ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, বিপাকে রিপাবলিকান পার্টি


মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, বিপাকে রিপাবলিকান পার্টি

রয়টার্স/ইপসোস-এর সাম্প্রতিক একটি জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, মার্কিনিরা জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং ৩ নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টিকে ‘শাস্তি’ দিতে প্রস্তুত বলে মনে হচ্ছে।

চার দিনের এই জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, প্রায় ৩১ শতাংশ মার্কিনি ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করছেন, যা দুই সপ্তাহ আগের তুলনায় এক শতাংশ পয়েন্ট কম। এটি তার প্রেসিডেন্সির যেকোনো মেয়াদের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়।

যদি আজ কংগ্রেস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতো, তখন ভোটাররা কোন দলকে ভোট দিতেন—এমন একটি সাধারণ প্রশ্নের (যাকে ‘জেনেরিক ব্যালট’ বলা হয়) উত্তরে, দেশব্যাপী জরিপে অংশগ্রহণকারী নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে প্রায় ৪৭ শতাংশ ডেমোক্র্যাটদের এবং ৩৫ শতাংশ রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: সুদানে ড্রোন হামলায় ২ শতাধিক মানুষের প্রাণহানি, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ পয়েন্টে ডেমোক্র্যাটদের এই এগিয়ে থাকা বর্তমান নির্বাচনী চক্রে সবচেয়ে বড় ব্যবধান। এটি মার্কিন প্রতিনিধি সভা ও মার্কিন সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার ক্ষেত্রে দলটির আশাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারে।

রিপাবলিকানদের জন্য, যেকোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানো ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরে তার কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

রিপাবলিকান কংগ্রেস প্রার্থীদের প্রতি সমর্থন কমে যাওয়ার একটি বড় কারণ হলো, আগের তুলনায় বেশি সংখ্যক নারী ভোটার ডেমোক্র্যাটদের বেছে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। নারী ভোটারদের প্রায় ৫০ শতাংশ বলেছেন, তারা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেবেন। বিপরীতে, ৩২ শতাংশ নারী রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

পুরুষ ভোটারদের সমর্থনও ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে বেশি ছিল, তবে ব্যবধান ছিল তুলনামূলক কম।

আরও পড়ুন: তুর্কি সংসদে সৌদি ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদনের প্রস্তাব

সূত্র: রয়টার্স

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শীত পড়ার আগেই ঠোঁট ফাটছে? জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


শীত পড়ার আগেই ঠোঁট ফাটছে? জেনে নিন কারণ ও প্রতিকার

শীতকাল পুরোপুরি আসার আগেই ঠোঁট শুকিয়ে যাচ্ছে, চামড়া উঠছে বা ঠোঁটের কোণে ফাটল দেখা দিচ্ছে? অনেকের ধারণা, ঠোঁট ফাটার সমস্যা শীতকালেই হয়। তবে আবহাওয়ার পরিবর্তন, শরীরে পানির অভাব, ঠোঁটের উপর বারবার জিভ দিয়ে ভেজানো এবং কিছু প্রসাধনীর ব্যবহারও এই সমস্যার কারণ হতে পারে।

ঠোঁটের ত্বক মুখের অন্যান্য অংশের তুলনায় খুবই পাতলা এবং এতে তেল উৎপাদনকারী গ্রন্থি প্রায় নেই। তাই ঠোঁট সহজেই আর্দ্রতা হারায়। শীত আসার আগেই ঠোঁটের সঠিক যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

কেন শীতের আগেই ঠোঁট ফাটছে?

১. আবহাওয়ার পরিবর্তন: বাতাসের আর্দ্রতা কমে গেলে, শুষ্ক বাতাস এবং তাপমাত্রার পরিবর্তনে ঠোঁটের আর্দ্রতা কমে যেতে পারে।

২. বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো: ঠোঁট শুকিয়ে গেলে অনেকেই জিভ দিয়ে ভেজান। কিন্তু লালার পানি শুকিয়ে যাওয়ার সময় ঠোঁট আরও শুষ্ক হয়ে পড়ে। ফলে ফাটার সমস্যা বৃদ্ধি পায়।

৩. পর্যাপ্ত পানি পান না করা: শরীরে পানির অভাব হলে মুখ ও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তবে শুধুমাত্র ঠোঁট ফাটলেই শরীরে পানির অভাব রয়েছে, এমনটি বলা যায় না।

৪. প্রসাধনী ও টুথপেস্টের প্রতিক্রিয়া: কিছু লিপস্টিক, লিপবাম, সুগন্ধিযুক্ত প্রসাধনী বা টুথপেস্টের উপাদান ঠোঁটে জ্বালাপোড়া ও প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।

৫. পুষ্টির অভাব: কিছু ক্ষেত্রে আয়রন, ভিটামিন বি১২ বা অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের অভাবের সঙ্গে ঠোঁটের সমস্যা, বিশেষ করে ঠোঁটের কোণে ফাটার সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে শুধুমাত্র এই লক্ষণ দেখে পুষ্টির অভাব নির্ণয় করা সম্ভব নয়।

৬. ঠোঁটের প্রদাহ বা অন্য সমস্যা: দীর্ঘদিন ধরে ঠোঁট ফাটা, লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি বা ঠোঁটের কোণে ক্ষত হওয়ার পেছনে একজিমা, অ্যালার্জি বা সংক্রমণও দায়ী হতে পারে।

ঠোঁট ফাটা কমাতে কী করবেন?

