রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৮ পি.এম
নওগাঁয় ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. রাশেদুজ্জামান নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে তার সাত বছর বয়সী শিশুকন্যা রুমাইসা জামানও রয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার হাপানিয়া এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মো. রাশেদুজ্জামান নওগাঁ সওজ অধিদপ্তরের মহাদেবপুর-পত্নীতলা সাব-ডিভিশনে উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি মহাদেবপুর উপজেলায় স্ত্রী ও সন্তানসহ বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে রাশেদুজ্জামান তার স্ত্রী ও কন্যাসন্তানকে নিয়ে নওগাঁ শহর থেকে সিএনজিযোগে মহাদেবপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। হাপানিয়া এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে সিএনজিটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই প্রকৌশলী রাশেদুজ্জামান মারা যান। এ সময় তার সাত বছরের শিশুকন্যা রুমাইসা গুরুতর আহত হয়। সিএনজিতে থাকা অন্যান্য যাত্রীরাও আহত হন।
নওগাঁ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শহর থেকে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। এটি সড়ক বিভাগের জন্য একটি বড় ক্ষতি। দুর্ঘটনায় রাশেদুজ্জামানের স্ত্রী শঙ্কামুক্ত থাকলেও তার ৭ বছরের শিশুকন্যা গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে। চালক ও ঘাতক ট্রাকটি আটকের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশকে ফিল্ডিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর।
বাংলাদেশ কোনো ম্যাচ খেলাই ছাড়াই সেমিফাইনালে পৌঁছেছে। কোয়ার্টার ফাইনাল বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়ে যাওয়ার ফলে চীনের চেয়ে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার কারণে তারা শেষ চারের টিকিট লাভ করেছে।
অন্যদিকে, ভারত কোয়ার্টার ফাইনালে আয়োজক জাপানকে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে সেমিফাইনালে প্রবেশ করে।
পরিসংখ্যানে ভারত যথেষ্ট এগিয়ে রয়েছে। দুই দলের টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ে ভারতের আধিপত্য দীর্ঘকাল ধরে রয়েছে। বাংলাদেশকে মোকাবেলা করে ২৫ ম্যাচের মধ্যে ২২টিতে জয়লাভ করেছে ভারত। সর্বশেষ ২০২৩ সালে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছিল ভারত।
আজকের সেমিফাইনাল বাংলাদেশের জন্য প্রতিশোধের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে পরাজিত হয়ে বিদায় নিয়েছিল জ্যোতিরা। ভারত ১৪৯ রান করার পর বাংলাদেশ ১০৯ রানে অলআউট হয়। ভারতের বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচের আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় রয়েছে।
ভারত একাদশ: স্মৃতি মান্ধানা, শেফালি ভার্মা, ভারতী ফুলমালি, হারমানপ্রীত কৌর (অধিনায়ক), রিচা ঘোষ (উইকেটকিপার), গুনালান কামালিনি, দীপ্তি শর্মা, শ্রেয়াঙ্কা পাতিল, শ্রী চরানি, নন্দনী শর্মা, ক্রান্তি গৌড়
বাংলাদেশ একাদশ: দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, সোবহানা মোস্তারি, নিগার সুলতানা (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), স্বর্না আক্তার, শারমিন আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খান, নাহিদা আক্তার, মারুফা আক্তার, সুলতানা খাতুন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে আগুন আতঙ্কের কারণে শতশত রোগী বেরিয়ে আসেন। দৌড়ানোর সময় বেশ কয়েকজন আহত হন।
এটি ঘটেছিল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায়।
সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের অক্সিজেন প্লান্টে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্বিতীয় তলার হাম ওয়ার্ডের সামনে একটি পয়েন্ট থেকে উচ্চ শব্দে অক্সিজেন নির্গত হতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে আগুন লাগার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। ফলে হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা হুড়াহুড়ি করে নেমে হাসপাতালের বাইরের রাস্তায় চলে যান।
অক্সিজেন প্লান্টের বিআইই ট্যাংক অপারেটর রিপন চৌধুরী জানান, ট্যাংকের ভেতরে অক্সিজেনের চাপ বেশি হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সেফটি রিলিজ ভালভ দিয়ে অতিরিক্ত চাপ বের হয়ে যায়। এ সময় শব্দ হতে পারে। অক্সিজেন স্বাভাবিক চাপে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটি অক্সিজেন প্লান্ট চালুর পর থেকেই হয়ে আসছে এবং এতে আতংকিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালি জানান, বিকট শব্দ শোনার পর গুজবের কারণে রোগী ও স্বজনেরা আতংকিত হয়ে ওয়ার্ড থেকে নিচে নেমে যান। হাসপাতালে আগুন লাগার কোনও ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় কেউ আহতও হননি। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। রোগীরাও নিজ নিজ ওয়ার্ডে ফিরে গেছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক ফারুক আহমদ জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে আগুন লাগার কোনও ঘটনা পাওয়া যায়নি। অক্সিজেন প্লান্টও অস্বাভাবিক ছিল। গুজব থেকেই রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগী ও স্বজনদের আতংকিত না হয়ে শান্ত থাকার এবং কোনও গুজবে কান না দিয়ে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে মূল্যচাপ কমার প্রবণতা কয়েক মাসের উচ্চ মূল্যস্ফীতির পর অব্যাহত রয়েছে। আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও ৭ শতাংশের ঘরে নেমে আসায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্যচাপ কমার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে তা কমেছে শূন্য দশমিক ০৬ শতাংশীয় পয়েন্ট। জুন মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। ফলে মে মাসের তুলনায় তিন মাসে মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ১৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে।
সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। ডিসেম্বরে তা বেড়ে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে পৌঁছায়।
ফেব্রুয়ারিতে তা আরও বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছালেও মার্চে কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ হয়। এপ্রিলে আবার বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে ওঠে। এরপর জুনে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ, জুলাইয়ে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং সর্বশেষ আগস্টে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে।
অর্থাৎ মে মাসে মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে ওঠার পর পরবর্তী তিন মাসে তা ১ দশমিক ১৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে। জুলাই ও আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি কমার ধারাও অব্যাহত রয়েছে।
মূল্যস্ফীতি কমার ক্ষেত্রে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার গতি কমে আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আগস্ট মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০২ শতাংশে নেমেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত বছরের আগস্টে এ হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি টানা দ্বিতীয় মাসে কমার পাশাপাশি গত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও নিচে রয়েছে।
গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি কমেছে। গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ের ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে কমে আগস্টে ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং শহরে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ হয়েছে।
বাজারে পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন নীতিগত উদ্যোগও মূল্যচাপ কমাতে সহায়ক হচ্ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানো হয়েছে। একইসঙ্গে কম আয়ের মানুষের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএস সম্প্রসারণ করা হয়েছে। নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে টিসিবির কার্যক্রমও জোরদার করা হচ্ছে।
তুলনামূলক কম দামে আমদানি করা কিছু নিত্যপণ্য ভর্তুকি ছাড়াই বাজারে বিক্রির নতুন উদ্যোগও নিচ্ছে টিসিবি। এসব পদক্ষেপের পাশাপাশি বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে মূল্যস্ফীতির নিম্নমুখী ধারা আরও জোরদার হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে আসা সেই লক্ষ্যের দিকে অগ্রগতির একটি ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে মূল্যস্ফীতি কমার অর্থ পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়; বরং আগের তুলনায় দাম বাড়ার গতি কমেছে। তাই সাম্প্রতিক নিম্নমুখী প্রবণতা ধরে রেখে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে মূল্যচাপ আরও কমানোই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
কয়েক মাসের উচ্চ মূল্যস্ফীতির পর টানা তিন মাসে হার কমে আগস্টে গত ১০ মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসা অর্থনীতিতে মূল্যচাপ প্রশমনের একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের ঘরে নেমে আসার এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় মূল্যস্ফীতির চাপ আরও কমে আসবে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানের রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় প্রায় ২ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রোয়াংছড়ি উপজেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ভবন এবং খামতাং পাড়ায় কমিউনিটি সেন্টারের উদ্বোধন করেন বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং।
একই দিনে দুপুরে রুমা উপজেলায় বম নারী সংগঠনের (বিএনএম) অফিসঘর ও ছাত্রীনিবাস ভবনের উদ্বোধন করেন তিনি। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। অন্যদিকে, রুমা বাজার সংলগ্ন মারমা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন মাঠে পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্র্বতীকালীন চেয়ারম্যান ও সদস্যদের গণ সংবর্ধনা প্রদান করে রুমা উপজেলা বিএনপি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও গণ সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন বান্দবান জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ জাবেদ রেজা, জেলা পরিষদের সদস্য চনুমং মারমা, লুসাইমং মারমা, মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন তুষার, মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, উম্যাসিং মারমা, রোয়াংছড়ি উপজেলার কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অংশৈমং মারমা, সাধারণ সম্পাদক কমলসহ স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এদিকে গণ সংবর্ধনা সভায় পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং মন্তব্য করেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলার মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদ কাজ করবে। তিনি প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি জনগণের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের প্রয়োজন ও প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
মাম্যাচিং আরও বলেন, বান্দরবানের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্যমান সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সবাইকে নিয়ে জেলার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।
এ ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। পাশাপাশি পার্বত্য জেলার মানুষের উন্নয়ন, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