ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এশিয়ান গেমস সেমিফাইনালে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ


এশিয়ান গেমস সেমিফাইনালে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে টস জিতে বাংলাদেশকে ফিল্ডিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর।

বাংলাদেশ কোনো ম্যাচ খেলাই ছাড়াই সেমিফাইনালে পৌঁছেছে। কোয়ার্টার ফাইনাল বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়ে যাওয়ার ফলে চীনের চেয়ে র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার কারণে তারা শেষ চারের টিকিট লাভ করেছে।

অন্যদিকে, ভারত কোয়ার্টার ফাইনালে আয়োজক জাপানকে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে সেমিফাইনালে প্রবেশ করে।

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

পরিসংখ্যানে ভারত যথেষ্ট এগিয়ে রয়েছে। দুই দলের টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ে ভারতের আধিপত্য দীর্ঘকাল ধরে রয়েছে। বাংলাদেশকে মোকাবেলা করে ২৫ ম্যাচের মধ্যে ২২টিতে জয়লাভ করেছে ভারত। সর্বশেষ ২০২৩ সালে বাংলাদেশকে পরাজিত করেছিল ভারত।

আজকের সেমিফাইনাল বাংলাদেশের জন্য প্রতিশোধের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে পরাজিত হয়ে বিদায় নিয়েছিল জ্যোতিরা। ভারত ১৪৯ রান করার পর বাংলাদেশ ১০৯ রানে অলআউট হয়। ভারতের বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচের আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় রয়েছে।

ভারত একাদশ: স্মৃতি মান্ধানা, শেফালি ভার্মা, ভারতী ফুলমালি, হারমানপ্রীত কৌর (অধিনায়ক), রিচা ঘোষ (উইকেটকিপার), গুনালান কামালিনি, দীপ্তি শর্মা, শ্রেয়াঙ্কা পাতিল, শ্রী চরানি, নন্দনী শর্মা, ক্রান্তি গৌড়

বাংলাদেশ একাদশ: দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, সোবহানা মোস্তারি, নিগার সুলতানা (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), স্বর্না আক্তার, শারমিন আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, রাবেয়া খান, নাহিদা আক্তার, মারুফা আক্তার, সুলতানা খাতুন

আরও পড়ুন: রিয়ালের জয় ছাপিয়ে গুলারের লাল কার্ড বিতর্ক

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগুন আতংকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে শতশত রোগী বেরিয়ে পড়লেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


আগুন আতংকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে শতশত রোগী বেরিয়ে পড়লেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে আগুন আতঙ্কের কারণে শতশত রোগী বেরিয়ে আসেন। দৌড়ানোর সময় বেশ কয়েকজন আহত হন।

এটি ঘটেছিল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায়।

সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের অক্সিজেন প্লান্টে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্বিতীয় তলার হাম ওয়ার্ডের সামনে একটি পয়েন্ট থেকে উচ্চ শব্দে অক্সিজেন নির্গত হতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালে আগুন লাগার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। ফলে হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা হুড়াহুড়ি করে নেমে হাসপাতালের বাইরের রাস্তায় চলে যান।

অক্সিজেন প্লান্টের বিআইই ট্যাংক অপারেটর রিপন চৌধুরী জানান, ট্যাংকের ভেতরে অক্সিজেনের চাপ বেশি হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সেফটি রিলিজ ভালভ দিয়ে অতিরিক্ত চাপ বের হয়ে যায়। এ সময় শব্দ হতে পারে। অক্সিজেন স্বাভাবিক চাপে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। এটি অক্সিজেন প্লান্ট চালুর পর থেকেই হয়ে আসছে এবং এতে আতংকিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালি জানান, বিকট শব্দ শোনার পর গুজবের কারণে রোগী ও স্বজনেরা আতংকিত হয়ে ওয়ার্ড থেকে নিচে নেমে যান। হাসপাতালে আগুন লাগার কোনও ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় কেউ আহতও হননি। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। রোগীরাও নিজ নিজ ওয়ার্ডে ফিরে গেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক ফারুক আহমদ জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে আগুন লাগার কোনও ঘটনা পাওয়া যায়নি। অক্সিজেন প্লান্টও অস্বাভাবিক ছিল। গুজব থেকেই রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগী ও স্বজনদের আতংকিত না হয়ে শান্ত থাকার এবং কোনও গুজবে কান না দিয়ে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অগাস্টে ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন ৮.২৬% মূল্যস্ফীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


