ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদারীপুরের কালকিনিতে মহিলা মাদ্রাসায় হাত/বো/মা বিস্ফোরণে চার শিক্ষার্থী আ/হত


মাদারীপুরের কালকিনিতে মহিলা মাদ্রাসায় হাত/বো/মা বিস্ফোরণে চার শিক্ষার্থী আ/হত

মাদারীপুরের কালকিনির একটি মহিলা মাদ্রাসার ভেতরে হাতবোমার বিস্ফোরণের ফলে অন্তত চার শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এটি ঘটেছে শনিবার (১৬ আগস্ট) সকালে কালকিনি পৌরসভার গোপালপুর দারুসসুন্নাহ মহিলা মাদ্রাসায়।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালেও গোপালপুর দারুসসুন্নাহ মহিলা মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীরা আসেন। সকালের দিকে হঠাৎ করে মাদ্রাসার ভেতরের আঙিনায়, যা মাদ্রাসার ভেতর অবস্থিত ইমন সরদারের বসতঘরের সামনে, বিকট শব্দে একটি হাতবোমা বিস্ফোরিত হয়। বোমার প্রচণ্ড শব্দে পুরো আশপাশ এলাকা কেঁপে ওঠে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিস্ফোরণের ফলে মাদ্রাসার অন্তত চার শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। আহতদের মধ্যে আবিদা আক্তার নামের একজন শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

ঘটনার পরপরই কালকিনি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে এবং এলাকা ঘিরে ফেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাদারীপুরের কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানিয়েছেন, 'খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার মূল কারণ ও এর পেছনের জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ ও সিআইডির বিশেষ দল। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা সম্ভব হবে।'

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ৫টি ভুলের কারণে বাংলাদেশিরা হাজার হাজার ডলার ক্ষতি করছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে ৫টি ভুলের কারণে বাংলাদেশিরা হাজার হাজার ডলার ক্ষতি করছেন

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন জীবন শুরু করতে গিয়ে অনেক অভিবাসী শুরু থেকেই এমন কিছু আর্থিক ভুল করে ফেলেন, যার ফলস্বরূপ ভবিষ্যতের ঋণ নেওয়ার সুযোগ, কর, চিকিৎসা খরচ এবং অবসরকালীন সঞ্চয়ে প্রভাব পড়ে। বাংলাদেশি নতুন অভিবাসীদের জন্য এসব বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রচলিত অনেক পরামর্শের মধ্যে ভুল বা অতিরঞ্জিত তথ্যও রয়েছে। তাই শুরু থেকেই কিছু ক্ষেত্রে সঠিক ধারণা রাখা জরুরি।

ঋণযোগ্যতার ইতিহাস তৈরি না করা যুক্তরাষ্ট্রে বাসা ভাড়া, ঋণ কার্ড, গাড়ি কিংবা বাড়ির ঋণ সহ নানা আর্থিক বিষয়ে ঋণযোগ্যতার ইতিহাস এবং নম্বর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নতুনদের অনেকেরই যুক্তরাষ্ট্রে কোনো আর্থিক ইতিহাস থাকে না। এই ক্ষেত্রে জামানতভিত্তিক ঋণ কার্ড দিয়ে শুরু করা যেতে পারে।

তবে ঋণ কার্ডে বকেয়া রেখে দিলে নম্বর ভালো হয়ে যাবে—এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। সময়মতো পুরো বিল পরিশোধ করলে সুদের খরচ এড়ানো সম্ভব। একইসাথে অল্প সময়ের মধ্যে অনেক নতুন ঋণ হিসাব খোলার আবেদন না করাই ভালো।

কর নিয়ে ভুল ধারণা বছরের মধ্যে ৬০০ ডলারের বেশি আয় হলেই সবাইকে করের হিসাব জমা দিতে হবে—এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই। কার করের হিসাব জমা দিতে হবে, তা নির্ভর করে আয়ের ধরন, পরিমাণ, বয়স এবং পারিবারিক অবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর।

তবে নিজে কাজ করে বছরে অন্তত ৪০০ ডলার নিট আয় হলে সাধারণত করের হিসাব এবং স্ব-কর্মসংস্থান করের নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। নগদে আয় করলেও তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে করের বাইরে চলে যায় না।

সুস্থ আছি বলে চিকিৎসা বিমা না নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা খরচ অনেক বেশি হতে পারে। তাই সাধারণত শুধু সুস্থ থাকার কারণে চিকিৎসা বিমার প্রয়োজন নেই—এমন ধারণা ঝুঁকিপূর্ণ।

