একাদশ: স্মৃতি মান্ধানা, শেফালি ভার্মা, ভারতী ফুলমালি, হারমানপ্রীত কৌর (অধিনায়ক), রিচা ঘোষ (উইকেটকিপার), গুনালান কামালিনি, দীপ্তি শর্মা, শ্রেয়াঙ্কা পাতিল, শ্রী চরানি, নন্দনী শর্মা, ক্রান্তি গৌড়
বাংলাদেশ একাদশ: দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, সোবহানা মোস্তারি, নিগার সুলতানা (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), স্বর্না আক্তার, শারমিন আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খান, নাহিদা আক্তার, মারুফা আক্তার, সুলতানা খাতুন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে আগুন আতঙ্কের কারণে শতশত রোগী বেরিয়ে আসেন। দৌড়ানোর সময় বেশ কয়েকজন আহত হন।
এটি ঘটেছিল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায়।
সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের অক্সিজেন প্লান্টে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্বিতীয় তলার হাম ওয়ার্ডের সামনে একটি পয়েন্ট থেকে উচ্চ শব্দে অক্সিজেন নির্গত হতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে আগুন লাগার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। ফলে হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা হুড়াহুড়ি করে নেমে হাসপাতালের বাইরের রাস্তায় চলে যান।
অক্সিজেন প্লান্টের বিআইই ট্যাংক অপারেটর রিপন চৌধুরী জানান, ট্যাংকের ভেতরে অক্সিজেনের চাপ বেশি হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সেফটি রিলিজ ভালভ দিয়ে অতিরিক্ত চাপ বের হয়ে যায়। এ সময় শব্দ হতে পারে। অক্সিজেন স্বাভাবিক চাপে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটি অক্সিজেন প্লান্ট চালুর পর থেকেই হয়ে আসছে এবং এতে আতংকিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালি জানান, বিকট শব্দ শোনার পর গুজবের কারণে রোগী ও স্বজনেরা আতংকিত হয়ে ওয়ার্ড থেকে নিচে নেমে যান। হাসপাতালে আগুন লাগার কোনও ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় কেউ আহতও হননি। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। রোগীরাও নিজ নিজ ওয়ার্ডে ফিরে গেছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক ফারুক আহমদ জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে আগুন লাগার কোনও ঘটনা পাওয়া যায়নি। অক্সিজেন প্লান্টও অস্বাভাবিক ছিল। গুজব থেকেই রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগী ও স্বজনদের আতংকিত না হয়ে শান্ত থাকার এবং কোনও গুজবে কান না দিয়ে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে মূল্যচাপ কমার প্রবণতা কয়েক মাসের উচ্চ মূল্যস্ফীতির পর অব্যাহত রয়েছে। আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও ৭ শতাংশের ঘরে নেমে আসায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্যচাপ কমার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে তা কমেছে শূন্য দশমিক ০৬ শতাংশীয় পয়েন্ট। জুন মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। ফলে মে মাসের তুলনায় তিন মাসে মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ১৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে।
সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। ডিসেম্বরে তা বেড়ে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে পৌঁছায়।
ফেব্রুয়ারিতে তা আরও বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছালেও মার্চে কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ হয়। এপ্রিলে আবার বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে ওঠে। এরপর জুনে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ, জুলাইয়ে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং সর্বশেষ আগস্টে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে।
অর্থাৎ মে মাসে মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে ওঠার পর পরবর্তী তিন মাসে তা ১ দশমিক ১৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে। জুলাই ও আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি কমার ধারাও অব্যাহত রয়েছে।
মূল্যস্ফীতি কমার ক্ষেত্রে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার গতি কমে আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আগস্ট মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০২ শতাংশে নেমেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত বছরের আগস্টে এ হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি টানা দ্বিতীয় মাসে কমার পাশাপাশি গত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও নিচে রয়েছে।
গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি কমেছে। গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ের ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে কমে আগস্টে ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং শহরে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ হয়েছে।
বাজারে পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন নীতিগত উদ্যোগও মূল্যচাপ কমাতে সহায়ক হচ্ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানো হয়েছে। একইসঙ্গে কম আয়ের মানুষের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএস সম্প্রসারণ করা হয়েছে। নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে টিসিবির কার্যক্রমও জোরদার করা হচ্ছে।
তুলনামূলক কম দামে আমদানি করা কিছু নিত্যপণ্য ভর্তুকি ছাড়াই বাজারে বিক্রির নতুন উদ্যোগও নিচ্ছে টিসিবি। এসব পদক্ষেপের পাশাপাশি বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে মূল্যস্ফীতির নিম্নমুখী ধারা আরও জোরদার হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে আসা সেই লক্ষ্যের দিকে অগ্রগতির একটি ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে মূল্যস্ফীতি কমার অর্থ পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়; বরং আগের তুলনায় দাম বাড়ার গতি কমেছে। তাই সাম্প্রতিক নিম্নমুখী প্রবণতা ধরে রেখে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে মূল্যচাপ আরও কমানোই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
কয়েক মাসের উচ্চ মূল্যস্ফীতির পর টানা তিন মাসে হার কমে আগস্টে গত ১০ মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসা অর্থনীতিতে মূল্যচাপ প্রশমনের একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের ঘরে নেমে আসার এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় মূল্যস্ফীতির চাপ আরও কমে আসবে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