অগাস্টে ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন ৮.২৬% মূল্যস্ফীতি

দেশে মূল্যচাপ কমার প্রবণতা কয়েক মাসের উচ্চ মূল্যস্ফীতির পর অব্যাহত রয়েছে। আগস্ট মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও ৭ শতাংশের ঘরে নেমে আসায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্যচাপ কমার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে তা কমেছে শূন্য দশমিক ০৬ শতাংশীয় পয়েন্ট। জুন মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ এবং মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। ফলে মে মাসের তুলনায় তিন মাসে মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ১৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে।

সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। ডিসেম্বরে তা বেড়ে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে পৌঁছায়।

ফেব্রুয়ারিতে তা আরও বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছালেও মার্চে কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ হয়। এপ্রিলে আবার বেড়ে ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে ওঠে। এরপর জুনে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ, জুলাইয়ে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং সর্বশেষ আগস্টে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে।

অর্থাৎ মে মাসে মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে ওঠার পর পরবর্তী তিন মাসে তা ১ দশমিক ১৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে। জুলাই ও আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি কমার ধারাও অব্যাহত রয়েছে।

মূল্যস্ফীতি কমার ক্ষেত্রে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার গতি কমে আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আগস্ট মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০২ শতাংশে নেমেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত বছরের আগস্টে এ হার ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি টানা দ্বিতীয় মাসে কমার পাশাপাশি গত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও নিচে রয়েছে।

গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি কমেছে। গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ের ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে কমে আগস্টে ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং শহরে ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ হয়েছে।

বাজারে পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন নীতিগত উদ্যোগও মূল্যচাপ কমাতে সহায়ক হচ্ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানো হয়েছে। একইসঙ্গে কম আয়ের মানুষের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএস সম্প্রসারণ করা হয়েছে। নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে টিসিবির কার্যক্রমও জোরদার করা হচ্ছে।

তুলনামূলক কম দামে আমদানি করা কিছু নিত্যপণ্য ভর্তুকি ছাড়াই বাজারে বিক্রির নতুন উদ্যোগও নিচ্ছে টিসিবি। এসব পদক্ষেপের পাশাপাশি বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে মূল্যস্ফীতির নিম্নমুখী ধারা আরও জোরদার হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমে আসা সেই লক্ষ্যের দিকে অগ্রগতির একটি ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে মূল্যস্ফীতি কমার অর্থ পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়; বরং আগের তুলনায় দাম বাড়ার গতি কমেছে। তাই সাম্প্রতিক নিম্নমুখী প্রবণতা ধরে রেখে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে মূল্যচাপ আরও কমানোই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

কয়েক মাসের উচ্চ মূল্যস্ফীতির পর টানা তিন মাসে হার কমে আগস্টে গত ১০ মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসা অর্থনীতিতে মূল্যচাপ প্রশমনের একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের ঘরে নেমে আসার এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় মূল্যস্ফীতির চাপ আরও কমে আসবে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুমা ও রোয়াংছড়িতে উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাম্যাচিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


রুমা ও রোয়াংছড়িতে উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাম্যাচিং

বান্দরবানের রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় প্রায় ২ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রোয়াংছড়ি উপজেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ভবন এবং খামতাং পাড়ায় কমিউনিটি সেন্টারের উদ্বোধন করেন বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং।

একই দিনে দুপুরে রুমা উপজেলায় বম নারী সংগঠনের (বিএনএম) অফিসঘর ও ছাত্রীনিবাস ভবনের উদ্বোধন করেন তিনি। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। অন্যদিকে, রুমা বাজার সংলগ্ন মারমা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন মাঠে পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্র্বতীকালীন চেয়ারম্যান ও সদস্যদের গণ সংবর্ধনা প্রদান করে রুমা উপজেলা বিএনপি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও গণ সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন বান্দবান জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ জাবেদ রেজা, জেলা পরিষদের সদস্য চনুমং মারমা, লুসাইমং মারমা, মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন তুষার, মাওসেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, উম্যাসিং মারমা, রোয়াংছড়ি উপজেলার কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অংশৈমং মারমা, সাধারণ সম্পাদক কমলসহ স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এদিকে গণ সংবর্ধনা সভায় পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং মন্তব্য করেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলার মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদ কাজ করবে। তিনি প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি জনগণের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের প্রয়োজন ও প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

