মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৮ পি.এম
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অতিরিক্ত ডিআইজি (রিয়েপার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া করা বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং নারীসহ মোট ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ আব্দুল্লাহ আল জহিরকে সংযুক্ত করেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা করা হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আব্দুল্লাহ আল জহিরকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হচ্ছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তবে, তাকে কেন সংযুক্ত করা হচ্ছে সে বিষয়ে আদেশে কোনো তথ্য প্রদান করা হয়নি।
এর আগে, সোমবার ভাটারা থানাধীন পুলিশ হাউজিং-১ এলাকায় জহিরের বাড়িতে অভিযান চালায় ডিবির গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের একটি দল। অভিযানে ৮৪ জনকে আটক করা হয়, যাদের মধ্যে ২৬ জন নারী এবং ৫৮ জন পুরুষ রয়েছে, এবং একজন আফগানিস্তানের নাগরিকও আটক হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে চলমান নির্মাণকাজের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নির্মিত স্টেশন ও লেন বিভাজক অপসারণ করে সড়কটিকে ৬ লেনের সাধারণ মহাসড়কে রূপান্তরিত করা হবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটি শাখা থেকে সোমবার (১৯ অক্টোবর) একটি চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে উপসচিব তাসলিমা আহমেদ পলি স্বাক্ষর করেছেন। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট (বিআরটি, গাজীপুর-এয়ারপোর্ট)’ এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিআরটি করিডোরের স্টেশন ও লেন ডিভাইডার অপসারণ করে এটিকে তিন যোগ তিন লেনবিশিষ্ট সাধারণ হাইওয়ে করিডোরে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি, দুই লেনবিশিষ্ট দুটো ওভারপাসকে (উড়ালসড়ক) চার লেনে রূপান্তরের কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে বিদ্যমান আইনি জটিলতা নিরসন করে প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত (প্রজেক্ট ক্লোজার) করতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে, বিআরটি পরিচালনার জন্য গঠিত ‘ঢাকা বাস র্যাপিড ট্রানজিট পিএলসি’ বন্ধ করে এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের (সওজ) আওতায় আনা হবে। মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্ত জরুরি ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এবং কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসের ৩ তারিখের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), সওজ ও বিআরটি কোম্পানিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের শিববাড়ী পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ বিআরটি প্রকল্পটি ২০১২ সালে গ্রহণ করা হয়েছিল। সড়কের মাঝখানে দুটো আলাদা লেনে বিশেষ বাস চালানোর লক্ষ্যে ২০১৬ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ করার কথা ছিল। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা (এএফডি) ও গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটির (জিইএফ) অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে ছিল সওজ, সেতু বিভাগ ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ২ হাজার ৪০ কোটি টাকা ধরা হলেও তিন দফা সংশোধনে তা বেড়ে ৪ হাজার ২৬৮ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। গেল ১৪ বছরে প্রকল্পটিতে ২ হাজার ৮১১ কোটি টাকা ব্যয় হলেও বিশেষ বাস চালু করা সম্ভব হয়নি।
এর আগে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সামছুল হকের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল প্রকল্পটির কারিগরি দিক পর্যালোচনা করে এটি বাতিল এবং বিদ্যমান অবকাঠামো উন্নত মহাসড়ক হিসেবে ব্যবহারের সুপারিশ করেছিল। তাদের প্রতিবেদনে পরিকল্পনা ও নকশায় ত্রুটি এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতার কথা উল্লেখ করা হয়। তবে প্রকল্পের কাজ ৯৭ শতাংশ সম্পন্ন হওয়ার পর তা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে প্রতিবাদ জানানোর কথা বলেছে ‘গাজীপুর ঐতিহ্য ও উন্নয়ন’ নামের একটি সংগঠন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু ও হাম উপসর্গের কারণে আটজনের মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে পাঁচজন ডেঙ্গুতে এবং তিনজন হাম উপসর্গে মারা গেছেন।
এ তথ্য মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৩৬৬ জন। অন্যদিকে, হাম রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৫৯ জন।
ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা সাড়ে ৩০০ ছাড়াল
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজন মারা গেছেন। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ৬১৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪১৫ জন ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে)। এছাড়া, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১৩ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
একই সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৯১ জন, খুলনা বিভাগে ১৪১ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮০ জন এবং রংপুর বিভাগে ৭২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সিলেট বিভাগে নতুন করে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ১২০৪
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে তিনজনের মৃত্যুর পর, গত ১৫ মার্চ থেকে মোট ১২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন মারা গেছেন। বাকি ১১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে হাম উপসর্গে। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৬৭ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রতি বছর কক্সবাজারে বিপুল সংখ্যক পর্যটক ছুটে আসেন পাহাড়, সমুদ্র ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে। এখানে পর্যটকদের থাকা ও খাওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে অনেক হোটেল, রিসোর্ট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। তবে সম্প্রতি ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে ১০ পর্যটকের প্রাণহানি ঘটার পর, এসব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নিহতদের স্বজনদের অভিযোগ, ফায়ার সার্ভিসের সতর্কবার্তা ও নোটিশ থাকা সত্ত্বেও যথাযথ আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে এই মর্মান্তিক প্রাণহানি ঘটেছে।