লিপবাম ব্যবহার করুন: সুগন্ধি ও স্বাদযুক্ত উপাদানবিহীন পেট্রোলিয়াম জেলি বা সাধারণ লিপবাম ব্যবহার করা উচিত। ঠোঁট শুকিয়ে গেলে এবং ঘুমানোর আগে এটি লাগানো যেতে পারে।

ঠোঁট চাটা বন্ধ করুন: বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো এবং শুকনো চামড়া টেনে তোলা থেকে বিরত থাকুন। এতে ক্ষত ও জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন: তৃষ্ণা ও শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করুন। দীর্ঘ সময় পানি না খেয়ে থাকবেন না।

রোদ থেকেও সুরক্ষা নিন: বাইরে গেলে এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন। বাইরে দীর্ঘ সময় থাকলে নির্দেশনা অনুযায়ী পুনরায় লাগান।

ঠোঁটে জ্বালা তৈরি করে এমন পণ্য এড়িয়ে চলুন: মেনথল, কর্পূর, সুগন্ধি বা ঝাঁঝালো উপাদানযুক্ত পণ্য ব্যবহার করলে ঠোঁটে জ্বালা বাড়তে পারে। যে পণ্য ব্যবহারে অস্বস্তি হয়, সেটি বন্ধ করুন।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

সাধারণ যত্ন নেওয়ার পরও যদি দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ঠোঁটের সমস্যা না কমে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ঠোঁটে অতিরিক্ত ফোলা, পুঁজ, তীব্র ব্যথা, বারবার রক্তপাত বা ঠোঁটের কোণে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত হলে অবহেলা করা উচিত নয়। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক অ্যালার্জি, সংক্রমণ বা পুষ্টির অভাবের বিষয়টি মূল্যায়ন করতে পারেন।

শীত আসার আগেই যত্ন নিন

ঠোঁট ফাটা একটি ছোটখাটো সমস্যা মনে হলেও অবহেলা করলে তা ব্যথা, জ্বালাপোড়া ও ক্ষতের কারণ হতে পারে। তাই শীতের আগমনের অপেক্ষা না করে এখন থেকেই ঠোঁট আর্দ্র রাখুন, ঠোঁট চাটা বন্ধ করুন এবং উপযুক্ত লিপবাম ব্যবহার করুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঁশ-কাঠের ভাঙা সাঁকোতে জীবন মুঠোয় নিয়ে চলাচল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ পি.এম


বাঁশ-কাঠের ভাঙা সাঁকোতে জীবন মুঠোয় নিয়ে চলাচল

গাইবান্ধার একটি ব্রিজের অভাবে সহস্রাধিক মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় আগে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে একটি সাঁকো নির্মাণ করেছিলেন। তবে বর্তমানে এটি নড়বড়ে হয়ে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে, যা চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে দুই পাড়ের মানুষ জীবন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন; বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, অসুস্থ ব্যক্তি এবং তাদের স্বজনদের ভোগান্তি বেড়েছে।

জানা যায়, গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের তালুক রিফাইতপুর এলাকায় আলাই নদীর দুই পাড়ের মানুষ এক সময় ভাসমান ড্রামের ওপর দিয়ে যাতায়াত করতেন। প্রায় এক যুগেরও বেশি আগে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রম ও গ্রামের মানুষের চাঁদার টাকায় বাঁশ-কাঠ দিয়ে একটি সাঁকো নির্মাণ করে।

কিন্তু দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে সাঁকোটি নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যাওয়ার কারণে এটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন অংশ ভেঙে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নদীর এপাড়ে স্কুল, বাজার, হাসপাতাল থাকায় স্থানীয়দের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা ও বাঁশের ভেলায় যাতায়াত করতে হয়।

দীর্ঘদিন ধরে এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি উঠলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচনের সময় সেটি নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোটের পর আর খোঁজ রাখেন না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। কোমলমতি শিশুদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যেতে হয় এ বাঁশ-কাঠের সাঁকোর ওপর দিয়েই।