মাম্যাচিং আরও বলেন, বান্দরবানের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্যমান সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সবাইকে নিয়ে জেলার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। পাশাপাশি পার্বত্য জেলার মানুষের উন্নয়ন, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চশমার কাচ মোছার ভুলে নষ্ট হতে পারে লেন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


চশমার কাচ মোছার ভুলে নষ্ট হতে পারে লেন্স

চোখের দৃষ্টি সঠিক রাখতে অনেকেই নিয়মিত চশমা ব্যবহার করেন। তবে চশমা পরা যথেষ্ট নয়, নিয়মিতভাবে পরিষ্কার রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাচে যদি ধুলো-ময়লা জমে থাকে, তাহলে সঠিকভাবে দেখা সম্ভব হয় না। দীর্ঘ সময় ধরে এমন অবস্থায় থাকলে লেন্স পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে, যা বেশ ব্যয়বহুল।

কিন্তু চশমা পরিষ্কার করার সময় অনেকেই কিছু ভুল করেন, যার ফলে লেন্সের ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে হাতের কাছে যা পাওয়া যায়, তা দিয়েই চশমার কাচ মুছে ফেলার অভ্যাস পরিহার করা উচিত।

জামার কাপড় দিয়ে কাচ মোছেন?

অনেকে চশমার কাচ ময়লা হলে জামা বা অন্য কোনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলেন। কাপড় যতই নরম হোক, এটি দিয়ে কাচ ঘষা সঠিক নয়। কারণ পোশাকের মধ্যে থাকা ধুলোবালি কাচে লেগে যেতে পারে। ফলে ময়লা পরিষ্কার হওয়ার পরিবর্তে লেন্সে আরও ময়লা জমার সম্ভাবনা থাকে।

টিস্যু বা ন্যাপকিনও নয়

পেপার তোয়ালে, টিস্যু বা ন্যাপকিন দিয়ে চশমার কাচ পরিষ্কার করার অভ্যাস থেকেও বিরত থাকতে হবে। এসব কাগজের তন্তু কাচে আটকে থাকতে পারে। এতে কাচ পুরোপুরি পরিষ্কার না হয়ে উল্টো ময়লা জমার সুযোগ তৈরি হয়।

গরম পানি দিয়ে চশমা ধোবেন না

চশমা পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করা সম্ভব। তবে গরম পানি ব্যবহার করা উচিত নয়। বেশি তাপমাত্রার পানিতে লেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি ফ্রেম থেকে কাচ খুলেও যেতে পারে। তাই চশমা পরিষ্কারের সময় স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করাই শ্রেয়।

সব ধরনের পরিষ্কার করার স্প্রেও নয়

চশমার কাচ পরিষ্কারের জন্য অ্যামোনিয়া বা অ্যালকোহলযুক্ত পরিষ্কার করার স্প্রে ব্যবহার করা উচিত নয়। এসব উপাদান লেন্সের ওপর থাকা বিশেষ প্রলেপের ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে রোদচশমা বা আলো অনুযায়ী রং বদলায় এমন লেন্সে এ ধরনের স্প্রে ব্যবহার না করাই ভালো।

তাহলে চশমা পরিষ্কার করবেন কীভাবে?

চশমা পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে এক ফোঁটা হালকা বাসন পরিষ্কার করার তরল মিশিয়ে নিতে পারেন। এরপর সেই পানি দিয়ে চশমার কাচ ভালোভাবে ধুয়ে নিন।

চাইলে শুধু কলের পানির নিচেও চশমা ধরে রাখতে পারেন। পানির স্রোতে কাচের ওপর থাকা ধুলো-ময়লা ধুয়ে যাবে। সবশেষে মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছে নিন।

মনে রাখুন

চশমা পরিষ্কার করার সময় জামার কাপড়, টিস্যু বা ন্যাপকিন, গরম পানি এবং অ্যামোনিয়া বা অ্যালকোহলযুক্ত পরিষ্কার করার স্প্রে এড়িয়ে চলুন। সঠিকভাবে পরিষ্কার করলে লেন্স পরিষ্কার থাকবে এবং চশমাও দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%