ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া দুই বছরের সাজা/প্রাপ্ত কয়েদি মনির হাওলাদার গ্রে/ফ/তার


ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া দুই বছরের সাজা/প্রাপ্ত কয়েদি মনির হাওলাদার গ্রে/ফ/তার

ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালানোর পর, দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি মনির হাওলাদার ওরফে হাসানকে (৪৫) পুলিশ অবশেষে গ্রেফতার করেছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি এলাকা থেকে।

গ্রেফতার হওয়া মনির হাওলাদার নলছিটি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের ফুলহরি গ্রামের প্রয়াত জৈনদ্দিনের ছেলে।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে একটি জিআর মামলায় আদালত মনির হাওলাদারকে সশ্রম কারাদণ্ড দেন, যার মেয়াদ ছিল দুই বছর। সে সাজা ভোগ করার সময়, মনির কৌশল খাটিয়ে, প্রায় দুই বছর আগে ঝালকাঠি জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। তারপর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানায়, আদালতের দ্বারা জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার উদ্দেশ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার রাতে সিদ্ধকাঠি এলাকা থেকে মনির হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার আসামিকে পরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের শরীরে গাঁজার উপস্থিতি, তদন্ত নিয়ে কী বলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের শরীরে গাঁজার উপস্থিতি, তদন্ত নিয়ে কী বলছে

মাঝ আকাশে হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনার পর ভারতের এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটের শরীরে গাঁজার উপাদান শনাক্ত হওয়ার খবর নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে পরীক্ষা করে শুধু গাঁজার উপস্থিতি পাওয়া গেলেই সঠিকভাবে বলা যাবে না যে, পাইলট বিমানে নেশাগ্রস্ত ছিলেন বা তার কারণেই বিমানটি হঠাৎ নিচে চলে গিয়েছিল। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত হতে দেখা যাচ্ছে।

এমন তথ্য প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

গত ৪ আগস্ট থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে ভারতের দিল্লিগামী একটি যাত্রীবাহী বিমান মাঝ আকাশে হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এই ঘটনার ফলে ১৩ জন যাত্রী ও চারজন কর্মী আহত হন। পরে বিমানটি নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।

ঘটনার পর দুই পাইলটের মানসিক প্রভাব ফেলে এমন মাদক গ্রহণের পরীক্ষা করা হয়। ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধান পাইলটের প্রাথমিক পরীক্ষার ফল আসতে পারে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যার উপর ভিত্তি করে আরও নিশ্চিত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দুই পাইলটকেই বিমান পরিচালনার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে সূত্রের বরাত দিয়ে দাবি করা হয়েছে, পরবর্তী পরীক্ষায় প্রধান পাইলটের শরীরে গাঁজার উপাদান পাওয়া গেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এয়ার ইন্ডিয়া এখনও এ ফলটি নিশ্চিত করেনি।

শুধু পরীক্ষায় গাঁজা মিললেই কি প্রমাণ হয় যে পাইলট নেশাগ্রস্ত ছিলেন? বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে গাঁজার উপাদান পাওয়া মানেই তা নিশ্চিতভাবে প্রতিস্থাপন করা যায় না যে ওই ব্যক্তি পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগে বা বিমানে থাকার সময় নেশাগ্রস্ত ছিলেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, গাঁজা গ্রহণের পর কিছু সময় মানুষের মনোযোগ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, শরীরের সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ এবং জটিল কাজ করার দক্ষতা কমে যেতে পারে। পুরোনো কয়েকটি গবেষণার মধ্যে দেখা গেছে, পাইলটদের উড্ডয়ন অনুশীলনে গাঁজা গ্রহণের পর উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ, দিক ঠিক রাখা এবং অবতরণের সময় ভুল বেড়ে যেতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে সেই প্রভাব ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করা গেছে।

তবে মনে রাখতে হবে, শরীরে গাঁজার উপাদান কতদিন শনাক্ত হবে তা নির্ভর করে কতটা গ্রহণ করা হয়েছে, কীভাবে গ্রহণ করা হয়েছে, কত ঘন ঘন নেওয়া হয় এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর। ফলে পরীক্ষার ফল দেখে ঠিক কবে গাঁজা গ্রহণ করা হয়েছিল বা ঘটনার মুহূর্তে পাইলট নেশাগ্রস্ত ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

বিশেষজ্ঞরা বর্তমান তদন্তে তিনটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে—পাইলট গাঁজা গ্রহণ করেছিলেন কি না, বিমান চালানোর সময় তিনি এর প্রভাবে ছিলেন কি না এবং এই প্রভাবে বিমানটির হঠাৎ নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনায় কি ভূমিকা রেখেছিল।

বিমান দুর্ঘটনা তদন্তকারীরা এখন কারিগরি ত্রুটি, পরিচালনাগত বিষয়, শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং অন্যান্য মানবিক কারণসহ সব দিক খতিয়ে দেখছেন। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে পাইলটের পরীক্ষার ফল এবং বিমানটির আকস্মিক নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।

ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়া তাদের সকল পাইলটের মাদক পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্টসংখ্যক পাইলটের ওপর আকস্মিক পরীক্ষা করা হচ্ছে, তবে এবার এটি আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেট্রোল পাম্পের কোটি টাকা ছিনতাই: ১২ লাখ টাকা উদ্ধার, ৫ জন আ/টক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৭ পি.এম


পেট্রোল পাম্পের কোটি টাকা ছিনতাই: ১২ লাখ টাকা উদ্ধার, ৫ জন আ/টক

রাজধানীর বিমানবন্দরে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যাওয়ার সময় এক কর্মচারীকে কুপিয়ে ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এই ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে। পাশাপাশি, এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন আলামতও জব্দ করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম এই তথ্য প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘ডিএল পেট্রোল পাম্পের টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গে পাঁচজন প্রবলভাবে জড়িত। তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে নগদ ১২ লাখ টাকা উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। এছাড়া, অস্ত্র, গুলি এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের অন্যান্য আলামতও উদ্ধার হয়েছে।’

গোয়েন্দা পুলিশ অতিরিক্ত কমিশনার আরও জানান, ‘ঢাকা শহরের অধিকাংশ ডাকাতির ঘটনায় এই চক্রের সম্পৃক্ততা রয়েছে। যদি তাদের আটক করা যায়, তাহলে ডাকাতির ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘গ্রেফতার হওয়া সাগর বাড়ির বিরুদ্ধে ডাকাতির ১৩টি মামলা প্রমাণিত হয়েছে। অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং আরো সাতজন পলাতক আছে। মূল আসামিও পলাতক অবস্থায় রয়েছে।’

ছিনতাই হওয়া বাকি টাকা উদ্ধার এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে। শফিকুল ইসলাম জানান, ‘প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, সেটা এখনো জানা যায়নি।’

গত ৯ আগস্ট রাজধানীর বিমানবন্দরে ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যাওয়ার পথে এক কর্মচারীকে কুপিয়ে ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ওই দিন রাতেই পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার আব্দুল করিম অজ্ঞাত ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন।

জানা যায়, ছিনতাই হওয়া টাকা ডিএল পেট্রোল পাম্পের। পেট্রোল পাম্পটির মালিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খালাত ভাই তাসীন আক্তার হক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরের কালকিনিতে মহিলা মাদ্রাসায় হাত/বো/মা বিস্ফোরণে চার শিক্ষার্থী আ/হত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২২ পি.এম


মাদারীপুরের কালকিনিতে মহিলা মাদ্রাসায় হাত/বো/মা বিস্ফোরণে চার শিক্ষার্থী আ/হত

মাদারীপুরের কালকিনির একটি মহিলা মাদ্রাসার ভেতরে হাতবোমার বিস্ফোরণের ফলে অন্তত চার শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এটি ঘটেছে শনিবার (১৬ আগস্ট) সকালে কালকিনি পৌরসভার গোপালপুর দারুসসুন্নাহ মহিলা মাদ্রাসায়।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালেও গোপালপুর দারুসসুন্নাহ মহিলা মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীরা আসেন। সকালের দিকে হঠাৎ করে মাদ্রাসার ভেতরের আঙিনায়, যা মাদ্রাসার ভেতর অবস্থিত ইমন সরদারের বসতঘরের সামনে, বিকট শব্দে একটি হাতবোমা বিস্ফোরিত হয়। বোমার প্রচণ্ড শব্দে পুরো আশপাশ এলাকা কেঁপে ওঠে।

বিস্ফোরণের ফলে মাদ্রাসার অন্তত চার শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে আবিদা আক্তার নামের একজন শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

ঘটনার পরপরই কালকিনি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে এবং এলাকা ঘিরে ফেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাদারীপুরের কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানিয়েছেন, 'খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার মূল কারণ ও এর পেছনের জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ ও সিআইডির বিশেষ দল। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা সম্ভব হবে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ৫টি ভুলের কারণে বাংলাদেশিরা হাজার হাজার ডলার ক্ষতি করছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে ৫টি ভুলের কারণে বাংলাদেশিরা হাজার হাজার ডলার ক্ষতি করছেন

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন জীবন শুরু করতে গিয়ে অনেক অভিবাসী শুরু থেকেই এমন কিছু আর্থিক ভুল করে ফেলেন, যার ফলস্বরূপ ভবিষ্যতের ঋণ নেওয়ার সুযোগ, কর, চিকিৎসা খরচ এবং অবসরকালীন সঞ্চয়ে প্রভাব পড়ে। বাংলাদেশি নতুন অভিবাসীদের জন্য এসব বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রচলিত অনেক পরামর্শের মধ্যে ভুল বা অতিরঞ্জিত তথ্যও রয়েছে। তাই শুরু থেকেই কিছু ক্ষেত্রে সঠিক ধারণা রাখা জরুরি।