স্থানীয় বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, "বিভিন্ন দফতরে ঘুরেও কোনো সুরাহা হচ্ছে না। ভোটের আগে সবাই ব্রিজ করে দিতে চেয়ে ভোট নিয়ে আর কোনো খোঁজ নেন না। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। সাঁকো নষ্ট হলে কলা গাছের ভেলায় কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সবাইকে আসা-যাওয়া করতে হয়।"

ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ সুমন জানান, "স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বেচ্ছাশ্রমে ও তাদের নিজস্ব অর্থায়নে মাঝে মাঝে মেরামত করে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়েই চলাচল করছেন স্থানীয়রা। তবে রোগী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াত নিয়ে মাঝেমধ্যেই বিপাকে পড়তে হচ্ছে।"

এদিকে এলজিইডির গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. বাবলু মিয়া জানান, "ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রয়োজন রাস্তার। ওই ব্রিজের সংযোগ সড়কের আইডি নম্বর না থাকায় ব্রিজ নির্মাণে সময় লাগছে। স্থানীয়দের যোগাযোগ সহজ করতে ব্রিজ নির্মাণে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মীয় সম্প্রীতিকে আরও মজবুত করতে সবাই মিলে কাজ করতে হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৬ পি.এম


ধর্মীয় সম্প্রীতিকে আরও মজবুত করতে সবাই মিলে কাজ করতে হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

শ্রম কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, "আশা করি বাংলাদেশি হিসেবে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিষ্টানদের মাঝে ধর্মীয় সম্প্রীতিকে আরও মজবুত করতে সবাই মিলে কাজ করে যাবো।"

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজারের একাধিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে, শহরের প্রাচীনতম শ্রী শ্রী কালিবাড়ি মণ্ডপে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, "দুর্গাপূজা সুন্দরভাবে পালন করতে অন্যান্য যে কোনো বারের তুলনায় আরও বেশি সহযোগিতা করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।"

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, "এ বছর অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তাদের পূজা পালন করছেন।"

এর আগে, মন্ত্রী মৌলভীবাজার শ্রী শ্রী কালিবাড়ি মণ্ডপে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সাংসদ এম নাসের রহমান এবং পূজা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সুনিল কুমার দাসসহ অনেকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষীর সন্দেশ তৈরির সহজ রেসিপি: উপকরণ ও প্রক্রিয়া বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৭ পি.এম


ক্ষীর সন্দেশ তৈরির সহজ রেসিপি: উপকরণ ও প্রক্রিয়া বিস্তারিত

বাঙালির শারদীয় পূজা ও উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের খাবারের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পূজার খাবারের তালিকায় ক্ষীর সন্দেশ একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে। এই মিষ্টিজাতীয় সুস্বাদু খাবারটি বাড়িতে সহজেই তৈরি করা সম্ভব। দুর্গাপূজার নবমীতে আসুন, সুস্বাদু এই খাবারের রেসিপিটি এক নজরে দেখে নিই।

প্রয়োজনীয় উপকরণ: ঘন দুধ ১ লিটার, ছানা ১ কাপ, গুঁড়ো দুধ ৫ টেবিল চামচ, চিনি স্বাদমতো, ঘি ১ চামচ, এলাচ গুঁড়ো সামান্য।

যেভাবে তৈরি করবেন

১. ছানা তৈরি ও মাখা: প্রথমে দুধকে জ্বাল দিয়ে লেবুর রস বা ভিনেগার দিয়ে ছানা কাটতে হবে। ছানাটি ভালোভাবে জল ঝরিয়ে হাতের তালু দিয়ে আলতো করে মেখে নরম করে রাখতে হবে।

২. ক্ষীরসা তৈরি: একটি কড়াইতে দুধ ভালোভাবে জ্বাল দিয়ে ঘন করে ক্ষীরসা প্রস্তুত করতে হবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি: এরপর কড়াইতে ক্ষীরসা, ছানা, গুঁড়ো দুধ এবং চিনি একসঙ্গে দিয়ে মিডিয়াম আঁচে নাড়াতে হবে।

৪. পাক দেয়া: মিশ্রণটি ঘন হয়ে যখন সসপ্যানের গা ছেড়ে আসবে এবং আঠালো রূপ নেবে, তখন সামান্য এলাচ গুঁড়ো ও ঘি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে চুলা বন্ধ করতে হবে।

৫. শেপ বা আকার দেয়া: মিশ্রণটি হালকা গরম অবস্থায় হাত দিয়ে সামান্য ঘি লাগিয়ে গোল বলের মতো করে ছাঁচে (মোল্ডে) চাপ দিয়ে সন্দেশের আকার দিতে হবে। অথবা সাধারণ বরফির আকারে কেটে নিতে পারেন।

৬. পরিবেশন: কিছুক্ষণ বাতাসে রেখে সেট হতে দিতে হবে। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল মজাদার ক্ষীর সন্দেশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%