তবে সবার জন্য মাসে ৫০ থেকে ১৫০ ডলারে চিকিৎসা বিমা পাওয়া যাবে, এমনও নয়। আয়, বয়স, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, বসবাসের এলাকা এবং নির্বাচিত পরিকল্পনার ওপর খরচ নির্ভর করে। ২০২৬ সালে অনেকের বিমার খরচ আগের তুলনায় বাড়তে পারে।

চাকরির অবসর সঞ্চয়ের সুবিধা না বোঝা চাকরিদাতা অবসরকালীন সঞ্চয়ের সুবিধা দিলে তার নিয়ম ভালোভাবে জানা জরুরি। অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীর জমা দেওয়া অর্থের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ যোগ করে দেয়। তবে সব প্রতিষ্ঠান একই হারে অর্থ দেয় না।

কিছু ক্ষেত্রে কোম্পানির দেওয়া অর্থের পুরো মালিক হতে নির্দিষ্ট সময় চাকরিতে থাকতে হয়। তাই নতুন চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরই প্রতিষ্ঠানটির মানবসম্পদ বিভাগ থেকে এসব নিয়ম জেনে নেওয়া ভালো।

সব টাকা চলতি হিসাবে রেখে দেওয়া দৈনন্দিন খরচের জন্য চলতি হিসাব প্রয়োজন হলেও দীর্ঘমেয়াদি জরুরি সঞ্চয়ের জন্য সুদ পাওয়া যায় এমন সঞ্চয় হিসাব বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে সব ব্যাংকে একই হারে সুদ পাওয়া যায় না এবং সময়ের সাথে সাথে সুদের হার পরিবর্তিত হয়।

কাজেই হিসাব খোলার আগে বর্তমান সুদের হার, কোনো অতিরিক্ত খরচ আছে কি না, টাকা তোলার নিয়ম এবং প্রতিষ্ঠানটি সরকারি সুরক্ষার আওতায় আছে কি না—এসব যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

নতুন অভিবাসীদের জন্য ডাক বিভাগের একটি বিনা খরচের সেবাও কাজে লাগতে পারে। এর মাধ্যমে যোগ্য ঠিকানায় পৌঁছানোর আগে কিছু চিঠির বাইরের অংশের ছবি এবং নির্দিষ্ট পার্সেলের অবস্থান জানা যায়। তবে এই সেবা সব চিঠি বা গুরুত্বপূর্ণ নথি হারানো ঠেকানোর নিশ্চয়তা দেয় না।

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আসার পর প্রথম কয়েক মাসে আর্থিক ইতিহাস তৈরি, সঠিকভাবে করের তথ্য দেওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা বিমা নেওয়া, চাকরির অবসরকালীন সুবিধা বোঝা এবং সঞ্চয়ের জন্য উপযুক্ত হিসাব বেছে নেওয়া ভবিষ্যতে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

তবে এসব নিয়ম মেনে চললেই সবাই নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা সাশ্রয় করবেন—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। ব্যক্তির আয়, পরিবার, অঙ্গরাজ্য, চাকরি এবং আর্থিক অবস্থার ওপর সাশ্রয়ের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে বেধড়ক পিটুনি, অতঃপর মা/রা গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে বেধড়ক পিটুনি, অতঃপর মা/রা গেল

ঢাকার ধামরাইয়ে রাইস মিলের মোটরের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে শঙ্কর মণ্ডল নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটুনির সাত দিন পর তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে ধামরাই পৌরসভার পশ্চিম কায়েত পাড়া এলাকায় নিজের বাড়িতে তার মৃত্যু ঘটেছিল।

জানা যায়, ৮ আগস্ট স্থানীয় ওয়াজেদ হাজীর রাইস মিলে তার নেতৃত্বে শঙ্কর মণ্ডলের মারধরের ঘটনা ঘটে। মৃত শঙ্কর মণ্ডল ধামরাইয়ের পশ্চিম কায়েত পাড়া এলাকার বদন চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

মৃতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, গত ৮ আগস্ট ওয়াজেদ হাজীর রাইস মিল থেকে মোটরের একটি যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটে। এ চুরিতে জড়িত থাকার সন্দেহে শঙ্করকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন মিল মালিক। শঙ্করের সঙ্গে তার বাবা ও স্থানীয় অন্য এক ব্যক্তি মিলে যান এ সময়। তবে বাবা ও সেই ব্যক্তিকে বাইরে পাঠিয়ে মিলের ভেতরে শঙ্করকে মারধর করা হয় মিল মালিকের দ্বারা। এতেও শঙ্কর চুরির বিষয়ে কোনো স্বীকারোক্তি না দিলে একপর্যায়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মারধরের কারণে গুরুতর আহত অবস্থায় শঙ্করকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