ঋণযোগ্যতার ইতিহাস তৈরি না করা যুক্তরাষ্ট্রে বাসা ভাড়া, ঋণ কার্ড, গাড়ি কিংবা বাড়ির ঋণ সহ নানা আর্থিক বিষয়ে ঋণযোগ্যতার ইতিহাস এবং নম্বর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নতুনদের অনেকেরই যুক্তরাষ্ট্রে কোনো আর্থিক ইতিহাস থাকে না। এই ক্ষেত্রে জামানতভিত্তিক ঋণ কার্ড দিয়ে শুরু করা যেতে পারে।

তবে ঋণ কার্ডে বকেয়া রেখে দিলে নম্বর ভালো হয়ে যাবে—এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। সময়মতো পুরো বিল পরিশোধ করলে সুদের খরচ এড়ানো সম্ভব। একইসাথে অল্প সময়ের মধ্যে অনেক নতুন ঋণ হিসাব খোলার আবেদন না করাই ভালো।

কর নিয়ে ভুল ধারণা বছরের মধ্যে ৬০০ ডলারের বেশি আয় হলেই সবাইকে করের হিসাব জমা দিতে হবে—এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই। কার করের হিসাব জমা দিতে হবে, তা নির্ভর করে আয়ের ধরন, পরিমাণ, বয়স এবং পারিবারিক অবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর।

তবে নিজে কাজ করে বছরে অন্তত ৪০০ ডলার নিট আয় হলে সাধারণত করের হিসাব এবং স্ব-কর্মসংস্থান করের নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। নগদে আয় করলেও তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে করের বাইরে চলে যায় না।

সুস্থ আছি বলে চিকিৎসা বিমা না নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা খরচ অনেক বেশি হতে পারে। তাই সাধারণত শুধু সুস্থ থাকার কারণে চিকিৎসা বিমার প্রয়োজন নেই—এমন ধারণা ঝুঁকিপূর্ণ।

তবে সবার জন্য মাসে ৫০ থেকে ১৫০ ডলারে চিকিৎসা বিমা পাওয়া যাবে, এমনও নয়। আয়, বয়স, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, বসবাসের এলাকা এবং নির্বাচিত পরিকল্পনার ওপর খরচ নির্ভর করে। ২০২৬ সালে অনেকের বিমার খরচ আগের তুলনায় বাড়তে পারে।

চাকরির অবসর সঞ্চয়ের সুবিধা না বোঝা চাকরিদাতা অবসরকালীন সঞ্চয়ের সুবিধা দিলে তার নিয়ম ভালোভাবে জানা জরুরি। অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীর জমা দেওয়া অর্থের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ যোগ করে দেয়। তবে সব প্রতিষ্ঠান একই হারে অর্থ দেয় না।

কিছু ক্ষেত্রে কোম্পানির দেওয়া অর্থের পুরো মালিক হতে নির্দিষ্ট সময় চাকরিতে থাকতে হয়। তাই নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরই প্রতিষ্ঠানটির মানবসম্পদ বিভাগ থেকে এসব নিয়ম জেনে নেওয়া ভালো।

সব টাকা চলতি হিসাবে রেখে দেওয়া দৈনন্দিন খরচের জন্য চলতি হিসাব প্রয়োজন হলেও দীর্ঘমেয়াদি জরুরি সঞ্চয়ের জন্য সুদ পাওয়া যায় এমন সঞ্চয় হিসাব বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে সব ব্যাংকে একই হারে সুদ পাওয়া যায় না এবং সময়ের সাথে সাথে সুদের হার পরিবর্তিত হয়।

কাজেই হিসাব খোলার আগে বর্তমান সুদের হার, কোনো অতিরিক্ত খরচ আছে কি না, টাকা তোলার নিয়ম এবং প্রতিষ্ঠানটি সরকারি সুরক্ষার আওতায় আছে কি না—এসব যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

নতুন অভিবাসীদের জন্য ডাক বিভাগের একটি বিনা খরচের সেবাও কাজে লাগতে পারে। এর মাধ্যমে যোগ্য ঠিকানায় পৌঁছানোর আগে কিছু চিঠির বাইরের অংশের ছবি এবং নির্দিষ্ট পার্সেলের অবস্থান জানা যায়। তবে এই সেবা সব চিঠি বা গুরুত্বপূর্ণ নথি হারানো ঠেকানোর নিশ্চয়তা দেয় না।

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আসার পর প্রথম কয়েক মাসে আর্থিক ইতিহাস তৈরি, সঠিকভাবে করের তথ্য দেওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা বিমা নেওয়া, চাকরির অবসরকালীন সুবিধা বোঝা এবং সঞ্চয়ের জন্য উপযুক্ত হিসাব বেছে নেওয়া ভবিষ্যতে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

তবে এসব নিয়ম মেনে চললেই সবাই নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা সাশ্রয় করবেন—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। ব্যক্তির আয়, পরিবার, অঙ্গরাজ্য, চাকরি এবং আর্থিক অবস্থার ওপর সাশ্রয়ের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%