সংশ্লিষ্ট দফতরের দাবি, সমন্বয়হীনতা, জনবলসংকট এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আইন না মানার প্রবণতার কারণে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এ অবস্থায় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ৫০০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ফায়ার লাইসেন্স নিয়েছে প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠান। আর ই-লাইসেন্সিং ব্যবস্থায় আবেদন করেছে মাত্র ৫২টি প্রতিষ্ঠান।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার জানিয়েছেন, প্রায় ৪০০টি প্রতিষ্ঠান এখনো ফায়ার লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনা করছে। অগ্নিনিরাপত্তার দিক থেকে এটি উদ্বেগজনক।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যবসায়িক স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে অনেক রিসোর্টের মালিক প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিমালা অনুসারে ব্যবস্থা নিতে চান না। বারবার সতর্ক করা, নোটিশ দেয়া এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করার পরও একই ধরনের অনিয়ম চলছে।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অথোরাইজড অফিসার ফজলে রাব্বি জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ব্যয় এড়াতে অনেক রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ আইন ও বিধিমালা মানতে চায় না। তাদের বারবার সতর্ক করা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হলেও বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয় না।
গত শনিবার ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের স্বজনরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, অনিয়মের বিষয়ে আগে থেকে সতর্ক করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্বজন নঈমুদ্দিন অভিযোগ করেছেন, ফায়ার সার্ভিসের নোটিশ উপেক্ষা করেও জরিমানা দিয়ে রিসোর্টের কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। তিনি বলেন, "সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে হয়তো এতগুলো প্রাণ ঝরে যেত না।"
নিহতদের আরেক স্বজন ফয়সাল জাহান বলেছেন, টুপটুপ রিসোর্টের নিচতলায় রেস্তোরাঁ পরিচালিত হলেও ওপরের স্থাপনা নিয়ে কর্তৃপক্ষের সতর্কতা ছিল। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, "কিন্তু সেই সতর্কতা উপেক্ষা করা হয়েছে। সতর্ক করার পরও ব্যবস্থা না নেয়ায় এমন ঘটনার দায় কার? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার দায় সাধারণ মানুষ কেন নেবে?"
ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া স্থাপনা নির্মাণ ঠেকাতে বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয় জরুরি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে রাতারাতি স্থাপনা নির্মাণ হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া জনবলসংকটও রয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনিম জাহান বলেছেন, "কোনো স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেয়ার আগে সেটি আইনসম্মত কি না এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সমন্বয়ে কাজ করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই রাতারাতি স্থাপনা তৈরি হয়ে যায়। বিষয়টি জানার আগেই নির্মাণকাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় জনবলসংকটের কারণে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয় না। তবে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে সমন্বিতভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আশা করছেন তারা।"
কক্সবাজারকে পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলা এবং পর্যটন উন্নয়ন নিশ্চিত করতে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, "সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালার আলোকে নিয়মিত পরিদর্শন করা হয় এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের নোটিশ দেয়া হয়। চূড়ান্ত নোটিশের পরও কেউ অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।"
মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে ইতোমধ্যে চূড়ান্ত নোটিশ দেয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
এদিকে ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় রিসোর্টের মালিক ও ব্যবস্থাপকসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। তবে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি কতটা কার্যকর হচ্ছে, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রয়টার্স/ইপসোস-এর সাম্প্রতিক একটি জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, মার্কিনিরা জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং ৩ নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টিকে ‘শাস্তি’ দিতে প্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে।
চার দিনের এই জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, প্রায় ৩১ শতাংশ মার্কিনি ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করছেন, যা দুই সপ্তাহ আগের তুলনায় এক শতাংশ পয়েন্ট কম। এটি তার প্রেসিডেন্সির যেকোনো মেয়াদের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়।
যদি আজ কংগ্রেস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতো, তখন ভোটাররা কোন দলকে ভোট দিতেন—এমন একটি সাধারণ প্রশ্নের (যাকে ‘জেনেরিক ব্যালট’ বলা হয়) উত্তরে, দেশব্যাপী জরিপে অংশগ্রহণকারী নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে প্রায় ৪৭ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের এবং ৩৫ শতাংশ রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ পয়েন্টে ডেমোক্র্যাটদের এই এগিয়ে থাকা বর্তমান নির্বাচনী চক্রে সবচেয়ে বড় ব্যবধান। এটি মার্কিন প্রতিনিধি সভা ও মার্কিন সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার ক্ষেত্রে দলটির আশাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারে।
রিপাবলিকানদের জন্য, যেকোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানো ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরে তার কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
রিপাবলিকান কংগ্রেস প্রার্থীদের প্রতি সমর্থন কমে যাওয়ার একটি বড় কারণ হলো, আগের তুলনায় বেশি সংখ্যক নারী ভোটার ডেমোক্র্যাটদের বেছে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। নারী ভোটারদের প্রায় ৫০ শতাংশ বলেছেন, তারা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেবেন। বিপরীতে, ৩২ শতাংশ নারী রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
পুরুষ ভোটারদের সমর্থনও ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে বেশি ছিল, তবে ব্যবধান ছিল তুলনামূলক কম।
সূত্র: রয়টার্স
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