তবে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু আর্থিক সংকুলান না থাকার কারণে পরিবার তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসে। আহত অবস্থায় বাড়িতে থাকার সময় সাত দিন পর আজ শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

মৃতের বাবা বদন চন্দ্র মণ্ডল বলেন, “আমার ছেলে আমার সঙ্গে কাজ করে। এরপরও আমার ছেলে চুরি করছে বলে খবর পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে আমিসহ তাকে নিয়ে মিলে গিয়েছি। তারপর আমাদের বের করে দিয়ে তাকে ভেতরে মারধর করে। রাতে ছেড়ে দেয়। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তারা ঢাকায় নিতে বলে। কিন্তু টাকা নাই, কীভাবে নেব? আজ আমার ছেলে মারা গেছে।”

মিল মালিক ডেকে নেওয়ার সময় শঙ্করের সঙ্গে মিলে যাওয়া স্থানীয় বাসিন্দা জিয়াউর রহমান বলেন, “শঙ্করের বাবা আমার এলাকার প্রতিবেশী। চুরির বিষয়ে অন্য একজনের কথা অনুযায়ী তাকে ধরে নিয়ে যায়, জিজ্ঞাসা করার কথা বলে। তখন আমরা শঙ্কর ও তার বাবাসহ মিলে যাই। তখন বলে, আপনারা বাইরে যান। আমি ও ওর বাবা বাইরে চলে যাই। তখন ভেতরে তাকে মারধর করে। যখন বের করে দেয়, ও হাঁটতে পারে না। এরপর আজ তার মৃত্যু হয়।”

ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি। পরিবারের অভিযোগ, ওয়াজেদ হাজি নামে এক ব্যক্তি রাইস মিলের চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৮ আগস্ট শঙ্করকে মারধর করেন। পরে তাকে ধামরাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তারা ঢাকায় নিতে পরামর্শ দেন। তবে আর্থিক কারণে তারা নিতে পারেননি। শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। আমরা মরদেহের সুরতহাল করেছি। এই ঘটনায় মৃতের পরিবার অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালাল মাজারের দানবাক্স ৩৪ দিন পর খুলল, চলছে টাকা গণনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


শাহজালাল মাজারের দানবাক্স ৩৪ দিন পর খুলল, চলছে টাকা গণনা

৩৪ দিন পর আবারও খুলেছে সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্স। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে দানবাক্স খুলে তৃতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে টাকা গণনা শুরু হয়েছে।

মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনতে গঠিত কমিটির সদস্য এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকে গণনা শুরু হয়েছে। গণনা শেষে পাওয়া অর্থের পরিমাণ সবার জন্য প্রকাশ করা হবে।

এর আগে গত ২২ জুন প্রথমবারের মতো মাত্র চার দিনের জমা হওয়া দানের টাকা প্রকাশ্যে গণনা করা হয়। ওইদিন দানবাক্সে নগদ ১৭ লাখ ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়। এরপর ১৮ দিন পর গত ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খোলা হলে পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা। এ সময় একাধিক দেশের মুদ্রাসহ বিভিন্ন সামগ্রীও পাওয়া যায়।

দ্বিতীয় দফার গণনার ৩৪ দিন পর এবার তৃতীয়বারের মতো দানবাক্স খোলা হলো।

প্রসঙ্গত, গত ১২ জুন হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শনে গিয়ে আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ নেন সিলেটের তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। পরে তার নির্দেশে ১৮ জুন পুরোনো তিনটি ডেগে সিলগালা এবং নতুন দানবাক্স বসানো হলে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে নেয় সরকার।

তবে প্রত্যাহারের আদেশের পরও গত ২২ জুন সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মাজারের দানের টাকা গণনা করা হয়।

পরবর্তীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে ২৬ জুন সিলেট সার্কিট হাউজে এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মাজারের পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্থায়ী স্বচ্ছতা আনতে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটিকে এক মাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা বলা হলেও গঠনের প্রায় দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা রূপরেখা দিতে পারেনি কমিটি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৮ শি/শুর মৃ/ত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৮ শি/শুর মৃ/ত্যু

দেশের পরিস্থিতিতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত সংখ্যা ৭৯৮ শিশুর।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন জানায় এ তথ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু নিশ্চিতভাবে জানা গেছে, হামে আক্রান্ত হয়ে কোনও শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এখন পর্যন্ত ১৫ মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে মোট ৮০৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেইসাথে, হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯০২টি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

অন্যদিকে, ২৪ ঘণ্টায় ৭০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা এখন ৭২৮। এই সময়ে ৭০০টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেয়েছে ৫৪৯টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৮০০। এর মধ্যে হাসপাতাল ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৪, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরে গেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%